রাষ্ট্রবিজ্ঞান এর ভবিষ্যত কী ? 

A career in political science subject review best subject

Table of Contents সূচিপত্র

A career in political science subject review রাষ্ট্রবিজ্ঞান

আসসালামু আলাইকুম । আমি আজকের A career in political science subject review রাষ্ট্রবিজ্ঞান আর্টিকেলে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বা পলিটিকাল সাইন্স নিয়ে কথা বলার চেষ্টা করেছি এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ভবিষ্যৎ কি কি এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান নিয়ে পড়ালেখা করলে কি কি সুযোগ সুবিধা রয়েছে এমন রাষ্ট্রবিজ্ঞানের কি কি চাকরি রয়েছে এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান অধ্যায়ান কেন রাষ্ট্রবিজ্ঞানের পরিধি বিষয়বস্তু কি এখন রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জন্য সবচাইতে বড় বড় চাকরি গুলো কি ?

তো রাষ্ট্রবিজ্ঞান নিয়ে মোটামুটি যত কিছু আছে সব কিছু আমি বলার চেষ্টা করেছি হয়তো অনেক কিছুই স্কিপ হয়ে গেছে । আশা করি আপনারা প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত আমরা ভালোভাবে পড়লে রাষ্ট্রবিজ্ঞান সম্পর্কে  মোটামুটি সব কিছু আপনারা জানতে পারবেন এবং ধারণা ক্লিয়ার হয়ে যাবে তো এর আগের পূর্ববর্তী আর্টিকেলগুলো আপনারা দেখে আসবেন অবশ্যই আপনার যেটা লাগে সেটা আপনাদের আপনারা দেখতে পারেন তো চলুন আমরা শুরু করি ।

রাষ্ট্রবিজ্ঞান বা পলিটিকাল সাইন্স কি?

রাষ্ট্রবিজ্ঞান স্থানীয়, রাষ্ট্রীয়, জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সরকার ও রাজনীতির তত্ত্ব এবং অনুশীলনের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে। আমরা জনসাধারণের জীবন গঠন করে এমন প্রতিষ্ঠান, অনুশীলন এবং সম্পর্কের বোঝাপড়ার বিকাশে নিবেদিত এবং নাগরিকত্ব প্রচার করে এমন অনুসন্ধানের পদ্ধতিগুলি

রাষ্ট্রবিজ্ঞানের বিষয়বস্তু মূলত নেতারা কীভাবে ক্ষমতা অর্জন করেন এবং কীভাবে তা বজায় রাখে, কীভাবে সামাজিক আন্দোলন শুরু হয়, গতি অর্জন করে এবং কীভাবে সরকার ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানগুলো দক্ষতা এবং স্বচ্ছতার সাথে পরিচালিত হতে পারে তা নিয়ে আলোচনা করে ।

সাবজেক্ট রিভিউ: রাষ্ট্রবিজ্ঞান (A career in political science subject review)

রাষ্ট্রবিজ্ঞান, পৃথিবীর সবচেয়ে আদি এবং শ্রেষ্ঠ বিষয়। মানুষ যখন থেকে সংঘবদ্ধ হয়ে রাষ্ট্র নামক ব্যবস্থার অধীনে আসে তখন থেকেই এই বিষয়ের পথচলা, এই পথচলা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে রাজনীতি বিজ্ঞান নাম ধারণ করে। রাষ্টবিজ্ঞান না হয়ে রাজনীতি বিজ্ঞান এজন্যই যে রাজনীতির মধ্যে রাষ্ট্র ধারণ করে অনায়সেই।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় পথচলার শুরু হতেই এই বিষয়ের যাত্রা শুরু হয় যদিওবা প্রাতিষ্ঠানিক বয়স কিছু পরে হয়। ধীরে ধীরে এই সাবজেক্ট নিজেকে এমন অবস্থানে উন্নীত করেছে যে, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় যে কয়েকটি ডিপার্টমেন্ট নিয়ে তার স্বকীয়তার পরিচয় দিতে গর্ববোধ করে এই ডিপার্টমেন্ট তাদেরই নেতৃত্বস্থানীয় পর্যায়ে রয়েছে।

এই ডিপার্টমেন্ট এসে আপনি পাবেন ড. ভুঁইয়া মনোয়ার কবির স্যারের সাথে ১৯৪৭ থেকে বর্তমান বাংলাদেশের ইতিহাসের আলোচনায় নিজেকে ভাসিয়ে দিতে, কিংবা আনোয়ারা ম্যাডামের রসাত্মক ভঙ্গিতে জটিল জটিল তত্ত্বগুলোর সহজবোধ্য ভাষায় বর্ণনা নিতে, যদি তাতেও মন নাভরে তাহলে এসে হাজির হবেন

আলম স্যার তার অত্যন্ত পরিমিত রসে মজাদার উপায়ে আন্তর্জাতিক রাজনীতির বিভিন্ন দিকপালের কথা বলতে। এমন করে আপনি পাবেন প্রায় প্রতিটি সাবজেক্টে বিজ্ঞ শিক্ষক মন্ডলীর সর্বোচ্চ সাহায্য। আর সবশেষে তো আছেই ডিপার্টমেন্ট বড় ভাইয়া,আপুদের সাহায্য, যারা আপনাকে গেঁথে নেবে এই ডিপার্টমেন্টে আপনার প্রথম পথচলার দিনেই।

রাষ্ট্রবিজ্ঞান ডিপার্টমেন্ট এর সবচেয়ে ইউনিক দিকগুলি কী ?

১ঃ বিসিএস পরীক্ষার জন্য বেস্ট প্রিপারেশন নেওয়ার জন্য আমাদের কোর্স রিলেটেড পড়াশোনাগুলো খুবই কার্যকরী। (প্রত্যেকবছরই  বিসিএসে রাষ্ট্রবিজ্ঞানীদের নজরকাড়া সাফল্য দেখা যায়)

২ঃ রোবোটিকস পড়াশোনা করা লাগবে না আপনাকে।

৩ঃ সকাল থেকে বিকেল টানা ক্লাস করার অসহ্য পেইন আপনাকে সহ্য করতে হবে নাহ।

৪ঃ রাজনৈতিক জ্ঞান আহরণের সর্বোচ্চ শিখরে পৌছতে চাইলে রাষ্ট্রবিজ্ঞান এর জুড়ি নেই।

৫ঃ ভালো সিজিপিএ তোলার জন্য রাষ্ট্রবিজ্ঞান ডিপার্টমেন্ট আপনার জন্য বেস্ট চয়েস হবে,খাটনি করে পড়াশোনা করলে ভালো মার্কস এর ব্যাপারে নিশ্চিন্ত থাকতে পারা যায়(খামখেয়ালিপনা একদমই গ্রহনযোগ্য নয়,তখন হিতে বিপরীত হয়ে যেতে পারে)।

খেলাধুলার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের আধিপত্য সবারই জানা,ক্রিকেট এবং ফুটবল উভয় দিকে ভার্সিটির অন্যতম ডমিনেটিং টিম রাষ্ট্রবিজ্ঞান 💕😎

রাষ্ট্রবিজ্ঞান নিয়ে আগামী ৪ বছরে কি কি পড়বেন?

আপনি যদি বিসিএস টার্গেট করেন তাহলে ধরে নেন রিটেনের প্রস্তুতির ৪০-৫০ভাগ আপনার সম্পূর্ণ হবে যদি আপনি মনোযোগী ছাত্র হন। প্রশাসনের বিভিন্ন পরিভাষা আপনার মুখে বুলি ফুটবে যা আপনাকে এগিয়ে রাখবে বিসিএস ভাইভাতে। যেমন আপনি পড়বেন রাষ্ট্রীয় নীতি, তুলনামূলক রাজনীতি,

লোক প্রশাসন, আন্তর্জাতিক রাজনীতি, অর্থনীতি, ব্রিটিশ থেকে বাংলাদেশ পরিণত হওয়ার ইতিহাস, বাংলাদেশের সরকার, সক্রেটিস, প্লেটো, এরিস্টটল, রুশো, কার্ল মার্ক্স, হবস, জন লক ইত্যাদি পৃথিবী বিখ্যাত মনিষীদের তত্ত্ব, তাদের জীবনধারা, সাথে করতে পারবেন তাদের সমালোচনা।

তবে এত দারুণ সব সাবজেক্ট পড়ে আপনি যদি শিক্ষকদের চাহিদামত লিখতে পারেন তাহলে ৩.৩০–৩.৬০ পর্যন্ত রেজাল্ট অনায়সেই করতে পারবেন, তবে শিক্ষকেরা আশায় আছেন আপনারা কেউ এসে স্যারদের থেকে জোর করে ৩.৮০-৪.০০ দখল করে নেওয়ার।

তবে যতকথা এই পরীক্ষা নিয়ে, তা হল আমাদের ডিপার্টমেন্টের মজার দিক হল উনারা সহজে পরীক্ষা নিতে চাননা, ১২মাসকে ১৩/১৪/১৫মাস হলে উনারা পরীক্ষা নিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন(যদিও বর্তমানে বছরের পরীক্ষা বছরেই নিয়ে নেন টিচাররা)। চার বছরের অনার্স শেষ করতে সাড়ে চার বছরের কিছু বেশি লাগে।

আর সবিশেষ ব্যাপার হল আপনি এই ৪/৫ বছর স্নাতক, স্নাতকোত্তর করে আপনি কি কি করতে পারবেন?



রাষ্ট্রবিজ্ঞান নিয়ে পড়লে কী চাকরি পাওয়া যাবে?

প্রথমত বিসিএসে প্রভূত সুবিধাঃ=== যাদ্বারা এক্কেবারে সচিব হওয়ার সুযোগ আছে, আপনি যে ফ্যাকাল্টিতে আসছেন তার নাম সমাজ বিজ্ঞান আর সমাজ বিজ্ঞানের জন্য চাকরি বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে শুরু করে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড পর্যন্ত, মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি, এনজিও, বিভিন্ন দলের রাজনৈতিক বিশ্লেষক, এবং সর্বোচ্চ কথা হল বাংলাদেশের প্রতিটি সরকারি কলেজে রাষ্ট্রবিজ্ঞান সাবজেক্ট আপনি পাবেন।

সুতারাং একথা নিশ্চিত আপনার রুটিরুজির অভাব হবেনা। মূলকথা হচ্ছে এই ডিপার্টমেন্ট আপনাকে জ্ঞানের এক অকূল সাগরে পাড়ি দিতে দক্ষ করে তুলবে। আর বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কলারশিপ এর কথা এসেই জানবেন।উচ্চতর ডিগ্রি ও গবেষণার জন্য USA, Canada, Australia এবং Europe-এর বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করার সুযোগ রয়েছে।

কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ানো: === প্রথমত, অ্যাকাডেমিক লাইন তো খোলা আছেই। স্নাতকোত্তর স্তরে ৫৫ শতাংশ নম্বর এবং নেট/সেট পাশ করলে কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ানোর সুযোগ পাওয়া যেতে পারে। কেউ যদি না পড়িয়ে শুধুমাত্র গবেষণা করতে চায়, তবে তার সুযোগও ক্রমবর্ধমান। এমনিতেই ইউ জি সি-র ফেলোশিপ নিয়ে যে-কোনও বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা শুরু করা সম্ভব। গবেষণার বিষয় নানাবিধ হতে পারে।

সাধারণ ভাবে রাষ্ট্রবিজ্ঞানকে রাজনৈতিক দর্শন, তুলনামূলক রাজনীতি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক এই তিনটি ভাগে বিভক্ত করা হলেও, জনসাধারণ, সমাজতত্ত্ব, নৃতত্ত্ব প্রভৃতি নানাবিধ ক্ষেত্রে তার শাখা-প্রশাখা বিস্তৃত। এ ছাড়াও মানবাধিকার, লিঙ্গবৈষম্য বা সেফোলজি-র মতো আকর্ষণীয় বিষয় চর্চার মাধ্যমে গবেষকদের চিন্তা ও কাজের পরিধি ক্রমশ বিস্তৃত হতে পারে। সাধারণত একটি গবেষণা আরও পাঁচটির সুযোগ ও পরিধিকে বিস্তৃত করে, নতুন ক্ষেত্র তৈরি হয়, কাজের সুযোগও বাড়ে।

আইনের পথ খোলা:=== রাষ্ট্রবিজ্ঞানের পড়ুয়ারা আইন ব্যবসাতেও অত্যন্ত সফল হন। সারা বিশ্বে লব্ধপ্রতিষ্ঠ যত জন আইনজ্ঞ রয়েছেন, তাঁদের বেশির ভাগই রাষ্ট্রবিজ্ঞান বা অর্থনীতির পড়ুয়া। এখন উচ্চ মাধ্যমিকের পর সরাসরি আইন নিয়ে পড়া যায়। কিন্তু কেউ যদি স্নাতকস্তর পর্যন্ত রাষ্ট্রবিজ্ঞানের পাঠ নিয়ে তার পর আইন পাঠ করেন, তবে আরও দ্রুত বিষয়ে প্রবেশ সম্ভব।

ভবিষ্যতে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের সুযোগ কী?

রাষ্ট্রবিজ্ঞানিদের মতে, রাষ্ট্রবিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করলে নিচের উল্লেখিত চাকরি পাওয়া যাবে:👇👇👇

  1. আইনজীবী
  2. কূটনীতিক বা বিদেশী পরিষেবা কর্মকর্তা
  3. কলেজ অধ্যাপক
  4. বিজনেস এক্সিকিউটিভ
  5. রাজনৈতিক পরামর্শদাতা
  6. সরকারী কর্মকর্তা
  7. নীতি বিশ্লেষক
  8. সহকারী আইনজীবি
  9. যোগাযোগ / গণসংযোগ পেশাদার
  10. জনমত গবেষক
  11. সাংবাদিকতাঃ
  12. রাষ্ট্রবিজ্ঞানী
  13. অর্থনীতিবিদ
  14. সরকারী বিষয়ক পরিচালক 
  15. ব্যবস্থাপনা বিশ্লেষক
  16. নীতি বিশ্লেষক
  17. আইনজীবী
  18. জনসংযোগ বিশেষজ্ঞ
  19. শহর পরিকল্পনাকারী
  20. অপারেশন গবেষণা বিশ্লেষক
  21. গোয়েন্দা বিশ্লেষক
  22. রাজনৈতিক পরামর্শক
  23. সালিসকারী
  24. বিধায়ক
  25. বাজার গবেষণা বিশ্লেষক
  26. মিডিয়ায় কাজের সুযোগ
  27. রয়েছে NGO তে কাজএর সুযোগ

Best jobs for political science majors

  • Market research analyst
  • Economist
  • Political scientist
  • Government affairs director
  • Management analyst
  • Business analyst
  • Policy analyst
  • Lawyer
  • Public relations specialist
  • Urban planner
  • Operations research analyst
  • Intelligence analyst
  • Political consultant
  • Arbitrator
  • Legislator
  • Market research analyst

 

রাষ্ট্রবিজ্ঞান অধ্যয়ন কেন? এটি করার কয়েকটি কারণ :

১. আপনি রাজনীতি সম্পর্কে উত্সাহী কারণ

২. আপনি বক্তৃতা বিশ্লেষণে আগ্রহী

৩. আপনি সামাজিক প্রয়োজন সম্পর্কে উদ্বিগ্ন

৪. আপনি সংগঠিত (… বা আপনি হতে চান)

৫. আপনি পরিবর্তন ড্রাইভ করতে চান

৬. আপনি সৃজনশীল (বা আপনি বিবিধ চিন্তাভাবনা অনুশীলন করতে চান)

৭. আপনি শেখার একটি দুর্দান্ত আগ্রহ বোধ করেন

০৮. আপনি নিজেকে আরও ভালভাবে জানতে চান

০৯. দুর্দান্ত, তবে … এই ক্যারিয়ার আপনাকে কোন ক্যারিয়ারের সুযোগ দিতে পারে?

রাষ্ট্রবিজ্ঞান নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্ন 👇👇

০১ঃ রাষ্ট্রবিজ্ঞান কি? 

রাষ্ট্রবিজ্ঞান স্থানীয়, রাষ্ট্রীয়, জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সরকার ও রাজনীতির তত্ত্ব এবং অনুশীলনের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে। আমরা জনসাধারণের জীবন গঠন করে এমন প্রতিষ্ঠান, অভ্যাস এবং সম্পর্কের বোঝাপড়ার বিকাশে নিবেদিত এবং নাগরিকত্বকে উন্নীত করে এমন অনুসন্ধানের পদ্ধতি।

০২ঃ রাষ্ট্রবিজ্ঞানের সংজ্ঞা কী?

রাষ্ট্রবিজ্ঞান বলতে সে বিষয়টিকে বুঝায়, যা সমাজবদ্ধ মানুষের রাজনৈতিক বা রাষ্টনৈতিক বিষয়ে আলোচনা করে। উইলোবি’র বলেন, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভিন্ন রাজনৈতিক ঘটনাবলির প্রকৃতি নির্নয় করে এদের মধ্যে গভীর সম্পর্ক ও যোগসূত্র স্থাপন করে। অধ্যাপক গেটেল এর মতে, রাষ্ট্রবিজ্ঞান রাষ্টের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যত নিয়ে আলোচনা করে।

০৩ঃ রাষ্ট্রবিজ্ঞান কেন পড়বো ?

এ সাবজেক্টটি প্রথমেই পড়বো জ্ঞান অর্জনের ক্ষেত্র হিসেবে আর সেটি রাষ্ট্র থেকে শুরু করে সব রকমের হতে পারে। … আমি যে রাষ্ট্রে বসবাস করি তার সম্পর্কে জানা প্রত্যেক নাগরিকের বলা যায় ফরজ কাজগুলোর মধ্যে একটি। আর এ সাবজেক্ট এর মূল বিষয় যেহেতু রাষ্ট্র তাই আমি মনে করি রাষ্ট্রের সব খুঁটিনাটি জানা যায়।

০৪ঃ সমাজতত্ত্ব কী? আর রাষ্ট্রবিজ্ঞান কী?

  1. সমাজতত্ত্ব একটি পাণ্ডিত্যপূর্ণ শৃঙ্খলা যা প্রাথমিকভাবে ফরাসি বিপ্লবের পর পরই জ্ঞানদান চিন্তার ফলে সমাজের প্রত্যক্ষবাদী বিজ্ঞান হিসাবে আবির্ভূত হয়েছে। এটি বিজ্ঞান এবং জ্ঞানের দর্শনের মতো কিছু গুরুত্বপূর্ণ আন্দোলনের ফসল। বৃহত্তর অর্থে দর্শনের সাধারণ ভিত্তি থেকে পূর্ব নির্ধারিত ক্ষেত্র হিসেবে সামাজিক বিশ্লেষণের জন্ম।
  2.  
  3.  রাষ্ট্রবিজ্ঞান সমাজবিজ্ঞানের একটি শাখাবিশেষ; যেখানে রাষ্ট্র, সরকার এবং রাজনীতি সম্পর্কীয় বিষয়াবলী নিয়ে আলোকপাত করা হয়। এরিস্টটল রাষ্ট্রবিজ্ঞানকে রাষ্ট্র সম্পর্কীয় বিজ্ঞান নামে উল্লেখ করেছেন।

 

০৫ঃ রাষ্ট্রবিজ্ঞানের পরিধি ও বিষয়বস্তু কী?

রাষ্ট্রবিজ্ঞানের বিষয়বস্তু:

১। রাষ্ট্রচিন্তা বা রাষ্ট্রদর্শন।

২। রাজনৈতিক তত্ত্ব।

৩। রাজনৈতিক মতবাদ।

৪। রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান।

৫। প্রশাসনিক সংগঠন।

৬। রাজনৈতিক আচরণ।

৭। তুলনামুলক রাজনীতি

৮। আন্তর্জাতিক রাজনীতি।

০৬ঃ রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক কে?

রাষ্ট্র সম্পর্কে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে প্রথম আলোচনা করে রাষ্ট্র সম্পর্কে উত্থাপিত সকল সমস্যার সমাধানের জন্য এরিস্টটলকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক বলা হয়।

০৭ঃ বাংলাদেশের রাষ্ট্রবিজ্ঞানীর নাম কী?

আমার জানা মতে যে ক’জন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী আছে তারা হলেন —

১.ড. রওনক জাহান

২.ড. হারুন- অর – রশিদ

৩. ড. এমাজউদ্দিন আহমেদ

৪. তালুকদার মনিরুজ্জামান ( তাকে এশিয়ার বিশিষ্ট নিরাপত্তা বিশ্লেষক ও বলা হয়ে থাকে)

০৮ঃ এই পৃথিবীর সবচেয়ে ভালো রাষ্ট্রবিজ্ঞানী কে?

মুহাম্মাদ (সা)। কারণ তিনি এমন একটি রাষ্ট্র গঠন করেছিলেন যার মত রাষ্ট্র কেউ কখনও গঠন করতে পারেনি। আপনারা যদি তার জীবনী এবং ইতিহাস পড়েন তাহলে বিষয়টা আরও সুন্দরভাবে বুঝতে পারবেন ইনশাআল্লাহ।

০৯ঃ রাষ্ট্রবিজ্ঞান ঠিক কী রকমের বিজ্ঞান? রাষ্ট্রবিজ্ঞানের কোন শাখায় গণিতের ব্যবহার আছে?

সাধারণ অর্থে বিজ্ঞান বলতে আমরা যা বুঝি সে অর্থে রাষ্ট্রবিজ্ঞানকে পদার্থবিদ্যা, রসায়নবিদ্যা, জীববিদ্যা এই পর্যায়ের বিজ্ঞান হিসেবে গণ্য করা উচিত হবে না। এই সকলবিজ্ঞান যেমন পরীক্ষালব্ধ জ্ঞান, রাষ্ট্রবিজ্ঞান সেই শ্রেণীভূক্ত পরীক্ষালব্ধ জ্ঞান বলা উচিত হবে না।

বরং একে সমাজবিজ্ঞান শ্রেণীভুক্ত করে বলি, রাষ্ট্রকেন্দ্রিক চিন্তা-চেতনা দৃষ্টিভঙ্গি রাষ্ট্রের বিভিন্ন সংগঠন উপাদান প্রকৃতির কার্যক্রম যুক্তিসঙ্গতভাবে আলোচনা করে যে বিজ্ঞান তাকেই রাষ্ট্রবিজ্ঞান বলে অবহিত করা হয়।

রাষ্ট্রবিজ্ঞানের তেমন গণিতের ব্যবহার নেই। তবে যদি এখানে পরিসংখ্যান অন্তর্ভুক্ত করা হয় তাহলে হয়তো কিছুটা প্রয়োজন হতে পারে। রাষ্ট্রবিজ্ঞান পড়তে গেলে অর্থনীতি সম্পর্কে অবশ্যই জ্ঞান থাকা দরকার। আর অর্থনীতির ক্যালকুলেশন তো গণিত লাগে।

একজন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী কে তো অবশ্যই দূরদৃষ্টিসম্পন্ন হতে হবে। সেক্ষেত্রে গণিতের জ্ঞান থাকাটা তো অবশ্যক।

১০ঃ রাষ্ট্রবিজ্ঞান কী একটি ভাল কর্মজীবন?

রাষ্ট্রবিজ্ঞানে একটি ডিগ্রি রাজ্য এবং স্থানীয় সরকার, আইন, ব্যবসা, আন্তর্জাতিক সংস্থা, সমিতি এবং অলাভজনক সংস্থা (এনজিও), প্রচারাভিযান পরিচালনা এবং ভোটদান, সাংবাদিকতা, নির্বাচনী রাজনীতি, গবেষণা, বিশ্ববিদ্যালয় এবং কলেজে শক্তিশালী ক্যারিয়ারের দিকে পরিচালিত করতে পারে।

১১ঃ ভবিষ্যতে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের সুযোগ কী?

রাষ্ট্রবিজ্ঞানে একজন স্নাতকের অনেক আকর্ষণীয় ক্যারিয়ারের বিকল্প রয়েছে যার মধ্যে রয়েছে রাজনৈতিক সাংবাদিকতা, নাগরিক পরিষেবা, প্রশাসনিক পরিষেবা, রাজনৈতিক উপদেষ্টা, ফেডারেল, রাজ্য এবং স্থানীয় সরকার, গবেষণা এবং শিক্ষাদান। এই ধরনের প্রার্থীরা আইনের ক্ষেত্রেও তাদের কর্মজীবন শুরু করতে পারেন।

 

১২ঃ রাষ্ট্রবিজ্ঞান অধ্যয়ন কি জন্য?

রাষ্ট্রবিজ্ঞান হল দেশীয়, আন্তর্জাতিক এবং তুলনামূলক দৃষ্টিকোণ থেকে রাজনীতি এবং ক্ষমতার অধ্যয়ন। এটি রাজনৈতিক ধারনা, মতাদর্শ, প্রতিষ্ঠান, নীতি, প্রক্রিয়া এবং আচরণের পাশাপাশি গোষ্ঠী, শ্রেণী, সরকার, কূটনীতি, আইন, কৌশল এবং যুদ্ধ বোঝার অন্তর্ভুক্ত।

১৩ঃ রাষ্ট্র এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান-এর মধ্যে পার্থক্য কী?

রাষ্ট্র নিদিষ্ট দেশ বা ভৌগোলিক অবস্থানকে বোঝায়।আর রাষ্ট্রবিজ্ঞান বলতে দেশ বা সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের কে নিয়ে পড়াশোনাকে বা বিশ্লেষণকে বোঝায়।।

১৪ঃ রাষ্ট্রবিজ্ঞান কি ভবিষ্যতের জন্য একটি ভাল প্রধান?

রাষ্ট্রবিজ্ঞান একটি বহুমুখী ডিগ্রি। এটি রাজনীতি এবং নীতি, অলাভজনক কাজ, ব্যবসা, মিডিয়া, বা শিক্ষায় ক্যারিয়ারের স্প্রিংবোর্ড করতে পারে। রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যয়নে অর্জিত গবেষণা, যোগাযোগ এবং ডেটা বিশ্লেষণের দক্ষতাও বেসরকারি এবং সরকারি উভয় ক্ষেত্রেই ব্যাপক প্রয়োগ রয়েছে।

১৫ঃ রাষ্ট্রবিজ্ঞান কি এবং এর গুরুত্ব কি?

রাষ্ট্রবিজ্ঞান হল সামাজিক বিজ্ঞানের সেই শাখা যা রাষ্ট্র, রাজনীতি এবং সরকার অধ্যয়ন করে। রাষ্ট্রবিজ্ঞান রাজনৈতিক ব্যবস্থার বিশ্লেষণ, রাজনীতিতে তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক প্রয়োগ এবং রাজনৈতিক আচরণের পরীক্ষা নিয়ে ব্যাপকভাবে কাজ করে।

১৬ঃ রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক এর কি মূল্য আছে?

হ্যাঁ, একটি রাষ্ট্রবিজ্ঞান ডিগ্রী অনেক ছাত্রদের জন্য এটি মূল্যবান. … কিছু কেরিয়ারের জন্য স্নাতক অধ্যয়নের প্রয়োজন হয় আইনজীবী, রাষ্ট্রবিজ্ঞানী এবং ইতিহাসবিদ। আপনি রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক ডিগ্রি দিয়ে শুরু করতে পারেন এবং একটি স্নাতকোত্তর বা ডক্টরাল ডিগ্রি অর্জন করতে পারেন যা উচ্চ-স্তরের কর্মসংস্থানের জন্য প্রমাণপত্র সরবরাহ করতে পারে।

১৭ঃ আমি রাষ্ট্রবিজ্ঞান পড়লে আমি কোন চাকরি পেতে পারি?

রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অন্যান্য জনপ্রিয় চাকরির মধ্যে রয়েছে রাষ্ট্রবিজ্ঞানী, রাষ্ট্রীয় আইন প্রণেতা, কমিউনিটি সার্ভিস ম্যানেজার, শহর প্রশাসক, বিদেশী কূটনীতিক, রাজনৈতিক বিশ্লেষক, ভোক্তা আইনজীবী এবং আরও অনেকে। আপনি রাষ্ট্রবিজ্ঞানে অনলাইনে মাস্টার্সের মাধ্যমে এই ক্ষেত্রে ক্যারিয়ারের পথ তৈরি করতে পারেন।

১৮ঃ রাষ্ট্রবিজ্ঞানে সর্বোচ্চ বেতনের চাকরি কী?

রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রধানদের জন্য সেরা চাকরি

শহর পরিকল্পনাকারী. …

নীতি বিশ্লেষক। …

আইনজীবী. …

ব্যবস্থাপনা বিশ্লেষক। …

ব্যাবসা বিশ্লেষক. …

রাষ্ট্রবিজ্ঞানী. জাতীয় গড় বেতন: প্রতি বছর $93,989। …

সরকারী বিষয়ক পরিচালক মো. জাতীয় গড় বেতন: প্রতি বছর $99,513। …

অর্থনীতিবিদ। জাতীয় গড় বেতন: প্রতি বছর $102,750।

১৯ঃ রাজনীতিতে কী ধরনের চাকরি হয়?

  1. রাজনীতিতে সাধারণ চাকরি
  2. স্বেচ্ছাসেবক।
  3. নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ।
  4. সামাজিক মাধ্যম ব্যবস্থাপক.
  5. আইন সহকারী।
  6. ক্যাম্পেইন ম্যানেজার।
  7. গোয়েন্দা বিশ্লেষক।
  8. আইনজীবী.
  9. নীতি বিশ্লেষক।

২০ঃ রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ৪টি ক্ষেত্র কি কি?

ছবির ফলাফল চলমান সেমিনার এবং কর্মশালা সহ বিভাগের নির্দেশনা এবং গবেষণা চারটি ঐতিহ্যবাহী সাবফিল্ডকে ঘিরে গঠিত: আমেরিকান রাজনীতি, তুলনামূলক রাজনীতি, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক এবং রাজনৈতিক তত্ত্ব।

২১ঃ কেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান একটি ভাল প্রধান?

একটি উদার শিল্প শিক্ষার অংশ হিসেবে যা বিশ্লেষণাত্মক পঠন, গবেষণা, বিশ্লেষণ এবং লেখার দক্ষতা বাড়ায়, রাষ্ট্রবিজ্ঞান ব্যবসা, অর্থ, পরামর্শ, সরকারি কাজ, বৈদেশিক পরিষেবা এবং সহ প্রায় যেকোনো ক্ষেত্রে চাকরির জন্য ছাত্রদের ভালো প্রার্থী করে তোলে। শিক্ষাদান

২২ঃ রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ডিগ্রি কি ভারতে মূল্যবান?

রাজনৈতিক ব্যবস্থা কীভাবে কাজ করে, সেইসাথে যারা প্রয়োজনীয় সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনা এবং বিশ্লেষণাত্মক দক্ষতা বিকাশের আকাঙ্খা করেন তাদের জন্য রাজনৈতিক বিজ্ঞান একটি নিখুঁত বিষয়। এই কারণগুলি আজ মানববিদ্যার ছাত্রদের মধ্যে রাষ্ট্রবিজ্ঞানকে সবচেয়ে বেশি চাওয়া মেজরদের মধ্যে পরিণত করেছে।

২৩ঃ রাষ্ট্রবিজ্ঞান পড়া কি কঠিন

আপনার যদি রাজনীতি এবং এর কাজের প্রতি সত্যিকারের আগ্রহ থাকে, তাহলে রাষ্ট্রবিজ্ঞান অধ্যয়ন করা অত্যন্ত আকর্ষণীয় হবে। রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যয়ন ততটা কঠিন নয় যতটা প্রাথমিক বিষয়গুলি স্কুলে পড়ানো হয়।

২৪ঃ রাজনীতির একটি স্তরের সাথে আপনি কী চাকরি পেতে পারেন?

এছাড়াও একটি কেরিয়ারের একটি পরিসীমা রয়েছে যেখানে A স্তরের রাজনীতিতে শেখা দক্ষতাগুলি বিশেষভাবে কার্যকর হতে পারে, যার মধ্যে রয়েছে:

  1. ব্যবসা উন্নয়ন ব্যবস্থাপক.
  2. দাতব্য কর্মকর্তা।
  3. গোয়েন্দা।
  4. কূটনৈতিক সেবা কর্মকর্তা।
  5. ফরেনসিক হিসাবরক্ষক।
  6. মানব সম্পদ উন্নয়ন কর্মকর্তা.
  7. স্থানীয় সরকার কর্মকর্তা।
  8. বাজার গবেষক.

২৫ঃ  রাষ্ট্রবিজ্ঞানে কি পড়াশুনা বহন করেন?

রাষ্ট্রবিজ্ঞান সরকার, জনসাধারণের নীতি এবং রাজনৈতিক আচরণের অধ্যয়নের মধ্যে পড়ে। এটি একটি সামাজিক বিজ্ঞান যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং বিশ্বের সমস্ত দেশ এবং অঞ্চল পরীক্ষা করার জন্য মানবতাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি এবং বৈজ্ঞানিক দক্ষতা উভয়ই ব্যবহার করে।



২৬ঃ এটা একজন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী হওয়ার মত কি?

রাষ্ট্রবিজ্ঞানীরা সরকারের গঠন ও তত্ত্ব অধ্যয়ন করেন এবং রাজনৈতিক সমস্যার ব্যবহারিক ও তাত্ত্বিক সমাধান খোঁজেন। … অনেকেরই রাজনৈতিক সহকারী হয়ে ওঠে, যারা নির্বাচিতদের আইন প্রণয়ন ও তাদের নির্বাচনী এলাকা বিশ্লেষণ ও ব্যাখ্যা করতে সাহায্য করে।

২৭ঃ বিএ রাষ্ট্রবিজ্ঞানের সুযোগ কি?

রাষ্ট্রবিজ্ঞানে ব্যাচেলর অফ আর্টস ডিগ্রি সরকারী এবং বেসরকারী উভয় ক্ষেত্রেই চাকরির সুযোগ উন্মুক্ত করে। পাবলিক সেক্টরে, একজন রাষ্ট্রবিজ্ঞানের স্নাতক নিম্নলিখিত ভূমিকাগুলিতে চাকরি পেতে পারেন: আইএএস (ইন্ডিয়ান অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিসেস) আইএফএস (ইন্ডিয়ান ফরেন সার্ভিসেস)

২৮: রাষ্ট্রবিজ্ঞানে পিএইচডি কত করে?

রাষ্ট্রবিজ্ঞানে পিএইচডি করে আপনি কত টাকা উপার্জন করতে পারেন? শ্রম পরিসংখ্যান ব্যুরো অনুসারে, বেশিরভাগ রাজনৈতিক বিজ্ঞানী প্রতি বছর $62,840 এবং $170,800 এর মধ্যে আয় করেন। আপনার পেশাগত অভিজ্ঞতা এবং আপনি যে রাজ্যে কাজ করেন তার মতো বিষয়গুলি আপনার পিএইচডি রাজনৈতিক বিজ্ঞানের বেতনকে প্রভাবিত করতে পারে।

২৯ঃ রাষ্ট্রবিজ্ঞানে মাস্টার্স করা কি মূল্যবান?

হ্যাঁ, একটি রাষ্ট্রবিজ্ঞান ডিগ্রী অনেক ছাত্রদের জন্য এটি মূল্যবান. … কিছু পেশার জন্য স্নাতক অধ্যয়ন প্রয়োজন আইনজীবী, রাষ্ট্রবিজ্ঞানী, এবং ইতিহাসবিদ। আপনি রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক ডিগ্রী দিয়ে শুরু করতে পারেন এবং একটি স্নাতকোত্তর বা ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করতে পারেন যা উচ্চ-স্তরের কর্মসংস্থানের জন্য প্রমাণপত্র প্রদান করতে পারে।

৩০ঃ কেন আপনি রাষ্ট্রবিজ্ঞান অধ্যয়ন বেছে নিলেন?

অনেক শিক্ষার্থী রাষ্ট্রবিজ্ঞান অধ্যয়ন করতে বেছে নেয় কারণ তারা শহর, রাজ্য বা জাতীয় সরকারে রাজনৈতিক ক্যারিয়ার করতে, একটি সম্প্রদায়, সরকারি বা বেসরকারি সংস্থায় কাজ করতে বা আইন স্কুলে পড়তে চায়।

শুভ কামনা

তো যে কোন ডিপার্ট্মেন্ট এর সাবজেক্ট হোক না কেন আপনারা যারা যেটাতে যেখানে পড়তেছেন বা পড়বেন সেটা নিয়ে পড়েন /পড়িয়েন । শুধু রাষ্ট্রবিজ্ঞানের সবচাইতে বেশি ভালো এটা কোন কথা না আপনাদের যেটা ভালো লাগে ওটা নিয়ে পড়েন সে ক্ষেত্রে অনেক অনেক আমাদের জন্য সামনে বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধা রয়েছে । আপনারা যদি ভালোভাবে পড়েন তাহলে আপনাদের চাকরির সুযোগ সুবিধার অভাব হবে না । তো বুঝতেই পারছেন সব ডিপার্টমেন্টের কিন্তু সুযোগ সুবিধা আছে । আপনাকে ভালো মতো পড়তে হবে । ইতিহাস, রাষ্ট্রবিজ্ঞান হিসাববিজ্ঞান , অর্থনীতি , গণিত , ইংরেজি এগুলো একটু বেশি প্রাইওরিটি দেওয়া হয় আরকি । তো ভালো মতে চালিয়ে যান 😍😍 সবার জন্য শুভকামনা🥰

আশা করি আজকের  A career in political science subject review রাষ্ট্রবিজ্ঞান আর্টিকেলে রাষ্ট্রবিজ্ঞান  এই আর্টিকেলটি আপনাদের অনেক ভালো লেগেছে  আশা করি । ভাল লাগলে অবশ্যই আপনাদের মতামত জানাবেন কমেন্ট করবেন। আর আমার সাথে এখানে লাইভ চ্যাটে কথা বলতে পারেন। তো ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন। আর অবশ্যই অবশ্যই সাথে থাকবেন সাপোর্ট করবেন আসালামু আলাইকুম, আল্লাহ হাফেজ

Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *