এইস এসসির পর ?

এইচ এসসির পর কী নিয়ে পড়ব ও কি করব ?After HSC what can I do?

Table of Contents সূচিপত্র

এইচ এসসির পর কী নিয়ে পড়ব ও কি করব ?

আসসালামু আলাইকুম । আমি আজকের এইচ এসসির পর কী নিয়ে পড়ব ও কি করব ?After HSC what can I do?আর্টিকেলে ( In this paragrap ) মোটানোটি বিভিন্ন ডিগ্রি নিয়ে কথা বলার চেষ্টা করেছি  এবং ভবিষ্যৎ কি কি সুবিধা রয়েছে তা নিয়ে কথা বলার চেষ্টা করেছি  এবং কোন ডিগ্রি  করলে কি কি সুযোগ সুবিধা রয়েছে এবং এইচ এস সির পরে কি কি করা যায় বা করলে আমাদের জন্য ভাল তা নিয়ে ও কথা বলেছি ।  আশা করি শেষ পর্যন্ত থাকবেন তো চলুন শুরু করা যাক ।🙂😍

ক্যারিয়ার প্ল্যান শুরু হয় এসএসসি পরীক্ষার পর থেকে । মূলত শিক্ষার্থীদের তখন থেকেই ভাবা উচিত আমি কোন বিষয়ে ভর্তি হলে বা কোন বিষয় নিয়ে পড়াশোনা করলে সামনের ৪ বা ৫ বছর পর আমার ক্যারিয়ার ভালো অবস্থানে যাবে ।তো আজকে এইসব বিষয়ের কতোগুলা ক্যাটাগরি নিয়ে কথা বলার চেষ্টা করবো তার  মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ঃ

  1. IELTS 
  2. নার্সিং ও প্যারামেডিকেল ডিপ্লোমাঃ
  3. ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিংঃ
  4. বিশ্ববিদ্যালয়
  5. মেডিকেল
  6. Diploma in Digital Marketing 
  7. Web Designing 
  8. Photography Course
  9. Diploma in Digital Marketing 
  10. After HSC Courses for Science Faculty Students 
  11. Courses After HSC Commerce Faculty Students

এইচএসসির পর কী নিয়ে পড়ব ?

এসএসসি পাশ করার পর একজন শিক্ষার্থীর স্বাভাবিক ভাবেই কলেজে ভর্তি হতে চায়। এইচএসসি কমপ্লিট করে বিসিএস ক্যাডার থেকে শুরু করে সরকারি চাকরিতে বেশ ভালো সুযোগ সুবিধা রয়েছে । যদি আমরা ধরি বাংলাদেশের 95 শতাংশ শিক্ষার্থী এসএসসি শেষ করার পর এইচএসসি নিয়ে পড়াশোনা শুরু করে বা কলেজে ভর্তি হয়।

এইচ এসসির পর কী পড়বে, কোথায় পড়বে—এই সিদ্ধান্ত নেওয়া খুব একটা সহজ নয় বর্তমানে। দেশে ১৫১টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৫০টির বেশি বিষয় রয়েছে। কেবল কম্পিউটারবিজ্ঞান–সংক্রান্ত বিষয় রয়েছে কমপক্ষে ১০টি। কম্পিউটারবিজ্ঞান, কম্পিউটার কৌশল, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, কম্পিউটার ও কমিউনিকেশন, কম্পিউটার ও ইলেকট্রিক্যাল, সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং ইত্যাদি।

এগুলোর সূক্ষ্ম পার্থক্যই–বা ছেলেমেয়েরা কেমনে জানবে? কাজেই ওরা ইলেকট্রিক্যাল না কম্পিউটার, সিভিল না মেকানিক্যাল, অ্যাপ্লাইড কেমিস্ট্রি না কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং—এসব নিয়ে দ্বিধায় থাকে ভর্তি হওয়ার আগের দিন পর্যন্ত।

তার ওপর আছে কোথায় পড়বে? ঢাবির সিএসইতে পড়বে নাকি বুয়েটে ইইই, বিইউপির বিবিএ নাকি কুয়েটে সিএসই, নর্থ সাউথে ইকোনমিকস নাকি রুয়েটে একটা কিছু? শাহজালালে স্থাপত্য নাকি চুয়েটে? বুয়েটে কেমিক্যাল নাকি বুটেক্সে টেক্সটাইল কেমিক্যাল? হোম ইকোনমিকস কলেজের রিসোর্স ইউটিলাইজেশন অ্যান্ড এন্ট্রাপ্রেনিউরশিপের সঙ্গে ড্যাফোডিলের ইনোভেশন অ্যান্ড এন্ট্রাপ্রেনিউরশিপেরই–বা পার্থক্য কী?

এইচ এসসি পাশের পর কোথায় ভর্তি হব?

বর্তমান বিশ্ব একটি প্রতিযোগিতা মূলক জায়গা যেখানে চাকরি পাওয়া যেন কঠিনো থেকে কঠিন । আর জেনারেল লাইনে চাকরি তো ,,,, পড়া শেষ করে 3,,,4 বছর ঘোরার পরো চাকুরি মেলে না । বলাই বাহুল্য যে একটি প্রতিষ্ঠানে লোক নিবে 10 জন । আর আবেদন করে 2000 জন । চাকুরি কাকে দেয় । তারপরেও যার টাকা আছে তারি চাকুরি আগে হয়।

 তাই আমার মতে আপনি জেনারেল লাইনে না পরে ইন্জিনিয়ার লাইন এ যান । আমার মতে আপনাকে ভবিষং এ চাকুরির জন্য চিন্তা করতে হবে না । \ / তারপরেও বলা দরকার যে পরিবারের মতামত নিতান্তই খুবই জরুরি তবে , আপনি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স না পেলে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় অথবা প্রাইবেট বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে পারবেন।

ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ও বেসরকারী engeneering কলেজে আপনি science থেকে ভর্তি হতে পারবেন|

এইচএসসির পর IELTS

Firstly , IELTS (The International English Language Testing System) হচ্ছে ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা অর্জনের সনদ।যাদের মাতৃভাষা ইংরেজিনাম নয় তাদের ক্ষেত্রে বিভিন্ন দেশ উচ্চশিক্ষা কিম্বা কাজের ভিসার জন্য ভালো IELTS স্কোর চায়।যা আন্তর্জাতিক স্বীকৃত।

 IELTS পরীক্ষা পদ্ধতি দুই ধরনের “একাডেমিক ও জেনারেল “যারা উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশ যেতে ইচ্ছুক তাদেরকে একাডেমিক IELTS পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়।আর জেনারেল IELTS পরীক্ষায় অংশ গ্রহনের জন্য কোন শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রয়োজন নাই।সুতরাং আপনি IELTS করতে পারবেন।

এটি ছাত্রদের মধ্যে আরেকটি বিখ্যাত অভিশাপ। সাধারণত, সব বয়সের শিক্ষার্থীরা আইইএলটিএস কোর্সে যোগদান করছে। আপনি এইচএসসি ফলাফল পাওয়ার পরে, একজন শিক্ষার্থী নিজেকে একটি বিখ্যাত ভাষা শিক্ষা কেন্দ্রে IELTS কোর্সে ভর্তি করতে পারে। এই কোর্সটি আপনাকে ইংরেজি ভাষায় নিজেকে আপগ্রেড করতে সহায়তা করবে।

আমরা সকলেই জানি, ইংরেজি একটি আন্তর্জাতিক ভাষা, এবং আপনার জীবনে উজ্জ্বল হওয়ার জন্য, আপনার কাছে সাবলীলভাবে সঠিক ইংরেজি বলতে এবং লিখতে অন্য কোন বিকল্প নেই। আইইএলটিএস করে এবং আইইএলটিএস পরীক্ষায় ভালো স্কোর পাওয়ার পর আপনি

বিদেশে বিশেষ করে উন্নত দেশগুলোতে বিশ্ববিদ্যালয় খুঁজতে পারেন। অনেক নামী-দামী বিশ্ববিদ্যালয় IELTS-এ ভালো ফলাফল করা শিক্ষার্থীদের সুযোগ দেয়। একটি ভাল IELTS স্কোর আপনাকে আপনার ভবিষ্যত জীবনকে উন্নত করার সুযোগ দেবে, নিঃসন্দেহে।

IELTS করতে হলে কি আমাকে HSC পাশ করা লাগবে?

IELTS test এর eligibility অনুযায়ী পক্ষে 16 বছর বয়স হলেই IELTS test এর জন্য ও বসতে পারবে।এখন যদি আপনার এইচএসসি পাশ করার আগেই 16 বছর হয়ে যায় তাহলে আপনি এইচএসসি পাশ করার আগেই IELTS দিতে পারবেন।

এইচএসসির পর নার্সিং ও প্যারামেডিকেল ডিপ্লোমা

Secondly ,  নার্সিং মেয়েদের জন্য একটু বেশি সুবিধা বহন করে । তবে বর্তমান সময়ে ছেলে এবং মেয়ে উভয় নার্সিং পড়াশোনা করছে। সে ক্ষেত্রে সরকার প্রতিবছর প্রচুর পরিমাণ নার্স নিয়োগ দিয়ে থাকে । তাছাড়া প্যারামেডিকেল সেক্টর চাকরির চাহিদা অনেক বেশি ।

তাই এই বিষয়গুলো নিয়ে যারা পড়াশোনা করে তাদের কখনো বেকার থাকতে হয় না। তারা তাদের নিজস্ব দক্ষতা দিয়ে বা সার্টিফিকেট দেখে যেকোনো জায়গায় সহজে চাকরি পেয়ে যায় ।নার্সিং এ ভর্তি হওয়ার জন্য সরকারি নার্সিং কলেজ গুলোতে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় তাছাড়া বিষয়কে নার্সিং কলেজে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় না।

এইচএসসির পর ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং

Thirdly , বর্তমান বিশ্বে দক্ষ হয়ে ওঠার জন্য সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়াটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ । কর্মমুখী জীবন গড়ে তুলতে ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং এর গুরুত্ব অনেক বেশি। এসএসসির পর চার বছরের ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং এ ভর্তি হতে পারো । যেসব বিষয় তুমি ভর্তি হতে পারবে তারমধ্যে উল্ল্যেখযোগ্য বিষয়গুলো হলঃ  For instance : 

  1. সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং
  2. ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং
  3. ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং
  4. কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং
  5. আর্কিটেকচার ইঞ্জিনিয়ারিং
  6. মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং
  7. কেমিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং
  8. অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ারিং
  9. ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং
  10. এনভারমেন্ট ইঞ্জিনিয়ারিং
  11. রিফ্রিজারেশন অ্যান্ড এয়ার কন্ডিশন ইঞ্জিনিয়ারিং
  12. টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং ইত্যাদি।

ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তির যোগ্যতাঃ

কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং এ পড়তে চাইলে এসএসসি / দাখিল পরীক্ষা উত্তীর্ণ হতে হবে । সরকারি পলিটেকনিক্যাল ইন্সটিটিউট এর জন্য আবেদন করতে চাইলে গণিত ও উচ্চতর গণিত 3.5 থাকতে হবে গণিতে 3.00 থাকতে হবে এছাড়া বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য 2 পয়েন্ট পেলে চলবে।

এইচএসসির পর বিশ্ববিদ্যালয়

পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক: দেশের নামকরা পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভের স্বপ্ন কার না থাকে। স্বপ্নপূরণ করতে এইচএসসি পাসের পর ভর্তি হতে পারেন ঢাকা, রাজশাহী, খুলনা, চট্টগ্রাম, জাহাঙ্গীরনগরসহ দেশের সর্বোচ্চ মানের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে। চার বছরের স্নাতক ডিগ্রি লাভের পর করতে পারবেন স্নাতকোত্তর।

হতে পারবেন বিভিন্ন বিষয়ের স্পেশালিস্ট।বিজ্ঞানের শিক্ষার্থীরা কেউ বা কেমিস্ট আবার অনেকেই পদার্থবিদ্যায় পারদর্শিতা দেখিয়ে হতে পারেন বিজ্ঞানী। প্রাণিবিদ্যায় পড়ে হবেন প্রাণিবিদ। আবার উদ্ভিদবিদ্যা ও গণিতের মতো অনেক ভালো বিষয়গুলোতে হতে পারেন বিশেষজ্ঞ। ব্যবসায় শাখার শিক্ষার্থীদের পছন্দের বিষয় আইবিএ, বিবিএ অথবা অ্যাকাউন্টিং, ম্যানেজমেন্ট। কলা বিভাগের বিভিন্ন বিষয়ে পড়াশোনা করে হতে পারবেন অর্থনীতিবিদ।

কেউবা আবার হয়ে যাবেন ইতিহাসবেত্তা, দার্শনিক। চারুকলা আর আইন অনুষদে পড়াশোনা করে হয়ে যেতে পারেন শিল্পী ও আইনজ্ঞ। পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এমন আরও অনেক ভালো ভালো বিষয় আছে। এখানকার আরেকটি সুবিধা হল পড়াশোনার খরচ অত্যন্ত কম। থাকা খাওয়ার জন্য রয়েছে আবাসিক হল ব্যবস্থা।

 বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বপ্নের দিনগুলো শেষ করতেই আপনার জন্য অপেক্ষমাণ থাকছে সমৃদ্ধ ক্যারিয়ার। পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আসন সংখ্যা শিক্ষার্থীর তুলনায় কম। ফলে আপনাকে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। যার জন্য প্রস্তুতি ও ভর্তি পরীক্ষা হওয়া চাই সর্বোচ্চ ভালো।

এইচএসসির পর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

এইচএসসি পাসের পর পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে না পারলে শেষ ভরসা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে বিভিন্ন বিষয়ে অনার্স ও মাস্টার্স কোর্স করতে পারবেন। এছাড়া জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ডিগ্রি প্রোগ্রামে ভর্তি হতে পারবেন।

এছাড়াও বিভিন্ন প্রোফেশনাল কোর্সে ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করতে পারবেন। CAT, ACCA এর মতো আন্তর্জাতিকমানের কোর্সগুলো সম্পন্ন করে চাকরি করতে পারবেন বিশ্বের প্রায় সব দেশে।

এইচ এসসির পর মেডিকেল

মেডিকেল কলেজে পড়াশোনা সেবামূলক ও সম্মানজনক পেশা চিকিৎসক পেশা। এইচএসসি পাসের পর দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তি হয়ে পড়তে পারেন এমবিবিএস কোর্স। মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করার উত্তম পেশা ডাক্তারি পেশা। আত্মসেবামূলক পেশায় নিজেকে নিয়োজিত করার এক অনন্য সুযোগ রয়েছে এই পেশায়। রয়েছে নিজেকে সুপ্রতিষ্ঠিত করার বহু পথ।

এমবিবিএস কোর্সে প্রতিবছর মেডিকেল কলেজগুলোতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। সেজন্য আপনাকে নামতে হবে অগ্নিপরীক্ষায়। পাল্লা দিতে হবে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর সঙ্গে। নৈর্বক্তিক পরীক্ষায় অবশ্যই ভালো করতে হবে। আসন সংখ্যা সীমিত কিন্তু পরীক্ষার্থী অনেক বেশি। এ ক্ষেত্রে আপনাকে বেশ ভালো প্রস্তুতি নিতে হবে। মেধা তালিকার ভিত্তিতে ভাগ করে দেয়া হবে বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ।

সরকারি মেডিকেল কলেজের পাশাপাশি রয়েছে বিভিন্ন বেসরকারি মেডিকেল কলেজ। তবে সরকারির তুলনায় বেসরকারিতে পড়াশোনার খরচ অনেক বেশি। সরকারি মেডিকেলের পড়ার মানও অনেক ভালো। তাই প্রস্তুতি নিতে হবে জোরেশোরে। ডেন্টাল কলেজেও একই অবস্থা। সরকারি ডেন্টাল কলেজে ভর্তির জন্য ও ভর্তি প্রয়োজনীতায় অংশগ্রহণ করতে হবে। ডাক্তারি পেশায় সম্মানের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পথও আছে অনেক।

আমাদের দেশে বর্তমানে ১৪টি সরকারি মেডিকেল কলেজ রয়েছে। এর সবগুলোতেই MBBS কোর্স চালু রয়েছে। এছাড়া বেসরকারি পর্যায়ে অনেকগুলো মেডিকেল কলেজ রয়েছে। সরকারি পর্যায়ে আসন সংখ্যা ২০৬০টি। ছাত্রদের পছন্দ ও মেধাস্থান অনুযায়ী কে কোন মেডিকেলে চান্স পাবে তা নির্ধারিত হয়। সরকারি মেডিকেল কলেজগুলোর নাম- For instance

১. ঢাকা মেডিকেল কলেজ, ঢাকা

২. স্যার সলিমূল্লাহ মেডিকেল কলেজ, ঢাকা।

৩. বেগম খালেদা জিয়া মেডিকেল কলেজ, ঢাকা।

৪. ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ, ময়মনসিংহ।

৫. চট্রগ্রাম মেডিকেল কলেজ, চট্রগ্রাম

৬. রাজশাহী মেডিকেল কলেজ, রাজশাহী।

৭. সিলেট এম. এ. জি. ওসমানী মেডিকেল কলেজ, সিলেট।

 

৮. শের-এ-বাংলা মেডিকেল কলেজ, বরিশাল।

৯. খুলনা মেডিকেল কলেজ, খুলনা।

১০. শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ, বগুড়া।

১১. রংপুর মেডিকেল কলেজ, রংপুর।

১২. ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ, ফরিদপুর।

১৩. দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ, দিনাজপুর।

১৪. কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ, কুমিল্লা।

বেসরকারি মেডিকেল কলেজগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল-

১. বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ, ধানমণ্ডি, ঢাকা।

২. আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজ, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, ঢাকা।

৩. ইনস্টিটিউট অব অ্যাপ্লাইড হেলথ ক্যাব টেকনোলজি, চট্টগ্রাম।

৪. মেডিকেল কলেজ ফর উইমেন্স, উত্তরা, ঢাকা।

৫. জরিনা শিকদার মহিলা মেডিকেল কলেজ, রায়ের বাজার, ঢাকা।

৬. ইবনে সিনা মেডিকেল কলেজ, ঢাকা।

৭. ইসলামী ব্যাংক মেডিকেল কলেজ, রাজশাহী।

৮. সেন্ট্রাল মেডিকেল কলেজ, কুমিল্লা।

৯. ডা. ইবরাহীম মেডিকেল কলেজ, ঢাকা।

১০. জালালাবাদ আর আর মেডিকেল কলেজ, সিলেট।

১১. ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ, জনসন রোড, ঢাকা।

১২. কম্যুনিটি বেইসড মেডিকেল কলেজ, ময়মনসিংহ।

১৩. নর্থ ইস্ট মেডিকেল কলেজ, সিলেট।

১৪. হলি ফ্যামিলি মেডিকেল কলেজ, ঢাকা।

১৫. নর্দার্ন ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ, ঢাকা।সাধারণত সরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তি কার্যক্রম সমাপ্তির পর এদেশের প্রাইভেট মেডিলেকল কলেজের ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। এক্ষেত্রে খরচ অত্যন্ত বেশি।

এইচ এসসির পাশের পর মানবিক পড়ুয়াদের জন্য

মানবিক পড়ুয়াদের জন্য আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, ইংরেজি, জেন্ডার স্টাডিজ, ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ, রাষ্ট্রবিজ্ঞানের চাহিদা বেশি। যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজে ইংরেজিতে পড়তে পারো। অন্য বিভাগগুলো সব বিশ্ববিদ্যালয়ে নেই। খোঁজ নিতে হবে এবং সেভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে।

দেশে অনেক বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয় ও বিষয় এখন চালু হচ্ছে। এর মধ্যে চট্টগ্রামের ভেটেরিনারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়লে তুমি পাস করতে করতেই চাকরি পেয়ে যেতে পারো, কারণ দেশে গবাদিপশুর চিকিৎসক, বিশেষজ্ঞের চাহিদার এক কোনাও এখন পর্যন্ত পূরণ হয়নি। পড়তে পারো দেশের হাতে গোনা নার্সিং ইনস্টিটিউটে। আমাদের দেশেরই বটে, সারা বিশ্বে নার্সিং পেশার কদর বাড়ছে, চাহিদাও বাড়ছে।

অনেকই এখন উদ্যোক্তা হতে চায়। আমার জানামতে, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ইনোভেশন অ্যান্ড এন্ট্রাপ্রেনিউরশিপের অনার্স কোর্স রয়েছে। শুনেছি, হোম ইকোনমিকসে ‘রিসোর্স ইউটিলাইজেশন অ্যান্ড এন্ট্রাপ্রেনিউরশিপের ওপর অনার্স করা যায়।

Hsc এর পর কি করা যায়?

এখন আসি এইচ এস সির পরে কি কি করলে আমাদের লাইফটা আরো উজ্জ্বল করতে পারি 

1. Diploma in Digital Marketing

বেশিরভাগ কোম্পানি ডিজিটাল মার্কেটিং এর উপর নির্ভরশীল নয়। কারণ বিশ্ব নিজেকে এমন একটি বিশ্বে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে যেখানে সবকিছু ডিজিটালভাবে পরিচালনা করা হবে। আপনি যদি ডিজিটাল মার্কেটিং এ ডিপ্লোমা করেন, তাহলে আপনি বাজার মূল্যায়ন, ব্যবস্থাপনা এবং গবেষণার সাথে নিজেকে সজ্জিত করতে সক্ষম হবেন।

এই স্বল্পমেয়াদী কোর্সটি করার মাধ্যমে, আপনি আপনার আর্থিক এবং ব্যক্তিগত উভয় উন্নতি করতে পারেন। ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্সে অনেক সাবক্যাটাগরি পাওয়া যায় , যেমন 

  1. Social Media Marketing (SMM)
  2. Search Engine Optimization (SEO) 
  3. Pay-Per-Click (PPC) 
  4. Conversion Optimization
  5. Web Analytics
  6. Content Marketing 
  7. Mobile Marketing 
  8. Email Marketing 
  9. Google Analytics.
  10. Google Ads
  11. Facebook, YouTube,
  12. Instagram Marketing
  1. বেশ কয়েকটি ডিজিটাল মার্কেটিং কোম্পানি নতুন শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন পদে যোগদানের সুযোগ দিচ্ছে। চাকরির পোস্টগুলি হল এসইও বিশ্লেষক, ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সিকিউটিভ, ওয়েব অ্যানালিটিক্স ম্যানেজার এবং কয়েকটি নাম। যেকোন কোম্পানিতে যোগদান করা ছাড়া, আপনি অনেকের মাধ্যমে পৃথক সেবা প্রদান করতে পারেন

এবং অনলাইন মার্কেটপ্লেস যেমন  UpWork, Fiver, People Per Hour, Freelancer.com, etc. এই সব সাইটে কাজ করে ভালো আর্ন করতে পারেন । 

Hsc এর পর ক্যারিয়ার Web Designing course

একটি ওয়েব ডিজাইনিং কোর্স কম্পিউটার সায়েন্স এবং আইটি ক্ষেত্রের অন্তর্গত। এটি শিক্ষার্থীদের ওয়েব পৃষ্ঠাগুলি তৈরি এবং বজায় রাখার জন্য বিভিন্ন কৌশল, সরঞ্জাম এবং প্রোগ্রামিং ভাষা শিখতে সক্ষম করে। এই ক্ষেত্রে সার্টিফিকেট এবং ডিপ্লোমা কোর্স থেকে শুরু করে UG, PG, এবং PGDM প্রোগ্রাম পর্যন্ত কোর্সের একটি বিন্যাস রয়েছে

ওয়েব ডিজাইনিং কোর্স কি?

ওয়েব ডিজাইনিং কোর্সগুলি কম্পিউটার সায়েন্স এবং আইটি ক্ষেত্রের অংশ যার জন্য ছাত্রদের গতিশীল ওয়েব পেজ তৈরি করতে সার্ভার প্রোগ্রামিং ভাষা শিখতে হয়। যারা আইটি সেক্টরে ভালো শুরু করতে চান এবং উচ্চ বেতনের চাকরি পেতে চান তাদের কাছে ওয়েব ডিজাইন কোর্সগুলি অত্যন্ত পছন্দের।

ওয়েব ডিজাইন করা কি সহজ?

ওয়েব ডিজাইন কি সহজ? At first ,  এটি শুরুতে সহজ মনে হতে পারে কারণ আপনি কয়েক মাসের মধ্যে HTML এবং CSS এর মূল বিষয়গুলি শিখতে পারবেন। কিন্তু আপনি এই শিল্পে অগ্রসর হওয়ার সাথে সাথে আপনি এটিকে আরও চ্যালেঞ্জিং মনে করতে পারেন। সমস্ত পরিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে আপনাকে ক্রমাগত নতুন প্রযুক্তি শিখতে হবে।

ওয়েব ডিজাইন কি ভালো ক্যারিয়ার?

ওয়েব ডিজাইন কি ক্যারিয়ারের দৃষ্টিকোণ থেকে ভাল, ওয়েব ডিজাইন আইটি শিল্পে ক্যারিয়ার শুরু করার জন্য একটি ভাল বিকল্প/সুযোগ? ওয়েব ডিজাইনাররা সরকারী বা বেসরকারী সংস্থা, ব্যবসা, শিল্প এবং কর্পোরেট ফার্মের জন্য ওয়েবসাইট, ওয়েব পেজ এবং ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন ডিজাইন করে অনলাইনে তাদের পরিচয় প্রতিষ্ঠা করতে।?

এইচএসসির পর কি করতে পারি ?

What is a basic photography course?

ক্যামেরা কন্ট্রোল, লেন্স এবং আলোর সরঞ্জাম সহ ফটোগ্রাফিক ক্যামেরার প্রযুক্তিগত দিকগুলিও এই কোর্সে কভার করা হয়েছে। এই কোর্সের উদ্দেশ্য হল ফটোগ্রাফিক প্রক্রিয়ার প্রাথমিক জ্ঞান, পেশাদার পরিষেবাগুলির ব্যবহার এবং ভূমিকা সহ।

আমি কি নিজে থেকে ফটোগ্রাফি শিখতে পারি?

আপনি নিজে ফটোগ্রাফি শিখতে পারেন? একেবারেই! ইন্টারনেট বিশ্বের সেরা ফটোগ্রাফার এবং সেরা মনকে এক জায়গায় নিয়ে এসেছে৷ আপনার যে ধরনের ফটোগ্রাফি বা প্রশ্ন থাকুক না কেন আপনি অনলাইনে উত্তর পেতে পারেন।

এইচ এসসির পর বিদেশে উচ্চশিক্ষা

দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশে পড়ার সুযোগ রয়েছে। বিদেশের নামকরা সব বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে নিজেকে করতে পারেন সুপ্রতিষ্ঠিত। বিদেশে উচ্চশিক্ষার সুযোগ করে দিচ্ছে ব্রিটিশ কাউন্সিলের মতো প্রতিষ্ঠান। তবে এর জন্য আপনাকে IELTS টেস্টে ভালো নম্বর পেতে হবে।

এইচ এসসির পর বিজ্ঞান ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য

Below are some major careers/courses after HSC/12th class for Science:

  1. Diploma in Computer Science
  2. Diploma in Electrical Engineering.
  3. Diploma in Civil Engineering.
  4. Diploma in Garments Design and Pattern Making.
  5. Diploma in Electronics Engineering.
  6. Diploma in Telecommunication Engineering.
  7. Diploma in Textile Engineering.
  8. Diploma in Software Engineering.
  9. Diploma in Community Health Care (DCHC)
  10. Diploma in Pharmacy (D. Pharm)
  11. Online Diploma in Health Professionals Education (ODHPEd) 
  12. Diploma in Midwifery
  13. Diploma in Disaster Management (PPDM)
  14. Certificate/Postgraduate Diploma in Early Childhood Development 
  15. Postgraduate Diploma in Educational Leadership, Planning and Management 
  16. Diploma Engineering in Aerospace Engineering

এইচ এসসির পর মানবিক ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য

The below list is showing how many careers/courses after HSC/12th class for arts faculty:

          1.  B.A. (Honors in Political Science) 

    1. B.A. (Honors in Sociology) 
    2. B.A. (Hons.) Economics 
    3. B.A. (Hons.) Humanities and Social Sciences 
    4. B.A. (Hons.) Social Work 
    5. B.A. (Hons) English 
    6. B.A. (Honors) History 
    7. B.A. (Honors) English with Journalism 
    8. B.A. (Journalism) 
    9. B.A. (English) 
    10. B.A. (Media & Communication) 
    11. B.A. (Psychology) 
    12. B.A. (Fine Arts) 
    13. B.A. (History) 
    14. B.A. Geography) 
    15. B.A. (Mass Communication) 
    16. B.A. (Sociology) 
    17. B.A. Economics 
    18. B.A. LL.B.

এইচ এসসির পর ব্যাবসা/ই-কমার্স ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য

Courses After HSC Commerce Faculty Students

       

  1. B.Com in Management.
  2. Bachelor of Business Administration.
  3. Bachelor of Business Studies.
  4. Chartered Accountancy.
  5. Company Secretary.
  6. Diploma in Human Resource.
  7. Diploma in Accounting and Finance.
  8. Diploma in Banking.
শুভ কামনা

       

সময়ের এক ফোঁড় অসময়ের দশ ফোঁড়- এমন সুযোগ আর আসবেনা নিজেকে গড়ার। তোমার সামনে পুরো পৃথিবী, যেটাই চাও হতে পারবে  ইনশা-আল্লাহ যদি চেষ্টা করো ।

Above all , তো যে কোন ডিপার্ট্মেন্ট এর সাবজেক্ট  বা  কোর্স হোকনা কেন আপনারা যারা যেটাতে যেখানে পড়তেছেন বা পড়বেন সেটা নিয়ে পড়েন /পড়িয়েন ।আপনারা যদি ভালোভাবে পড়েন তাহলে আপনাদের চাকরির সুযোগ সুবিধার অভাব হবে না  যেকোনো ডিগ্রিতে। তো বুঝতেই পারছেন সব ডিপার্টমেন্টের কিন্তু সুযোগ সুবিধা আছে । আপনাকে ভালো মতো পড়তে হবে। তো ভালো মতে চালিয়ে যান 😍😍 সবার জন্য শুভকামনা🥰

In conclusion , আশা করি আজকের এইচ এসসির পর কী নিয়ে পড়ব ও কি করব ? After HSC what can I do? আর্টিকেলে  আশা করি মোটামোটি বুঝাতে পেরেছি  । আর্টিকেলটি আপনাদের অনেক ভালো লেগেছে  আশা করি । ভাল লাগলে অবশ্যই আপনাদের মতামত জানাবেন কমেন্ট করবেন। 

আর আমার সাথে এখানে লাইভ চ্যাটে কথা বলতে পারেন। তো ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন। আর অবশ্যই অবশ্যই সাথে থাকবেন সাপোর্ট করবেন আসালামু আলাইকুম, আল্লাহ হাফেজ

Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *