এইস এসসির পর ?

এইচ এসসির পর কী নিয়ে পড়ব ও কি করব ?After HSC what can I do?

এইচ এসসির পর কী নিয়ে পড়ব ও কি করব ?

আসসালামু আলাইকুম । আমি আজকের এইচ এসসির পর কী নিয়ে পড়ব ও কি করব ?After HSC what can I do?আর্টিকেলে ( In this paragrap ) মোটানোটি বিভিন্ন ডিগ্রি নিয়ে কথা বলার চেষ্টা করেছি  এবং ভবিষ্যৎ কি কি সুবিধা রয়েছে তা নিয়ে কথা বলার চেষ্টা করেছি  এবং কোন ডিগ্রি  করলে কি কি সুযোগ সুবিধা রয়েছে এবং এইচ এস সির পরে কি কি করা যায় বা করলে আমাদের জন্য ভাল তা নিয়ে ও কথা বলেছি ।  আশা করি শেষ পর্যন্ত থাকবেন তো চলুন শুরু করা যাক ।🙂😍

ক্যারিয়ার প্ল্যান শুরু হয় এসএসসি পরীক্ষার পর থেকে । মূলত শিক্ষার্থীদের তখন থেকেই ভাবা উচিত আমি কোন বিষয়ে ভর্তি হলে বা কোন বিষয় নিয়ে পড়াশোনা করলে সামনের ৪ বা ৫ বছর পর আমার ক্যারিয়ার ভালো অবস্থানে যাবে ।তো আজকে এইসব বিষয়ের কতোগুলা ক্যাটাগরি নিয়ে কথা বলার চেষ্টা করবো তার  মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ঃ

  1. IELTS 
  2. নার্সিং ও প্যারামেডিকেল ডিপ্লোমাঃ
  3. ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিংঃ
  4. বিশ্ববিদ্যালয়
  5. মেডিকেল
  6. Diploma in Digital Marketing 
  7. Web Designing 
  8. Photography Course
  9. Diploma in Digital Marketing 
  10. After HSC Courses for Science Faculty Students 
  11. Courses After HSC Commerce Faculty Students

এইচএসসির পর কী নিয়ে পড়ব ?

এসএসসি পাশ করার পর একজন শিক্ষার্থীর স্বাভাবিক ভাবেই কলেজে ভর্তি হতে চায়। এইচএসসি কমপ্লিট করে বিসিএস ক্যাডার থেকে শুরু করে সরকারি চাকরিতে বেশ ভালো সুযোগ সুবিধা রয়েছে । যদি আমরা ধরি বাংলাদেশের 95 শতাংশ শিক্ষার্থী এসএসসি শেষ করার পর এইচএসসি নিয়ে পড়াশোনা শুরু করে বা কলেজে ভর্তি হয়।

এইচ এসসির পর কী পড়বে, কোথায় পড়বে—এই সিদ্ধান্ত নেওয়া খুব একটা সহজ নয় বর্তমানে। দেশে ১৫১টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৫০টির বেশি বিষয় রয়েছে। কেবল কম্পিউটারবিজ্ঞান–সংক্রান্ত বিষয় রয়েছে কমপক্ষে ১০টি। কম্পিউটারবিজ্ঞান, কম্পিউটার কৌশল, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, কম্পিউটার ও কমিউনিকেশন, কম্পিউটার ও ইলেকট্রিক্যাল, সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং ইত্যাদি।

এগুলোর সূক্ষ্ম পার্থক্যই–বা ছেলেমেয়েরা কেমনে জানবে? কাজেই ওরা ইলেকট্রিক্যাল না কম্পিউটার, সিভিল না মেকানিক্যাল, অ্যাপ্লাইড কেমিস্ট্রি না কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং—এসব নিয়ে দ্বিধায় থাকে ভর্তি হওয়ার আগের দিন পর্যন্ত।

তার ওপর আছে কোথায় পড়বে? ঢাবির সিএসইতে পড়বে নাকি বুয়েটে ইইই, বিইউপির বিবিএ নাকি কুয়েটে সিএসই, নর্থ সাউথে ইকোনমিকস নাকি রুয়েটে একটা কিছু? শাহজালালে স্থাপত্য নাকি চুয়েটে? বুয়েটে কেমিক্যাল নাকি বুটেক্সে টেক্সটাইল কেমিক্যাল? হোম ইকোনমিকস কলেজের রিসোর্স ইউটিলাইজেশন অ্যান্ড এন্ট্রাপ্রেনিউরশিপের সঙ্গে ড্যাফোডিলের ইনোভেশন অ্যান্ড এন্ট্রাপ্রেনিউরশিপেরই–বা পার্থক্য কী?

এইচ এসসি পাশের পর কোথায় ভর্তি হব?

বর্তমান বিশ্ব একটি প্রতিযোগিতা মূলক জায়গা যেখানে চাকরি পাওয়া যেন কঠিনো থেকে কঠিন । আর জেনারেল লাইনে চাকরি তো ,,,, পড়া শেষ করে 3,,,4 বছর ঘোরার পরো চাকুরি মেলে না । বলাই বাহুল্য যে একটি প্রতিষ্ঠানে লোক নিবে 10 জন । আর আবেদন করে 2000 জন । চাকুরি কাকে দেয় । তারপরেও যার টাকা আছে তারি চাকুরি আগে হয়।

 তাই আমার মতে আপনি জেনারেল লাইনে না পরে ইন্জিনিয়ার লাইন এ যান । আমার মতে আপনাকে ভবিষং এ চাকুরির জন্য চিন্তা করতে হবে না । \ / তারপরেও বলা দরকার যে পরিবারের মতামত নিতান্তই খুবই জরুরি তবে , আপনি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স না পেলে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় অথবা প্রাইবেট বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে পারবেন।

ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ও বেসরকারী engeneering কলেজে আপনি science থেকে ভর্তি হতে পারবেন|

এইচএসসির পর IELTS

Firstly , IELTS (The International English Language Testing System) হচ্ছে ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা অর্জনের সনদ।যাদের মাতৃভাষা ইংরেজিনাম নয় তাদের ক্ষেত্রে বিভিন্ন দেশ উচ্চশিক্ষা কিম্বা কাজের ভিসার জন্য ভালো IELTS স্কোর চায়।যা আন্তর্জাতিক স্বীকৃত।

 IELTS পরীক্ষা পদ্ধতি দুই ধরনের “একাডেমিক ও জেনারেল “যারা উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশ যেতে ইচ্ছুক তাদেরকে একাডেমিক IELTS পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়।আর জেনারেল IELTS পরীক্ষায় অংশ গ্রহনের জন্য কোন শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রয়োজন নাই।সুতরাং আপনি IELTS করতে পারবেন।

এটি ছাত্রদের মধ্যে আরেকটি বিখ্যাত অভিশাপ। সাধারণত, সব বয়সের শিক্ষার্থীরা আইইএলটিএস কোর্সে যোগদান করছে। আপনি এইচএসসি ফলাফল পাওয়ার পরে, একজন শিক্ষার্থী নিজেকে একটি বিখ্যাত ভাষা শিক্ষা কেন্দ্রে IELTS কোর্সে ভর্তি করতে পারে। এই কোর্সটি আপনাকে ইংরেজি ভাষায় নিজেকে আপগ্রেড করতে সহায়তা করবে।

আমরা সকলেই জানি, ইংরেজি একটি আন্তর্জাতিক ভাষা, এবং আপনার জীবনে উজ্জ্বল হওয়ার জন্য, আপনার কাছে সাবলীলভাবে সঠিক ইংরেজি বলতে এবং লিখতে অন্য কোন বিকল্প নেই। আইইএলটিএস করে এবং আইইএলটিএস পরীক্ষায় ভালো স্কোর পাওয়ার পর আপনি

বিদেশে বিশেষ করে উন্নত দেশগুলোতে বিশ্ববিদ্যালয় খুঁজতে পারেন। অনেক নামী-দামী বিশ্ববিদ্যালয় IELTS-এ ভালো ফলাফল করা শিক্ষার্থীদের সুযোগ দেয়। একটি ভাল IELTS স্কোর আপনাকে আপনার ভবিষ্যত জীবনকে উন্নত করার সুযোগ দেবে, নিঃসন্দেহে।

IELTS করতে হলে কি আমাকে HSC পাশ করা লাগবে?

IELTS test এর eligibility অনুযায়ী পক্ষে 16 বছর বয়স হলেই IELTS test এর জন্য ও বসতে পারবে।এখন যদি আপনার এইচএসসি পাশ করার আগেই 16 বছর হয়ে যায় তাহলে আপনি এইচএসসি পাশ করার আগেই IELTS দিতে পারবেন।

এইচএসসির পর নার্সিং ও প্যারামেডিকেল ডিপ্লোমা

Secondly ,  নার্সিং মেয়েদের জন্য একটু বেশি সুবিধা বহন করে । তবে বর্তমান সময়ে ছেলে এবং মেয়ে উভয় নার্সিং পড়াশোনা করছে। সে ক্ষেত্রে সরকার প্রতিবছর প্রচুর পরিমাণ নার্স নিয়োগ দিয়ে থাকে । তাছাড়া প্যারামেডিকেল সেক্টর চাকরির চাহিদা অনেক বেশি ।

তাই এই বিষয়গুলো নিয়ে যারা পড়াশোনা করে তাদের কখনো বেকার থাকতে হয় না। তারা তাদের নিজস্ব দক্ষতা দিয়ে বা সার্টিফিকেট দেখে যেকোনো জায়গায় সহজে চাকরি পেয়ে যায় ।নার্সিং এ ভর্তি হওয়ার জন্য সরকারি নার্সিং কলেজ গুলোতে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় তাছাড়া বিষয়কে নার্সিং কলেজে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় না।

এইচএসসির পর ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং

Thirdly , বর্তমান বিশ্বে দক্ষ হয়ে ওঠার জন্য সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়াটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ । কর্মমুখী জীবন গড়ে তুলতে ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং এর গুরুত্ব অনেক বেশি। এসএসসির পর চার বছরের ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং এ ভর্তি হতে পারো । যেসব বিষয় তুমি ভর্তি হতে পারবে তারমধ্যে উল্ল্যেখযোগ্য বিষয়গুলো হলঃ  For instance : 

  1. সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং
  2. ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং
  3. ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং
  4. কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং
  5. আর্কিটেকচার ইঞ্জিনিয়ারিং
  6. মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং
  7. কেমিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং
  8. অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ারিং
  9. ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং
  10. এনভারমেন্ট ইঞ্জিনিয়ারিং
  11. রিফ্রিজারেশন অ্যান্ড এয়ার কন্ডিশন ইঞ্জিনিয়ারিং
  12. টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং ইত্যাদি।

ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তির যোগ্যতাঃ

কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং এ পড়তে চাইলে এসএসসি / দাখিল পরীক্ষা উত্তীর্ণ হতে হবে । সরকারি পলিটেকনিক্যাল ইন্সটিটিউট এর জন্য আবেদন করতে চাইলে গণিত ও উচ্চতর গণিত 3.5 থাকতে হবে গণিতে 3.00 থাকতে হবে এছাড়া বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য 2 পয়েন্ট পেলে চলবে।

এইচএসসির পর বিশ্ববিদ্যালয়

পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক: দেশের নামকরা পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভের স্বপ্ন কার না থাকে। স্বপ্নপূরণ করতে এইচএসসি পাসের পর ভর্তি হতে পারেন ঢাকা, রাজশাহী, খুলনা, চট্টগ্রাম, জাহাঙ্গীরনগরসহ দেশের সর্বোচ্চ মানের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে। চার বছরের স্নাতক ডিগ্রি লাভের পর করতে পারবেন স্নাতকোত্তর।

হতে পারবেন বিভিন্ন বিষয়ের স্পেশালিস্ট।বিজ্ঞানের শিক্ষার্থীরা কেউ বা কেমিস্ট আবার অনেকেই পদার্থবিদ্যায় পারদর্শিতা দেখিয়ে হতে পারেন বিজ্ঞানী। প্রাণিবিদ্যায় পড়ে হবেন প্রাণিবিদ। আবার উদ্ভিদবিদ্যা ও গণিতের মতো অনেক ভালো বিষয়গুলোতে হতে পারেন বিশেষজ্ঞ। ব্যবসায় শাখার শিক্ষার্থীদের পছন্দের বিষয় আইবিএ, বিবিএ অথবা অ্যাকাউন্টিং, ম্যানেজমেন্ট। কলা বিভাগের বিভিন্ন বিষয়ে পড়াশোনা করে হতে পারবেন অর্থনীতিবিদ।

কেউবা আবার হয়ে যাবেন ইতিহাসবেত্তা, দার্শনিক। চারুকলা আর আইন অনুষদে পড়াশোনা করে হয়ে যেতে পারেন শিল্পী ও আইনজ্ঞ। পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এমন আরও অনেক ভালো ভালো বিষয় আছে। এখানকার আরেকটি সুবিধা হল পড়াশোনার খরচ অত্যন্ত কম। থাকা খাওয়ার জন্য রয়েছে আবাসিক হল ব্যবস্থা।

 বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বপ্নের দিনগুলো শেষ করতেই আপনার জন্য অপেক্ষমাণ থাকছে সমৃদ্ধ ক্যারিয়ার। পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আসন সংখ্যা শিক্ষার্থীর তুলনায় কম। ফলে আপনাকে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। যার জন্য প্রস্তুতি ও ভর্তি পরীক্ষা হওয়া চাই সর্বোচ্চ ভালো।

এইচএসসির পর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

এইচএসসি পাসের পর পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে না পারলে শেষ ভরসা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে বিভিন্ন বিষয়ে অনার্স ও মাস্টার্স কোর্স করতে পারবেন। এছাড়া জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ডিগ্রি প্রোগ্রামে ভর্তি হতে পারবেন।

এছাড়াও বিভিন্ন প্রোফেশনাল কোর্সে ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করতে পারবেন। CAT, ACCA এর মতো আন্তর্জাতিকমানের কোর্সগুলো সম্পন্ন করে চাকরি করতে পারবেন বিশ্বের প্রায় সব দেশে।

এইচ এসসির পর মেডিকেল

মেডিকেল কলেজে পড়াশোনা সেবামূলক ও সম্মানজনক পেশা চিকিৎসক পেশা। এইচএসসি পাসের পর দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তি হয়ে পড়তে পারেন এমবিবিএস কোর্স। মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করার উত্তম পেশা ডাক্তারি পেশা। আত্মসেবামূলক পেশায় নিজেকে নিয়োজিত করার এক অনন্য সুযোগ রয়েছে এই পেশায়। রয়েছে নিজেকে সুপ্রতিষ্ঠিত করার বহু পথ।

এমবিবিএস কোর্সে প্রতিবছর মেডিকেল কলেজগুলোতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। সেজন্য আপনাকে নামতে হবে অগ্নিপরীক্ষায়। পাল্লা দিতে হবে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর সঙ্গে। নৈর্বক্তিক পরীক্ষায় অবশ্যই ভালো করতে হবে। আসন সংখ্যা সীমিত কিন্তু পরীক্ষার্থী অনেক বেশি। এ ক্ষেত্রে আপনাকে বেশ ভালো প্রস্তুতি নিতে হবে। মেধা তালিকার ভিত্তিতে ভাগ করে দেয়া হবে বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ।

সরকারি মেডিকেল কলেজের পাশাপাশি রয়েছে বিভিন্ন বেসরকারি মেডিকেল কলেজ। তবে সরকারির তুলনায় বেসরকারিতে পড়াশোনার খরচ অনেক বেশি। সরকারি মেডিকেলের পড়ার মানও অনেক ভালো। তাই প্রস্তুতি নিতে হবে জোরেশোরে। ডেন্টাল কলেজেও একই অবস্থা। সরকারি ডেন্টাল কলেজে ভর্তির জন্য ও ভর্তি প্রয়োজনীতায় অংশগ্রহণ করতে হবে। ডাক্তারি পেশায় সম্মানের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পথও আছে অনেক।

আমাদের দেশে বর্তমানে ১৪টি সরকারি মেডিকেল কলেজ রয়েছে। এর সবগুলোতেই MBBS কোর্স চালু রয়েছে। এছাড়া বেসরকারি পর্যায়ে অনেকগুলো মেডিকেল কলেজ রয়েছে। সরকারি পর্যায়ে আসন সংখ্যা ২০৬০টি। ছাত্রদের পছন্দ ও মেধাস্থান অনুযায়ী কে কোন মেডিকেলে চান্স পাবে তা নির্ধারিত হয়। সরকারি মেডিকেল কলেজগুলোর নাম- For instance

১. ঢাকা মেডিকেল কলেজ, ঢাকা

২. স্যার সলিমূল্লাহ মেডিকেল কলেজ, ঢাকা।

৩. বেগম খালেদা জিয়া মেডিকেল কলেজ, ঢাকা।

৪. ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ, ময়মনসিংহ।

৫. চট্রগ্রাম মেডিকেল কলেজ, চট্রগ্রাম

৬. রাজশাহী মেডিকেল কলেজ, রাজশাহী।

৭. সিলেট এম. এ. জি. ওসমানী মেডিকেল কলেজ, সিলেট।

 

৮. শের-এ-বাংলা মেডিকেল কলেজ, বরিশাল।

৯. খুলনা মেডিকেল কলেজ, খুলনা।

১০. শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ, বগুড়া।

১১. রংপুর মেডিকেল কলেজ, রংপুর।

১২. ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ, ফরিদপুর।

১৩. দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ, দিনাজপুর।

১৪. কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ, কুমিল্লা।

বেসরকারি মেডিকেল কলেজগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল-

১. বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ, ধানমণ্ডি, ঢাকা।

২. আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজ, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, ঢাকা।

৩. ইনস্টিটিউট অব অ্যাপ্লাইড হেলথ ক্যাব টেকনোলজি, চট্টগ্রাম।

৪. মেডিকেল কলেজ ফর উইমেন্স, উত্তরা, ঢাকা।

৫. জরিনা শিকদার মহিলা মেডিকেল কলেজ, রায়ের বাজার, ঢাকা।

৬. ইবনে সিনা মেডিকেল কলেজ, ঢাকা।

৭. ইসলামী ব্যাংক মেডিকেল কলেজ, রাজশাহী।

৮. সেন্ট্রাল মেডিকেল কলেজ, কুমিল্লা।

৯. ডা. ইবরাহীম মেডিকেল কলেজ, ঢাকা।

১০. জালালাবাদ আর আর মেডিকেল কলেজ, সিলেট।

১১. ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ, জনসন রোড, ঢাকা।

১২. কম্যুনিটি বেইসড মেডিকেল কলেজ, ময়মনসিংহ।

১৩. নর্থ ইস্ট মেডিকেল কলেজ, সিলেট।

১৪. হলি ফ্যামিলি মেডিকেল কলেজ, ঢাকা।

১৫. নর্দার্ন ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ, ঢাকা।সাধারণত সরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তি কার্যক্রম সমাপ্তির পর এদেশের প্রাইভেট মেডিলেকল কলেজের ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। এক্ষেত্রে খরচ অত্যন্ত বেশি।

এইচ এসসির পাশের পর মানবিক পড়ুয়াদের জন্য

মানবিক পড়ুয়াদের জন্য আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, ইংরেজি, জেন্ডার স্টাডিজ, ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ, রাষ্ট্রবিজ্ঞানের চাহিদা বেশি। যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজে ইংরেজিতে পড়তে পারো। অন্য বিভাগগুলো সব বিশ্ববিদ্যালয়ে নেই। খোঁজ নিতে হবে এবং সেভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে।

দেশে অনেক বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয় ও বিষয় এখন চালু হচ্ছে। এর মধ্যে চট্টগ্রামের ভেটেরিনারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়লে তুমি পাস করতে করতেই চাকরি পেয়ে যেতে পারো, কারণ দেশে গবাদিপশুর চিকিৎসক, বিশেষজ্ঞের চাহিদার এক কোনাও এখন পর্যন্ত পূরণ হয়নি। পড়তে পারো দেশের হাতে গোনা নার্সিং ইনস্টিটিউটে। আমাদের দেশেরই বটে, সারা বিশ্বে নার্সিং পেশার কদর বাড়ছে, চাহিদাও বাড়ছে।

অনেকই এখন উদ্যোক্তা হতে চায়। আমার জানামতে, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ইনোভেশন অ্যান্ড এন্ট্রাপ্রেনিউরশিপের অনার্স কোর্স রয়েছে। শুনেছি, হোম ইকোনমিকসে ‘রিসোর্স ইউটিলাইজেশন অ্যান্ড এন্ট্রাপ্রেনিউরশিপের ওপর অনার্স করা যায়।

Hsc এর পর কি করা যায়?

এখন আসি এইচ এস সির পরে কি কি করলে আমাদের লাইফটা আরো উজ্জ্বল করতে পারি 

1. Diploma in Digital Marketing

বেশিরভাগ কোম্পানি ডিজিটাল মার্কেটিং এর উপর নির্ভরশীল নয়। কারণ বিশ্ব নিজেকে এমন একটি বিশ্বে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে যেখানে সবকিছু ডিজিটালভাবে পরিচালনা করা হবে। আপনি যদি ডিজিটাল মার্কেটিং এ ডিপ্লোমা করেন, তাহলে আপনি বাজার মূল্যায়ন, ব্যবস্থাপনা এবং গবেষণার সাথে নিজেকে সজ্জিত করতে সক্ষম হবেন।

এই স্বল্পমেয়াদী কোর্সটি করার মাধ্যমে, আপনি আপনার আর্থিক এবং ব্যক্তিগত উভয় উন্নতি করতে পারেন। ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্সে অনেক সাবক্যাটাগরি পাওয়া যায় , যেমন 

  1. Social Media Marketing (SMM)
  2. Search Engine Optimization (SEO) 
  3. Pay-Per-Click (PPC) 
  4. Conversion Optimization
  5. Web Analytics
  6. Content Marketing 
  7. Mobile Marketing 
  8. Email Marketing 
  9. Google Analytics.
  10. Google Ads
  11. Facebook, YouTube,
  12. Instagram Marketing
  1. বেশ কয়েকটি ডিজিটাল মার্কেটিং কোম্পানি নতুন শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন পদে যোগদানের সুযোগ দিচ্ছে। চাকরির পোস্টগুলি হল এসইও বিশ্লেষক, ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সিকিউটিভ, ওয়েব অ্যানালিটিক্স ম্যানেজার এবং কয়েকটি নাম। যেকোন কোম্পানিতে যোগদান করা ছাড়া, আপনি অনেকের মাধ্যমে পৃথক সেবা প্রদান করতে পারেন

এবং অনলাইন মার্কেটপ্লেস যেমন  UpWork, Fiver, People Per Hour, Freelancer.com, etc. এই সব সাইটে কাজ করে ভালো আর্ন করতে পারেন । 

Hsc এর পর ক্যারিয়ার Web Designing course

একটি ওয়েব ডিজাইনিং কোর্স কম্পিউটার সায়েন্স এবং আইটি ক্ষেত্রের অন্তর্গত। এটি শিক্ষার্থীদের ওয়েব পৃষ্ঠাগুলি তৈরি এবং বজায় রাখার জন্য বিভিন্ন কৌশল, সরঞ্জাম এবং প্রোগ্রামিং ভাষা শিখতে সক্ষম করে। এই ক্ষেত্রে সার্টিফিকেট এবং ডিপ্লোমা কোর্স থেকে শুরু করে UG, PG, এবং PGDM প্রোগ্রাম পর্যন্ত কোর্সের একটি বিন্যাস রয়েছে

ওয়েব ডিজাইনিং কোর্স কি?

ওয়েব ডিজাইনিং কোর্সগুলি কম্পিউটার সায়েন্স এবং আইটি ক্ষেত্রের অংশ যার জন্য ছাত্রদের গতিশীল ওয়েব পেজ তৈরি করতে সার্ভার প্রোগ্রামিং ভাষা শিখতে হয়। যারা আইটি সেক্টরে ভালো শুরু করতে চান এবং উচ্চ বেতনের চাকরি পেতে চান তাদের কাছে ওয়েব ডিজাইন কোর্সগুলি অত্যন্ত পছন্দের।

ওয়েব ডিজাইন করা কি সহজ?

ওয়েব ডিজাইন কি সহজ? At first ,  এটি শুরুতে সহজ মনে হতে পারে কারণ আপনি কয়েক মাসের মধ্যে HTML এবং CSS এর মূল বিষয়গুলি শিখতে পারবেন। কিন্তু আপনি এই শিল্পে অগ্রসর হওয়ার সাথে সাথে আপনি এটিকে আরও চ্যালেঞ্জিং মনে করতে পারেন। সমস্ত পরিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে আপনাকে ক্রমাগত নতুন প্রযুক্তি শিখতে হবে।

ওয়েব ডিজাইন কি ভালো ক্যারিয়ার?

ওয়েব ডিজাইন কি ক্যারিয়ারের দৃষ্টিকোণ থেকে ভাল, ওয়েব ডিজাইন আইটি শিল্পে ক্যারিয়ার শুরু করার জন্য একটি ভাল বিকল্প/সুযোগ? ওয়েব ডিজাইনাররা সরকারী বা বেসরকারী সংস্থা, ব্যবসা, শিল্প এবং কর্পোরেট ফার্মের জন্য ওয়েবসাইট, ওয়েব পেজ এবং ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন ডিজাইন করে অনলাইনে তাদের পরিচয় প্রতিষ্ঠা করতে।?

এইচএসসির পর কি করতে পারি ?

What is a basic photography course?

ক্যামেরা কন্ট্রোল, লেন্স এবং আলোর সরঞ্জাম সহ ফটোগ্রাফিক ক্যামেরার প্রযুক্তিগত দিকগুলিও এই কোর্সে কভার করা হয়েছে। এই কোর্সের উদ্দেশ্য হল ফটোগ্রাফিক প্রক্রিয়ার প্রাথমিক জ্ঞান, পেশাদার পরিষেবাগুলির ব্যবহার এবং ভূমিকা সহ।

আমি কি নিজে থেকে ফটোগ্রাফি শিখতে পারি?

আপনি নিজে ফটোগ্রাফি শিখতে পারেন? একেবারেই! ইন্টারনেট বিশ্বের সেরা ফটোগ্রাফার এবং সেরা মনকে এক জায়গায় নিয়ে এসেছে৷ আপনার যে ধরনের ফটোগ্রাফি বা প্রশ্ন থাকুক না কেন আপনি অনলাইনে উত্তর পেতে পারেন।

এইচ এসসির পর বিদেশে উচ্চশিক্ষা

দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশে পড়ার সুযোগ রয়েছে। বিদেশের নামকরা সব বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে নিজেকে করতে পারেন সুপ্রতিষ্ঠিত। বিদেশে উচ্চশিক্ষার সুযোগ করে দিচ্ছে ব্রিটিশ কাউন্সিলের মতো প্রতিষ্ঠান। তবে এর জন্য আপনাকে IELTS টেস্টে ভালো নম্বর পেতে হবে।

এইচ এসসির পর বিজ্ঞান ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য

Below are some major careers/courses after HSC/12th class for Science:

  1. Diploma in Computer Science
  2. Diploma in Electrical Engineering.
  3. Diploma in Civil Engineering.
  4. Diploma in Garments Design and Pattern Making.
  5. Diploma in Electronics Engineering.
  6. Diploma in Telecommunication Engineering.
  7. Diploma in Textile Engineering.
  8. Diploma in Software Engineering.
  9. Diploma in Community Health Care (DCHC)
  10. Diploma in Pharmacy (D. Pharm)
  11. Online Diploma in Health Professionals Education (ODHPEd) 
  12. Diploma in Midwifery
  13. Diploma in Disaster Management (PPDM)
  14. Certificate/Postgraduate Diploma in Early Childhood Development 
  15. Postgraduate Diploma in Educational Leadership, Planning and Management 
  16. Diploma Engineering in Aerospace Engineering

এইচ এসসির পর মানবিক ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য

The below list is showing how many careers/courses after HSC/12th class for arts faculty:

          1.  B.A. (Honors in Political Science) 

    1. B.A. (Honors in Sociology) 
    2. B.A. (Hons.) Economics 
    3. B.A. (Hons.) Humanities and Social Sciences 
    4. B.A. (Hons.) Social Work 
    5. B.A. (Hons) English 
    6. B.A. (Honors) History 
    7. B.A. (Honors) English with Journalism 
    8. B.A. (Journalism) 
    9. B.A. (English) 
    10. B.A. (Media & Communication) 
    11. B.A. (Psychology) 
    12. B.A. (Fine Arts) 
    13. B.A. (History) 
    14. B.A. Geography) 
    15. B.A. (Mass Communication) 
    16. B.A. (Sociology) 
    17. B.A. Economics 
    18. B.A. LL.B.

এইচ এসসির পর ব্যাবসা/ই-কমার্স ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য

Courses After HSC Commerce Faculty Students

       

  1. B.Com in Management.
  2. Bachelor of Business Administration.
  3. Bachelor of Business Studies.
  4. Chartered Accountancy.
  5. Company Secretary.
  6. Diploma in Human Resource.
  7. Diploma in Accounting and Finance.
  8. Diploma in Banking.
শুভ কামনা

       

সময়ের এক ফোঁড় অসময়ের দশ ফোঁড়- এমন সুযোগ আর আসবেনা নিজেকে গড়ার। তোমার সামনে পুরো পৃথিবী, যেটাই চাও হতে পারবে  ইনশা-আল্লাহ যদি চেষ্টা করো ।

Above all , তো যে কোন ডিপার্ট্মেন্ট এর সাবজেক্ট  বা  কোর্স হোকনা কেন আপনারা যারা যেটাতে যেখানে পড়তেছেন বা পড়বেন সেটা নিয়ে পড়েন /পড়িয়েন ।আপনারা যদি ভালোভাবে পড়েন তাহলে আপনাদের চাকরির সুযোগ সুবিধার অভাব হবে না  যেকোনো ডিগ্রিতে। তো বুঝতেই পারছেন সব ডিপার্টমেন্টের কিন্তু সুযোগ সুবিধা আছে । আপনাকে ভালো মতো পড়তে হবে। তো ভালো মতে চালিয়ে যান 😍😍 সবার জন্য শুভকামনা🥰

In conclusion , আশা করি আজকের এইচ এসসির পর কী নিয়ে পড়ব ও কি করব ? After HSC what can I do? আর্টিকেলে  আশা করি মোটামোটি বুঝাতে পেরেছি  । আর্টিকেলটি আপনাদের অনেক ভালো লেগেছে  আশা করি । ভাল লাগলে অবশ্যই আপনাদের মতামত জানাবেন কমেন্ট করবেন। 

আর আমার সাথে এখানে লাইভ চ্যাটে কথা বলতে পারেন। তো ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন। আর অবশ্যই অবশ্যই সাথে থাকবেন সাপোর্ট করবেন আসালামু আলাইকুম, আল্লাহ হাফেজ

রাষ্ট্রবিজ্ঞান এর ভবিষ্যত কী ? 

A career in political science subject review best subject

A career in political science subject review রাষ্ট্রবিজ্ঞান

আসসালামু আলাইকুম । আমি আজকের A career in political science subject review রাষ্ট্রবিজ্ঞান আর্টিকেলে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বা পলিটিকাল সাইন্স নিয়ে কথা বলার চেষ্টা করেছি এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ভবিষ্যৎ কি কি এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান নিয়ে পড়ালেখা করলে কি কি সুযোগ সুবিধা রয়েছে এমন রাষ্ট্রবিজ্ঞানের কি কি চাকরি রয়েছে এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান অধ্যায়ান কেন রাষ্ট্রবিজ্ঞানের পরিধি বিষয়বস্তু কি এখন রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জন্য সবচাইতে বড় বড় চাকরি গুলো কি ?

তো রাষ্ট্রবিজ্ঞান নিয়ে মোটামুটি যত কিছু আছে সব কিছু আমি বলার চেষ্টা করেছি হয়তো অনেক কিছুই স্কিপ হয়ে গেছে । আশা করি আপনারা প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত আমরা ভালোভাবে পড়লে রাষ্ট্রবিজ্ঞান সম্পর্কে  মোটামুটি সব কিছু আপনারা জানতে পারবেন এবং ধারণা ক্লিয়ার হয়ে যাবে তো এর আগের পূর্ববর্তী আর্টিকেলগুলো আপনারা দেখে আসবেন অবশ্যই আপনার যেটা লাগে সেটা আপনাদের আপনারা দেখতে পারেন তো চলুন আমরা শুরু করি ।

রাষ্ট্রবিজ্ঞান বা পলিটিকাল সাইন্স কি?

রাষ্ট্রবিজ্ঞান স্থানীয়, রাষ্ট্রীয়, জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সরকার ও রাজনীতির তত্ত্ব এবং অনুশীলনের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে। আমরা জনসাধারণের জীবন গঠন করে এমন প্রতিষ্ঠান, অনুশীলন এবং সম্পর্কের বোঝাপড়ার বিকাশে নিবেদিত এবং নাগরিকত্ব প্রচার করে এমন অনুসন্ধানের পদ্ধতিগুলি

রাষ্ট্রবিজ্ঞানের বিষয়বস্তু মূলত নেতারা কীভাবে ক্ষমতা অর্জন করেন এবং কীভাবে তা বজায় রাখে, কীভাবে সামাজিক আন্দোলন শুরু হয়, গতি অর্জন করে এবং কীভাবে সরকার ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানগুলো দক্ষতা এবং স্বচ্ছতার সাথে পরিচালিত হতে পারে তা নিয়ে আলোচনা করে ।

সাবজেক্ট রিভিউ: রাষ্ট্রবিজ্ঞান (A career in political science subject review)

রাষ্ট্রবিজ্ঞান, পৃথিবীর সবচেয়ে আদি এবং শ্রেষ্ঠ বিষয়। মানুষ যখন থেকে সংঘবদ্ধ হয়ে রাষ্ট্র নামক ব্যবস্থার অধীনে আসে তখন থেকেই এই বিষয়ের পথচলা, এই পথচলা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে রাজনীতি বিজ্ঞান নাম ধারণ করে। রাষ্টবিজ্ঞান না হয়ে রাজনীতি বিজ্ঞান এজন্যই যে রাজনীতির মধ্যে রাষ্ট্র ধারণ করে অনায়সেই।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় পথচলার শুরু হতেই এই বিষয়ের যাত্রা শুরু হয় যদিওবা প্রাতিষ্ঠানিক বয়স কিছু পরে হয়। ধীরে ধীরে এই সাবজেক্ট নিজেকে এমন অবস্থানে উন্নীত করেছে যে, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় যে কয়েকটি ডিপার্টমেন্ট নিয়ে তার স্বকীয়তার পরিচয় দিতে গর্ববোধ করে এই ডিপার্টমেন্ট তাদেরই নেতৃত্বস্থানীয় পর্যায়ে রয়েছে।

এই ডিপার্টমেন্ট এসে আপনি পাবেন ড. ভুঁইয়া মনোয়ার কবির স্যারের সাথে ১৯৪৭ থেকে বর্তমান বাংলাদেশের ইতিহাসের আলোচনায় নিজেকে ভাসিয়ে দিতে, কিংবা আনোয়ারা ম্যাডামের রসাত্মক ভঙ্গিতে জটিল জটিল তত্ত্বগুলোর সহজবোধ্য ভাষায় বর্ণনা নিতে, যদি তাতেও মন নাভরে তাহলে এসে হাজির হবেন

আলম স্যার তার অত্যন্ত পরিমিত রসে মজাদার উপায়ে আন্তর্জাতিক রাজনীতির বিভিন্ন দিকপালের কথা বলতে। এমন করে আপনি পাবেন প্রায় প্রতিটি সাবজেক্টে বিজ্ঞ শিক্ষক মন্ডলীর সর্বোচ্চ সাহায্য। আর সবশেষে তো আছেই ডিপার্টমেন্ট বড় ভাইয়া,আপুদের সাহায্য, যারা আপনাকে গেঁথে নেবে এই ডিপার্টমেন্টে আপনার প্রথম পথচলার দিনেই।

রাষ্ট্রবিজ্ঞান ডিপার্টমেন্ট এর সবচেয়ে ইউনিক দিকগুলি কী ?

১ঃ বিসিএস পরীক্ষার জন্য বেস্ট প্রিপারেশন নেওয়ার জন্য আমাদের কোর্স রিলেটেড পড়াশোনাগুলো খুবই কার্যকরী। (প্রত্যেকবছরই  বিসিএসে রাষ্ট্রবিজ্ঞানীদের নজরকাড়া সাফল্য দেখা যায়)

২ঃ রোবোটিকস পড়াশোনা করা লাগবে না আপনাকে।

৩ঃ সকাল থেকে বিকেল টানা ক্লাস করার অসহ্য পেইন আপনাকে সহ্য করতে হবে নাহ।

৪ঃ রাজনৈতিক জ্ঞান আহরণের সর্বোচ্চ শিখরে পৌছতে চাইলে রাষ্ট্রবিজ্ঞান এর জুড়ি নেই।

৫ঃ ভালো সিজিপিএ তোলার জন্য রাষ্ট্রবিজ্ঞান ডিপার্টমেন্ট আপনার জন্য বেস্ট চয়েস হবে,খাটনি করে পড়াশোনা করলে ভালো মার্কস এর ব্যাপারে নিশ্চিন্ত থাকতে পারা যায়(খামখেয়ালিপনা একদমই গ্রহনযোগ্য নয়,তখন হিতে বিপরীত হয়ে যেতে পারে)।

খেলাধুলার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের আধিপত্য সবারই জানা,ক্রিকেট এবং ফুটবল উভয় দিকে ভার্সিটির অন্যতম ডমিনেটিং টিম রাষ্ট্রবিজ্ঞান 💕😎

রাষ্ট্রবিজ্ঞান নিয়ে আগামী ৪ বছরে কি কি পড়বেন?

আপনি যদি বিসিএস টার্গেট করেন তাহলে ধরে নেন রিটেনের প্রস্তুতির ৪০-৫০ভাগ আপনার সম্পূর্ণ হবে যদি আপনি মনোযোগী ছাত্র হন। প্রশাসনের বিভিন্ন পরিভাষা আপনার মুখে বুলি ফুটবে যা আপনাকে এগিয়ে রাখবে বিসিএস ভাইভাতে। যেমন আপনি পড়বেন রাষ্ট্রীয় নীতি, তুলনামূলক রাজনীতি,

লোক প্রশাসন, আন্তর্জাতিক রাজনীতি, অর্থনীতি, ব্রিটিশ থেকে বাংলাদেশ পরিণত হওয়ার ইতিহাস, বাংলাদেশের সরকার, সক্রেটিস, প্লেটো, এরিস্টটল, রুশো, কার্ল মার্ক্স, হবস, জন লক ইত্যাদি পৃথিবী বিখ্যাত মনিষীদের তত্ত্ব, তাদের জীবনধারা, সাথে করতে পারবেন তাদের সমালোচনা।

তবে এত দারুণ সব সাবজেক্ট পড়ে আপনি যদি শিক্ষকদের চাহিদামত লিখতে পারেন তাহলে ৩.৩০–৩.৬০ পর্যন্ত রেজাল্ট অনায়সেই করতে পারবেন, তবে শিক্ষকেরা আশায় আছেন আপনারা কেউ এসে স্যারদের থেকে জোর করে ৩.৮০-৪.০০ দখল করে নেওয়ার।

তবে যতকথা এই পরীক্ষা নিয়ে, তা হল আমাদের ডিপার্টমেন্টের মজার দিক হল উনারা সহজে পরীক্ষা নিতে চাননা, ১২মাসকে ১৩/১৪/১৫মাস হলে উনারা পরীক্ষা নিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন(যদিও বর্তমানে বছরের পরীক্ষা বছরেই নিয়ে নেন টিচাররা)। চার বছরের অনার্স শেষ করতে সাড়ে চার বছরের কিছু বেশি লাগে।

আর সবিশেষ ব্যাপার হল আপনি এই ৪/৫ বছর স্নাতক, স্নাতকোত্তর করে আপনি কি কি করতে পারবেন?



রাষ্ট্রবিজ্ঞান নিয়ে পড়লে কী চাকরি পাওয়া যাবে?

প্রথমত বিসিএসে প্রভূত সুবিধাঃ=== যাদ্বারা এক্কেবারে সচিব হওয়ার সুযোগ আছে, আপনি যে ফ্যাকাল্টিতে আসছেন তার নাম সমাজ বিজ্ঞান আর সমাজ বিজ্ঞানের জন্য চাকরি বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে শুরু করে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড পর্যন্ত, মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি, এনজিও, বিভিন্ন দলের রাজনৈতিক বিশ্লেষক, এবং সর্বোচ্চ কথা হল বাংলাদেশের প্রতিটি সরকারি কলেজে রাষ্ট্রবিজ্ঞান সাবজেক্ট আপনি পাবেন।

সুতারাং একথা নিশ্চিত আপনার রুটিরুজির অভাব হবেনা। মূলকথা হচ্ছে এই ডিপার্টমেন্ট আপনাকে জ্ঞানের এক অকূল সাগরে পাড়ি দিতে দক্ষ করে তুলবে। আর বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কলারশিপ এর কথা এসেই জানবেন।উচ্চতর ডিগ্রি ও গবেষণার জন্য USA, Canada, Australia এবং Europe-এর বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করার সুযোগ রয়েছে।

কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ানো: === প্রথমত, অ্যাকাডেমিক লাইন তো খোলা আছেই। স্নাতকোত্তর স্তরে ৫৫ শতাংশ নম্বর এবং নেট/সেট পাশ করলে কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ানোর সুযোগ পাওয়া যেতে পারে। কেউ যদি না পড়িয়ে শুধুমাত্র গবেষণা করতে চায়, তবে তার সুযোগও ক্রমবর্ধমান। এমনিতেই ইউ জি সি-র ফেলোশিপ নিয়ে যে-কোনও বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা শুরু করা সম্ভব। গবেষণার বিষয় নানাবিধ হতে পারে।

সাধারণ ভাবে রাষ্ট্রবিজ্ঞানকে রাজনৈতিক দর্শন, তুলনামূলক রাজনীতি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক এই তিনটি ভাগে বিভক্ত করা হলেও, জনসাধারণ, সমাজতত্ত্ব, নৃতত্ত্ব প্রভৃতি নানাবিধ ক্ষেত্রে তার শাখা-প্রশাখা বিস্তৃত। এ ছাড়াও মানবাধিকার, লিঙ্গবৈষম্য বা সেফোলজি-র মতো আকর্ষণীয় বিষয় চর্চার মাধ্যমে গবেষকদের চিন্তা ও কাজের পরিধি ক্রমশ বিস্তৃত হতে পারে। সাধারণত একটি গবেষণা আরও পাঁচটির সুযোগ ও পরিধিকে বিস্তৃত করে, নতুন ক্ষেত্র তৈরি হয়, কাজের সুযোগও বাড়ে।

আইনের পথ খোলা:=== রাষ্ট্রবিজ্ঞানের পড়ুয়ারা আইন ব্যবসাতেও অত্যন্ত সফল হন। সারা বিশ্বে লব্ধপ্রতিষ্ঠ যত জন আইনজ্ঞ রয়েছেন, তাঁদের বেশির ভাগই রাষ্ট্রবিজ্ঞান বা অর্থনীতির পড়ুয়া। এখন উচ্চ মাধ্যমিকের পর সরাসরি আইন নিয়ে পড়া যায়। কিন্তু কেউ যদি স্নাতকস্তর পর্যন্ত রাষ্ট্রবিজ্ঞানের পাঠ নিয়ে তার পর আইন পাঠ করেন, তবে আরও দ্রুত বিষয়ে প্রবেশ সম্ভব।

ভবিষ্যতে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের সুযোগ কী?

রাষ্ট্রবিজ্ঞানিদের মতে, রাষ্ট্রবিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করলে নিচের উল্লেখিত চাকরি পাওয়া যাবে:👇👇👇

  1. আইনজীবী
  2. কূটনীতিক বা বিদেশী পরিষেবা কর্মকর্তা
  3. কলেজ অধ্যাপক
  4. বিজনেস এক্সিকিউটিভ
  5. রাজনৈতিক পরামর্শদাতা
  6. সরকারী কর্মকর্তা
  7. নীতি বিশ্লেষক
  8. সহকারী আইনজীবি
  9. যোগাযোগ / গণসংযোগ পেশাদার
  10. জনমত গবেষক
  11. সাংবাদিকতাঃ
  12. রাষ্ট্রবিজ্ঞানী
  13. অর্থনীতিবিদ
  14. সরকারী বিষয়ক পরিচালক 
  15. ব্যবস্থাপনা বিশ্লেষক
  16. নীতি বিশ্লেষক
  17. আইনজীবী
  18. জনসংযোগ বিশেষজ্ঞ
  19. শহর পরিকল্পনাকারী
  20. অপারেশন গবেষণা বিশ্লেষক
  21. গোয়েন্দা বিশ্লেষক
  22. রাজনৈতিক পরামর্শক
  23. সালিসকারী
  24. বিধায়ক
  25. বাজার গবেষণা বিশ্লেষক
  26. মিডিয়ায় কাজের সুযোগ
  27. রয়েছে NGO তে কাজএর সুযোগ

Best jobs for political science majors

  • Market research analyst
  • Economist
  • Political scientist
  • Government affairs director
  • Management analyst
  • Business analyst
  • Policy analyst
  • Lawyer
  • Public relations specialist
  • Urban planner
  • Operations research analyst
  • Intelligence analyst
  • Political consultant
  • Arbitrator
  • Legislator
  • Market research analyst

 

রাষ্ট্রবিজ্ঞান অধ্যয়ন কেন? এটি করার কয়েকটি কারণ :

১. আপনি রাজনীতি সম্পর্কে উত্সাহী কারণ

২. আপনি বক্তৃতা বিশ্লেষণে আগ্রহী

৩. আপনি সামাজিক প্রয়োজন সম্পর্কে উদ্বিগ্ন

৪. আপনি সংগঠিত (… বা আপনি হতে চান)

৫. আপনি পরিবর্তন ড্রাইভ করতে চান

৬. আপনি সৃজনশীল (বা আপনি বিবিধ চিন্তাভাবনা অনুশীলন করতে চান)

৭. আপনি শেখার একটি দুর্দান্ত আগ্রহ বোধ করেন

০৮. আপনি নিজেকে আরও ভালভাবে জানতে চান

০৯. দুর্দান্ত, তবে … এই ক্যারিয়ার আপনাকে কোন ক্যারিয়ারের সুযোগ দিতে পারে?

রাষ্ট্রবিজ্ঞান নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্ন 👇👇

০১ঃ রাষ্ট্রবিজ্ঞান কি? 

রাষ্ট্রবিজ্ঞান স্থানীয়, রাষ্ট্রীয়, জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সরকার ও রাজনীতির তত্ত্ব এবং অনুশীলনের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে। আমরা জনসাধারণের জীবন গঠন করে এমন প্রতিষ্ঠান, অভ্যাস এবং সম্পর্কের বোঝাপড়ার বিকাশে নিবেদিত এবং নাগরিকত্বকে উন্নীত করে এমন অনুসন্ধানের পদ্ধতি।

০২ঃ রাষ্ট্রবিজ্ঞানের সংজ্ঞা কী?

রাষ্ট্রবিজ্ঞান বলতে সে বিষয়টিকে বুঝায়, যা সমাজবদ্ধ মানুষের রাজনৈতিক বা রাষ্টনৈতিক বিষয়ে আলোচনা করে। উইলোবি’র বলেন, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভিন্ন রাজনৈতিক ঘটনাবলির প্রকৃতি নির্নয় করে এদের মধ্যে গভীর সম্পর্ক ও যোগসূত্র স্থাপন করে। অধ্যাপক গেটেল এর মতে, রাষ্ট্রবিজ্ঞান রাষ্টের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যত নিয়ে আলোচনা করে।

০৩ঃ রাষ্ট্রবিজ্ঞান কেন পড়বো ?

এ সাবজেক্টটি প্রথমেই পড়বো জ্ঞান অর্জনের ক্ষেত্র হিসেবে আর সেটি রাষ্ট্র থেকে শুরু করে সব রকমের হতে পারে। … আমি যে রাষ্ট্রে বসবাস করি তার সম্পর্কে জানা প্রত্যেক নাগরিকের বলা যায় ফরজ কাজগুলোর মধ্যে একটি। আর এ সাবজেক্ট এর মূল বিষয় যেহেতু রাষ্ট্র তাই আমি মনে করি রাষ্ট্রের সব খুঁটিনাটি জানা যায়।

০৪ঃ সমাজতত্ত্ব কী? আর রাষ্ট্রবিজ্ঞান কী?

  1. সমাজতত্ত্ব একটি পাণ্ডিত্যপূর্ণ শৃঙ্খলা যা প্রাথমিকভাবে ফরাসি বিপ্লবের পর পরই জ্ঞানদান চিন্তার ফলে সমাজের প্রত্যক্ষবাদী বিজ্ঞান হিসাবে আবির্ভূত হয়েছে। এটি বিজ্ঞান এবং জ্ঞানের দর্শনের মতো কিছু গুরুত্বপূর্ণ আন্দোলনের ফসল। বৃহত্তর অর্থে দর্শনের সাধারণ ভিত্তি থেকে পূর্ব নির্ধারিত ক্ষেত্র হিসেবে সামাজিক বিশ্লেষণের জন্ম।
  2.  
  3.  রাষ্ট্রবিজ্ঞান সমাজবিজ্ঞানের একটি শাখাবিশেষ; যেখানে রাষ্ট্র, সরকার এবং রাজনীতি সম্পর্কীয় বিষয়াবলী নিয়ে আলোকপাত করা হয়। এরিস্টটল রাষ্ট্রবিজ্ঞানকে রাষ্ট্র সম্পর্কীয় বিজ্ঞান নামে উল্লেখ করেছেন।

 

০৫ঃ রাষ্ট্রবিজ্ঞানের পরিধি ও বিষয়বস্তু কী?

রাষ্ট্রবিজ্ঞানের বিষয়বস্তু:

১। রাষ্ট্রচিন্তা বা রাষ্ট্রদর্শন।

২। রাজনৈতিক তত্ত্ব।

৩। রাজনৈতিক মতবাদ।

৪। রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান।

৫। প্রশাসনিক সংগঠন।

৬। রাজনৈতিক আচরণ।

৭। তুলনামুলক রাজনীতি

৮। আন্তর্জাতিক রাজনীতি।

০৬ঃ রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক কে?

রাষ্ট্র সম্পর্কে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে প্রথম আলোচনা করে রাষ্ট্র সম্পর্কে উত্থাপিত সকল সমস্যার সমাধানের জন্য এরিস্টটলকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক বলা হয়।

০৭ঃ বাংলাদেশের রাষ্ট্রবিজ্ঞানীর নাম কী?

আমার জানা মতে যে ক’জন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী আছে তারা হলেন —

১.ড. রওনক জাহান

২.ড. হারুন- অর – রশিদ

৩. ড. এমাজউদ্দিন আহমেদ

৪. তালুকদার মনিরুজ্জামান ( তাকে এশিয়ার বিশিষ্ট নিরাপত্তা বিশ্লেষক ও বলা হয়ে থাকে)

০৮ঃ এই পৃথিবীর সবচেয়ে ভালো রাষ্ট্রবিজ্ঞানী কে?

মুহাম্মাদ (সা)। কারণ তিনি এমন একটি রাষ্ট্র গঠন করেছিলেন যার মত রাষ্ট্র কেউ কখনও গঠন করতে পারেনি। আপনারা যদি তার জীবনী এবং ইতিহাস পড়েন তাহলে বিষয়টা আরও সুন্দরভাবে বুঝতে পারবেন ইনশাআল্লাহ।

০৯ঃ রাষ্ট্রবিজ্ঞান ঠিক কী রকমের বিজ্ঞান? রাষ্ট্রবিজ্ঞানের কোন শাখায় গণিতের ব্যবহার আছে?

সাধারণ অর্থে বিজ্ঞান বলতে আমরা যা বুঝি সে অর্থে রাষ্ট্রবিজ্ঞানকে পদার্থবিদ্যা, রসায়নবিদ্যা, জীববিদ্যা এই পর্যায়ের বিজ্ঞান হিসেবে গণ্য করা উচিত হবে না। এই সকলবিজ্ঞান যেমন পরীক্ষালব্ধ জ্ঞান, রাষ্ট্রবিজ্ঞান সেই শ্রেণীভূক্ত পরীক্ষালব্ধ জ্ঞান বলা উচিত হবে না।

বরং একে সমাজবিজ্ঞান শ্রেণীভুক্ত করে বলি, রাষ্ট্রকেন্দ্রিক চিন্তা-চেতনা দৃষ্টিভঙ্গি রাষ্ট্রের বিভিন্ন সংগঠন উপাদান প্রকৃতির কার্যক্রম যুক্তিসঙ্গতভাবে আলোচনা করে যে বিজ্ঞান তাকেই রাষ্ট্রবিজ্ঞান বলে অবহিত করা হয়।

রাষ্ট্রবিজ্ঞানের তেমন গণিতের ব্যবহার নেই। তবে যদি এখানে পরিসংখ্যান অন্তর্ভুক্ত করা হয় তাহলে হয়তো কিছুটা প্রয়োজন হতে পারে। রাষ্ট্রবিজ্ঞান পড়তে গেলে অর্থনীতি সম্পর্কে অবশ্যই জ্ঞান থাকা দরকার। আর অর্থনীতির ক্যালকুলেশন তো গণিত লাগে।

একজন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী কে তো অবশ্যই দূরদৃষ্টিসম্পন্ন হতে হবে। সেক্ষেত্রে গণিতের জ্ঞান থাকাটা তো অবশ্যক।

১০ঃ রাষ্ট্রবিজ্ঞান কী একটি ভাল কর্মজীবন?

রাষ্ট্রবিজ্ঞানে একটি ডিগ্রি রাজ্য এবং স্থানীয় সরকার, আইন, ব্যবসা, আন্তর্জাতিক সংস্থা, সমিতি এবং অলাভজনক সংস্থা (এনজিও), প্রচারাভিযান পরিচালনা এবং ভোটদান, সাংবাদিকতা, নির্বাচনী রাজনীতি, গবেষণা, বিশ্ববিদ্যালয় এবং কলেজে শক্তিশালী ক্যারিয়ারের দিকে পরিচালিত করতে পারে।

১১ঃ ভবিষ্যতে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের সুযোগ কী?

রাষ্ট্রবিজ্ঞানে একজন স্নাতকের অনেক আকর্ষণীয় ক্যারিয়ারের বিকল্প রয়েছে যার মধ্যে রয়েছে রাজনৈতিক সাংবাদিকতা, নাগরিক পরিষেবা, প্রশাসনিক পরিষেবা, রাজনৈতিক উপদেষ্টা, ফেডারেল, রাজ্য এবং স্থানীয় সরকার, গবেষণা এবং শিক্ষাদান। এই ধরনের প্রার্থীরা আইনের ক্ষেত্রেও তাদের কর্মজীবন শুরু করতে পারেন।

 

১২ঃ রাষ্ট্রবিজ্ঞান অধ্যয়ন কি জন্য?

রাষ্ট্রবিজ্ঞান হল দেশীয়, আন্তর্জাতিক এবং তুলনামূলক দৃষ্টিকোণ থেকে রাজনীতি এবং ক্ষমতার অধ্যয়ন। এটি রাজনৈতিক ধারনা, মতাদর্শ, প্রতিষ্ঠান, নীতি, প্রক্রিয়া এবং আচরণের পাশাপাশি গোষ্ঠী, শ্রেণী, সরকার, কূটনীতি, আইন, কৌশল এবং যুদ্ধ বোঝার অন্তর্ভুক্ত।

১৩ঃ রাষ্ট্র এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান-এর মধ্যে পার্থক্য কী?

রাষ্ট্র নিদিষ্ট দেশ বা ভৌগোলিক অবস্থানকে বোঝায়।আর রাষ্ট্রবিজ্ঞান বলতে দেশ বা সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের কে নিয়ে পড়াশোনাকে বা বিশ্লেষণকে বোঝায়।।

১৪ঃ রাষ্ট্রবিজ্ঞান কি ভবিষ্যতের জন্য একটি ভাল প্রধান?

রাষ্ট্রবিজ্ঞান একটি বহুমুখী ডিগ্রি। এটি রাজনীতি এবং নীতি, অলাভজনক কাজ, ব্যবসা, মিডিয়া, বা শিক্ষায় ক্যারিয়ারের স্প্রিংবোর্ড করতে পারে। রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যয়নে অর্জিত গবেষণা, যোগাযোগ এবং ডেটা বিশ্লেষণের দক্ষতাও বেসরকারি এবং সরকারি উভয় ক্ষেত্রেই ব্যাপক প্রয়োগ রয়েছে।

১৫ঃ রাষ্ট্রবিজ্ঞান কি এবং এর গুরুত্ব কি?

রাষ্ট্রবিজ্ঞান হল সামাজিক বিজ্ঞানের সেই শাখা যা রাষ্ট্র, রাজনীতি এবং সরকার অধ্যয়ন করে। রাষ্ট্রবিজ্ঞান রাজনৈতিক ব্যবস্থার বিশ্লেষণ, রাজনীতিতে তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক প্রয়োগ এবং রাজনৈতিক আচরণের পরীক্ষা নিয়ে ব্যাপকভাবে কাজ করে।

১৬ঃ রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক এর কি মূল্য আছে?

হ্যাঁ, একটি রাষ্ট্রবিজ্ঞান ডিগ্রী অনেক ছাত্রদের জন্য এটি মূল্যবান. … কিছু কেরিয়ারের জন্য স্নাতক অধ্যয়নের প্রয়োজন হয় আইনজীবী, রাষ্ট্রবিজ্ঞানী এবং ইতিহাসবিদ। আপনি রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক ডিগ্রি দিয়ে শুরু করতে পারেন এবং একটি স্নাতকোত্তর বা ডক্টরাল ডিগ্রি অর্জন করতে পারেন যা উচ্চ-স্তরের কর্মসংস্থানের জন্য প্রমাণপত্র সরবরাহ করতে পারে।

১৭ঃ আমি রাষ্ট্রবিজ্ঞান পড়লে আমি কোন চাকরি পেতে পারি?

রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অন্যান্য জনপ্রিয় চাকরির মধ্যে রয়েছে রাষ্ট্রবিজ্ঞানী, রাষ্ট্রীয় আইন প্রণেতা, কমিউনিটি সার্ভিস ম্যানেজার, শহর প্রশাসক, বিদেশী কূটনীতিক, রাজনৈতিক বিশ্লেষক, ভোক্তা আইনজীবী এবং আরও অনেকে। আপনি রাষ্ট্রবিজ্ঞানে অনলাইনে মাস্টার্সের মাধ্যমে এই ক্ষেত্রে ক্যারিয়ারের পথ তৈরি করতে পারেন।

১৮ঃ রাষ্ট্রবিজ্ঞানে সর্বোচ্চ বেতনের চাকরি কী?

রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রধানদের জন্য সেরা চাকরি

শহর পরিকল্পনাকারী. …

নীতি বিশ্লেষক। …

আইনজীবী. …

ব্যবস্থাপনা বিশ্লেষক। …

ব্যাবসা বিশ্লেষক. …

রাষ্ট্রবিজ্ঞানী. জাতীয় গড় বেতন: প্রতি বছর $93,989। …

সরকারী বিষয়ক পরিচালক মো. জাতীয় গড় বেতন: প্রতি বছর $99,513। …

অর্থনীতিবিদ। জাতীয় গড় বেতন: প্রতি বছর $102,750।

১৯ঃ রাজনীতিতে কী ধরনের চাকরি হয়?

  1. রাজনীতিতে সাধারণ চাকরি
  2. স্বেচ্ছাসেবক।
  3. নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ।
  4. সামাজিক মাধ্যম ব্যবস্থাপক.
  5. আইন সহকারী।
  6. ক্যাম্পেইন ম্যানেজার।
  7. গোয়েন্দা বিশ্লেষক।
  8. আইনজীবী.
  9. নীতি বিশ্লেষক।

২০ঃ রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ৪টি ক্ষেত্র কি কি?

ছবির ফলাফল চলমান সেমিনার এবং কর্মশালা সহ বিভাগের নির্দেশনা এবং গবেষণা চারটি ঐতিহ্যবাহী সাবফিল্ডকে ঘিরে গঠিত: আমেরিকান রাজনীতি, তুলনামূলক রাজনীতি, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক এবং রাজনৈতিক তত্ত্ব।

২১ঃ কেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান একটি ভাল প্রধান?

একটি উদার শিল্প শিক্ষার অংশ হিসেবে যা বিশ্লেষণাত্মক পঠন, গবেষণা, বিশ্লেষণ এবং লেখার দক্ষতা বাড়ায়, রাষ্ট্রবিজ্ঞান ব্যবসা, অর্থ, পরামর্শ, সরকারি কাজ, বৈদেশিক পরিষেবা এবং সহ প্রায় যেকোনো ক্ষেত্রে চাকরির জন্য ছাত্রদের ভালো প্রার্থী করে তোলে। শিক্ষাদান

২২ঃ রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ডিগ্রি কি ভারতে মূল্যবান?

রাজনৈতিক ব্যবস্থা কীভাবে কাজ করে, সেইসাথে যারা প্রয়োজনীয় সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনা এবং বিশ্লেষণাত্মক দক্ষতা বিকাশের আকাঙ্খা করেন তাদের জন্য রাজনৈতিক বিজ্ঞান একটি নিখুঁত বিষয়। এই কারণগুলি আজ মানববিদ্যার ছাত্রদের মধ্যে রাষ্ট্রবিজ্ঞানকে সবচেয়ে বেশি চাওয়া মেজরদের মধ্যে পরিণত করেছে।

২৩ঃ রাষ্ট্রবিজ্ঞান পড়া কি কঠিন

আপনার যদি রাজনীতি এবং এর কাজের প্রতি সত্যিকারের আগ্রহ থাকে, তাহলে রাষ্ট্রবিজ্ঞান অধ্যয়ন করা অত্যন্ত আকর্ষণীয় হবে। রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যয়ন ততটা কঠিন নয় যতটা প্রাথমিক বিষয়গুলি স্কুলে পড়ানো হয়।

২৪ঃ রাজনীতির একটি স্তরের সাথে আপনি কী চাকরি পেতে পারেন?

এছাড়াও একটি কেরিয়ারের একটি পরিসীমা রয়েছে যেখানে A স্তরের রাজনীতিতে শেখা দক্ষতাগুলি বিশেষভাবে কার্যকর হতে পারে, যার মধ্যে রয়েছে:

  1. ব্যবসা উন্নয়ন ব্যবস্থাপক.
  2. দাতব্য কর্মকর্তা।
  3. গোয়েন্দা।
  4. কূটনৈতিক সেবা কর্মকর্তা।
  5. ফরেনসিক হিসাবরক্ষক।
  6. মানব সম্পদ উন্নয়ন কর্মকর্তা.
  7. স্থানীয় সরকার কর্মকর্তা।
  8. বাজার গবেষক.

২৫ঃ  রাষ্ট্রবিজ্ঞানে কি পড়াশুনা বহন করেন?

রাষ্ট্রবিজ্ঞান সরকার, জনসাধারণের নীতি এবং রাজনৈতিক আচরণের অধ্যয়নের মধ্যে পড়ে। এটি একটি সামাজিক বিজ্ঞান যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং বিশ্বের সমস্ত দেশ এবং অঞ্চল পরীক্ষা করার জন্য মানবতাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি এবং বৈজ্ঞানিক দক্ষতা উভয়ই ব্যবহার করে।



২৬ঃ এটা একজন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী হওয়ার মত কি?

রাষ্ট্রবিজ্ঞানীরা সরকারের গঠন ও তত্ত্ব অধ্যয়ন করেন এবং রাজনৈতিক সমস্যার ব্যবহারিক ও তাত্ত্বিক সমাধান খোঁজেন। … অনেকেরই রাজনৈতিক সহকারী হয়ে ওঠে, যারা নির্বাচিতদের আইন প্রণয়ন ও তাদের নির্বাচনী এলাকা বিশ্লেষণ ও ব্যাখ্যা করতে সাহায্য করে।

২৭ঃ বিএ রাষ্ট্রবিজ্ঞানের সুযোগ কি?

রাষ্ট্রবিজ্ঞানে ব্যাচেলর অফ আর্টস ডিগ্রি সরকারী এবং বেসরকারী উভয় ক্ষেত্রেই চাকরির সুযোগ উন্মুক্ত করে। পাবলিক সেক্টরে, একজন রাষ্ট্রবিজ্ঞানের স্নাতক নিম্নলিখিত ভূমিকাগুলিতে চাকরি পেতে পারেন: আইএএস (ইন্ডিয়ান অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিসেস) আইএফএস (ইন্ডিয়ান ফরেন সার্ভিসেস)

২৮: রাষ্ট্রবিজ্ঞানে পিএইচডি কত করে?

রাষ্ট্রবিজ্ঞানে পিএইচডি করে আপনি কত টাকা উপার্জন করতে পারেন? শ্রম পরিসংখ্যান ব্যুরো অনুসারে, বেশিরভাগ রাজনৈতিক বিজ্ঞানী প্রতি বছর $62,840 এবং $170,800 এর মধ্যে আয় করেন। আপনার পেশাগত অভিজ্ঞতা এবং আপনি যে রাজ্যে কাজ করেন তার মতো বিষয়গুলি আপনার পিএইচডি রাজনৈতিক বিজ্ঞানের বেতনকে প্রভাবিত করতে পারে।

২৯ঃ রাষ্ট্রবিজ্ঞানে মাস্টার্স করা কি মূল্যবান?

হ্যাঁ, একটি রাষ্ট্রবিজ্ঞান ডিগ্রী অনেক ছাত্রদের জন্য এটি মূল্যবান. … কিছু পেশার জন্য স্নাতক অধ্যয়ন প্রয়োজন আইনজীবী, রাষ্ট্রবিজ্ঞানী, এবং ইতিহাসবিদ। আপনি রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক ডিগ্রী দিয়ে শুরু করতে পারেন এবং একটি স্নাতকোত্তর বা ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করতে পারেন যা উচ্চ-স্তরের কর্মসংস্থানের জন্য প্রমাণপত্র প্রদান করতে পারে।

৩০ঃ কেন আপনি রাষ্ট্রবিজ্ঞান অধ্যয়ন বেছে নিলেন?

অনেক শিক্ষার্থী রাষ্ট্রবিজ্ঞান অধ্যয়ন করতে বেছে নেয় কারণ তারা শহর, রাজ্য বা জাতীয় সরকারে রাজনৈতিক ক্যারিয়ার করতে, একটি সম্প্রদায়, সরকারি বা বেসরকারি সংস্থায় কাজ করতে বা আইন স্কুলে পড়তে চায়।

শুভ কামনা

তো যে কোন ডিপার্ট্মেন্ট এর সাবজেক্ট হোক না কেন আপনারা যারা যেটাতে যেখানে পড়তেছেন বা পড়বেন সেটা নিয়ে পড়েন /পড়িয়েন । শুধু রাষ্ট্রবিজ্ঞানের সবচাইতে বেশি ভালো এটা কোন কথা না আপনাদের যেটা ভালো লাগে ওটা নিয়ে পড়েন সে ক্ষেত্রে অনেক অনেক আমাদের জন্য সামনে বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধা রয়েছে । আপনারা যদি ভালোভাবে পড়েন তাহলে আপনাদের চাকরির সুযোগ সুবিধার অভাব হবে না । তো বুঝতেই পারছেন সব ডিপার্টমেন্টের কিন্তু সুযোগ সুবিধা আছে । আপনাকে ভালো মতো পড়তে হবে । ইতিহাস, রাষ্ট্রবিজ্ঞান হিসাববিজ্ঞান , অর্থনীতি , গণিত , ইংরেজি এগুলো একটু বেশি প্রাইওরিটি দেওয়া হয় আরকি । তো ভালো মতে চালিয়ে যান 😍😍 সবার জন্য শুভকামনা🥰

আশা করি আজকের  A career in political science subject review রাষ্ট্রবিজ্ঞান আর্টিকেলে রাষ্ট্রবিজ্ঞান  এই আর্টিকেলটি আপনাদের অনেক ভালো লেগেছে  আশা করি । ভাল লাগলে অবশ্যই আপনাদের মতামত জানাবেন কমেন্ট করবেন। আর আমার সাথে এখানে লাইভ চ্যাটে কথা বলতে পারেন। তো ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন। আর অবশ্যই অবশ্যই সাথে থাকবেন সাপোর্ট করবেন আসালামু আলাইকুম, আল্লাহ হাফেজ

ইতিহাস নিয়ে পড়ার ভবিষ্যৎ

ইতিহাস নিয়ে পড়ার ভবিষ্যৎ The future of history students

ইতিহাস নিয়ে পড়ার ভবিষ্যৎ

আসসালামুআলাইকুম 🥰আশা করি সবাই ভালো আছেন আমি আজকের ভিডিওতে ইতিহাস ,ইতিহাস সাবজেক্ট নিয়ে পড়লে ভবিষ্যতে কি কি করা যায় এবং কি কি সুযোগ সুবিধা রয়েছে এবং কি কি ডিগ্রি অর্জন করলে আমরা ইতিহাস বিষয়ের পেছনে কি কি চাকরি পাব কি সুযোগ সুবিধা খুব সহজে আমরা পেতে পারি এবং আমাদের জন্য কি কি নির্ধারিত কাজ বা

 চাকরি রয়েছে আমরা সেগুলো নিয়ে কথা বলার চেষ্টা করেছি এবং শিক্ষকতা নিয়ে কিছু কথা বলার চেষ্টা করেছি ইতিহাস বিষয়ের পিছনে আর ইতিহাসের জন্য কি কি কোথায় পড়ালেখা করলে কি কি ডিগ্রি অর্জন করলে বেশি সুযোগ-সুবিধা পাওয়া যায় সে বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি । আশা করি ভালো লাগবে । চলুন শুরু করি ।আর যারা আমার  আগের পার্টগুলা দেখেন নাই দেখে আস্তে পারেন ক্লিক করে

ইতিহাস নিয়ে পড়ার ভবিষ্যৎ কিছু ভুল ধারণা

আমরা আমাদের আশপাশে বেশিরভাগ সময়েই শুনতে পাই যে আর্টস নিয়ে পড়ে শুধুমাত্র শিক্ষকতাকেই পেশা হিসেবে নেওয়া যায়, তাই আর্টস পড়ার পর তেমন কোনাে ভবিষ্যৎ নেই, ইত্যাদি ইত্যাদি।
কিন্তু এগুলি সবই ভ্রান্ত ধারণা। অধ্যাবসায়, ইচ্ছা, এবং নিজের পছন্দের পেশার সন্ধান করতে পারাটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, তাই যারা ইতিমধ্যেই আর্টস নিয়ে উচ্চমাধ্যমিক দিয়ে দিয়েছ তারা দেখে নাও যে সত্যি তােমরা তােমাদের বিষয় নিয়ে কিভাবে কোন দিকে এগােতে পারাে।

উচ্চমাধ্যমিকে আর্টস নিয়ে পড়ে গ্র্যাজুয়েশনে কিকি পড়াশােনা করা যায়?

আমরা সবাই জানি – আর্টসের ৩ টি ডিগ্রী হয়।
১. B.A জেনারেল (ব্যাচেলর অফ আর্টস)।
২. B.A (অনার্স) যে কোনাে একটা সাবজেক্ট এ স্পেশালাইজেশন করে।
৩. BRS (ব্যাচেলর ইন রুরাল স্টাডিস), এটা শুধু মাত্র বিশ্বভারতীতেই পড়ানাে হয়।
[BRS (ব্যাচেলর ইন রুরাল স্টাডিস) – এটাই তােমাদের কাছে একটু নতুন হবে। এটা আসলে একটা ৩ বছরের ডিগ্রী কোর্স, যেখানে রুরাল ইকোনমি, স্ট্যাটিসটিক্স , কো -অপরেশন পঞ্চায়েত, animal husbandry, হর্টিকালচার, এগ্রিকালচার , এন্টারপ্রেনিউরশিপ বিষয়ে পড়ানাে হয়।]

ইতিহাস নিয়ে অনার্স পড়ে ক্যারিয়ার

ইতিহাস নিয়ে পড়ে ক্যারিয়ার কি বা ভবিষ্যতে কি কাজের সুযােগ পাওয়া যায়?

১. আর্কিওলজিস্ট
ইতিহাস নিয়ে পড়ার ভবিষ্যৎ

ইতিহাস নিয়ে গ্র্যাজুয়েশন করে মাস্টার্সে আর্কিওলজি পড়ে আর্কিওলজিস্ট হওয়া যায়। ইতিহাসে গ্র্যাজুয়েশনর পরই MA তে আর্কিওলজি পড়া যায়।

ক্যালকাটা ইউনিভার্সিটিতে ও বিশ্বভারতীতে পড়ানাে হয়। পাস্ করার পর আর্কিওলজিস্ট হিসেবে কাজ করা যায়।

 

আর্কিওলজিস্টদের কাজ কি?

আর্কিওলজিস্টরা অনেক বিষয় নিয়ে স্পেশালি কাজ করতে পারে , যেমন কেউ excavation অর্থাৎ মাটির তলা থেকে প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন বের করার কাজ করে থাকে আবার অনেকে coin স্পেশালিস্ট হয়, আবার অনেকে এপিগ্রাফিস্ট মানে পুরােনাে নথি আবিষ্কারের কাজ করে থাকেন।

সাধারণত সরকারি উদ্যোগেই এই কাজ হয়ে থাকে। আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া আর্কিওলজিস্টদের নিয়ােগ করে।

ভারতে প্রায় ৩৬০০ টা মনুমেন্ট আছে যেগুলাে রাজ্য সরকারের তত্ত্বাবধানে থাকে, এই সমস্ত মনুমেন্ট এর রক্ষনাবেক্ষনের ভার আর্কিওলজিস্টদের

২. Musiology/মিউসিওলজি
পড়তে গেলে কি যােগ্যতা লাগে?

ইতিহাসে ব্যাচেলর ডিগ্রী অনার্স নিয়ে বা মাস্টার্স ডিগ্রী থাকলে তবেই মিউসিওলজি পড়ার জন্য apply করা যাবে।অর্থাৎ কোনাে ভাবেই উচ্চমাধ্যমিক দিয়ে পড়া যাবেনা।
ক্যালকাটা ইউনিভার্সিটিতে – ৩০ টা আসন।
মিউসিওলজিস্টদের কাজ কি?
যারা মিউজিয়াম এর ডিজাইন, রক্ষনাবেক্ষনে স্পেশালিস্ট হতে চায় তাদের মিউসিওলজি পড়তে হবে।
কোথায় পড়ানাে হয়?

ক্যালকাটা ইউনিভার্সিটি ও রবীন্দ্রভারতী ইউনিভার্সিটিতে মিউসিওলােজিতে MA/M.Sc পড়ানাে হয়।
ভর্তি হবার পদ্ধতি
মেধাভিত্তিক ও অ্যাডমিশনটেস্ট ভিত্তিক। সেই বিষয়ে নির্দিষ্ট তথ্য ইউনিভার্সিটি প্রতি বছর জানিয়ে দেয়।
বিশদে জানতে ক্যালকাটা ইউনিভার্সিটির নিজস্ব নিচের ওয়েবসাইট দেখুন –
https://web.archive.org/web/20181126002816/http://www.caluniv.ac.in:80/CBCS-PG/Museology.pdf

 

৩. আর্কিভিস্ট (archivist)
ইতিহাস নিয়ে পড়ার ভবিষ্যৎ
আর্কিভিস্ট (archivist) পড়তে গেলে কি যােগ্যতা লাগে?

আর্কিভিস্ট হবার জন্য ইতিহাসের মতাে বিষয়ে গ্র্যাজুয়েশন থাকলে তবেই পড়তে পারবে। তবে শুধু ইতিহাস নয় আরাে বেশ কিছু বিষয়ে গ্র্যাজুয়েশন করলেও আর্কাইভ সায়েন্স নিয়ে মাস্টার্স পড়া যায়।
আর্কিভিস্টদের কাজ কি?
বহু শতাব্দী পুরােনাে পান্ডুলিপি, (হাতে লেখা অমূল্য নথিপত্র, বই), পুরােনাে কাগজপত্র, বই, এর রক্ষনাবেক্ষন, সেগুলির সংরক্ষণ করে রাখাই আর্কিভিস্টদের কাজ। তারা মিউজিয়ামে, লাইব্রেরিতে, ন্যাশনাল আর্কাইভ অফ ইন্ডিয়াতে, বিভিন্ন রাজ্য আর্কাইভে কাজ করেন।

৪. মিউজিয়াম কিউরেটর
ইতিহাস নিয়ে পড়ার ভবিষ্যৎ
মিউজিয়াম কিউরেটর - পড়তে গেলে কি যােগ্যতা লাগে?

ইতিহাসে ব্যাচেলর ডিগ্রী অনার্স নিয়ে বা মাস্টার্স ডিগ্রী থাকতে হবে।
কোথায় পড়ানাে হয়?
ক্যালকাটা ইউনিভার্সিটিতেই সবচেয়ে ভালাে পড়ানাে হয় মিউসিওলজি সম্বন্ধীয় যাবতীয় কোর্স।
মিউজিয়াম কিউরেটরদের কাজ কি?
মিউজিয়াম কিউরেটরদের কাজ হলাে পুরােনাে ধাতব পদার্থ, টেরাকোটা, টেক্সটাইল ছবি রক্ষনাবেক্ষন করা। মিউসিওলজি পড়েই মিউজিয়াম কিউরেটর হওয়া যায় কিন্তু সবই মাস্টার্স ডিগ্রী। অর্থাৎ কোনাে বিষয় নিয়ে গ্র্যাজুয়েশন করার পরই এই সমস্ত বিষয় নিয়ে পড়া যাবে এবং তারপর চাকরির সুযােগ আছে।

 

এ ছাড়াও ইতিহাস নিয়ে পড়ে ঐতিহাসিক, ইতিহাসবিদ, শিক্ষক, সিভিল সারভেন্ট হওয়া যায়।

ইতিহাস অনার্স নিয়ে ভবিষ্যতে কি কি হতে পারবো ?

আপনি গ্রাজুয়েশন কমপ্লিট করলে সব রকম চাকরি করার সুযোগ পাবেন। কারন উচ্চ পর্যায়ের চাকরিতে সাবজেক্ট কোন ব্যাপার না। শুধু বিষয় ভিত্তিক চাকরি করতে পারবেন না। যেমন : ইঞ্জিনিয়ার, ডাঃ, হিসাব রক্ষক, এডভোকেট, আইটি অফিসার, প্রোগ্রামার ইত্যাদি।

এছাড়া সব চাকরী করতে পারেবেন। যেমন: প্রাইমারি স্কুল শিক্ষক, হাই স্কুল শিক্ষক, কলেজ লেকচারার, ব্যাংক জব, বিসিএস, সাব ইন্সপেকটর, ফেমিলি প্লানিং, হেলথ এসিস্ট্যান্ট, এনজিও, কোম্পানি ইত্যাদি।এ ছাড়াও ইতিহাস নিয়ে পড়ে ঐতিহাসিক, ইতিহাসবিদ, শিক্ষক, সিভিল সারভেন্ট হওয়া যায়।

ইতিহাস বিষয় নিয়ে পড়াশোনা করলে ভবিষ্যতে কী কী চাকরি পাওয়া যেতে পারে?

what are some careers in history ?

এ ছাড়াও আরো অনেক ।যেমন- 

  1. Historians
  2. History experts
  3. Teachers
  4. Civil services
  5. Park ranger
  6. Museum archivist.
  7. Librarian
  8. Writer or editor.
  9. Business consultant.
  10. Lawyer.
  11. Researcher.
  12. Historian.
  13. Journalist
  14. Writer
  15. Analyst
  16. Diplomat

কেউ যদি ইতিহাস শিক্ষকতা কে পেশা হিসাবে নিতে চান তবে তার জন্য নিম্ন লিখিত সুযোগ গুলো আছে

  1. উচ্চ মাধ্যমিকে সর্বনিম্ন ৫০ শতাংশ নম্বর থাকলে আপনি ডি এল এড করে প্রাথমিক স্কুলে শীক্ষাকতার জন্য পরীক্ষা দিতে পারবেন এবং এর প্রসেস হলো ~ উচ্চ মাধ্যমিক> ডি এল এড> প্রাইমারীর পরীক্ষা> ইন্টারভিউ> তারপরেই চাকরি।

2. গ্রাজুয়েশন করার পর আপনি যদি বি এড করেন তবে একই ভাবে আপনি মাধ্যমিক স্তরে শীক্ষাকতা করতে পারেন প্রসেস একই।

3. আপনি যদি মাস্টার্স করে থাকেন তবে আপনি উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে শীক্ষাকতা করতে পারেন তবে এক্ষেত্রেও বি এড থাকা জরুরি আর নিয়োগ পদ্ধতি প্রথমের মতই।

 

4. এবার আপনি যদি বি এড কলেজে পড়াতে চান তবে আপনাকে এম এ করার পর বি এড করতে হবে তারপর এম এড করতে হবে এবং এখন নেট/সেট পাস করতে হবে তবেই আপনি ইন্টারভিউ দিতে যেতে পারবেন এবং চাকরি পেতে পারবেন।

5.আপনি যদি কলেজে পড়াতে চান সেক্ষেত্রে আপনাকে এখনকার নিয়ম অনুযায়ী প্রথমে মাস্টার্স কমপ্লিট করতে হবে তারপর নেট বা সেট পাস করতে হবে এটা এখন আবশ্যিক, তারপর আপনি কলেজ সার্ভিসের ইন্টারভিউ বোর্ডে যেতে পারেন, তাছাড়া আপনি নেট বা সেট পাস করলে পি এইচডি ও করতে পারেন আপনার নিজের বিষয়ের উপর।

6. এছাড়াও আপনি ইতিহাস নিয়ে পড়লে বিভিন্ন প্রতিযোগিতা মূলক পরীক্ষা গুলোতে বসতে পারেন তাতে মিনিমাম কোয়ালিফিকেশন বি এ পাস হতে হবে। ভারতের সমস্ত চাকরির পরীক্ষাতেই ইতিহাস বিষয়টি থাকে, সুতরাং ইতিহাস নিয়ে পড়লে আপনি অনেক রকমের চাকরির যোগ্যতা অর্জন করতে পারবেন।

ইতিহাস নিয়ে পড়লে উচ্চস্তরে অনেক সুযোগ সুবিধা আছে।


যাইহোক ইতিহাস পড়ুন, জানুন, সত্য কে জানার চেষ্টা করুন। ভালো থাকবেন। ধন্যবাদ!

ইতিহাস পরলে নিম্নলিখিত জায়গায় কাজের সুযোগ পাওয়া হয় -বিস্তারিত জানুন -

১. স্নাতক / স্নাতকত্তর স্তরে মাধ্যামিক ও উচ্চ মাধ্যামিক স্তরে শিক্ষকতা করার সুযোগ পাওয়া যায়।
২. ইতিহাস সাধারণ জ্ঞ্যান এর মধ্যে একটি গুরুত্তপুর্ন বিষয়, যেটি সরকারি চাকুরীর জন্য অত্যন্ত গুরুত্তপুর্ন।
৩. সরকারি চাকুরীর পরীক্ষার ক্ষেত্রে একটি বিকল্প বিষয় হিসাবেও এটিকে নেওয়া যায়।
৪. ইতিহাস কে শোধ স্তরে পড়াশোনা করলে মহাবিধ্যালায় / বিশ্যবিদ্যালয় স্তরে শিক্ষকতা করার সুযোগ পাওয়া যায়।

ইতিহাস নিয়ে পড়ার ভবিষ্যৎ কি ?

যারা পড়াতে চান তাঁদের জন্য ইতিহাস একটা বড় ক্ষেত্র। এ রাজ্যের প্রায় সব কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়েই ইতিহাস রয়েছে। ফলে রয়েছে সে-সব জায়গায় পড়ানোর সুযোগ। তার জন্য ৫৫ শতাংশ নম্বর পেয়ে ইতিহাসে MA পাশ করতে হবে। তবে তফশিলি জাতি বা উপজাতিদের ক্ষেত্রে ৫০ শতাংশ নম্বর পেলেই চলবে। তারপর NET ( National Eligibility Test) বা WB SET (West Bengal State Eligibility Test) উত্তীর্ণ হতে হবে। এরপর পশ্চিমবঙ্গ কলেজ সার্ভিস কমিশন বা পাবলিক সার্ভিস কমিশনের বিজ্ঞাপন বেরোলে আবেদন করা যাবে।

NET-এ জুনিয়র রিসার্চ ফেলোশিপ পেলে, গবেষণা করার জন্য বৃত্তি পাওয়া যায়। আর NET, Junior Research Fellowship না পেলেও মিলতে পারে অন্য গবেষণাবৃত্তি। রয়েছে ভারত সরকারের তফশিলি জাতিভুক্তদের জন্য RGNF (Rajiv Gandhi National Fellowship) এবং সংখ্যালঘুদের জন্য MANF (Maulana Azad National Fellowship)। পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্বামী বিবেকানন্দ ফেলোশিপ বা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফেলোশিপ।

বিদেশে গবেষণা করার জন্যও রয়েছে বিভিন্ন গবেষণাবৃত্তি। কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ানো আর গবেষণার পাশাপাশি রয়েছে স্কুলে পড়ানোর সুযোগ। ইতিহাস জেনারেল কোর্সে থাকলে মিলবে ক্লাস এইট অবধি পড়ানোর সুযোগ, ইতিহাসে অনার্স থাকলে মাধ্যমিক অবধি এবং MA-র ক্ষেত্রে উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে পড়ানোর সুযোগ। এখন অবশ্য তার জন্য শিক্ষক শিক্ষণের প্রশিক্ষণ নিয়ে নিতে হয়।

পড়ানোর চাকরি বাদ দিয়ে যদি প্রশাসনিক চাকরির দিকে তাকানো যায় তা হলে দেখা যাবে সেখানেও ইতিহাস-পড়ুয়াদের জন্য রয়েছে বড় সুযোগ। WBCS-এর প্রিলিমিনারি অর্থাৎ প্রাথমিক পর্বের জন্য যে ২০০ নম্বরের পরীক্ষা হয় তার মধ্যে ২৫ নম্বর রয়েছে ভারতের ইতিহাসে, ২৫ স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসের জন্য। আর ভারতীয় অর্থনীতি ও রাজনীতির জন্য যে ২৫ নম্বর রয়েছে তাতেও থাকে ইতিহাসের প্রশ্ন।

ইতিহাস নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন

★ ইতিহাস বিষয় নিয়ে অনার্স পড়ার জন্য যোগ্যতা কি লাগে?
উত্তরঃ আপনি যে গ্রুপের স্টুডেন্ট হোন না কেন, আপনি চাইলে অনার্সে ইতিহাস নিয়ে অনার্স পড়তে পারবেন। তবে মানবিক বিভাগের স্টুডেন্ট হলে আপনার জন্য তুলনামূলক বেশি সুবিধি হবে।

★ ইতিহাস নিয়ে অনার্স পড়া কি সহজ নাকি কঠিন?
উত্তরঃ মানবিক বিভাগের প্রতিটি বিষয়েই অনার্স পড়া তুলনামূলক সহজ। ইতিহাস বিষয়টি থিওরেটিকাল। এই বিষয়ে পড়া অনেকটাই সহজ। অনেকে বলে সাল তারিখ মনে রাখতে হয়। তবে অংকের সূত্র মনে রাখার চেয়ে ইতিহাসের সাল মনে রাখা সহজ।

★ ইতিহাস বিষয়ে অনার্স পড়ে ব্যাংকে জব করা যায়?
উত্তরঃ যেহেতু ব্যাংকের জব বিবিএ স্টুডেন্ট অগ্রাধিকার পায় সেহেতু সেখানে বিবিএ কিছু একাউন্টিং ট্রামে আপনাকে দক্ষতার পরিচয় দেখাতে হবে। পাশাপাশি আপনাকে গনিতে ভালো করতে হবে। আপনি আপনার দক্ষতা ও যোগ্যতার প্রমান দেখাতে পারলে ইতিহাস নিয়ে পড়েও ব্যাংকে চাকরি করতে পারবেন।

★ ইতিহাস নিয়ে অনার্স পড়ে ক্যারিয়ার কি?
উত্তরঃ ইতিহাস নিয়ে অনার্স পড়ে আপনি স্কুল বা কলেজের শিক্ষক হিসেবে ভালো ক্যারিয়ার গড়তে পারেন। তাছাড়া বিভিন্ন সামাজিক সেচ্ছাসেবী সংগঠন ও এনজিওতে ইতিহাস বিষয়ে অনার্স পাশ ব্যাক্তিকে অগ্রাধিকার দিয়ে থাকে।

★ ইতিহাস বিষয়ে পড়ে কি বিসিএস দেয়া যায়?
উত্তরঃ অবশ্যই। ইতিহাস বিষয়ে অনার্স পড়ে আপনি বিসিএস দিতে পারবেন। অনেকেই ইতিহাস নিয়ে ভালো বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে এখন বিসিএস ক্যাডার।

★ ইতিহাস নিয়ে পড়ে কি বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য যাওয়া যায়?
উত্তরঃ হ্যাঁ,আপনি ভালো কোন কোর্স করে ইতিহাস নিয়ে পড়েও বিদেশে যেতে পারেন।

★ ইতিহাস ভালো নাকি সমাজকর্ম ?
উত্তরঃ অনেকেই ইতিহাস নিয়ে পড়বে নাকি সমাজকর্মে পড়বে এই নিয়ে দ্বিধায় পড়ে যায়। আসলে ইতিহাস আর সমাজকর্ম দুটো কাছাকাছি বিষয়।

★ ইতিহাস বিষয়ে অনার্স পড়ে কি ভালো ফলাফল করা যায়?
উত্তরঃ আপনার হাতের লিখা যদি সুন্দর ও দ্রুত হয় আর আপনি যদি গুছিয়ে সুন্দরভাবে লিখতে পারেন তাহলে আপনি ইতিহাস নিয়ে পড়েও ভালো সিজিপিএ তুলতে পারবেন।

★ সব বিশ্ববিদ্যালয়ে কি ইতিহাস নিয়ে অনার্স পড়া যায়?
উত্তরঃ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় সহ প্রায় সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাস বিষয়ে অনার্স পড়ানো হয়।

আশাকরি ইতিহাস বিষয়ে অনার্স পড়া নিয়ে ও ক্যারিয়ার নিয়ে আপনার মনে যা যা প্রশ্ন ছিল সবগুলোর উত্তর আপনি পেয়েছেন। তারপরেও যদি কোন প্রশ্ন থাকে তাহলে নিচের কমেন্ট বক্সে আপনার প্রশ্ন করতে পারেন।

শুভ কামনা

আজকের ইতিহাস নিয়ে পড়ার  ভবিষ্যৎআর্টিকেলের এখানেই ইতি করতে হচ্ছে বা সমাপ্ত করতে হচ্ছে আসলে আপনাদের অনেক ধৈর্য্য আছে  আশাকরি । আপনারা সহযোগিতা করতেছেন আপনাদের অসংখ্য ধন্যবাদ আর যদি কোন ভুল ত্রুটি হয়ে থাকে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন 😌আর আমাকে কমেন্ট করবেন✍ কেমন হয়েছে বা আপনার কতটুকু উপকার এ  এসেছে বা আপনার কোন ধরনের আর্টিকেল প্রয়োজন বা আপনাকে কিভাবে আমি আরো টিপস  দিয়ে সাহায্য করতে পারি আপনি আমাকে ইমেইল করতে পারেন এখানে লাইভ চ্যাট করতে পারেন 

আর আমার পূর্ববর্তী আর্টিকেলগুলো দেখে আসতে পারেন সাথে সি প্যানেল পরিচিতি পার্ট ১ম টাও আশাকরি অনেক হিরো হয়ে যাবেন 🥰আমার বিশ্বাস ।আশাকরি আপনারা সাথে থাকবেন এই বলে আমি বিদায় নিচ্ছি  সবাই ভাল থাকেন , সুস্থ থাকেন আসসালামু আলাইকুম ,আল্লাহ হাফেজ  ।

ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবাের্ড পরিচিতি পার্ট ২

ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবোর্ড পরিচিতি পার্ট ২ ও গুরুত্বপূর্ণ টুলস

Welcome

আসসালামু আলাইকুম আশা করি সবাই ভালো আছেন । আমিও আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি । আজকে আপনাদের জন্য নিয়ে আসলাম খুব গুরুত্বপূর্ণ আরেকটা টপিক ,হ্যাঁ অবশ্যই , গুরুত্বপূর্ণ হবে,  এখন দেখার পালা সেটা হচ্ছে ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবোর্ড   পরিচিতি পার্ট ২ এবং ব্যাবহার   নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো মানে পরিচিত হব সবকিছু নিয়ে । কোথায় কি আছে ।   আপনারা প্রথম থেকে  সুন্দরতা দেখবেন ও পড়বেন ।আশা করি   বুঝতে পারবেন । তো চলুন শুরু করা যাক । 

আর যারা আমার এর আগের  পোষ্টটি দেখেছেন তাদেরকে অসংখ্য ধন্যবাদ যারা দেখেননি দেখে আসতে পারেন এখানে ক্লিক করে ধন্যবাদ ।

ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবাের্ড লগইন

ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবাের্ড লগইন  কিভাবে করতে হয় আমি যদিও এর আগে দেখিয়েছি তাও আরেকবার দেখিয়ে  দিচ্ছি । ওয়েবসাইটের বিষয়বস্তু ব্যবস্থাপনার জনপ্রিয় সফটওয়্যার ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে ব্লগ বা ওয়েবসাইট তৈরি করার সব কাজই এর ড্যাশবাের্ড থেকে করতে হয়। ওয়ার্ডপ্রেস ইনস্টল করার পর ওয়ার্ডপ্রেসে লগ-ইন করে যে পেজটি দেখা যায়, সেটিই হলাে ওয়ার্ডপ্রেসের ড্যাশবাের্ড।

ড্যাশবাের্ড-এ লগ ইন করতে আপনার ওয়েবসাইটের অ্যাড্রেস এর পর লিখুন /wp-admin. মানে আপনার ওয়েবসাইট যদি হয় https://developerremo.xyz/  তাহলে আপনার শেষে  লিখতে হবে ‘wp-admin’ এই অ্যাড্রেস এ গেলে আপনি  একটা পেজ পাবেন।সেখানে ইউজারনেম আর পাসওয়ার্ড দিয়ে লগ ইন করলেই পেয়ে যাবেন আপনার ওয়েবসাইটের ড্যাশবাের্ড। এই ড্যাশবাের্ড থেকেই আপনি আপনার ওয়েবসাইটের সমস্ত কিছু নিয়ন্ত্রন করতে পারবেন। আপনি যখন আপনার ব্লগের এডমিনিস্ট্রেশন এরিয়াতে লগইন করবেন তখন প্রথম যে স্ক্রিনটি দেখতে পাবেন তাই হলাে ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবাের্ড যার মাধ্যমে ওয়েবসাইটের অভারভিউ প্রদর্শিত হবে।ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবাের্ড হলাে গ্যাজেটস(gadgets) এর সংগ্রহ যা বিভিন্ন তথ্য সরবরাহ করে এবং আপনার ওয়েবসাইটে কি ঘটেছে তার ওভারভিউ দেখায়।

ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবোর্ড পরিচিতি পার্ট ২

ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবোর্ড পরিচিতি পার্ট ২ তে আমরা দেখব  প্লাগিনের পর  থেকে এর আগের গুলো আমি অবশ্যই দেখিয়েছিলাম   আশা করি  আপনারা দেখেছেন না দেখলে দেখে আসতে পারেন । চলুন শুরু করা যাক প্লাগিন এর পর থেকে আমরা আজ শুরু করি   তো শেষ পর্যন্ত থাকবেন  আশা করি খুব মজাদার হবে  😍

wordpress Users

wordpress users

এই সেকশনে আমরা ওয়ার্ডপ্রেসে ব্যবহারকারীর ভূমিকা(Roles) সম্পর্কে জানবাে। ওয়ার্ডপ্রেসে প্রত্যেক ব্যবহারকারীর কিছু নিজস্ব ভূমিকা( Roles) থাকে৷ ভূমিকা( Roles ) বলতে ব্যবহারকারীকে কি কি বিষয়ে অনুমতি দেওয়া তা বুঝায়। যেমন- কোনাে ব্যবহারকারীকে ওয়ার্ডপ্রেস সাইটে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া। নিম্নে ওয়ার্ডপ্রেসে ব্যবহৃত পূর্ব নির্ধারিত ভুমিকাসমূহ(Roles) আলােচনা করা হলােঃ

wordpress Users ==>Administrator

  1. প্রশাসক( Administrator ); এডমিনিস্ট্রেটর সর্বাধিকার সম্পন্ন। সুতরাং একজন এডমিন ওয়ার্ডপ্রেস সাইটে সবকিছুই করার অধিকার রাখে। যেমন- অধিক এডমিন তৈরি, ব্যবহারকারীর ভুমিকা নির্ধারণ, ব্যবহারকারীকে আমন্ত্রন জানানাে এবং ব্যবহারকারীকে বাদ দেওয়া ইত্যাদি৷

wordpress Users ==>Editor

  1. সম্পাদক( Editor ); একজন এডিটরের সকল ধরনের পােষ্ট, পেজ, কমেন্ট,ক্যাটাগরি, ট্যাগ এবং লিংকে প্রবেশাধিকার(Access) থাকে। সে যেকোনাে পােস্ট বা পেজ তৈরি, প্রকাশ(Publish), এডিট এবং ডিলেট করতে পারে।

wordpress Users ==>Author

  1. লেখক( Author ); একজন অথর শুধুমাত্র পােষ্ট লেখা, ছবি আপলােড করা, নিজেরপােষ্ট এডিট এবং প্রকাশ করতে পারে।

wordpress Users ==>Contributor

  1. কন্ট্রিবিউটর( Contributor ); একজন কন্ট্রিবিউটর শুধুমাত্র তার নিজের পােষ্ট প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত সেই পােস্টে লিখতে এবং পরিবর্তন আনতে পারে। সে শুধুমাত্র পােস্ট বা পেজ তৈরি করতে পারে কিন্তু এগুলাে প্রকাশ করতে পারে না। সে ছবি/ফাইলও আপলােড করতে পারে না। কিন্তু আপনার সাইটের স্ট্যাটাস দেখতে পারে। তাদের পােষ্ট এডমিনিস্ট্রেটর( Administrator) কর্তৃক রিভিউ ছাড়া প্রকাশ হয়। রিভিউ শেষে এডমিন পােষ্ট প্রকাশ করলে কন্ট্রিবিউটর সেই পােষ্টে আর কোনাে পরিবর্তন করতে পারে না।

wordpress Users ==>Follower

5, ফলােয়ার( Follower ); একজন ফলােয়ার শুধুমাত্র পােষ্ট পড়তে এবং পােষ্টে কমেন্ট করতে পারে। ফলােয়ার হলাে তারা যারা আপনার সাইটের আপডেট তথ্য পাওয়ার জন্য আপনার সাইটে সাইন-ইন করে।

wordpress Users ==>Viewer

  1. ভিউয়ার( Viewer ): একজন ভিউয়ার শুধুমাত্র পােষ্ট দেখতে পারে। সে পােষ্ট এডিট করতে পারে না কিন্তু কমেন্ট করতে পারে।

WordPress user

এখন আমরা জানবাে ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগ বা ওয়েবসাইটে কিভাবে ব্যবহারকারী যুক্ত করা যায়। যখন ব্যবহারকারী ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগ বা ওয়েবসাইটে রেজিস্টার করে, তখন আপনি একটি ই-মেইল নােটিফিকেশন পাবেন। যাতে আপনি নতুন ইউজার রেজিষ্ট্রেশন সম্পর্কে জানতে পারেন এবং ব্যবহারকারীর ভূমিকা নির্ধারন করতে পারেন। ওয়ার্ডপ্রেসে নিম্নের ধাপ অবলম্বন করে ব্যবহারকারী তৈরি করুন।

WordPress user add

add user

ওয়ার্ডপ্রেস  ইউজার অ্যাড করার আগে আরেকটু বিষয়ে আপনাদের ছিনিয়ে দি এখানে দেখতে পাচ্ছেন , তো এইখনে দেখতে পারতেছেন   অনেক অপশন দেখা যায় আমিও ইউজার তাই একটি  দেখা যাচ্ছে ।  এখানে আমার রুল টা অ্যাডমিনিস্ট্রেটর দেখা যাচ্ছে কারণ এখানে  আমি আর কেউ নাই এখানে যদি কেও  থাকতো তাহলে আমরা ফিল্টার করে  সার্চ করে দেখতে পারতাম  ।তো এখানে চাইলে আমার রোল টা পরিবর্তন করে দিতে পারি  তারপর এপ্লাই করে দিতে পারেন তো এখান থেকেও  আপনারা  চাইলে নতুন ইউজার এড করতে পারে্ন আপনার ওপরে দেখতে পাচ্ছন  অবশ্যই । তো চলুন আমরা একটা নিউ ইউজার এড করি  এবং  কিভাবে এড করা হয় সেটা দেখি আপনার যেকোনো জায়গায় অ্যাড নিউ তে ক্লিক করলে কাজ করতে পারেন  একই জায়গায় যাবে তো চলুন ।

WordPress users all role

অ্যাড নিউ ইউজার এ ক্লিক করার পর আপনারা  এধরনের একটা পেজ  দেখতে পারবেন তখন অনেকগুলো ফিল দেখতে পারবেন সেখানে আপনারা নাম , ইমেইল , পাসওয়ার্ড দিতে  হবে  তখন যেগুলোর রুল আছে তা থেকে দেখায়  দিতে হবে তারপর আর  অ্যাড নিউ ইউজার  ক্লিক করলে যাকে এড করে দিয়েছন ইমেইল দিয়ে  দিয়েছেন তার কাছে একটা ইমেইল চলে যাবে তখন আপনি আপনার পাসওয়ার্ডটি ওকে দিবেন  কোন রুলের  কি কাজ সেটা অবশ্য আমি    দেখিয়েছি  বুঝতে পারছেন  আশা করি তো মূলত ইউজার এড করার এটাই মূলত কাজ  । 

WordPress Users profile

তারপর আপনারা দেখতে পাচ্ছেন ইউজার এর আন্ডারে আরেকটা অপশন সেট  হলো  প্রোফাইল । প্রোফাইল মানে   আপনারা তো  অবশ্য বুঝেন  ঠিক  ফেসবুকের মত  কি রকম হবে ফেসবুকের প্রোফাইল টা কেমন হবে তারপর কালার গুলো কেমন হবে এই আরকি তো আমরা এখান থেকে চাইলে কালার চেঞ্জ করে দিতে পারেন তারপর নিচে গেলে  আরো অনেক অপশন দেখতে পারেন যেগুলো মূলত বেশি লাগে না চাইলেও  পরিবর্তন করতে  পারেন । আপনারা সেভ করে দিবেন নিচে গিয়ে  ।  উপরে টুলবার গুলো বন্ধ করে দিতে পারেন  চাইলে তারপর আরেকটা  গুরুত্বপূর্ণ অপশন সেটা হচ্ছে ভিজুয়াল এডিটর যে এডিটর দিয়ে কাজ করি ডিফল্ট সেটা , সেটা আমরা চাইলে সেটা ডিজেবল করে রাখতে পারি উপর  এ মার্ক করে  দিয়ে দিলে হয়ে যাবে ।

WordPress Tools

তারপর আসেন টুলস এ এইখানে  হোবার বা ক্লিক করলে  অনেকগুলো অপশন মূলত এখানে দেখা যায় ,যেখানে   কিছু সিক্রেট বিষয় থাকে ওয়েবসাইটের  সেগুলো   আপ্নারা  পরিবর্তন করতে পারেন ।  সংক্ষেপে আমি আপনাদের একটা একটা বলার চেষ্টা করতেছি । Let’s get started …….

WordPress Tools ==>Available Tools

 মূলত এইখানে  ওয়েবসাইটের কি কি প্লাগইন বা থিম আছে সেগুলোর একটা নমুনা দেখায় কোন কোন প্লাগিন থিম একটিভ আছে সেগুলোর নমুনা দেখায় এবং আরো অনেক অপশন আছে ।

WordPress Tools ==> Import

তারপর ইমপোর্ট আমরা চাইলে কারো  থেকে আমরা কোন কিছু কন্টেন্ট  আনতে পারি  ইমেইল দিয়ে ।

WordPress Tools ==> Export

তারপর এক্সপোর্ট মানে আমরা তো বুঝি  , আমরা চাইলে নিজের  ওয়েবসাইট থেকে কোন কিছু অন্যকে শেয়ার করতে পারি ইমেইল দিয়ে ।

WordPress Tools ==> Site Health

সাইট হেলথ মূলত আপনারা আপনাদের ওয়েবসাইটের কোন সমস্যা থাকলে বা কোন বাগস দেখা  দিলে বা কোন আপডেটের কোন কিছু ওয়ার্নিং থাকলে সেগুলো আপনারা এখানে দেখতে পারবেন ।

WordPress Tools ==> Export Personal Data

এক্সপোর্ট পার্সোনাল ডেটা অপশনটি আপনার ব্যবহারকারীদের জন্য ব্যক্তিগত ডেটা এক্সপোর্ট করতে ব্যবহৃত হয়। … একবার অনুরোধ নিশ্চিত হয়ে গেলে, আপনি তারপর একটি জিপ ফাইল তৈরি করতে পারেন যা আপনার ওয়ার্ডপ্রেস সাইটের মধ্যে সেই নির্দিষ্ট ব্যবহারকারীর জন্য বিদ্যমান ব্যক্তিগত তথ্য ধারণ করে।

WordPress Tools ==> Erase Personal Data

এই অপশন দিয়ে মূলত  কোন কিছু মুছে ফেলতে পারবেন সাইটের  তো কিভাবে কি করে মুছে আমরা সেটা একটু দেখেনি চলুন ।

How to easily Erase Personal Data in WordPress Bangla

 
  1. Log in to WordPress as an Administrator.
  2. Click on Tools.
  3. Click on Erase Personal Data.
  4. Click in the Username or email address field and type in the user or email address for the user requesting the removal of their personal data.
  5. Click on Send Request.
  6. Once the Username or email address is sent, an entry for that user will be added to the table at the bottom of the page. The Requester (username or email) will appear with a status of Pending. An email is automatically sent to the user and they must click on the link in the email to confirm the data erasure.
  7. Once the User has confirmed the request by clicking on the link, the Status will be updated to Confirmed. The user will see a thank you message confirming the erasure request. There are two options to erase data. To erase data for a confirmed user, simply look in the Next Steps column for that user and click on Erase Personal Data.

WordPress Setting

wordpress setting

এখন আসেন সেটিং এর বেলায় মূলত এখানে আমাদের অনেক কাজ হয়ে থাকে বা অনেক সেটিং করা লাগে তো আমরা এক একটা সেটিং আমরা একটা একটা করে দেখে  আসি চলুন  । আমরা এক ঝলকে দেখে আসি কোনটার কী কাজ বা কোনটার কি  সেটিং।

WordPress Setting ==>General

আপনাদের এখানে যদি মেম্বারশিপ সিস্টেম থাকে তাইলে  anyone can register এই অপশন টা অন করে দিবেন যেন যে কেউ রেজিস্টার করতে পারে  আশা করি  বুঝতে পারছেন ।তারপর  এখানে আপনাদের সাইটের নাম  বা টেগলাইন এগুলো সব কিছু পরিবর্তন করতে পারবেন ইমেইলও পরিবর্তন করতে পারেন । আপনারা ওয়ার্ডপ্রেস এর ভাষা পরিবর্তন করতে পারবেন মূলত এই জেনারেল সেটিং থেকে অনেক কিছু করা যায় তারপর  সেভ দিয়ে দিবেন ।

wordpress General

WordPress Setting ==>Writing

লেখার সেটিংস আপনার সাইটের সামগ্রীর ক্ষেত্রে বিভিন্ন বিকল্প কনফিগার করে। সেটিংসের মধ্যে রয়েছে ডিফল্ট পোস্ট ক্যাটাগরি, ডিফল্ট পোস্ট ফরম্যাট (যদি আপনার থিম দ্বারা সমর্থিত হয়) এবং লিঙ্ক ম্যানেজার প্লাগইন ইনস্টল করা থাকে, ডিফল্ট লিঙ্ক ক্যাটাগরি অন্তর্ভুক্ত।

আপনি যদি ক্লাসিক এডিটর প্লাগইন ইনস্টল করার সিদ্ধান্ত নেন, যা আপনাকে ব্লক এডিটরের পরিবর্তে ক্লাসিক এডিটর ব্যবহার করতে দেয়, আপনি এই রাইটিং সেটিংস পৃষ্ঠায় দুটি অতিরিক্ত বিকল্প দেখতে পাবেন। সমস্ত ব্যবহারকারীর জন্য ডিফল্ট সম্পাদক বিকল্পটি আপনাকে ব্যবহারের জন্য ডিফল্ট সম্পাদক নির্বাচন করতে দেয়। এটি হতে পারে ক্লাসিক এডিটর অথবা নতুন ব্লক এডিটর। আপনি যদি ক্লাসিক এডিটর প্লাগইন ইনস্টল করে থাকেন তাহলে আপনি সম্ভবত এই বিকল্পের জন্য ক্লাসিক এডিটর রেডিও বাটন নির্বাচন করতে চান। যদি আপনার সাইটে একাধিক এডিটর থাকে, তাহলে ব্যবহারকারীদের সম্পাদকদের স্যুইচ করার অনুমতি দিন বিকল্পটি আপনার ব্যবহারকারীদের কোন সম্পাদককে ব্যবহার করতে চান তা নির্বাচন করতে দেয়। আপনি যদি আপনার ব্যবহারকারীদের সম্পাদকদের স্যুইচ করার অনুমতি দেন, তাহলে তাদের স্বতন্ত্র ব্যবহারকারী প্রোফাইল পৃষ্ঠাটি একটি নতুন বিকল্প দেখাবে যা তাদের ক্লাসিক এডিটর এবং ব্লক এডিটরের মধ্যে নির্বাচন করতে দেয়। আপনি যদি আপনার ব্যবহারকারীদের কোন সম্পাদক ব্যবহার করতে চান তা নির্বাচন করার অনুমতি দেন তবে বিশেষ যত্ন নেওয়া উচিত। যদি একজন ব্যবহারকারী ব্লক এডিটর দিয়ে একটি পৃষ্ঠা বা পোস্ট সম্পাদনা করে এবং তারপর অন্য ব্যবহারকারী সেই পৃষ্ঠা/পোস্টটি পরে ক্লাসিক এডিটর দিয়ে সম্পাদনা করে, তাহলে আপনি আপনার বিষয়বস্তু নিয়ে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারেন, বিশেষ করে যদি প্রথম ব্যবহারকারী পৃষ্ঠাটি পুনরায় সম্পাদনা করেন আবার ব্লক সম্পাদকের সাথে। ব্লক সম্পাদকের মধ্যে আপনি সামগ্রী হারাতে বা ব্লকগুলি ভাঙ্গার একটি খুব ভাল সুযোগ রয়েছে। যদি ব্লক এডিটরের সাথে একটি পেজ যোগ করা হয়, অথবা একটি বিদ্যমান পেজ ব্লকে রূপান্তরিত করা হয়, তাহলে সেই ব্লক এডিটরটি সেই পেজটি এডিট করার জন্য ব্যবহার করা হলে ভাল। একইভাবে, যদি ক্লাসিক এডিটরের সাথে একটি পেজ যোগ করা হয়, তাহলে সেই পেজটি শুধুমাত্র ক্লাসিক এডিটর দিয়ে এডিট করা ভাল।

WordPress Setting ==>Reading

wordpress Reading

মূলত এখানে প্রধান কাজ  যা আপনাদের ব্লগ পোস্টে বা  ওয়েবসাইটের মেন হোম পেজ টা কোন ধরনের হবে  সেটা আপনারা এখান থেকে দেখিয়ে দিতে পারবেন তো মূলত মূলতএইটা  প্রধান কাজ তারপর  চাইলে ব্লগ পোস্টে প্রতিটা পেইজে কয়টা করে পোস্ট শো করবে  সেটাও এখান থেকে দেখায় দিতে পারবেন ।

WordPress Setting ==>Discussion

wordpress Discussion

নিম্নে Discussion settings এর প্রতিটি ফিল্ড সম্পর্কে আলােচনা করা হলাে।

Default article settings: আপনার তৈরি করা নতুন পেজ বা পােষ্ট এর জন্য এটা ডিফল্ট সেটিংস। এটার আরও তিনটি সেটিং আছে। সেগুলাে হলােঃ o Attempt to notify any blogs linked to from the article: gta আপনি আর্টিক্যাল প্রকাশ করবেন তখন এটা অন্যান্য ব্লগে নােটিফিকেশন পাঠাবে।Allow link notifications from other blogs (pingbacks and trackbacks): অন্য ব্লগ থেকে পিংস(pings) গ্রহন করে।Allow people to post comments on new articles: gi orfoest ব্যবহার করে আপনি আপনার আর্টিকেলে অন্যদেরকে কমেন্ট করারঅনুমােদন দিতে/না দিতে পারেন। আপনি আপনার ইচ্ছামত পৃথক আর্টিক্যালের জন্যও সেটিংস পরিবর্তন করতে পারেন। Other Comment Settings – এই সেটিংস-এ নিচের অপশনগুলাে রয়েছেঃ ০ Comment author must fill out name and e-mail: যখন আপনি এই বক্স চেক করবেন তখন ডিজিটরদের নাম এবং ই-মেইল এড্রেস পূরণ করা বাধ্যতামূলক। Users must be registered and logged in to Comment: যখন আপনি | এই বক্স চেক করবেন তখন শুধুমাত্র রেজিস্ট্রার্ড ভিজিটররাই কমেন্ট করতে পারবে। আর যদি চেক না করেন তাহলে যে কেউ যেকোনাে সংখ্যক কমেন্ট করতে পারবে।Automatically close comments on articles older than days: ai অপশন এর মাধ্যমে আপনি আপনার ইচ্ছা অনুযায়ী শুধুমাত্র বিশেষ সময়ের কমেন্টগুলাে রাখতে পারেন। Enable threaded (nested) Comments: যখন আপনি এই অপশনটি চেক করবেন তখন ভিজিটর রিপ্লাই দিতে অথবা আলােচনা করতে পারবে এবং তারা সাড়াও পাবে। Break comments into pages with top-level comments per page and the page displayed by default: আপনার পেজে যদি প্রচুর পরিমান কমেন্ট থাকে তাহলে আপনি এই চেকবক্স চেক করে কমেন্টগুলােকে বিভিন্ন পেজে বিভক্ত করতে পারবেন।Comments should be displayed with the comments at the top of each page: আপনি কমেন্টগুলকে এসেন্ডিং(ascending) অথবা ডিসেন্ডিং অর্ডারে সাজাতে পারবেন। Email me whenever: এই সেটিংস এর দুটি অপশন আছে। যেমনঃ Anyone posts a comment: আপনি যখন এই চেকবক্স চেক করবেন তখন | লেখক তার পােষ্টের প্রতিটি সিঙ্গেল কমেন্টের জন্য একটি ই-মেইল পাবে।| A comment is held for moderation: এডমিন কর্তৃক অনুমােদন না হওয়া পর্যন্ত আপনি যদি আপনার কমেন্ট আপডেট করতে না চান তাহলে এটাব্যবহৃত হয়।

• Before a comment appears: এই সেটিংস এর মাধ্যমে আপনি আপনার পােষ্ট নিয়ন্ত্রন করতে পারবেন। এটারও দুটি সেটিংস রয়েছে। যেমনঃ ০ Comment must be manually approved: আপনি যদি এই চেকবক্স চেককরেন তাহলে শুধুমাত্র এডমিন দ্বারা অনুমােদিত কমেন্টগুলােই পােষ্ট বা পেজে প্রদর্শিত হবে।Comment author must have a previously approved comment: aচেকবক্স চেক করলে আপনি এমন লেখকের কমেন্ট অনুমােদন করতে পারবেন যার কমেন্ট ইতিপূর্বে ছিল এবং তার এই ই-মেইল এড্রেস এবং পূর্বের কমেন্টের ই-মেইল এড্রেস একই হতে হবে। অন্যথায় কমেন্টটি অনুমােদনের অপেক্ষায় আটকে থাকবে।Comment Moderation: এক্ষেত্রে শুধুমাত্র নির্দিষ্ট সংখ্যক লিংক থাকবে। যেগুলােতে কমেন্ট গ্রহণযােগ্য।Comment Blacklist: এখানে আপনি আপনার নিজস্ব স্প্যাম ওয়ার্ড(spam Word)গুলাে ইনপুট দিতে পারেন যেগুলাে আপনার ভিজিটর comments, URL, e-mail ইত্যাদির মধ্যে ইনপুট দিতে পারবে না। পরবর্তীতে এগুলাে কমেন্টকে ফিল্টার করবে।

wordpress disscusson

Avatars: Avatar হলাে একটি ছােট ছবি যা ড্যাশবাের্ড স্ক্রিনের উপররের দিকে ডান পাশের কর্নারে আপনার নামের পাশে প্রদর্শিত হয়। এটা দেখতে আপনার প্রােফাইল ছবির মতই। ওয়ার্ডপ্রেস সাইটে Avatar সেট করার অপশনগুলাে নিম্নে তুলে ধরা হলােঃ ০ Avatar Display: যখন এটা চেক করা হবে তখন আপনার এভাটার আপনারনাম এর পাশে প্রদর্শিত হবে।Maximum rating: এটা ছাড়া এভাটার এর জন্য আরাে চারটি অপশন রয়েছে যেগুলোর মধ্যে যেকোনাে একটি অপশন আপনি ব্যবহার করতে পারবেন। এগুলাে হলাে G, PG, R এবং X। এটা হলাে বয়স সেকশন যার মাধ্যমে আপনি নির্বাচন করতে পারবেন কোন ধরণের ভিজিটর এর কাছে আপনার পােস্ট প্রদর্শিত হবে।Default Avatar: এই অপশনের মাধ্যমেও বিভিন্ন ধরণের এভাতার সেট করা যায়। ভিজিটর এর ই-মেইল এড্রেস অনুযায়ীও আপনি এই সকল এভাতার সেট করতে পারেন।

ধাপ ৩: পরিবর্তনগুলাে সংরক্ষন করার জন্য Save Changes বাটনে ক্লিক করুন।

WordPress Setting ==>Media

wordpress Media

মিডিয়াতে আপনারা ওয়ার্ডপ্রেসের ইমেজের অপশন   এখান থেকে অপশনগুলো পাবেন আপনারা এখানে  থেকে পরিবর্তন করে দিতে পারেন তারপর মাস বা বছর অনুযায়ী আপনারা যদি  কোন ইমেজের ফোল্ডার করতে চান তাহলে নিচের অপশন টা টিক মার্ক দিয়ে রাখবেন যেটা আমার টিক মার্ক দেওয়া আছে ।

WordPress Setting ==>Permalinks

wordpress Permalinks

ওয়ার্ডপ্রেসের আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ সেটিং  হলো  পার্মালিংক আমরা অনেকেই আছি ওয়ার্ডপ্রেস সেটাপ করার সাথে সাথে এইটা  পরিবর্তন করে দি । কারন  এটা পরিবর্তন করা তাকে অন্য ভাবে  এখন যেটা দেখতে  পারতেছেন  এটা  হচ্ছে যে আমি পরিবর্তন  করেছি তো এটা মূলত থাকে না অন্য আরেকটা । এইখানে কোন ইউ আর এল এর কি কাজ সেই  কাজগুলো আপনাদের তীর দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছি যে অনুযায়ী লিংক গঠিত হবে । আশা করি  বুঝতে পারছেন । তো  আমার ইউ আর এল এর মত  আপনারা ওইটা করে দিবেন তারপর সেভ দিবেন নিচে গিয়ে । 

WordPress Setting ==>Privacy

এটাও একটা গুরুত্বপূর্ণ অপশন আপনার ওয়েবসাইটের জন্যে আরেকটা মেইন পেজ  সেটা হচ্ছে যে প্রাইভেসি পলিসি আপনারা চাইলে প্রাইভেসি পলিসি পেজটা এখান থেকেও জেনারেট করতে পারেন বা আপনারা চাইলে অন্য ভাবেও  করতে পারেন তো আপনাদের যদি কোন পেজ  থাকে  সেটা এখানেও দেখায় দিতে পারেন তো মূলত এটাই কাজ ।

Collapse menu

wordpress Collapse menu

তো সর্বশেষ আরেকটা অপশন সেটা যদিও আমি এর  আগে দেখিয়েছি তো আমি আবার বলে  দিচ্ছি সেটা মূলত কাজ  আপনারা এখন যেভাবে দেখতে পারছেন ড্যাসবোর্ডটা  বামদিকে  তা ঠিক এভাবেই শো করবে আমরা ওইকাহ্নে ক্লিক করলে । যদি আবারো কলাপ্স মেনুতে ক্লিক করেন ঠিক আগের মতো নাম সহ মেনুগুলা  দেখা যাবে । This is it .

Congratulations And Thanks

তো ওয়ার্ডপ্রেসের খুঁটিনাটি নিয়ের সর্বশেষ  এই  পর্যন্তই  ।আশা করি আপনারা এই ওয়ার্ডপ্রেস নিয়ে অনেক কিছু জেনে হিরো হয়ে গেছেন যদি হয়ে থাকেন বা কোন কিছু বুঝে  থাকেন অবশ্যই আমাকে জানাতে ভুলবেন না ।তো দেখা হচ্ছে পরবর্তী কোন অন্য একটা টপিকে সবাই শেষ  পর্যন্ত আশা করি  দেখেছেন এবং যদি বুঝতে কষ্ট হয় বা কোন কিছু জানার থাকে আমাকে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন আর আমাকে অবশ্যই এই পার্টটাও কেমন হয়েছে সেটাও আমাকে জানাবেন আমাকে কমেন্ট করবেন অবশ্যই । আর আমাকে এখানে লাইভ  এ মেসেজ  করতে পারেন । তো সবাই ভাল থাকেন , সুস্থ থাকেন ।আসসালামু আলাইকুম ।

ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবোর্ড পরিচিতি

ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবোর্ড পরিচিতি ও গুরুত্বপূর্ণ টুলস ব্যবহার

Welcome

আসসালামু আলাইকুম আশা করি সবাই ভালো আছেন । আমিও আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি । আজকে আপনাদের জন্য নিয়ে আসলাম খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা টপিক ,হ্যাঁ অবশ্যই , গুরুত্বপূর্ণ হবে,  এখন দেখার পালা সেটা হচ্ছে ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবোর্ড   পরিচিতি এবং ব্যাবহার   নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো মানে পরিচিত হব । কোথায় কি আছে । ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবোর্ড পরিচিতি এবং ব্যবহার এটা অনেক লম্বা হতে পারে তার জন্য আমি ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবোর্ড নিয়ে আমি দুইটা ভাগে ভাগ করেছি আজকে হবে প্রথম পার্ট , দ্বিতীয় পার্ট  অবশ্যই আমি আনবো তাড়াতাড়ি । আপনারা প্রথম থেকে  সুন্দরতা দেখবেন ও পড়বেন ।আশা করি   বুঝতে পারবেন । তো চলুন শুরু করা যাক ।প্রথমে আমরা জানবো ওয়ার্ডপ্রেস কি হালকা-পাতলা আরকি  তো চলুন জেনে আসি । হালকা-পাতলা তবে এই পরিচিত টা কিন্তু খুবই অ্যাডভান্স না কারণ  এডভান্স করতে গেলে হয়তো আমার একটা বই বানাতে হবে প্রায় 100 থেকে 200 পৃষ্ঠা হয়ে যাবে হয়তো ।

আর যারা আমার এর আগের  পোষ্টটি দেখেছেন তাদেরকে অসংখ্য ধন্যবাদ যারা দেখেননি দেখে আসতে পারেন এখানে ক্লিক করে ধন্যবাদ ।

ওয়ার্ডপ্রেস কি?

ওয়ার্ডপ্রেস হচ্ছে ডাইনামিক কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। যেখান থেকে আপনি ডাইনামিক্যালি ওয়েবসাইটের কনটেন্ট পরিবর্তন করতে পারবেন। এজন্য আপনাকে কোডিং করতে বা সাইটে কোনাে বড় পরিবর্তন করতে হবে না। সব কিছু সিষ্টেম মতাে দেয়া থাকবে আপনি শুধু আপনার কনটেন্ট চেঞ্জ করে দেবেন।স্টাটিক ওয়েবসাইটে যেমন আপনি চাইলেই কোনাে ইমেজ বা আর্টিকেল বদলে দিতে পারেন না, এজন্য আপনাকে ওয়েব ডেভেলপারের সাথে যােগাযােগ করতে হয়। কিন্তু ডাইনামিক সাইটের জন্য আপনাকে এর কিছুই করতে হবে না। এই পুরাে প্রক্রিয়াটি কোডিং করে করতে গেলে অনেক পরিশ্রম যেমন করতে হবে, তেমনি সময়ও অনেক বেশি লাগবে। কিন্তু ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে যদি আপনি করেন তবে সময়ও যেমন বাচবে তেমনি পরিশ্রমও অনেক কম হবে।ভাবছেন এতাে সহজে কিভাবে? না এতাে সহজে আসলে নয়। আপনি হয়তাে পরিশ্রম অনেক কম করছেন কিন্তু এর পেছনে কাজ করছে একদল নিরলস স্বেচ্ছাসেবী। যারা আপনাকে একটি সিষ্টেম উপহার দিচ্ছে পেছনে থেকে। তাদের প্রতিও কৃতজ্ঞ থাকবেন। আশা করি একটি ধারনা পেয়েছেন। ধারনা আরাে পরিষ্কার হবে কাজ করতে করতে।ওয়ার্ডপ্রেসের প্রতিষ্ঠাতা ম্যাট মুলেনওয়েগ এবং তার ডেভেলপার বন্ধু মাইক লিটল ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলাপ করেন এবং ২০০৩ সালের ২৭শে মে ওয়ার্ডপ্রেসটি প্রকাশ করেন।

ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবাের্ড লগইন

ওয়েবসাইটের বিষয়বস্তু ব্যবস্থাপনার জনপ্রিয় সফটওয়্যার ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে ব্লগ বা ওয়েবসাইট তৈরি করার সব কাজই এর ড্যাশবাের্ড থেকে করতে হয়। ওয়ার্ডপ্রেস ইনস্টল করার পর ওয়ার্ডপ্রেসে লগ-ইন করে যে পেজটি দেখা যায়, সেটিই হলাে ওয়ার্ডপ্রেসের ড্যাশবাের্ড।

ড্যাশবাের্ড-এ লগ ইন করতে আপনার ওয়েবসাইটের অ্যাড্রেস এর পর লিখুন /wp-admin. মানে আপনার ওয়েবসাইট যদি হয় https://developerremo.xyz/  তাহলে আপনার শেষে  লিখতে হবে ‘wp-admin’ এই অ্যাড্রেস এ গেলে আপনি  একটা পেজ পাবেন।সেখানে ইউজারনেম আর পাসওয়ার্ড দিয়ে লগ ইন করলেই পেয়ে যাবেন আপনার ওয়েবসাইটের ড্যাশবাের্ড। এই ড্যাশবাের্ড থেকেই আপনি আপনার ওয়েবসাইটের সমস্ত কিছু নিয়ন্ত্রন করতে পারবেন। আপনি যখন আপনার ব্লগের এডমিনিস্ট্রেশন এরিয়াতে লগইন করবেন তখন প্রথম যে স্ক্রিনটি দেখতে পাবেন তাই হলাে ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবাের্ড যার মাধ্যমে ওয়েবসাইটের অভারভিউ প্রদর্শিত হবে।ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবাের্ড হলাে গ্যাজেটস(gadgets) এর সংগ্রহ যা বিভিন্ন তথ্য সরবরাহ করে এবং আপনার ওয়েবসাইটে কি ঘটেছে তার ওভারভিউ দেখায়।

ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবাের্ড পরিচিতি

ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবাের্ড পরিচিতি

আপনার লগইন করলে এই ধরনের অপশন দেখতে পাবেন ।এটা হচ্ছে ওয়ার্ডপ্রেস এডমিন প্যানেল এখানে সবকিছু মোটামুটি করা যায় । এগুলো নিয়ে আমি কথা বলব আস্তে আস্তে নিচের দিকে ।এইখানে যেটা দেখতে পাচ্ছেন এইখান  থেকে আপনারা screen option থেকে  অনেক গুলো  ঠিক মার্ক  তুলে দিয়ে মাঝখানের গুলা  আপনারা  ডিলিট করতে পারবেন আবার বাম দিকে যে পোস্ট  থেকে  পোস্ট করতে পারবেন ,  তারপর মেনু ক্রিয়েট করতে পারবেন , থিম আর প্লাগিন ইন্সটল করতে পারবেন । এবং সেটিং থেকে আমরা মোটামুটি সব কিছু সেটিং করতে পারব । তো মোটামুটি ধারণা পেয়েছেন । আর  আপনারা কর্নারে ডানপাশে উপরে যেটা হচ্ছে আমার প্রোফাইল  চাইলে এখান থেকে লগ আউট করতে পারব । এখানে আমার ইউজারনেম টাও  দেখা যাচ্ছে । তো চলুন আমরা  একটা একটা সেটিং নিয়ে বিস্তারিত জেনে নি কোনটার কি করতে হয় বা কি কাজ ।

WordPress Screen Options

ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবাের্ড পরিচিতি

আপনারা দেখতে পাচ্ছেন ওয়ার্ডপ্রেস উপর এর স্ক্রিন অপশনটা কেমন  এগুলো পড়ে নিতে পারেন উপরের ঠিক মার্ক  আমরা তুলে দিয়ে হোম পেজের ওয়েল্কাম বা ড্রাপ্ট গুলা রিমুভ করতে পারেন । আবারো  চাইলে পরে স্ক্রীন অপশনে ক্লিক করে ওগুলা টিক মার্ক দিয়ে নিয়ে আসতে পারবেন সমস্যা না ।

WordPress Post

তো এখন আসেন পোস্ট এর ব্যাপারে পোস্ট মানে আমরা তো চিনি আমরা যেগুলো ব্লগ  লিখি   আর পোস্ট মানে লেখালেখি করা ।তো এই পোস্টে ক্লিক করলে এখানে পোস্ট অপশন দেখা যায় আপ্নারা দেখতে পাচ্ছেন ক্যাটাগরি, তারপর অ্যাড গুলো দেখতে পারছেন তো ওখানে পোস্ট করতে পারবেন  চলো দেখে আসি ।

WordPress Post Setting

post create wordpress

তো আপনারা অল পোস্ট থেকে এড করতে পারেন তো  এখান থেকে ডাইরেক অ্যাড নিউ পোস্ট করে  সহজেই  পারেন তো সুবিধা মত আমি এড পোস্টে ক্লিক করলাম তখন এই পেজটা এভাবে আসলো । তো  আমার ডান পাশে category এবং ফিচার আরেকটা অপশন থিম এর  আমরা এর আগের পোস্টে কাজ করছি এইটা নিয়ে । আমরা এখানে  ক্যাটাগরি আর ঠ্যাগ  দিব তারপর নিচে গিয়ে আমরা চাইলে  ডেসস্ক্রিপশন  দিতে পারি । এখন  আসি চলেন ক্যাটাগরি  ট্যাগ গুলো নিয়ে একটু বিস্তারিত জেনে নি ।

what is a wordpress category ?

ওয়ার্ডপ্রেসে কি কি বিভাগ আছে? সংক্ষেপে, বিভাগগুলি একটি ওয়ার্ডপ্রেস সাইটে সামগ্রী গোষ্ঠীভুক্ত করার সবচেয়ে সাধারণ পদ্ধতি। একটি বিভাগ একটি বিষয় বা বিষয়গুলির একটি গ্রুপের প্রতীক যা কোনো না কোনোভাবে একে অপরের সাথে সংযুক্ত। কখনও কখনও, একটি পোস্ট একই সময়ে অনেক বিভাগের অন্তর্গত হতে পারে।

What Are WordPress Tags ?

একটি ওয়ার্ডপ্রেস ট্যাগ হল একটি ডিফল্ট টুল যা আপনি আপনার ওয়ার্ডপ্রেস পোস্টগুলিকে শ্রেণীবদ্ধ করতে ব্যবহার করতে পারেন। প্রতিটি পোস্টে একাধিক ট্যাগ থাকতে পারে এবং একই ট্যাগের অনুরূপ পোস্ট খুঁজে পেতে দর্শকরা একটি ট্যাগে ক্লিক করতে পারেন। … অর্থাৎ, আপনি আপনার পোস্টে ওয়ার্ডপ্রেস ট্যাগ যুক্ত করতে মুক্ত, কিন্তু আপনি ট্যাগ ছাড়া একটি পোস্টও প্রকাশ করতে পারেন।

WordPress media

এখন আসি মিডিয়ার বেলায় । মিডিয়াতে আপনারা   হোবার বা   ক্লিক করলে দুইটা অপশন দেখতে পারবেন এটা হচ্ছে লাইব্রেরী আর একটাতে ক্লিক করলে আপনারা এ ধরনের অপশন দেখতে পারবেন আপনারা এখানে আপলোড করতে পারেন এখানে আপনারা ছবি ভিডিও আপলোড করলে এখানে আপনারা ভিডিওটা পেয়ে যাবেন । ওয়ার্ডপ্রেসের লাইব্রেরীতে  জমা হবে । আপনারা  এখানে  সিলেক্ট ফাইলে ক্লিক করলে আপনারা আপনাদের যেখানে আপনাদের ইমেজ বা ভিডিও আছে ওইখান থেকে দেখা দিলে এখানে আপ্লোড হয়ে যাবে আশা করি   বুঝতে পারছেন  ।

WordPress page create

wordpress page create

তো এখানেও দেখতে পারছেন আমি যখন হবার করলাম দুইটা অপশন দেখতে পাচ্ছি বা আপনারা দেখতে পাচ্ছেন ।  এখানে পোস্ট এর মত আপনারা এখানে একদম সেম ভাবে কাজ করতে পারেন তো আমি নিয়ে বিস্তারিত বললাম না আসলে পোস্ট থেকে পেজ এসেছে   আগে পেজ  ছিল না আগে ছিল মূলত পোস্ট তা  থেকে  পেজের উৎপত্তি ।

WordPress comment option

wordpress comment

তো আমরা দেখতে পাচ্ছি  এখানে পেজ এর পরেই রয়েছে কমেন্ট অপশন টি এ কমেন্ট মানে আমরা বুঝি । তো কেউ যদি আপনার পোস্টে কমেন্ট করে কমেন্ট এর অপশন চলে আসবে তো আমি কমেন্টস এ ক্লিক করার পর এরকম একটা পেইজ  আসছে  যেখানে একটা দেখা যাচ্ছে যেটা আমি এখনও এপ্রুভ করি নাই তো আমরা কি কি করতে পারবে তা আমি বলতেছি আপনারা দেখতে পাচ্ছেন এখানে আপ্নারা  চাইলে কোন কমেন্ট ডিলিট  করতে পারেন যদি আপনার ভাল না লাগে  । চাইলে আপ্রুভ  করে দিতে পারেন ।  এখানে যদি কমেন্ট বেশি হয়ে যায়  চাইলে সার্চ করতে পারেন বিভিন্নভাবে ফিল্টার করতে পারেন ।  আবার রিপ্লাই করতে পারেন কমেন্টের ।  যে কেউ চাইলে দেখতে পারে । আশা করি বুঝতে পারছেন কমেন্টের ব্যাপারটি  । অবশ্যই আপনি এখানে কমেন্টের উত্তর দিতে পারেন যেটা পাবলিকলি  শো করাতে পারবেন ।

Elementor Options

তারপর কমেন্ট এর নিচে আপনারা  হোবার বা ক্লিক   করলে বা এলিমেন্টর আন্ডারে অনেকগুলো অপশন । আপনারা বুঝতে পারছেন আমি এগুলা নিয়ে বিস্তারিত বলবো না । কেননা  আপনি হইত জানেন এইগুলা প্লাগিন থেকে এসেছে । যেটা দিয়ে আমরা এর আগের পোস্টে সাইট বানিয়েছিলাম । তো আমরা এটাই জানলাম যত থিম  প্লাগিন   ইন্সটল করবেন তত অপশন  ওয়ার্ডপ্রেসে বাড়তে থাকবে এটা আশা করি আপনারা জানেন । তো বুঝতে পারছেন এ এই অপশন গুলা ।

WordPress appearance

তারপর দেখতে পারছেন এপেরিয়েন্স অপশন মূলত এটাতে  বেশিরভাগই কাজ করে থাকে । তবে  অনেকগুলো অপশন আপনারা দেখতে পাচ্ছেন আমি এখন আপনাদের সামনে একটা একটা অপশন নিয়ে এখানে বলার চেষ্টা করব তবে এখানে আরেকটা কথা বলে রাখি এখানে আমরা যতগুলো  দেখতে পাচ্ছি এক্সপেরিয়েন্স এর আন্ডারে এরমধ্যে স্টার্টার টেমপ্লেট বা  astra opions  এগুলা বুঝতে  পারছেন কোথা থেকে আসছে এগুলো  টিম থেকে তো এগুলা নিয়েও আমি বিস্তারিত বলবো না  কারন এর আগের পোস্টে আমি বলেছিলাম ।

Appearance ==> Themes

তো আমি যদি এখানে  থিমে ক্লিক করি তখন এ ধরনের একটা পেজ দেখতে পারবেন এখানে আপনারা  সার্চ করতে পারবেন তারপর আপনারা দেখতে পাচ্ছেন এর আগের পোস্টে আমি যেটা অ্যাক্টিভ করছিলাম এখানে দেখতে পাচ্ছেন প্রথমে। তারপর উপরে add new করে  ক্লিক করে আপনারা আপনাদের ফোল্ডার থেকে আপনারা আপলোড করতে পারবেন থিম । তো ডিলিট করবেন কীভাবে এখানে তো ডিলিট অপশন নাই তাই না ? যেটা একটিভ করা আছে তার উপরে ক্লিক করলে আপনারা ডিলিট অপশন দেখতে পারবেন তখন ডিলিট করতে পারবেন । That’s all .

Appearance ==> Customized

Appearance ==> Themes

তারপর যদি  ফিরে আসেন কাস্টমাইজ এ ক্লিক করি তখন আপনারা এ ধরনের একটা পেজ দেখতে পারবেন এখানে  মূলত অপশনগুলা বেশি বা  কম হয়ে থাকে থিম এর উপরে । যদি যত অ্যাডভান্স থিম ইন্সটল করবেন তত অপশন বেশি দেখতে পারবেন । এই অপশনগুলো অলরেডি আমি দেখেছিলাম । তো  দেখতে পাচ্ছেন যে গুলো আপনারা এখানে দেখতে পাচ্ছেন হেডার ফুটার সব কিছু এখানে ক্লিক করার পর সবকিছু পরিবর্তন করে দিতে পারেন । আশা করি বুঝতে পারছেন  ।

Appearance ==>Widgets

তারপর আপনারা যদি  পরেরটা  ক্লিক করেন তখন এ ধরনের একটা পেজ  পাবেন   হ্যা  তবে অনেকেই হয়তো পাবেও না এইভাবে  আপনাদের হয়তো অন্যরকম আসতে পারে কেননা ওয়ার্ডপ্রেস এই ভার্সন  এখন আপডেট হয়েছে বলে এখানে  আমার এভাবে দেখাচ্ছে । এলিমেন্ট এর ফেস বিল্ডারের মতো  চাইলে  যেকোনো কিছু আপনারা অ্যাড করতে  পারেন  হেডার ফুটার সাইডবারে  যেমন আমি যে কোন কিছু এডিট করতে পারি চাইলে  ।  এর আগে যেটা ভার্শন ছিল  সহজে দেওয়া যেত ওই অপশন গুলা ।এখন  একটু ব্যতিক্রম থাকতে পারে আশাকরি একই সিস্টেমে কাজ করবেন সিস্টেম কিন্তু একই জায়গায় বসায় দিবেন  দেন  সেভ  দিয়ে দিবেন  ।

Appearance ==>Menus

তারপর আসেন মেনুতে আমরা মেনুতে ক্লিক করলে এধরনের একটা পেজ দেখতে পারো পাবো এটাই হচ্ছে মূলত খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা পেজ এইটাতে এখানে মূলত আমাদের ওয়েবসাইটে কতগুলা মেনু হবে কতগুলো ক্যাটাগরি হবে সবকিছু আমরা এখানে দেখায়  দিতে পারব । এখানে  দেখতে পাচ্ছেন ক্যাটাগর , পোস্ট কাস্টম লিংক  এই অপশন গুলো যদি না থাকে  screen option  থেকে ওই যে অপশন থেকে নিয়ে আসতে পারেন ।এইখানেও  থিমের উপর ভিত্তি করে এখানে আরো অনেক অপশন যুক্ত হতে পারে । আপনারা চাইলে  নিউ মেনু  ক্রিয়েট  করে একটা নতুন নতুন মেনু করতে পারেন  ।মনে করনা আপনার  অন্য একটা পেজের জন্য  জন্য হেডার এর জন্য  এখান থেকে মেনু  করতে পারেন  এবং সেগুলো দেখায় দিতে  পারেন আপনারা দেখতে পাচ্ছেন এখানে আমার মূলত যে পাঁচটি ফেজ দেখা যায় ওগুলাই আছে মূলত আমি চাইলে এখান থেকেও সেগুলো পরিবর্তন করতে বা  ক্রিয়েট করতে পারবো ক্যাটাগরিগুলো মেনুতে দেখায়  দিতে পারব । আশা করি বুঝতে পারছেন  মেনুর ব্যাপারটি  । আপনাদের যদি  মেনু বেশি  করা থাকে তাহলে  উপর থেকে ফিল্টার করে সিলেক্ট করে দিতে পারেন তারপর ওটা এডিট করতে পারেন আপনার কাছে যে কোন মেনুর ডিলিট করে দিতে পারেন ।  কাস্টমাইজ  কোনো মেনুয়াল করে বা তৈরী করে  তারপর অবশ্যই সেভ দিতে হবে । তারপর যেখানে দেখা দিবেন হেডার ফুটার এ  দেখায় দিলো  দিলে হয়ে যাবে । আমি এখানে একটা কথা বলে রাখি এখানেও থিমের  উপর ভিত্তি করে  অনেক কিছু অপশন দেখতে  পাবেন ।

Appearance ==>Theme editor

তারপর আসেন ্থিম  এডিটর এ  এডিটর এর আগের দুইটা অপশন নিয়ে আমি বললাম না কেন বললাম না আসলে বুঝতে পারছেন আশা করি । তো এডিটরে  আমরা ক্লিক করলে এরকম আমরা একটা পেজ দেখতে পারবো । মূলত বেশিরভাগই যারা মূলত কোডিং করে  তারা মূলত এখানে বেশি বুঝে ।  টিমের যত ফাইল আমরা সকলে ডানপাশে দেখতে পারছি আমাদের টিমের যতগুলো ফাইল আছে তা । এখানে আমরা এডিট করতে চাইলে ক্লিক করলে আপনার সামনে চলে আসবে  কোড গুলা । মনে করেন  আপনি  একটা হেডারে  স্থাপন করতে চাচ্ছেন তো  header.php তে ক্লিক করবেন তখন ওই ফাইলের কোড গুলা চলে   আসবে তখন করতে পারেন যেখানে ইচ্ছা তো অবশ্যই তারপর আপডেট  দিয়ে দিবেন তারপর ওইটা সেট হয়ে যাবে আশা করি বুঝতে পারছেন ।

Plugins

wordpress plugins

প্লাগিনে আমি যদি এ ক্লিক করে বা হবার করি এখানেও প্লাগিন এর আন্ডারে তিনটা অপশন দেখতে পাচ্ছি এখানে আমরা নতুন নতুন প্লাগিন এড করতে পারবো প্লাগিনগুলো আমরা থিমের মতো কোডিংয়ে আমরা চাইলে আপডেট করতে পারব তো চলুন এর পরে কি দেখা যায় আপ্নারা  একটা ক্লিক দিন  এড নিউ তে   সেখানে ইনস্টলড প্লাগিন দেখতে পাচ্ছেন এখানে আমাদের যতগুলা প্লাগিন ইন্সটল করব বা একটিভ করব এখানে দেখতে পারবো এখান থেকেও আমরা চাইলে নিউ তে ক্লিক করে  এড করতে পারবো নতুন প্লাগিন তো আমরা সহজে এখান থেকে  অ্যাড নিউ পেজে চলে যাই ।

Plugins==>Add New

add new  প্লাগিন এ ক্লিক করলে  এই পেজটা দেখতে পারবেন । এখানে আপনারা ওয়ার্ডপ্রেসের যতগুলা প্লাগিন আছে তা ইন্সটল করতে পারবেন । আপনারা দেখতে পাচ্ছেন অলরেডি 2 টা দেখা যাচ্ছে । যেটা ইচ্ছা আপনাদের ওখানে সার্চ করলে যে কোন প্লাগিন আমরা আমরা এখানে সার্চ করলে এখানে চলে আসবে । তো আপনার ফাইল  থেকে কোন প্লাগিন আপলোড করতে চান তাইলে ওপরে আপলোড বাটনে ক্লিক করবেন । তারপর ইন্সটল করবেন active করবেন  এইটুকুই। 

Plugins==>Plugins Editor

এখানেও থিম এডিটর এর মত প্লাগিন এডিটরে আপনারা প্লাগিন এডিটর এর কোডগুলো আপডেট করতে পারেন এড করে ।

You will see 2 nd Part Stay Connected

তো আজ ওয়ার্ডপ্রেসের খুঁটিনাটি নিয়ে প্রথম পার্ট এই  পর্যন্তই  । এবং বাকি টুলস নিয়ে পরের পার্ট নিয়ে আসবো তাড়াতাড়ি ইনশাআল্লাহ’ ।সবাই এই পর্যন্ত আশা করি  দেখেছেন এবং যদি বুঝতে কষ্ট হয় বা কোন কিছু জানার থাকে আমাকে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন আর আমাকে অবশ্যই এই প্রথম পার্টটা কেমন হয়েছে সেটাও আমাকে জানাবেন আমাকে কমেন্ট করবেন অবশ্যই । আর আমাকে এখানে লাইভ  এ মেসেজ  করতে পারেন । তো  অপেক্ষায় থাকেন আমিও ইনশাল্লাহ যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আমি দ্বিতীয় পার্টটা  নিয়ে আসতেছি তো সবাই ভাল থাকেন , সুস্থ থাকেন ।আসসালামু আলাইকুম ।