ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবোর্ড পরিচিতি

ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবোর্ড পরিচিতি ও গুরুত্বপূর্ণ টুলস ব্যবহার

আসসালামু আলাইকুম আশা করি সবাই ভালো আছেন । আমিও আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি । আজকে আপনাদের জন্য নিয়ে আসলাম খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা টপিক ,হ্যাঁ অবশ্যই , গুরুত্বপূর্ণ হবে,  এখন দেখার পালা সেটা হচ্ছে ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবোর্ড   পরিচিতি এবং ব্যাবহার   নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো মানে পরিচিত হব । কোথায় কি আছে । ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবোর্ড পরিচিতি এবং ব্যবহার এটা অনেক লম্বা হতে পারে তার জন্য আমি ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবোর্ড নিয়ে আমি দুইটা ভাগে ভাগ করেছি আজকে হবে প্রথম পার্ট , দ্বিতীয় পার্ট  অবশ্যই আমি আনবো তাড়াতাড়ি । আপনারা প্রথম থেকে  সুন্দরতা দেখবেন ও পড়বেন ।আশা করি   বুঝতে পারবেন । তো চলুন শুরু করা যাক ।প্রথমে আমরা জানবো ওয়ার্ডপ্রেস কি হালকা-পাতলা আরকি  তো চলুন জেনে আসি । হালকা-পাতলা তবে এই পরিচিত টা কিন্তু খুবই অ্যাডভান্স না কারণ  এডভান্স করতে গেলে হয়তো আমার একটা বই বানাতে হবে প্রায় 100 থেকে 200 পৃষ্ঠা হয়ে যাবে হয়তো ।

আর যারা আমার এর আগের  পোষ্টটি দেখেছেন তাদেরকে অসংখ্য ধন্যবাদ যারা দেখেননি দেখে আসতে পারেন এখানে ক্লিক করে ধন্যবাদ ।

ওয়ার্ডপ্রেস কি?

ওয়ার্ডপ্রেস হচ্ছে ডাইনামিক কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। যেখান থেকে আপনি ডাইনামিক্যালি ওয়েবসাইটের কনটেন্ট পরিবর্তন করতে পারবেন। এজন্য আপনাকে কোডিং করতে বা সাইটে কোনাে বড় পরিবর্তন করতে হবে না। সব কিছু সিষ্টেম মতাে দেয়া থাকবে আপনি শুধু আপনার কনটেন্ট চেঞ্জ করে দেবেন।স্টাটিক ওয়েবসাইটে যেমন আপনি চাইলেই কোনাে ইমেজ বা আর্টিকেল বদলে দিতে পারেন না, এজন্য আপনাকে ওয়েব ডেভেলপারের সাথে যােগাযােগ করতে হয়। কিন্তু ডাইনামিক সাইটের জন্য আপনাকে এর কিছুই করতে হবে না। এই পুরাে প্রক্রিয়াটি কোডিং করে করতে গেলে অনেক পরিশ্রম যেমন করতে হবে, তেমনি সময়ও অনেক বেশি লাগবে। কিন্তু ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে যদি আপনি করেন তবে সময়ও যেমন বাচবে তেমনি পরিশ্রমও অনেক কম হবে।ভাবছেন এতাে সহজে কিভাবে? না এতাে সহজে আসলে নয়। আপনি হয়তাে পরিশ্রম অনেক কম করছেন কিন্তু এর পেছনে কাজ করছে একদল নিরলস স্বেচ্ছাসেবী। যারা আপনাকে একটি সিষ্টেম উপহার দিচ্ছে পেছনে থেকে। তাদের প্রতিও কৃতজ্ঞ থাকবেন। আশা করি একটি ধারনা পেয়েছেন। ধারনা আরাে পরিষ্কার হবে কাজ করতে করতে।ওয়ার্ডপ্রেসের প্রতিষ্ঠাতা ম্যাট মুলেনওয়েগ এবং তার ডেভেলপার বন্ধু মাইক লিটল ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলাপ করেন এবং ২০০৩ সালের ২৭শে মে ওয়ার্ডপ্রেসটি প্রকাশ করেন।

ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবাের্ড লগইন

ওয়েবসাইটের বিষয়বস্তু ব্যবস্থাপনার জনপ্রিয় সফটওয়্যার ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে ব্লগ বা ওয়েবসাইট তৈরি করার সব কাজই এর ড্যাশবাের্ড থেকে করতে হয়। ওয়ার্ডপ্রেস ইনস্টল করার পর ওয়ার্ডপ্রেসে লগ-ইন করে যে পেজটি দেখা যায়, সেটিই হলাে ওয়ার্ডপ্রেসের ড্যাশবাের্ড।

ড্যাশবাের্ড-এ লগ ইন করতে আপনার ওয়েবসাইটের অ্যাড্রেস এর পর লিখুন /wp-admin. মানে আপনার ওয়েবসাইট যদি হয় https://developerremo.xyz/  তাহলে আপনার শেষে  লিখতে হবে ‘wp-admin’ এই অ্যাড্রেস এ গেলে আপনি  একটা পেজ পাবেন।সেখানে ইউজারনেম আর পাসওয়ার্ড দিয়ে লগ ইন করলেই পেয়ে যাবেন আপনার ওয়েবসাইটের ড্যাশবাের্ড। এই ড্যাশবাের্ড থেকেই আপনি আপনার ওয়েবসাইটের সমস্ত কিছু নিয়ন্ত্রন করতে পারবেন। আপনি যখন আপনার ব্লগের এডমিনিস্ট্রেশন এরিয়াতে লগইন করবেন তখন প্রথম যে স্ক্রিনটি দেখতে পাবেন তাই হলাে ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবাের্ড যার মাধ্যমে ওয়েবসাইটের অভারভিউ প্রদর্শিত হবে।ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবাের্ড হলাে গ্যাজেটস(gadgets) এর সংগ্রহ যা বিভিন্ন তথ্য সরবরাহ করে এবং আপনার ওয়েবসাইটে কি ঘটেছে তার ওভারভিউ দেখায়।

ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবাের্ড পরিচিতি

ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবাের্ড পরিচিতি

আপনার লগইন করলে এই ধরনের অপশন দেখতে পাবেন ।এটা হচ্ছে ওয়ার্ডপ্রেস এডমিন প্যানেল এখানে সবকিছু মোটামুটি করা যায় । এগুলো নিয়ে আমি কথা বলব আস্তে আস্তে নিচের দিকে ।এইখানে যেটা দেখতে পাচ্ছেন এইখান  থেকে আপনারা screen option থেকে  অনেক গুলো  ঠিক মার্ক  তুলে দিয়ে মাঝখানের গুলা  আপনারা  ডিলিট করতে পারবেন আবার বাম দিকে যে পোস্ট  থেকে  পোস্ট করতে পারবেন ,  তারপর মেনু ক্রিয়েট করতে পারবেন , থিম আর প্লাগিন ইন্সটল করতে পারবেন । এবং সেটিং থেকে আমরা মোটামুটি সব কিছু সেটিং করতে পারব । তো মোটামুটি ধারণা পেয়েছেন । আর  আপনারা কর্নারে ডানপাশে উপরে যেটা হচ্ছে আমার প্রোফাইল  চাইলে এখান থেকে লগ আউট করতে পারব । এখানে আমার ইউজারনেম টাও  দেখা যাচ্ছে । তো চলুন আমরা  একটা একটা সেটিং নিয়ে বিস্তারিত জেনে নি কোনটার কি করতে হয় বা কি কাজ ।

WordPress Screen Options

ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবাের্ড পরিচিতি

আপনারা দেখতে পাচ্ছেন ওয়ার্ডপ্রেস উপর এর স্ক্রিন অপশনটা কেমন  এগুলো পড়ে নিতে পারেন উপরের ঠিক মার্ক  আমরা তুলে দিয়ে হোম পেজের ওয়েল্কাম বা ড্রাপ্ট গুলা রিমুভ করতে পারেন । আবারো  চাইলে পরে স্ক্রীন অপশনে ক্লিক করে ওগুলা টিক মার্ক দিয়ে নিয়ে আসতে পারবেন সমস্যা না ।

WordPress Post

তো এখন আসেন পোস্ট এর ব্যাপারে পোস্ট মানে আমরা তো চিনি আমরা যেগুলো ব্লগ  লিখি   আর পোস্ট মানে লেখালেখি করা ।তো এই পোস্টে ক্লিক করলে এখানে পোস্ট অপশন দেখা যায় আপ্নারা দেখতে পাচ্ছেন ক্যাটাগরি, তারপর অ্যাড গুলো দেখতে পারছেন তো ওখানে পোস্ট করতে পারবেন  চলো দেখে আসি ।

WordPress Post Setting

post create wordpress

তো আপনারা অল পোস্ট থেকে এড করতে পারেন তো  এখান থেকে ডাইরেক অ্যাড নিউ পোস্ট করে  সহজেই  পারেন তো সুবিধা মত আমি এড পোস্টে ক্লিক করলাম তখন এই পেজটা এভাবে আসলো । তো  আমার ডান পাশে category এবং ফিচার আরেকটা অপশন থিম এর  আমরা এর আগের পোস্টে কাজ করছি এইটা নিয়ে । আমরা এখানে  ক্যাটাগরি আর ঠ্যাগ  দিব তারপর নিচে গিয়ে আমরা চাইলে  ডেসস্ক্রিপশন  দিতে পারি । এখন  আসি চলেন ক্যাটাগরি  ট্যাগ গুলো নিয়ে একটু বিস্তারিত জেনে নি ।

what is a wordpress category ?

ওয়ার্ডপ্রেসে কি কি বিভাগ আছে? সংক্ষেপে, বিভাগগুলি একটি ওয়ার্ডপ্রেস সাইটে সামগ্রী গোষ্ঠীভুক্ত করার সবচেয়ে সাধারণ পদ্ধতি। একটি বিভাগ একটি বিষয় বা বিষয়গুলির একটি গ্রুপের প্রতীক যা কোনো না কোনোভাবে একে অপরের সাথে সংযুক্ত। কখনও কখনও, একটি পোস্ট একই সময়ে অনেক বিভাগের অন্তর্গত হতে পারে।

What Are WordPress Tags ?

একটি ওয়ার্ডপ্রেস ট্যাগ হল একটি ডিফল্ট টুল যা আপনি আপনার ওয়ার্ডপ্রেস পোস্টগুলিকে শ্রেণীবদ্ধ করতে ব্যবহার করতে পারেন। প্রতিটি পোস্টে একাধিক ট্যাগ থাকতে পারে এবং একই ট্যাগের অনুরূপ পোস্ট খুঁজে পেতে দর্শকরা একটি ট্যাগে ক্লিক করতে পারেন। … অর্থাৎ, আপনি আপনার পোস্টে ওয়ার্ডপ্রেস ট্যাগ যুক্ত করতে মুক্ত, কিন্তু আপনি ট্যাগ ছাড়া একটি পোস্টও প্রকাশ করতে পারেন।

WordPress media

এখন আসি মিডিয়ার বেলায় । মিডিয়াতে আপনারা   হোবার বা   ক্লিক করলে দুইটা অপশন দেখতে পারবেন এটা হচ্ছে লাইব্রেরী আর একটাতে ক্লিক করলে আপনারা এ ধরনের অপশন দেখতে পারবেন আপনারা এখানে আপলোড করতে পারেন এখানে আপনারা ছবি ভিডিও আপলোড করলে এখানে আপনারা ভিডিওটা পেয়ে যাবেন । ওয়ার্ডপ্রেসের লাইব্রেরীতে  জমা হবে । আপনারা  এখানে  সিলেক্ট ফাইলে ক্লিক করলে আপনারা আপনাদের যেখানে আপনাদের ইমেজ বা ভিডিও আছে ওইখান থেকে দেখা দিলে এখানে আপ্লোড হয়ে যাবে আশা করি   বুঝতে পারছেন  ।

WordPress page create

wordpress page create

তো এখানেও দেখতে পারছেন আমি যখন হবার করলাম দুইটা অপশন দেখতে পাচ্ছি বা আপনারা দেখতে পাচ্ছেন ।  এখানে পোস্ট এর মত আপনারা এখানে একদম সেম ভাবে কাজ করতে পারেন তো আমি নিয়ে বিস্তারিত বললাম না আসলে পোস্ট থেকে পেজ এসেছে   আগে পেজ  ছিল না আগে ছিল মূলত পোস্ট তা  থেকে  পেজের উৎপত্তি ।

WordPress comment option

wordpress comment

তো আমরা দেখতে পাচ্ছি  এখানে পেজ এর পরেই রয়েছে কমেন্ট অপশন টি এ কমেন্ট মানে আমরা বুঝি । তো কেউ যদি আপনার পোস্টে কমেন্ট করে কমেন্ট এর অপশন চলে আসবে তো আমি কমেন্টস এ ক্লিক করার পর এরকম একটা পেইজ  আসছে  যেখানে একটা দেখা যাচ্ছে যেটা আমি এখনও এপ্রুভ করি নাই তো আমরা কি কি করতে পারবে তা আমি বলতেছি আপনারা দেখতে পাচ্ছেন এখানে আপ্নারা  চাইলে কোন কমেন্ট ডিলিট  করতে পারেন যদি আপনার ভাল না লাগে  । চাইলে আপ্রুভ  করে দিতে পারেন ।  এখানে যদি কমেন্ট বেশি হয়ে যায়  চাইলে সার্চ করতে পারেন বিভিন্নভাবে ফিল্টার করতে পারেন ।  আবার রিপ্লাই করতে পারেন কমেন্টের ।  যে কেউ চাইলে দেখতে পারে । আশা করি বুঝতে পারছেন কমেন্টের ব্যাপারটি  । অবশ্যই আপনি এখানে কমেন্টের উত্তর দিতে পারেন যেটা পাবলিকলি  শো করাতে পারবেন ।

Elementor Options

তারপর কমেন্ট এর নিচে আপনারা  হোবার বা ক্লিক   করলে বা এলিমেন্টর আন্ডারে অনেকগুলো অপশন । আপনারা বুঝতে পারছেন আমি এগুলা নিয়ে বিস্তারিত বলবো না । কেননা  আপনি হইত জানেন এইগুলা প্লাগিন থেকে এসেছে । যেটা দিয়ে আমরা এর আগের পোস্টে সাইট বানিয়েছিলাম । তো আমরা এটাই জানলাম যত থিম  প্লাগিন   ইন্সটল করবেন তত অপশন  ওয়ার্ডপ্রেসে বাড়তে থাকবে এটা আশা করি আপনারা জানেন । তো বুঝতে পারছেন এ এই অপশন গুলা ।

WordPress appearance

তারপর দেখতে পারছেন এপেরিয়েন্স অপশন মূলত এটাতে  বেশিরভাগই কাজ করে থাকে । তবে  অনেকগুলো অপশন আপনারা দেখতে পাচ্ছেন আমি এখন আপনাদের সামনে একটা একটা অপশন নিয়ে এখানে বলার চেষ্টা করব তবে এখানে আরেকটা কথা বলে রাখি এখানে আমরা যতগুলো  দেখতে পাচ্ছি এক্সপেরিয়েন্স এর আন্ডারে এরমধ্যে স্টার্টার টেমপ্লেট বা  astra opions  এগুলা বুঝতে  পারছেন কোথা থেকে আসছে এগুলো  টিম থেকে তো এগুলা নিয়েও আমি বিস্তারিত বলবো না  কারন এর আগের পোস্টে আমি বলেছিলাম ।

Appearance ==> Themes

তো আমি যদি এখানে  থিমে ক্লিক করি তখন এ ধরনের একটা পেজ দেখতে পারবেন এখানে আপনারা  সার্চ করতে পারবেন তারপর আপনারা দেখতে পাচ্ছেন এর আগের পোস্টে আমি যেটা অ্যাক্টিভ করছিলাম এখানে দেখতে পাচ্ছেন প্রথমে। তারপর উপরে add new করে  ক্লিক করে আপনারা আপনাদের ফোল্ডার থেকে আপনারা আপলোড করতে পারবেন থিম । তো ডিলিট করবেন কীভাবে এখানে তো ডিলিট অপশন নাই তাই না ? যেটা একটিভ করা আছে তার উপরে ক্লিক করলে আপনারা ডিলিট অপশন দেখতে পারবেন তখন ডিলিট করতে পারবেন । That’s all .

Appearance ==> Customized

Appearance ==> Themes

তারপর যদি  ফিরে আসেন কাস্টমাইজ এ ক্লিক করি তখন আপনারা এ ধরনের একটা পেজ দেখতে পারবেন এখানে  মূলত অপশনগুলা বেশি বা  কম হয়ে থাকে থিম এর উপরে । যদি যত অ্যাডভান্স থিম ইন্সটল করবেন তত অপশন বেশি দেখতে পারবেন । এই অপশনগুলো অলরেডি আমি দেখেছিলাম । তো  দেখতে পাচ্ছেন যে গুলো আপনারা এখানে দেখতে পাচ্ছেন হেডার ফুটার সব কিছু এখানে ক্লিক করার পর সবকিছু পরিবর্তন করে দিতে পারেন । আশা করি বুঝতে পারছেন  ।

Appearance ==>Widgets

তারপর আপনারা যদি  পরেরটা  ক্লিক করেন তখন এ ধরনের একটা পেজ  পাবেন   হ্যা  তবে অনেকেই হয়তো পাবেও না এইভাবে  আপনাদের হয়তো অন্যরকম আসতে পারে কেননা ওয়ার্ডপ্রেস এই ভার্সন  এখন আপডেট হয়েছে বলে এখানে  আমার এভাবে দেখাচ্ছে । এলিমেন্ট এর ফেস বিল্ডারের মতো  চাইলে  যেকোনো কিছু আপনারা অ্যাড করতে  পারেন  হেডার ফুটার সাইডবারে  যেমন আমি যে কোন কিছু এডিট করতে পারি চাইলে  ।  এর আগে যেটা ভার্শন ছিল  সহজে দেওয়া যেত ওই অপশন গুলা ।এখন  একটু ব্যতিক্রম থাকতে পারে আশাকরি একই সিস্টেমে কাজ করবেন সিস্টেম কিন্তু একই জায়গায় বসায় দিবেন  দেন  সেভ  দিয়ে দিবেন  ।

Appearance ==>Menus

তারপর আসেন মেনুতে আমরা মেনুতে ক্লিক করলে এধরনের একটা পেজ দেখতে পারো পাবো এটাই হচ্ছে মূলত খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা পেজ এইটাতে এখানে মূলত আমাদের ওয়েবসাইটে কতগুলা মেনু হবে কতগুলো ক্যাটাগরি হবে সবকিছু আমরা এখানে দেখায়  দিতে পারব । এখানে  দেখতে পাচ্ছেন ক্যাটাগর , পোস্ট কাস্টম লিংক  এই অপশন গুলো যদি না থাকে  screen option  থেকে ওই যে অপশন থেকে নিয়ে আসতে পারেন ।এইখানেও  থিমের উপর ভিত্তি করে এখানে আরো অনেক অপশন যুক্ত হতে পারে । আপনারা চাইলে  নিউ মেনু  ক্রিয়েট  করে একটা নতুন নতুন মেনু করতে পারেন  ।মনে করনা আপনার  অন্য একটা পেজের জন্য  জন্য হেডার এর জন্য  এখান থেকে মেনু  করতে পারেন  এবং সেগুলো দেখায় দিতে  পারেন আপনারা দেখতে পাচ্ছেন এখানে আমার মূলত যে পাঁচটি ফেজ দেখা যায় ওগুলাই আছে মূলত আমি চাইলে এখান থেকেও সেগুলো পরিবর্তন করতে বা  ক্রিয়েট করতে পারবো ক্যাটাগরিগুলো মেনুতে দেখায়  দিতে পারব । আশা করি বুঝতে পারছেন  মেনুর ব্যাপারটি  । আপনাদের যদি  মেনু বেশি  করা থাকে তাহলে  উপর থেকে ফিল্টার করে সিলেক্ট করে দিতে পারেন তারপর ওটা এডিট করতে পারেন আপনার কাছে যে কোন মেনুর ডিলিট করে দিতে পারেন ।  কাস্টমাইজ  কোনো মেনুয়াল করে বা তৈরী করে  তারপর অবশ্যই সেভ দিতে হবে । তারপর যেখানে দেখা দিবেন হেডার ফুটার এ  দেখায় দিলো  দিলে হয়ে যাবে । আমি এখানে একটা কথা বলে রাখি এখানেও থিমের  উপর ভিত্তি করে  অনেক কিছু অপশন দেখতে  পাবেন ।

Appearance ==>Theme editor

তারপর আসেন ্থিম  এডিটর এ  এডিটর এর আগের দুইটা অপশন নিয়ে আমি বললাম না কেন বললাম না আসলে বুঝতে পারছেন আশা করি । তো এডিটরে  আমরা ক্লিক করলে এরকম আমরা একটা পেজ দেখতে পারবো । মূলত বেশিরভাগই যারা মূলত কোডিং করে  তারা মূলত এখানে বেশি বুঝে ।  টিমের যত ফাইল আমরা সকলে ডানপাশে দেখতে পারছি আমাদের টিমের যতগুলো ফাইল আছে তা । এখানে আমরা এডিট করতে চাইলে ক্লিক করলে আপনার সামনে চলে আসবে  কোড গুলা । মনে করেন  আপনি  একটা হেডারে  স্থাপন করতে চাচ্ছেন তো  header.php তে ক্লিক করবেন তখন ওই ফাইলের কোড গুলা চলে   আসবে তখন করতে পারেন যেখানে ইচ্ছা তো অবশ্যই তারপর আপডেট  দিয়ে দিবেন তারপর ওইটা সেট হয়ে যাবে আশা করি বুঝতে পারছেন ।

Plugins

wordpress plugins

প্লাগিনে আমি যদি এ ক্লিক করে বা হবার করি এখানেও প্লাগিন এর আন্ডারে তিনটা অপশন দেখতে পাচ্ছি এখানে আমরা নতুন নতুন প্লাগিন এড করতে পারবো প্লাগিনগুলো আমরা থিমের মতো কোডিংয়ে আমরা চাইলে আপডেট করতে পারব তো চলুন এর পরে কি দেখা যায় আপ্নারা  একটা ক্লিক দিন  এড নিউ তে   সেখানে ইনস্টলড প্লাগিন দেখতে পাচ্ছেন এখানে আমাদের যতগুলা প্লাগিন ইন্সটল করব বা একটিভ করব এখানে দেখতে পারবো এখান থেকেও আমরা চাইলে নিউ তে ক্লিক করে  এড করতে পারবো নতুন প্লাগিন তো আমরা সহজে এখান থেকে  অ্যাড নিউ পেজে চলে যাই ।

Plugins==>Add New

add new  প্লাগিন এ ক্লিক করলে  এই পেজটা দেখতে পারবেন । এখানে আপনারা ওয়ার্ডপ্রেসের যতগুলা প্লাগিন আছে তা ইন্সটল করতে পারবেন । আপনারা দেখতে পাচ্ছেন অলরেডি 2 টা দেখা যাচ্ছে । যেটা ইচ্ছা আপনাদের ওখানে সার্চ করলে যে কোন প্লাগিন আমরা আমরা এখানে সার্চ করলে এখানে চলে আসবে । তো আপনার ফাইল  থেকে কোন প্লাগিন আপলোড করতে চান তাইলে ওপরে আপলোড বাটনে ক্লিক করবেন । তারপর ইন্সটল করবেন active করবেন  এইটুকুই। 

Plugins==>Plugins Editor

এখানেও থিম এডিটর এর মত প্লাগিন এডিটরে আপনারা প্লাগিন এডিটর এর কোডগুলো আপডেট করতে পারেন এড করে ।

You will see 2 nd Part Stay Connected

তো আজ ওয়ার্ডপ্রেসের খুঁটিনাটি নিয়ে প্রথম পার্ট এই  পর্যন্তই  । এবং বাকি টুলস নিয়ে পরের পার্ট নিয়ে আসবো তাড়াতাড়ি ইনশাআল্লাহ’ ।সবাই এই পর্যন্ত আশা করি  দেখেছেন এবং যদি বুঝতে কষ্ট হয় বা কোন কিছু জানার থাকে আমাকে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন আর আমাকে অবশ্যই এই প্রথম পার্টটা কেমন হয়েছে সেটাও আমাকে জানাবেন আমাকে কমেন্ট করবেন অবশ্যই । আর আমাকে এখানে লাইভ  এ মেসেজ  করতে পারেন । তো  অপেক্ষায় থাকেন আমিও ইনশাল্লাহ যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আমি দ্বিতীয় পার্টটা  নিয়ে আসতেছি তো সবাই ভাল থাকেন , সুস্থ থাকেন ।আসসালামু আলাইকুম ।

Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *