ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবাের্ড পরিচিতি পার্ট ২

ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবোর্ড পরিচিতি পার্ট ২ ও গুরুত্বপূর্ণ টুলস

Welcome

আসসালামু আলাইকুম আশা করি সবাই ভালো আছেন । আমিও আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি । আজকে আপনাদের জন্য নিয়ে আসলাম খুব গুরুত্বপূর্ণ আরেকটা টপিক ,হ্যাঁ অবশ্যই , গুরুত্বপূর্ণ হবে,  এখন দেখার পালা সেটা হচ্ছে ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবোর্ড   পরিচিতি পার্ট ২ এবং ব্যাবহার   নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো মানে পরিচিত হব সবকিছু নিয়ে । কোথায় কি আছে ।   আপনারা প্রথম থেকে  সুন্দরতা দেখবেন ও পড়বেন ।আশা করি   বুঝতে পারবেন । তো চলুন শুরু করা যাক । 

আর যারা আমার এর আগের  পোষ্টটি দেখেছেন তাদেরকে অসংখ্য ধন্যবাদ যারা দেখেননি দেখে আসতে পারেন এখানে ক্লিক করে ধন্যবাদ ।

ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবাের্ড লগইন

ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবাের্ড লগইন  কিভাবে করতে হয় আমি যদিও এর আগে দেখিয়েছি তাও আরেকবার দেখিয়ে  দিচ্ছি । ওয়েবসাইটের বিষয়বস্তু ব্যবস্থাপনার জনপ্রিয় সফটওয়্যার ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে ব্লগ বা ওয়েবসাইট তৈরি করার সব কাজই এর ড্যাশবাের্ড থেকে করতে হয়। ওয়ার্ডপ্রেস ইনস্টল করার পর ওয়ার্ডপ্রেসে লগ-ইন করে যে পেজটি দেখা যায়, সেটিই হলাে ওয়ার্ডপ্রেসের ড্যাশবাের্ড।

ড্যাশবাের্ড-এ লগ ইন করতে আপনার ওয়েবসাইটের অ্যাড্রেস এর পর লিখুন /wp-admin. মানে আপনার ওয়েবসাইট যদি হয় https://developerremo.xyz/  তাহলে আপনার শেষে  লিখতে হবে ‘wp-admin’ এই অ্যাড্রেস এ গেলে আপনি  একটা পেজ পাবেন।সেখানে ইউজারনেম আর পাসওয়ার্ড দিয়ে লগ ইন করলেই পেয়ে যাবেন আপনার ওয়েবসাইটের ড্যাশবাের্ড। এই ড্যাশবাের্ড থেকেই আপনি আপনার ওয়েবসাইটের সমস্ত কিছু নিয়ন্ত্রন করতে পারবেন। আপনি যখন আপনার ব্লগের এডমিনিস্ট্রেশন এরিয়াতে লগইন করবেন তখন প্রথম যে স্ক্রিনটি দেখতে পাবেন তাই হলাে ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবাের্ড যার মাধ্যমে ওয়েবসাইটের অভারভিউ প্রদর্শিত হবে।ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবাের্ড হলাে গ্যাজেটস(gadgets) এর সংগ্রহ যা বিভিন্ন তথ্য সরবরাহ করে এবং আপনার ওয়েবসাইটে কি ঘটেছে তার ওভারভিউ দেখায়।

ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবোর্ড পরিচিতি পার্ট ২

ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবোর্ড পরিচিতি পার্ট ২ তে আমরা দেখব  প্লাগিনের পর  থেকে এর আগের গুলো আমি অবশ্যই দেখিয়েছিলাম   আশা করি  আপনারা দেখেছেন না দেখলে দেখে আসতে পারেন । চলুন শুরু করা যাক প্লাগিন এর পর থেকে আমরা আজ শুরু করি   তো শেষ পর্যন্ত থাকবেন  আশা করি খুব মজাদার হবে  😍

wordpress Users

wordpress users

এই সেকশনে আমরা ওয়ার্ডপ্রেসে ব্যবহারকারীর ভূমিকা(Roles) সম্পর্কে জানবাে। ওয়ার্ডপ্রেসে প্রত্যেক ব্যবহারকারীর কিছু নিজস্ব ভূমিকা( Roles) থাকে৷ ভূমিকা( Roles ) বলতে ব্যবহারকারীকে কি কি বিষয়ে অনুমতি দেওয়া তা বুঝায়। যেমন- কোনাে ব্যবহারকারীকে ওয়ার্ডপ্রেস সাইটে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া। নিম্নে ওয়ার্ডপ্রেসে ব্যবহৃত পূর্ব নির্ধারিত ভুমিকাসমূহ(Roles) আলােচনা করা হলােঃ

wordpress Users ==>Administrator

  1. প্রশাসক( Administrator ); এডমিনিস্ট্রেটর সর্বাধিকার সম্পন্ন। সুতরাং একজন এডমিন ওয়ার্ডপ্রেস সাইটে সবকিছুই করার অধিকার রাখে। যেমন- অধিক এডমিন তৈরি, ব্যবহারকারীর ভুমিকা নির্ধারণ, ব্যবহারকারীকে আমন্ত্রন জানানাে এবং ব্যবহারকারীকে বাদ দেওয়া ইত্যাদি৷

wordpress Users ==>Editor

  1. সম্পাদক( Editor ); একজন এডিটরের সকল ধরনের পােষ্ট, পেজ, কমেন্ট,ক্যাটাগরি, ট্যাগ এবং লিংকে প্রবেশাধিকার(Access) থাকে। সে যেকোনাে পােস্ট বা পেজ তৈরি, প্রকাশ(Publish), এডিট এবং ডিলেট করতে পারে।

wordpress Users ==>Author

  1. লেখক( Author ); একজন অথর শুধুমাত্র পােষ্ট লেখা, ছবি আপলােড করা, নিজেরপােষ্ট এডিট এবং প্রকাশ করতে পারে।

wordpress Users ==>Contributor

  1. কন্ট্রিবিউটর( Contributor ); একজন কন্ট্রিবিউটর শুধুমাত্র তার নিজের পােষ্ট প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত সেই পােস্টে লিখতে এবং পরিবর্তন আনতে পারে। সে শুধুমাত্র পােস্ট বা পেজ তৈরি করতে পারে কিন্তু এগুলাে প্রকাশ করতে পারে না। সে ছবি/ফাইলও আপলােড করতে পারে না। কিন্তু আপনার সাইটের স্ট্যাটাস দেখতে পারে। তাদের পােষ্ট এডমিনিস্ট্রেটর( Administrator) কর্তৃক রিভিউ ছাড়া প্রকাশ হয়। রিভিউ শেষে এডমিন পােষ্ট প্রকাশ করলে কন্ট্রিবিউটর সেই পােষ্টে আর কোনাে পরিবর্তন করতে পারে না।

wordpress Users ==>Follower

5, ফলােয়ার( Follower ); একজন ফলােয়ার শুধুমাত্র পােষ্ট পড়তে এবং পােষ্টে কমেন্ট করতে পারে। ফলােয়ার হলাে তারা যারা আপনার সাইটের আপডেট তথ্য পাওয়ার জন্য আপনার সাইটে সাইন-ইন করে।

wordpress Users ==>Viewer

  1. ভিউয়ার( Viewer ): একজন ভিউয়ার শুধুমাত্র পােষ্ট দেখতে পারে। সে পােষ্ট এডিট করতে পারে না কিন্তু কমেন্ট করতে পারে।

WordPress user

এখন আমরা জানবাে ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগ বা ওয়েবসাইটে কিভাবে ব্যবহারকারী যুক্ত করা যায়। যখন ব্যবহারকারী ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগ বা ওয়েবসাইটে রেজিস্টার করে, তখন আপনি একটি ই-মেইল নােটিফিকেশন পাবেন। যাতে আপনি নতুন ইউজার রেজিষ্ট্রেশন সম্পর্কে জানতে পারেন এবং ব্যবহারকারীর ভূমিকা নির্ধারন করতে পারেন। ওয়ার্ডপ্রেসে নিম্নের ধাপ অবলম্বন করে ব্যবহারকারী তৈরি করুন।

WordPress user add

add user

ওয়ার্ডপ্রেস  ইউজার অ্যাড করার আগে আরেকটু বিষয়ে আপনাদের ছিনিয়ে দি এখানে দেখতে পাচ্ছেন , তো এইখনে দেখতে পারতেছেন   অনেক অপশন দেখা যায় আমিও ইউজার তাই একটি  দেখা যাচ্ছে ।  এখানে আমার রুল টা অ্যাডমিনিস্ট্রেটর দেখা যাচ্ছে কারণ এখানে  আমি আর কেউ নাই এখানে যদি কেও  থাকতো তাহলে আমরা ফিল্টার করে  সার্চ করে দেখতে পারতাম  ।তো এখানে চাইলে আমার রোল টা পরিবর্তন করে দিতে পারি  তারপর এপ্লাই করে দিতে পারেন তো এখান থেকেও  আপনারা  চাইলে নতুন ইউজার এড করতে পারে্ন আপনার ওপরে দেখতে পাচ্ছন  অবশ্যই । তো চলুন আমরা একটা নিউ ইউজার এড করি  এবং  কিভাবে এড করা হয় সেটা দেখি আপনার যেকোনো জায়গায় অ্যাড নিউ তে ক্লিক করলে কাজ করতে পারেন  একই জায়গায় যাবে তো চলুন ।

WordPress users all role

অ্যাড নিউ ইউজার এ ক্লিক করার পর আপনারা  এধরনের একটা পেজ  দেখতে পারবেন তখন অনেকগুলো ফিল দেখতে পারবেন সেখানে আপনারা নাম , ইমেইল , পাসওয়ার্ড দিতে  হবে  তখন যেগুলোর রুল আছে তা থেকে দেখায়  দিতে হবে তারপর আর  অ্যাড নিউ ইউজার  ক্লিক করলে যাকে এড করে দিয়েছন ইমেইল দিয়ে  দিয়েছেন তার কাছে একটা ইমেইল চলে যাবে তখন আপনি আপনার পাসওয়ার্ডটি ওকে দিবেন  কোন রুলের  কি কাজ সেটা অবশ্য আমি    দেখিয়েছি  বুঝতে পারছেন  আশা করি তো মূলত ইউজার এড করার এটাই মূলত কাজ  । 

WordPress Users profile

তারপর আপনারা দেখতে পাচ্ছেন ইউজার এর আন্ডারে আরেকটা অপশন সেট  হলো  প্রোফাইল । প্রোফাইল মানে   আপনারা তো  অবশ্য বুঝেন  ঠিক  ফেসবুকের মত  কি রকম হবে ফেসবুকের প্রোফাইল টা কেমন হবে তারপর কালার গুলো কেমন হবে এই আরকি তো আমরা এখান থেকে চাইলে কালার চেঞ্জ করে দিতে পারেন তারপর নিচে গেলে  আরো অনেক অপশন দেখতে পারেন যেগুলো মূলত বেশি লাগে না চাইলেও  পরিবর্তন করতে  পারেন । আপনারা সেভ করে দিবেন নিচে গিয়ে  ।  উপরে টুলবার গুলো বন্ধ করে দিতে পারেন  চাইলে তারপর আরেকটা  গুরুত্বপূর্ণ অপশন সেটা হচ্ছে ভিজুয়াল এডিটর যে এডিটর দিয়ে কাজ করি ডিফল্ট সেটা , সেটা আমরা চাইলে সেটা ডিজেবল করে রাখতে পারি উপর  এ মার্ক করে  দিয়ে দিলে হয়ে যাবে ।

WordPress Tools

তারপর আসেন টুলস এ এইখানে  হোবার বা ক্লিক করলে  অনেকগুলো অপশন মূলত এখানে দেখা যায় ,যেখানে   কিছু সিক্রেট বিষয় থাকে ওয়েবসাইটের  সেগুলো   আপ্নারা  পরিবর্তন করতে পারেন ।  সংক্ষেপে আমি আপনাদের একটা একটা বলার চেষ্টা করতেছি । Let’s get started …….

WordPress Tools ==>Available Tools

 মূলত এইখানে  ওয়েবসাইটের কি কি প্লাগইন বা থিম আছে সেগুলোর একটা নমুনা দেখায় কোন কোন প্লাগিন থিম একটিভ আছে সেগুলোর নমুনা দেখায় এবং আরো অনেক অপশন আছে ।

WordPress Tools ==> Import

তারপর ইমপোর্ট আমরা চাইলে কারো  থেকে আমরা কোন কিছু কন্টেন্ট  আনতে পারি  ইমেইল দিয়ে ।

WordPress Tools ==> Export

তারপর এক্সপোর্ট মানে আমরা তো বুঝি  , আমরা চাইলে নিজের  ওয়েবসাইট থেকে কোন কিছু অন্যকে শেয়ার করতে পারি ইমেইল দিয়ে ।

WordPress Tools ==> Site Health

সাইট হেলথ মূলত আপনারা আপনাদের ওয়েবসাইটের কোন সমস্যা থাকলে বা কোন বাগস দেখা  দিলে বা কোন আপডেটের কোন কিছু ওয়ার্নিং থাকলে সেগুলো আপনারা এখানে দেখতে পারবেন ।

WordPress Tools ==> Export Personal Data

এক্সপোর্ট পার্সোনাল ডেটা অপশনটি আপনার ব্যবহারকারীদের জন্য ব্যক্তিগত ডেটা এক্সপোর্ট করতে ব্যবহৃত হয়। … একবার অনুরোধ নিশ্চিত হয়ে গেলে, আপনি তারপর একটি জিপ ফাইল তৈরি করতে পারেন যা আপনার ওয়ার্ডপ্রেস সাইটের মধ্যে সেই নির্দিষ্ট ব্যবহারকারীর জন্য বিদ্যমান ব্যক্তিগত তথ্য ধারণ করে।

WordPress Tools ==> Erase Personal Data

এই অপশন দিয়ে মূলত  কোন কিছু মুছে ফেলতে পারবেন সাইটের  তো কিভাবে কি করে মুছে আমরা সেটা একটু দেখেনি চলুন ।

How to easily Erase Personal Data in WordPress Bangla

 
  1. Log in to WordPress as an Administrator.
  2. Click on Tools.
  3. Click on Erase Personal Data.
  4. Click in the Username or email address field and type in the user or email address for the user requesting the removal of their personal data.
  5. Click on Send Request.
  6. Once the Username or email address is sent, an entry for that user will be added to the table at the bottom of the page. The Requester (username or email) will appear with a status of Pending. An email is automatically sent to the user and they must click on the link in the email to confirm the data erasure.
  7. Once the User has confirmed the request by clicking on the link, the Status will be updated to Confirmed. The user will see a thank you message confirming the erasure request. There are two options to erase data. To erase data for a confirmed user, simply look in the Next Steps column for that user and click on Erase Personal Data.

WordPress Setting

wordpress setting

এখন আসেন সেটিং এর বেলায় মূলত এখানে আমাদের অনেক কাজ হয়ে থাকে বা অনেক সেটিং করা লাগে তো আমরা এক একটা সেটিং আমরা একটা একটা করে দেখে  আসি চলুন  । আমরা এক ঝলকে দেখে আসি কোনটার কী কাজ বা কোনটার কি  সেটিং।

WordPress Setting ==>General

আপনাদের এখানে যদি মেম্বারশিপ সিস্টেম থাকে তাইলে  anyone can register এই অপশন টা অন করে দিবেন যেন যে কেউ রেজিস্টার করতে পারে  আশা করি  বুঝতে পারছেন ।তারপর  এখানে আপনাদের সাইটের নাম  বা টেগলাইন এগুলো সব কিছু পরিবর্তন করতে পারবেন ইমেইলও পরিবর্তন করতে পারেন । আপনারা ওয়ার্ডপ্রেস এর ভাষা পরিবর্তন করতে পারবেন মূলত এই জেনারেল সেটিং থেকে অনেক কিছু করা যায় তারপর  সেভ দিয়ে দিবেন ।

wordpress General

WordPress Setting ==>Writing

লেখার সেটিংস আপনার সাইটের সামগ্রীর ক্ষেত্রে বিভিন্ন বিকল্প কনফিগার করে। সেটিংসের মধ্যে রয়েছে ডিফল্ট পোস্ট ক্যাটাগরি, ডিফল্ট পোস্ট ফরম্যাট (যদি আপনার থিম দ্বারা সমর্থিত হয়) এবং লিঙ্ক ম্যানেজার প্লাগইন ইনস্টল করা থাকে, ডিফল্ট লিঙ্ক ক্যাটাগরি অন্তর্ভুক্ত।

আপনি যদি ক্লাসিক এডিটর প্লাগইন ইনস্টল করার সিদ্ধান্ত নেন, যা আপনাকে ব্লক এডিটরের পরিবর্তে ক্লাসিক এডিটর ব্যবহার করতে দেয়, আপনি এই রাইটিং সেটিংস পৃষ্ঠায় দুটি অতিরিক্ত বিকল্প দেখতে পাবেন। সমস্ত ব্যবহারকারীর জন্য ডিফল্ট সম্পাদক বিকল্পটি আপনাকে ব্যবহারের জন্য ডিফল্ট সম্পাদক নির্বাচন করতে দেয়। এটি হতে পারে ক্লাসিক এডিটর অথবা নতুন ব্লক এডিটর। আপনি যদি ক্লাসিক এডিটর প্লাগইন ইনস্টল করে থাকেন তাহলে আপনি সম্ভবত এই বিকল্পের জন্য ক্লাসিক এডিটর রেডিও বাটন নির্বাচন করতে চান। যদি আপনার সাইটে একাধিক এডিটর থাকে, তাহলে ব্যবহারকারীদের সম্পাদকদের স্যুইচ করার অনুমতি দিন বিকল্পটি আপনার ব্যবহারকারীদের কোন সম্পাদককে ব্যবহার করতে চান তা নির্বাচন করতে দেয়। আপনি যদি আপনার ব্যবহারকারীদের সম্পাদকদের স্যুইচ করার অনুমতি দেন, তাহলে তাদের স্বতন্ত্র ব্যবহারকারী প্রোফাইল পৃষ্ঠাটি একটি নতুন বিকল্প দেখাবে যা তাদের ক্লাসিক এডিটর এবং ব্লক এডিটরের মধ্যে নির্বাচন করতে দেয়। আপনি যদি আপনার ব্যবহারকারীদের কোন সম্পাদক ব্যবহার করতে চান তা নির্বাচন করার অনুমতি দেন তবে বিশেষ যত্ন নেওয়া উচিত। যদি একজন ব্যবহারকারী ব্লক এডিটর দিয়ে একটি পৃষ্ঠা বা পোস্ট সম্পাদনা করে এবং তারপর অন্য ব্যবহারকারী সেই পৃষ্ঠা/পোস্টটি পরে ক্লাসিক এডিটর দিয়ে সম্পাদনা করে, তাহলে আপনি আপনার বিষয়বস্তু নিয়ে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারেন, বিশেষ করে যদি প্রথম ব্যবহারকারী পৃষ্ঠাটি পুনরায় সম্পাদনা করেন আবার ব্লক সম্পাদকের সাথে। ব্লক সম্পাদকের মধ্যে আপনি সামগ্রী হারাতে বা ব্লকগুলি ভাঙ্গার একটি খুব ভাল সুযোগ রয়েছে। যদি ব্লক এডিটরের সাথে একটি পেজ যোগ করা হয়, অথবা একটি বিদ্যমান পেজ ব্লকে রূপান্তরিত করা হয়, তাহলে সেই ব্লক এডিটরটি সেই পেজটি এডিট করার জন্য ব্যবহার করা হলে ভাল। একইভাবে, যদি ক্লাসিক এডিটরের সাথে একটি পেজ যোগ করা হয়, তাহলে সেই পেজটি শুধুমাত্র ক্লাসিক এডিটর দিয়ে এডিট করা ভাল।

WordPress Setting ==>Reading

wordpress Reading

মূলত এখানে প্রধান কাজ  যা আপনাদের ব্লগ পোস্টে বা  ওয়েবসাইটের মেন হোম পেজ টা কোন ধরনের হবে  সেটা আপনারা এখান থেকে দেখিয়ে দিতে পারবেন তো মূলত মূলতএইটা  প্রধান কাজ তারপর  চাইলে ব্লগ পোস্টে প্রতিটা পেইজে কয়টা করে পোস্ট শো করবে  সেটাও এখান থেকে দেখায় দিতে পারবেন ।

WordPress Setting ==>Discussion

wordpress Discussion

নিম্নে Discussion settings এর প্রতিটি ফিল্ড সম্পর্কে আলােচনা করা হলাে।

Default article settings: আপনার তৈরি করা নতুন পেজ বা পােষ্ট এর জন্য এটা ডিফল্ট সেটিংস। এটার আরও তিনটি সেটিং আছে। সেগুলাে হলােঃ o Attempt to notify any blogs linked to from the article: gta আপনি আর্টিক্যাল প্রকাশ করবেন তখন এটা অন্যান্য ব্লগে নােটিফিকেশন পাঠাবে।Allow link notifications from other blogs (pingbacks and trackbacks): অন্য ব্লগ থেকে পিংস(pings) গ্রহন করে।Allow people to post comments on new articles: gi orfoest ব্যবহার করে আপনি আপনার আর্টিকেলে অন্যদেরকে কমেন্ট করারঅনুমােদন দিতে/না দিতে পারেন। আপনি আপনার ইচ্ছামত পৃথক আর্টিক্যালের জন্যও সেটিংস পরিবর্তন করতে পারেন। Other Comment Settings – এই সেটিংস-এ নিচের অপশনগুলাে রয়েছেঃ ০ Comment author must fill out name and e-mail: যখন আপনি এই বক্স চেক করবেন তখন ডিজিটরদের নাম এবং ই-মেইল এড্রেস পূরণ করা বাধ্যতামূলক। Users must be registered and logged in to Comment: যখন আপনি | এই বক্স চেক করবেন তখন শুধুমাত্র রেজিস্ট্রার্ড ভিজিটররাই কমেন্ট করতে পারবে। আর যদি চেক না করেন তাহলে যে কেউ যেকোনাে সংখ্যক কমেন্ট করতে পারবে।Automatically close comments on articles older than days: ai অপশন এর মাধ্যমে আপনি আপনার ইচ্ছা অনুযায়ী শুধুমাত্র বিশেষ সময়ের কমেন্টগুলাে রাখতে পারেন। Enable threaded (nested) Comments: যখন আপনি এই অপশনটি চেক করবেন তখন ভিজিটর রিপ্লাই দিতে অথবা আলােচনা করতে পারবে এবং তারা সাড়াও পাবে। Break comments into pages with top-level comments per page and the page displayed by default: আপনার পেজে যদি প্রচুর পরিমান কমেন্ট থাকে তাহলে আপনি এই চেকবক্স চেক করে কমেন্টগুলােকে বিভিন্ন পেজে বিভক্ত করতে পারবেন।Comments should be displayed with the comments at the top of each page: আপনি কমেন্টগুলকে এসেন্ডিং(ascending) অথবা ডিসেন্ডিং অর্ডারে সাজাতে পারবেন। Email me whenever: এই সেটিংস এর দুটি অপশন আছে। যেমনঃ Anyone posts a comment: আপনি যখন এই চেকবক্স চেক করবেন তখন | লেখক তার পােষ্টের প্রতিটি সিঙ্গেল কমেন্টের জন্য একটি ই-মেইল পাবে।| A comment is held for moderation: এডমিন কর্তৃক অনুমােদন না হওয়া পর্যন্ত আপনি যদি আপনার কমেন্ট আপডেট করতে না চান তাহলে এটাব্যবহৃত হয়।

• Before a comment appears: এই সেটিংস এর মাধ্যমে আপনি আপনার পােষ্ট নিয়ন্ত্রন করতে পারবেন। এটারও দুটি সেটিংস রয়েছে। যেমনঃ ০ Comment must be manually approved: আপনি যদি এই চেকবক্স চেককরেন তাহলে শুধুমাত্র এডমিন দ্বারা অনুমােদিত কমেন্টগুলােই পােষ্ট বা পেজে প্রদর্শিত হবে।Comment author must have a previously approved comment: aচেকবক্স চেক করলে আপনি এমন লেখকের কমেন্ট অনুমােদন করতে পারবেন যার কমেন্ট ইতিপূর্বে ছিল এবং তার এই ই-মেইল এড্রেস এবং পূর্বের কমেন্টের ই-মেইল এড্রেস একই হতে হবে। অন্যথায় কমেন্টটি অনুমােদনের অপেক্ষায় আটকে থাকবে।Comment Moderation: এক্ষেত্রে শুধুমাত্র নির্দিষ্ট সংখ্যক লিংক থাকবে। যেগুলােতে কমেন্ট গ্রহণযােগ্য।Comment Blacklist: এখানে আপনি আপনার নিজস্ব স্প্যাম ওয়ার্ড(spam Word)গুলাে ইনপুট দিতে পারেন যেগুলাে আপনার ভিজিটর comments, URL, e-mail ইত্যাদির মধ্যে ইনপুট দিতে পারবে না। পরবর্তীতে এগুলাে কমেন্টকে ফিল্টার করবে।

wordpress disscusson

Avatars: Avatar হলাে একটি ছােট ছবি যা ড্যাশবাের্ড স্ক্রিনের উপররের দিকে ডান পাশের কর্নারে আপনার নামের পাশে প্রদর্শিত হয়। এটা দেখতে আপনার প্রােফাইল ছবির মতই। ওয়ার্ডপ্রেস সাইটে Avatar সেট করার অপশনগুলাে নিম্নে তুলে ধরা হলােঃ ০ Avatar Display: যখন এটা চেক করা হবে তখন আপনার এভাটার আপনারনাম এর পাশে প্রদর্শিত হবে।Maximum rating: এটা ছাড়া এভাটার এর জন্য আরাে চারটি অপশন রয়েছে যেগুলোর মধ্যে যেকোনাে একটি অপশন আপনি ব্যবহার করতে পারবেন। এগুলাে হলাে G, PG, R এবং X। এটা হলাে বয়স সেকশন যার মাধ্যমে আপনি নির্বাচন করতে পারবেন কোন ধরণের ভিজিটর এর কাছে আপনার পােস্ট প্রদর্শিত হবে।Default Avatar: এই অপশনের মাধ্যমেও বিভিন্ন ধরণের এভাতার সেট করা যায়। ভিজিটর এর ই-মেইল এড্রেস অনুযায়ীও আপনি এই সকল এভাতার সেট করতে পারেন।

ধাপ ৩: পরিবর্তনগুলাে সংরক্ষন করার জন্য Save Changes বাটনে ক্লিক করুন।

WordPress Setting ==>Media

wordpress Media

মিডিয়াতে আপনারা ওয়ার্ডপ্রেসের ইমেজের অপশন   এখান থেকে অপশনগুলো পাবেন আপনারা এখানে  থেকে পরিবর্তন করে দিতে পারেন তারপর মাস বা বছর অনুযায়ী আপনারা যদি  কোন ইমেজের ফোল্ডার করতে চান তাহলে নিচের অপশন টা টিক মার্ক দিয়ে রাখবেন যেটা আমার টিক মার্ক দেওয়া আছে ।

WordPress Setting ==>Permalinks

wordpress Permalinks

ওয়ার্ডপ্রেসের আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ সেটিং  হলো  পার্মালিংক আমরা অনেকেই আছি ওয়ার্ডপ্রেস সেটাপ করার সাথে সাথে এইটা  পরিবর্তন করে দি । কারন  এটা পরিবর্তন করা তাকে অন্য ভাবে  এখন যেটা দেখতে  পারতেছেন  এটা  হচ্ছে যে আমি পরিবর্তন  করেছি তো এটা মূলত থাকে না অন্য আরেকটা । এইখানে কোন ইউ আর এল এর কি কাজ সেই  কাজগুলো আপনাদের তীর দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছি যে অনুযায়ী লিংক গঠিত হবে । আশা করি  বুঝতে পারছেন । তো  আমার ইউ আর এল এর মত  আপনারা ওইটা করে দিবেন তারপর সেভ দিবেন নিচে গিয়ে । 

WordPress Setting ==>Privacy

এটাও একটা গুরুত্বপূর্ণ অপশন আপনার ওয়েবসাইটের জন্যে আরেকটা মেইন পেজ  সেটা হচ্ছে যে প্রাইভেসি পলিসি আপনারা চাইলে প্রাইভেসি পলিসি পেজটা এখান থেকেও জেনারেট করতে পারেন বা আপনারা চাইলে অন্য ভাবেও  করতে পারেন তো আপনাদের যদি কোন পেজ  থাকে  সেটা এখানেও দেখায় দিতে পারেন তো মূলত এটাই কাজ ।

Collapse menu

wordpress Collapse menu

তো সর্বশেষ আরেকটা অপশন সেটা যদিও আমি এর  আগে দেখিয়েছি তো আমি আবার বলে  দিচ্ছি সেটা মূলত কাজ  আপনারা এখন যেভাবে দেখতে পারছেন ড্যাসবোর্ডটা  বামদিকে  তা ঠিক এভাবেই শো করবে আমরা ওইকাহ্নে ক্লিক করলে । যদি আবারো কলাপ্স মেনুতে ক্লিক করেন ঠিক আগের মতো নাম সহ মেনুগুলা  দেখা যাবে । This is it .

Congratulations And Thanks

তো ওয়ার্ডপ্রেসের খুঁটিনাটি নিয়ের সর্বশেষ  এই  পর্যন্তই  ।আশা করি আপনারা এই ওয়ার্ডপ্রেস নিয়ে অনেক কিছু জেনে হিরো হয়ে গেছেন যদি হয়ে থাকেন বা কোন কিছু বুঝে  থাকেন অবশ্যই আমাকে জানাতে ভুলবেন না ।তো দেখা হচ্ছে পরবর্তী কোন অন্য একটা টপিকে সবাই শেষ  পর্যন্ত আশা করি  দেখেছেন এবং যদি বুঝতে কষ্ট হয় বা কোন কিছু জানার থাকে আমাকে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন আর আমাকে অবশ্যই এই পার্টটাও কেমন হয়েছে সেটাও আমাকে জানাবেন আমাকে কমেন্ট করবেন অবশ্যই । আর আমাকে এখানে লাইভ  এ মেসেজ  করতে পারেন । তো সবাই ভাল থাকেন , সুস্থ থাকেন ।আসসালামু আলাইকুম ।

ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবোর্ড পরিচিতি

ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবোর্ড পরিচিতি ও গুরুত্বপূর্ণ টুলস ব্যবহার

Welcome

আসসালামু আলাইকুম আশা করি সবাই ভালো আছেন । আমিও আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি । আজকে আপনাদের জন্য নিয়ে আসলাম খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা টপিক ,হ্যাঁ অবশ্যই , গুরুত্বপূর্ণ হবে,  এখন দেখার পালা সেটা হচ্ছে ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবোর্ড   পরিচিতি এবং ব্যাবহার   নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো মানে পরিচিত হব । কোথায় কি আছে । ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবোর্ড পরিচিতি এবং ব্যবহার এটা অনেক লম্বা হতে পারে তার জন্য আমি ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবোর্ড নিয়ে আমি দুইটা ভাগে ভাগ করেছি আজকে হবে প্রথম পার্ট , দ্বিতীয় পার্ট  অবশ্যই আমি আনবো তাড়াতাড়ি । আপনারা প্রথম থেকে  সুন্দরতা দেখবেন ও পড়বেন ।আশা করি   বুঝতে পারবেন । তো চলুন শুরু করা যাক ।প্রথমে আমরা জানবো ওয়ার্ডপ্রেস কি হালকা-পাতলা আরকি  তো চলুন জেনে আসি । হালকা-পাতলা তবে এই পরিচিত টা কিন্তু খুবই অ্যাডভান্স না কারণ  এডভান্স করতে গেলে হয়তো আমার একটা বই বানাতে হবে প্রায় 100 থেকে 200 পৃষ্ঠা হয়ে যাবে হয়তো ।

আর যারা আমার এর আগের  পোষ্টটি দেখেছেন তাদেরকে অসংখ্য ধন্যবাদ যারা দেখেননি দেখে আসতে পারেন এখানে ক্লিক করে ধন্যবাদ ।

ওয়ার্ডপ্রেস কি?

ওয়ার্ডপ্রেস হচ্ছে ডাইনামিক কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। যেখান থেকে আপনি ডাইনামিক্যালি ওয়েবসাইটের কনটেন্ট পরিবর্তন করতে পারবেন। এজন্য আপনাকে কোডিং করতে বা সাইটে কোনাে বড় পরিবর্তন করতে হবে না। সব কিছু সিষ্টেম মতাে দেয়া থাকবে আপনি শুধু আপনার কনটেন্ট চেঞ্জ করে দেবেন।স্টাটিক ওয়েবসাইটে যেমন আপনি চাইলেই কোনাে ইমেজ বা আর্টিকেল বদলে দিতে পারেন না, এজন্য আপনাকে ওয়েব ডেভেলপারের সাথে যােগাযােগ করতে হয়। কিন্তু ডাইনামিক সাইটের জন্য আপনাকে এর কিছুই করতে হবে না। এই পুরাে প্রক্রিয়াটি কোডিং করে করতে গেলে অনেক পরিশ্রম যেমন করতে হবে, তেমনি সময়ও অনেক বেশি লাগবে। কিন্তু ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে যদি আপনি করেন তবে সময়ও যেমন বাচবে তেমনি পরিশ্রমও অনেক কম হবে।ভাবছেন এতাে সহজে কিভাবে? না এতাে সহজে আসলে নয়। আপনি হয়তাে পরিশ্রম অনেক কম করছেন কিন্তু এর পেছনে কাজ করছে একদল নিরলস স্বেচ্ছাসেবী। যারা আপনাকে একটি সিষ্টেম উপহার দিচ্ছে পেছনে থেকে। তাদের প্রতিও কৃতজ্ঞ থাকবেন। আশা করি একটি ধারনা পেয়েছেন। ধারনা আরাে পরিষ্কার হবে কাজ করতে করতে।ওয়ার্ডপ্রেসের প্রতিষ্ঠাতা ম্যাট মুলেনওয়েগ এবং তার ডেভেলপার বন্ধু মাইক লিটল ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলাপ করেন এবং ২০০৩ সালের ২৭শে মে ওয়ার্ডপ্রেসটি প্রকাশ করেন।

ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবাের্ড লগইন

ওয়েবসাইটের বিষয়বস্তু ব্যবস্থাপনার জনপ্রিয় সফটওয়্যার ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে ব্লগ বা ওয়েবসাইট তৈরি করার সব কাজই এর ড্যাশবাের্ড থেকে করতে হয়। ওয়ার্ডপ্রেস ইনস্টল করার পর ওয়ার্ডপ্রেসে লগ-ইন করে যে পেজটি দেখা যায়, সেটিই হলাে ওয়ার্ডপ্রেসের ড্যাশবাের্ড।

ড্যাশবাের্ড-এ লগ ইন করতে আপনার ওয়েবসাইটের অ্যাড্রেস এর পর লিখুন /wp-admin. মানে আপনার ওয়েবসাইট যদি হয় https://developerremo.xyz/  তাহলে আপনার শেষে  লিখতে হবে ‘wp-admin’ এই অ্যাড্রেস এ গেলে আপনি  একটা পেজ পাবেন।সেখানে ইউজারনেম আর পাসওয়ার্ড দিয়ে লগ ইন করলেই পেয়ে যাবেন আপনার ওয়েবসাইটের ড্যাশবাের্ড। এই ড্যাশবাের্ড থেকেই আপনি আপনার ওয়েবসাইটের সমস্ত কিছু নিয়ন্ত্রন করতে পারবেন। আপনি যখন আপনার ব্লগের এডমিনিস্ট্রেশন এরিয়াতে লগইন করবেন তখন প্রথম যে স্ক্রিনটি দেখতে পাবেন তাই হলাে ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবাের্ড যার মাধ্যমে ওয়েবসাইটের অভারভিউ প্রদর্শিত হবে।ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবাের্ড হলাে গ্যাজেটস(gadgets) এর সংগ্রহ যা বিভিন্ন তথ্য সরবরাহ করে এবং আপনার ওয়েবসাইটে কি ঘটেছে তার ওভারভিউ দেখায়।

ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবাের্ড পরিচিতি

ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবাের্ড পরিচিতি

আপনার লগইন করলে এই ধরনের অপশন দেখতে পাবেন ।এটা হচ্ছে ওয়ার্ডপ্রেস এডমিন প্যানেল এখানে সবকিছু মোটামুটি করা যায় । এগুলো নিয়ে আমি কথা বলব আস্তে আস্তে নিচের দিকে ।এইখানে যেটা দেখতে পাচ্ছেন এইখান  থেকে আপনারা screen option থেকে  অনেক গুলো  ঠিক মার্ক  তুলে দিয়ে মাঝখানের গুলা  আপনারা  ডিলিট করতে পারবেন আবার বাম দিকে যে পোস্ট  থেকে  পোস্ট করতে পারবেন ,  তারপর মেনু ক্রিয়েট করতে পারবেন , থিম আর প্লাগিন ইন্সটল করতে পারবেন । এবং সেটিং থেকে আমরা মোটামুটি সব কিছু সেটিং করতে পারব । তো মোটামুটি ধারণা পেয়েছেন । আর  আপনারা কর্নারে ডানপাশে উপরে যেটা হচ্ছে আমার প্রোফাইল  চাইলে এখান থেকে লগ আউট করতে পারব । এখানে আমার ইউজারনেম টাও  দেখা যাচ্ছে । তো চলুন আমরা  একটা একটা সেটিং নিয়ে বিস্তারিত জেনে নি কোনটার কি করতে হয় বা কি কাজ ।

WordPress Screen Options

ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবাের্ড পরিচিতি

আপনারা দেখতে পাচ্ছেন ওয়ার্ডপ্রেস উপর এর স্ক্রিন অপশনটা কেমন  এগুলো পড়ে নিতে পারেন উপরের ঠিক মার্ক  আমরা তুলে দিয়ে হোম পেজের ওয়েল্কাম বা ড্রাপ্ট গুলা রিমুভ করতে পারেন । আবারো  চাইলে পরে স্ক্রীন অপশনে ক্লিক করে ওগুলা টিক মার্ক দিয়ে নিয়ে আসতে পারবেন সমস্যা না ।

WordPress Post

তো এখন আসেন পোস্ট এর ব্যাপারে পোস্ট মানে আমরা তো চিনি আমরা যেগুলো ব্লগ  লিখি   আর পোস্ট মানে লেখালেখি করা ।তো এই পোস্টে ক্লিক করলে এখানে পোস্ট অপশন দেখা যায় আপ্নারা দেখতে পাচ্ছেন ক্যাটাগরি, তারপর অ্যাড গুলো দেখতে পারছেন তো ওখানে পোস্ট করতে পারবেন  চলো দেখে আসি ।

WordPress Post Setting

post create wordpress

তো আপনারা অল পোস্ট থেকে এড করতে পারেন তো  এখান থেকে ডাইরেক অ্যাড নিউ পোস্ট করে  সহজেই  পারেন তো সুবিধা মত আমি এড পোস্টে ক্লিক করলাম তখন এই পেজটা এভাবে আসলো । তো  আমার ডান পাশে category এবং ফিচার আরেকটা অপশন থিম এর  আমরা এর আগের পোস্টে কাজ করছি এইটা নিয়ে । আমরা এখানে  ক্যাটাগরি আর ঠ্যাগ  দিব তারপর নিচে গিয়ে আমরা চাইলে  ডেসস্ক্রিপশন  দিতে পারি । এখন  আসি চলেন ক্যাটাগরি  ট্যাগ গুলো নিয়ে একটু বিস্তারিত জেনে নি ।

what is a wordpress category ?

ওয়ার্ডপ্রেসে কি কি বিভাগ আছে? সংক্ষেপে, বিভাগগুলি একটি ওয়ার্ডপ্রেস সাইটে সামগ্রী গোষ্ঠীভুক্ত করার সবচেয়ে সাধারণ পদ্ধতি। একটি বিভাগ একটি বিষয় বা বিষয়গুলির একটি গ্রুপের প্রতীক যা কোনো না কোনোভাবে একে অপরের সাথে সংযুক্ত। কখনও কখনও, একটি পোস্ট একই সময়ে অনেক বিভাগের অন্তর্গত হতে পারে।

What Are WordPress Tags ?

একটি ওয়ার্ডপ্রেস ট্যাগ হল একটি ডিফল্ট টুল যা আপনি আপনার ওয়ার্ডপ্রেস পোস্টগুলিকে শ্রেণীবদ্ধ করতে ব্যবহার করতে পারেন। প্রতিটি পোস্টে একাধিক ট্যাগ থাকতে পারে এবং একই ট্যাগের অনুরূপ পোস্ট খুঁজে পেতে দর্শকরা একটি ট্যাগে ক্লিক করতে পারেন। … অর্থাৎ, আপনি আপনার পোস্টে ওয়ার্ডপ্রেস ট্যাগ যুক্ত করতে মুক্ত, কিন্তু আপনি ট্যাগ ছাড়া একটি পোস্টও প্রকাশ করতে পারেন।

WordPress media

এখন আসি মিডিয়ার বেলায় । মিডিয়াতে আপনারা   হোবার বা   ক্লিক করলে দুইটা অপশন দেখতে পারবেন এটা হচ্ছে লাইব্রেরী আর একটাতে ক্লিক করলে আপনারা এ ধরনের অপশন দেখতে পারবেন আপনারা এখানে আপলোড করতে পারেন এখানে আপনারা ছবি ভিডিও আপলোড করলে এখানে আপনারা ভিডিওটা পেয়ে যাবেন । ওয়ার্ডপ্রেসের লাইব্রেরীতে  জমা হবে । আপনারা  এখানে  সিলেক্ট ফাইলে ক্লিক করলে আপনারা আপনাদের যেখানে আপনাদের ইমেজ বা ভিডিও আছে ওইখান থেকে দেখা দিলে এখানে আপ্লোড হয়ে যাবে আশা করি   বুঝতে পারছেন  ।

WordPress page create

wordpress page create

তো এখানেও দেখতে পারছেন আমি যখন হবার করলাম দুইটা অপশন দেখতে পাচ্ছি বা আপনারা দেখতে পাচ্ছেন ।  এখানে পোস্ট এর মত আপনারা এখানে একদম সেম ভাবে কাজ করতে পারেন তো আমি নিয়ে বিস্তারিত বললাম না আসলে পোস্ট থেকে পেজ এসেছে   আগে পেজ  ছিল না আগে ছিল মূলত পোস্ট তা  থেকে  পেজের উৎপত্তি ।

WordPress comment option

wordpress comment

তো আমরা দেখতে পাচ্ছি  এখানে পেজ এর পরেই রয়েছে কমেন্ট অপশন টি এ কমেন্ট মানে আমরা বুঝি । তো কেউ যদি আপনার পোস্টে কমেন্ট করে কমেন্ট এর অপশন চলে আসবে তো আমি কমেন্টস এ ক্লিক করার পর এরকম একটা পেইজ  আসছে  যেখানে একটা দেখা যাচ্ছে যেটা আমি এখনও এপ্রুভ করি নাই তো আমরা কি কি করতে পারবে তা আমি বলতেছি আপনারা দেখতে পাচ্ছেন এখানে আপ্নারা  চাইলে কোন কমেন্ট ডিলিট  করতে পারেন যদি আপনার ভাল না লাগে  । চাইলে আপ্রুভ  করে দিতে পারেন ।  এখানে যদি কমেন্ট বেশি হয়ে যায়  চাইলে সার্চ করতে পারেন বিভিন্নভাবে ফিল্টার করতে পারেন ।  আবার রিপ্লাই করতে পারেন কমেন্টের ।  যে কেউ চাইলে দেখতে পারে । আশা করি বুঝতে পারছেন কমেন্টের ব্যাপারটি  । অবশ্যই আপনি এখানে কমেন্টের উত্তর দিতে পারেন যেটা পাবলিকলি  শো করাতে পারবেন ।

Elementor Options

তারপর কমেন্ট এর নিচে আপনারা  হোবার বা ক্লিক   করলে বা এলিমেন্টর আন্ডারে অনেকগুলো অপশন । আপনারা বুঝতে পারছেন আমি এগুলা নিয়ে বিস্তারিত বলবো না । কেননা  আপনি হইত জানেন এইগুলা প্লাগিন থেকে এসেছে । যেটা দিয়ে আমরা এর আগের পোস্টে সাইট বানিয়েছিলাম । তো আমরা এটাই জানলাম যত থিম  প্লাগিন   ইন্সটল করবেন তত অপশন  ওয়ার্ডপ্রেসে বাড়তে থাকবে এটা আশা করি আপনারা জানেন । তো বুঝতে পারছেন এ এই অপশন গুলা ।

WordPress appearance

তারপর দেখতে পারছেন এপেরিয়েন্স অপশন মূলত এটাতে  বেশিরভাগই কাজ করে থাকে । তবে  অনেকগুলো অপশন আপনারা দেখতে পাচ্ছেন আমি এখন আপনাদের সামনে একটা একটা অপশন নিয়ে এখানে বলার চেষ্টা করব তবে এখানে আরেকটা কথা বলে রাখি এখানে আমরা যতগুলো  দেখতে পাচ্ছি এক্সপেরিয়েন্স এর আন্ডারে এরমধ্যে স্টার্টার টেমপ্লেট বা  astra opions  এগুলা বুঝতে  পারছেন কোথা থেকে আসছে এগুলো  টিম থেকে তো এগুলা নিয়েও আমি বিস্তারিত বলবো না  কারন এর আগের পোস্টে আমি বলেছিলাম ।

Appearance ==> Themes

তো আমি যদি এখানে  থিমে ক্লিক করি তখন এ ধরনের একটা পেজ দেখতে পারবেন এখানে আপনারা  সার্চ করতে পারবেন তারপর আপনারা দেখতে পাচ্ছেন এর আগের পোস্টে আমি যেটা অ্যাক্টিভ করছিলাম এখানে দেখতে পাচ্ছেন প্রথমে। তারপর উপরে add new করে  ক্লিক করে আপনারা আপনাদের ফোল্ডার থেকে আপনারা আপলোড করতে পারবেন থিম । তো ডিলিট করবেন কীভাবে এখানে তো ডিলিট অপশন নাই তাই না ? যেটা একটিভ করা আছে তার উপরে ক্লিক করলে আপনারা ডিলিট অপশন দেখতে পারবেন তখন ডিলিট করতে পারবেন । That’s all .

Appearance ==> Customized

Appearance ==> Themes

তারপর যদি  ফিরে আসেন কাস্টমাইজ এ ক্লিক করি তখন আপনারা এ ধরনের একটা পেজ দেখতে পারবেন এখানে  মূলত অপশনগুলা বেশি বা  কম হয়ে থাকে থিম এর উপরে । যদি যত অ্যাডভান্স থিম ইন্সটল করবেন তত অপশন বেশি দেখতে পারবেন । এই অপশনগুলো অলরেডি আমি দেখেছিলাম । তো  দেখতে পাচ্ছেন যে গুলো আপনারা এখানে দেখতে পাচ্ছেন হেডার ফুটার সব কিছু এখানে ক্লিক করার পর সবকিছু পরিবর্তন করে দিতে পারেন । আশা করি বুঝতে পারছেন  ।

Appearance ==>Widgets

তারপর আপনারা যদি  পরেরটা  ক্লিক করেন তখন এ ধরনের একটা পেজ  পাবেন   হ্যা  তবে অনেকেই হয়তো পাবেও না এইভাবে  আপনাদের হয়তো অন্যরকম আসতে পারে কেননা ওয়ার্ডপ্রেস এই ভার্সন  এখন আপডেট হয়েছে বলে এখানে  আমার এভাবে দেখাচ্ছে । এলিমেন্ট এর ফেস বিল্ডারের মতো  চাইলে  যেকোনো কিছু আপনারা অ্যাড করতে  পারেন  হেডার ফুটার সাইডবারে  যেমন আমি যে কোন কিছু এডিট করতে পারি চাইলে  ।  এর আগে যেটা ভার্শন ছিল  সহজে দেওয়া যেত ওই অপশন গুলা ।এখন  একটু ব্যতিক্রম থাকতে পারে আশাকরি একই সিস্টেমে কাজ করবেন সিস্টেম কিন্তু একই জায়গায় বসায় দিবেন  দেন  সেভ  দিয়ে দিবেন  ।

Appearance ==>Menus

তারপর আসেন মেনুতে আমরা মেনুতে ক্লিক করলে এধরনের একটা পেজ দেখতে পারো পাবো এটাই হচ্ছে মূলত খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা পেজ এইটাতে এখানে মূলত আমাদের ওয়েবসাইটে কতগুলা মেনু হবে কতগুলো ক্যাটাগরি হবে সবকিছু আমরা এখানে দেখায়  দিতে পারব । এখানে  দেখতে পাচ্ছেন ক্যাটাগর , পোস্ট কাস্টম লিংক  এই অপশন গুলো যদি না থাকে  screen option  থেকে ওই যে অপশন থেকে নিয়ে আসতে পারেন ।এইখানেও  থিমের উপর ভিত্তি করে এখানে আরো অনেক অপশন যুক্ত হতে পারে । আপনারা চাইলে  নিউ মেনু  ক্রিয়েট  করে একটা নতুন নতুন মেনু করতে পারেন  ।মনে করনা আপনার  অন্য একটা পেজের জন্য  জন্য হেডার এর জন্য  এখান থেকে মেনু  করতে পারেন  এবং সেগুলো দেখায় দিতে  পারেন আপনারা দেখতে পাচ্ছেন এখানে আমার মূলত যে পাঁচটি ফেজ দেখা যায় ওগুলাই আছে মূলত আমি চাইলে এখান থেকেও সেগুলো পরিবর্তন করতে বা  ক্রিয়েট করতে পারবো ক্যাটাগরিগুলো মেনুতে দেখায়  দিতে পারব । আশা করি বুঝতে পারছেন  মেনুর ব্যাপারটি  । আপনাদের যদি  মেনু বেশি  করা থাকে তাহলে  উপর থেকে ফিল্টার করে সিলেক্ট করে দিতে পারেন তারপর ওটা এডিট করতে পারেন আপনার কাছে যে কোন মেনুর ডিলিট করে দিতে পারেন ।  কাস্টমাইজ  কোনো মেনুয়াল করে বা তৈরী করে  তারপর অবশ্যই সেভ দিতে হবে । তারপর যেখানে দেখা দিবেন হেডার ফুটার এ  দেখায় দিলো  দিলে হয়ে যাবে । আমি এখানে একটা কথা বলে রাখি এখানেও থিমের  উপর ভিত্তি করে  অনেক কিছু অপশন দেখতে  পাবেন ।

Appearance ==>Theme editor

তারপর আসেন ্থিম  এডিটর এ  এডিটর এর আগের দুইটা অপশন নিয়ে আমি বললাম না কেন বললাম না আসলে বুঝতে পারছেন আশা করি । তো এডিটরে  আমরা ক্লিক করলে এরকম আমরা একটা পেজ দেখতে পারবো । মূলত বেশিরভাগই যারা মূলত কোডিং করে  তারা মূলত এখানে বেশি বুঝে ।  টিমের যত ফাইল আমরা সকলে ডানপাশে দেখতে পারছি আমাদের টিমের যতগুলো ফাইল আছে তা । এখানে আমরা এডিট করতে চাইলে ক্লিক করলে আপনার সামনে চলে আসবে  কোড গুলা । মনে করেন  আপনি  একটা হেডারে  স্থাপন করতে চাচ্ছেন তো  header.php তে ক্লিক করবেন তখন ওই ফাইলের কোড গুলা চলে   আসবে তখন করতে পারেন যেখানে ইচ্ছা তো অবশ্যই তারপর আপডেট  দিয়ে দিবেন তারপর ওইটা সেট হয়ে যাবে আশা করি বুঝতে পারছেন ।

Plugins

wordpress plugins

প্লাগিনে আমি যদি এ ক্লিক করে বা হবার করি এখানেও প্লাগিন এর আন্ডারে তিনটা অপশন দেখতে পাচ্ছি এখানে আমরা নতুন নতুন প্লাগিন এড করতে পারবো প্লাগিনগুলো আমরা থিমের মতো কোডিংয়ে আমরা চাইলে আপডেট করতে পারব তো চলুন এর পরে কি দেখা যায় আপ্নারা  একটা ক্লিক দিন  এড নিউ তে   সেখানে ইনস্টলড প্লাগিন দেখতে পাচ্ছেন এখানে আমাদের যতগুলা প্লাগিন ইন্সটল করব বা একটিভ করব এখানে দেখতে পারবো এখান থেকেও আমরা চাইলে নিউ তে ক্লিক করে  এড করতে পারবো নতুন প্লাগিন তো আমরা সহজে এখান থেকে  অ্যাড নিউ পেজে চলে যাই ।

Plugins==>Add New

add new  প্লাগিন এ ক্লিক করলে  এই পেজটা দেখতে পারবেন । এখানে আপনারা ওয়ার্ডপ্রেসের যতগুলা প্লাগিন আছে তা ইন্সটল করতে পারবেন । আপনারা দেখতে পাচ্ছেন অলরেডি 2 টা দেখা যাচ্ছে । যেটা ইচ্ছা আপনাদের ওখানে সার্চ করলে যে কোন প্লাগিন আমরা আমরা এখানে সার্চ করলে এখানে চলে আসবে । তো আপনার ফাইল  থেকে কোন প্লাগিন আপলোড করতে চান তাইলে ওপরে আপলোড বাটনে ক্লিক করবেন । তারপর ইন্সটল করবেন active করবেন  এইটুকুই। 

Plugins==>Plugins Editor

এখানেও থিম এডিটর এর মত প্লাগিন এডিটরে আপনারা প্লাগিন এডিটর এর কোডগুলো আপডেট করতে পারেন এড করে ।

You will see 2 nd Part Stay Connected

তো আজ ওয়ার্ডপ্রেসের খুঁটিনাটি নিয়ে প্রথম পার্ট এই  পর্যন্তই  । এবং বাকি টুলস নিয়ে পরের পার্ট নিয়ে আসবো তাড়াতাড়ি ইনশাআল্লাহ’ ।সবাই এই পর্যন্ত আশা করি  দেখেছেন এবং যদি বুঝতে কষ্ট হয় বা কোন কিছু জানার থাকে আমাকে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন আর আমাকে অবশ্যই এই প্রথম পার্টটা কেমন হয়েছে সেটাও আমাকে জানাবেন আমাকে কমেন্ট করবেন অবশ্যই । আর আমাকে এখানে লাইভ  এ মেসেজ  করতে পারেন । তো  অপেক্ষায় থাকেন আমিও ইনশাল্লাহ যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আমি দ্বিতীয় পার্টটা  নিয়ে আসতেছি তো সবাই ভাল থাকেন , সুস্থ থাকেন ।আসসালামু আলাইকুম ।

20 best free WordPress themes

20 best popular free WordPress themes professional bangla

Greeting 😍

আসসালামু আলাইকুম । আশা করি সবাই ভালো আছেন আমিও আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি  ।আপনাদের জন্য নিয়ে আসলাম আজকে 20 best free WordPress themes  কিভাবে আমরা খুজে পেতে পারি বা  কিভাবে আমরা সবচাইতে জনপ্রিয় থিম  আমরা ফ্রিতে কাজ করতে পারি । আমি সে বিষয়ে কথা বলব ।  আমি আপনাদের এর আগের পোস্টে দেখিয়েছিলাম কিভাবে ফ্রি ডোমেইন হোস্টিং এ  ওয়ার্ডপ্রেসের একটা  ভালো থিম দিয়ে কিভাবে পার্সোনাল ওয়েবসাইট বানাতে হয় । আপনারা সেটা দেখে না থাকলে এখানে ক্লিক করে দেখে আসতে পারেন । তো আমি বলেছিলাম এর পরবর্তী পোস্টে আমি ভালো ভালো থিম প্লাগিন নিয়ে কথা বলবো তো আমি আজকে মাত্র ২০ টা  থিম নিয়ে  কথা বলব যেগুলো রেটিং অনেক বেশি এবং ব্যবহার অনেক বেশি এবং ব্যবহার করাও অনেক সহজ এবং 1 click এ ডেমো  ইমপোর্ট করতে পারে । চলুন আমরা থিম নিয়ে কথা বলি । আশা করি  আপনারা প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত থাকবেন । তবে এখানে আরেকটা কথা বলে রাখি অন্যরা হয়তো এটা জানেন না অনেকেই বেশিরভাগই  হয়তবা জানেন । আমরা ওয়ার্ডপ্রেস এ   যেগুলো জনপ্রিয় থিম দিয়ে আমরা ফ্রিতে কাজ করি এগুলা আবার প্রিমিয়াম ভার্সন ও আছে  । চিন্তা করলেন  প্রিমিয়াম  গুলো কেমন হবে । আমরা ফ্রিতে যতকিছু পাই  প্রিমিয়াম এ আরো কতকিছু যে থাকবে এটা আমরা হয়তো  এর ফিচারগুলো না দেখলে বিশ্বাস করব না  । অনেক অনেক ফিচার  আছে । আমি আপনাদের সুবিধার্থে   প্রিমিয়াম টাও লিঙ্ক দিয়ে দিবো চাইলে দেখে নিতে পারেন । আর আমি কথা বলব এখন ফ্রিতে ভালো থিমগুলা নিয়ে তো চলুন শুরু করি ।

Theme 01
free WordPress themes

1==> OceanWp   আমি প্রথমে কথা বলব ওয়াডপ্রেস এর মধ্যে সবচেয়ে সবচেয়ে  পপুলার এর মধ্যে একটা অন্যতম থিম সেটা হচ্ছে ocean Wp  এটা আপনারা ব্যবহার দেখতে পাচ্ছেন কত ব্যবহার এবং  রিভিও দেখতে পারতেছেন । আমরা এক ক্লিকে সহজে সবকিছু ইমপোর্ট করতে পারি । তবে আমরা চাইলে  প্রিমিয়াম ভার্সন  থিম টাও দেখে আসতে পারেন এবং ডেমো দেখে আসতে পারেন । আমরা মোটামুটি যেসব ওয়েবসাইট বানাতে পারবেন এই থিম দিয়ে  তা আমি নিচে দিয়ে দিলাম 

 তো আপনারা কাজ করতে পারেন ফ্রি অথবা প্রিমিয়াম দিয়ে । 20 best free WordPress themes এর 2nd টা চলুন দেখি।

Theme 02
20 best free WordPress themes

2==> Phlox   দুই নাম্বারে যেটা নিয়ে কথা বলে  এটা একটা অন্যতম একটা সেরা থিম এমনকি এইটা  একটা টি  দিয়ে  কাজ করা অনেকটা সহজ এবং এটাও  আবার এইখানেও  রেডিমেড  টেমপ্লেট রেডি করার  আছে । যা আমরা সব ধরনের ওয়েবসাইট বানিয়ে নিতে পারবো । খুব সুন্দর ভাবে  চাইলে করতে দেখতে পারেন প্রিমিয়াম টাও কিনে ইউজ করতে পারেন  । এইখানে দেখতেই পাচ্ছেন ফ্রিতে যার রেটিং অনেক বেশি ।

Theme 03
ecommerce free WordPress themes

3==> colorMag  এখন  কথা বলবে সেটা  আপনারা দেখতে পাচ্ছেন এর ব্যবহার কত ফ্রিতে আপনারা দেখতে পাচ্ছেন এর ব্যবহার কত এবং এবং রেটিং ও দেখতে পাচ্ছিন । এইটা দিয়ে  আপনারা মোটামুটি সব ধরনের ওয়েবসাইট বানাতে পারবেন । তবে এটা ই কমার্সের জন্য জনপ্রিয় । আপনারা এর প্রিমিয়াম  ভার্শন  দেখে আসতে পারেন এবং ফিচার গুলো দেখে আসতে পারেন বাটনে  ক্লিক করে

Theme 04

4==> Astra  চার নাম্বারটা নিয়ে তেমন বলার আমার  মনে হয় না কারণ অলরেডি ইতিমধ্যে আপনারা এই থিমের সাথে পরিচিত হয়েছি ।  কেননা এর আগে আমরা যেটা দিয়ে  পার্সোনাল ওয়েবসাইট বানিয়ে নিলাম সেটা হচ্ছে এই থিম দিয়ে । আপনারা দেখতে পাচ্ছেন এর ব্যবহার প্রায় 1 মিলিয়ন এর উপরে এবং এর ফাইভ স্টার রেটিং দেখতে পাচ্ছেন । তো বুঝতে পারছেন চাহিদা কতটুকু এবং আমরা হয়তো এটা জানিনা এটার আবার  প্রিমিয়াম   ভার্সন ও আছে প্রেমিয়াম ভার্শন না দেখে থাকলে দেখে আসতে পারেন । অথবা আপনাদের যদি  কোন এডভান্স কাজে লাগে তাহলে ইউজ করতে পারেন । এইটা দিয়ে  মোটামুটি সব ধরনের কাজ করে নিতে পারেন ।

Theme 05

5==> hello elementor এখন যেটা নিয়ে কথা বলতেছি সেটা হচ্ছে হ্যালো এলিমেন্টর আপনারা হয়তো এই সম্পর্কে ইতিমধ্যে জানেন এলিমেন্টর একটা ফেজ বিল্ডার যা দিয়ে  আমরা কাজ  করেছি এর আগে তবে এইটা একটা থিম।  তবে টিমের সাথে কানেক্ট করা আছে  পেজ বিল্ডার । আপ্নারা একসাথে কাজ করতে পারেন খুব সুন্দর ভাবে কাজ করতে পারবেন ।

Theme 06
free neve theme

6==>Neve  এখানেও আমার বেশি কিছু আশা করে বলার দরকার নাই কারন আমরা যারা কাজ করি ওয়ার্ডপ্রেসে এ আশা করি সবাই এই থিমের সাথে সম্পর্ক আছেন কেননা এটা একটা জনপ্রিয় থিমের মধ্যে অন্যতম । এইটা দিয়ে আমরা মোটামুটি সব ধরনের ওয়েবসাইট  তৈরি করে নিতে পারি । তবে এর মধ্যে মোটামুটি সব ধরনের ওয়েবসাইটে করা যায় । এইটা একটা multi-purpose থিম ।আশা করি আপনারা বুঝতে পারছেন  আপনারা এর প্রিমিয়াম  ভার্শন  দেখে আসতে পারেন ।

Theme 07

7==> Hueman এখন কথা বলব কি হোইমেন থিম নিয়ে এটা একটা জনপ্রিয় থিম । এটা দিয়ে মোটামুটি ব্লক ম্যাগাজিন ও কমার্স ওয়েবসাইট বানানোর বেশী কার্যকর , তবে এই থিমের আর একটা অসুবিধা হচ্ছে এটা একটু সময় বেশি নেই ওয়েবসাইটের । তারপরও ভাল এটা অনেকটাই । আপ্নারা  চাইলে ফ্রী ব্যবহার করতে পারবেন খুব জনপ্রিয় একটা থিম ।

তবে এ থিমের সাথে একটা বিল্ডার সাপোর্ট দেয়া আছে এ বিল্ডার টাও দেখে আসতে পারেন ।

Theme 08

8==>Flash  এটা কি বলব বলার তেমন দরকার নাই আমার মনে হই । কারন  এটা একটা খুব খুব একটা ভালো থিম  এটা মোটামুটি অনেক ভাল । এটা ব্যবহার করে আপ্নারা  দেখতে পারেন । কত ব্যবহার ফ্রিতে হয়েছে তো আপনারা দেখতে পারতেছেন । চাইলে এর ব্যবহার করতে পারেন। আপনারা দেখে আসতে পারেন এটা মোটামুটি কর্পোরেট ওয়েবসাইট বানাতে পারবেন খুব সুন্দর করে ।

Theme 09
best free theme

9==> One page express  এখন আসি one page express এর কথায় যদি আপনারা দেখতে পাচ্ছেন এটার ব্যবহার অনেক কম , হ্যাঁ কম কিন্তু এটা আপনাদের একটা ল্যান্ডিং পেজ বা সিম্পেল  ওয়েবসাইটের জন্য খুবই দরকারি । এইটা দিয়ে চাইলে  মোটামুটি সব ধরনের সাইট  তৈরি করতে পারবেন না । এটার ব্যবহারের জন্য  প্রিমিয়াম ভার্সনটা জানতে পারেন । ওইখানে প্রায় 40 থেকে 50 টা ফিচার পাবেন যদি আমরা এই ওয়ার্ডপ্রেসের থিম ব্যবহার করতে চান তাহলে আপনারা পাবেন ৯ -১০ টা ফিচার । বুঝতে পারছেন আপনারা দেখে আসতে পারেন এবং প্রিমিয়াম এর সাথে তুলনা করে আসতে পারেন ।

Theme 10
free blog theme

10==> News portal নিউজ পোর্টাল থিমের নাম শুনে  আশা করি  বুঝতে পারছেন এটা কিসের জন্য বেশি দরকারি বা প্রয়োজন হ্যাঁ থিমটা নিউজ ওয়েবসাইটের জন্য খুবই দরকারি এবং প্রয়োজনীয় । আপনার ফ্রিতে ব্যবহার করতে পারেন তো আপনাদের ইচ্ছা হলে দেখে আসতে পারেন প্রেমিয়াম ভার্শন টাও ।

Theme 11
download free themes

11==>GeneratePress একটা ওয়ার্ডপ্রেস এবং মার্কেটপ্লেসের একটা জনপ্রিয় থিম এটা দিয়েও আমরা মোটামুটি করতে পারবো সব । তবে ব্লগ ই কমার্সের জন্য এটা অত্যন্ত জনপ্রিয় থিম । এটার প্রাইসইন আপনারা দেখে আসতে পারেন । আর ফ্রিতে অবশেষে যখন করতে পারেন আপনারা চাইলে তুলনা করে আসতে পারেন প্রিমিয়াম এর সাথে । তবে এথিমের আরেকটা সুন্দর বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এ থিমে অনেক ডার্ক মোড  টেমপ্লেট রয়েছে । যা সকলে ব্যবহার করতে পারেন  ।আর  মোটামুটি রেস্পন্সিভ করা আছে রেস্পন্সিভ মোবাইল ভার্সন এ কেমন দেখাবে ট্যাব্লেট ভার্সন  এ কেমন দেখাবে  সেটা হচ্ছে রেস্পন্সিভ  ।

Theme 12
free portlio theme

11==> Spacious আর এটা  একটাও  মোটামুটি ভালো । আপনারা অবশ্যই দেখতে পারেন এর রেটিং ও । এটা দিয়ে মোটামুটি ই-কমার্স ই-কমার্স ওয়েবসাইট বানিয়ে নিতে পারেন ।

Theme 13

11==> Blossom travel  এর নাম শুনে অবশ্য অনেকে বুঝতে পারছেন এই থিমটা কিসের জন্য বেশি প্রয়োজন । এটি ট্রাভেল ওয়েবসাইটের জন্য বেশি কার্যকরী ।   এই ধরনের সাইটের  জন্য প্রয়োজন হলে  থিমটা  ইউজ করতে পারেন । 

Theme 14
free themes

14==> Zakra  এটা নিয়েও বলার আমার তেমন দরকার নাই কারন এটার সাথে অনেকেই পরিচিত মনে হই । এটা ওয়ার্ডপ্রেস বা প্রিমিয়াম থিম এর মধ্যে অন্যতম এটার ব্যবহার অনেক এবং এটা দিয়ে আমরা মোটামুটি সব ধরনের সব ধরনের ওয়েবসাইট বানাতে পারি ।এমনকি  কি বলবো আমিতো আগে বলেছিলাম প্রিমিয়াম থিম এর মধ্যে বেশির ভাগ থিমে এক  ক্লিক এ  ডেমো নিতে  পারেন । ফ্রিতে ব্যবহার করতে পারেন এইটাও ।

Theme 15
free domain hosting registration

15==>Shapely  এটাও  একটা জনপ্রিয় একটা থিম । তবে এটা দিয়ে সব  ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারবেন না । এটা সব থেকে জনপ্রিয় হচ্ছে নিজের পার্সোনাল ওয়েবসাইটের  জন্য । আপনার যদি নিজের পার্সোনাল এ লাগে তবে এটা এটাও ইউজ করতে পারেন । 

Theme 16
free magazine theme

16==> Magazine ম্যাগাজিন বা  ব্লগারের জন্য খুবই খুবই জনপ্রিয় একটা থিম।  এটা অত্যন্ত সুন্দর একটা থিম । যেটা দিয়ে বিভিন্ন ধরনের স্লাইডার পেতে পারেন ।

Theme 17

17==> Sydney এটা নিয়ে যদিও  অবশ্যই আমার প্রথমে কথা বলা উচিত ছিল যদিও ববলতে পারি নাই কেননা এটা একটা খুবই খুবই জনপ্রিয় জনপ্রিয় একটা থিম আমি বলব । এটা দিয়ে আপনারা খুব সুন্দর করে বানিয়ে নিতে পারেন  প্রায় ওয়েবসাইট  বিশেষ করে  বিজনেস ওয়েবসাইট তৈরী করে নিতে পারেন এটা দিয়ে মোটামুটি সবকিছু করতে পারেন , কেননা এই থিমের সাথে ইলিমেন্টর  পেজ বিল্ডার ও সাপোর্টে আছে  । ইতিমধ্যে আমরা এটা  সম্পর্কে জানি । মোটামুটি সব ধরনের কাজ করা যায়  আরকি । আপ্নারা  এটা  ইউজ করে দেখতে পারেন কতটুকু হেলপ  হই ।প্রিমিয়াম ভার্সন ও  আছে চাইলে  দেখে আসতে পারেন বা প্রাইস দেখে আসতে পারেন ।

Theme 18
free portfolio theme

18==>Perfect portfolio  পারফেক্ট পর্টফোলিও তবে শুধু পারফেক্ট পোর্টফোলিও এর  জন্য এটা প্রযোজ্য নয় , আপনারা চাইলে এটি  দিয়ে ডিজিটাল মার্কেটিং , গ্রাফিক্স ডিজাইন , ব্লগার্ও‌য়েব ডিজাইন সম্পর্কে বিভিন্ন ধরনের ওয়েবসাইট বানিয়ে নিতে পারেন,  সুন্দর একটা থিম এটা ।

Theme 19
airi themes free download

19==> airi এয়ারি একটি শক্তিশালী কিন্তু হালকা ও নমনীয় থিম যে কোনো প্রতিষ্ঠান বা ফ্রিল্যান্সারের জন্য। এলিমেন্টার ইন্টিগ্রেশনের সাথে, আপনি কোনও ঝামেলা ছাড়াই সমস্ত প্রয়োজনীয় কার্যকারিতা সহ একটি সুন্দর  ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারেন। আপনি সহজেই আপনার ব্যবসার জন্য একটি সাইট তৈরি করতে পারেন । যা আপনার শৈলী এবং প্রয়োজনের সাথে খাপ খায়। স্ক্র্যাচ থেকে শুরু করতে পারেন , অথবা প্রাক-তৈরি এলিমেন্টার লেআউটগুলির একটিতে যান। আপনার ই-কমার্স ব্যবসার জন্য উপযুক্ত একটি থিম খুঁজছেন? আর তাকান না: এয়ারি সম্পূর্ণ WooCommerce সমর্থন প্রদান করে, যাতে আপনি সহজেই আপনার পণ্য বিক্রি করতে পারেন।

Theme 20
best portfolio theme

20==> Portfolio Web  সর্বশেষ আরেকটি হল পোর্টফোলিও ওয়েব ,এটি হল একটি ন্যূনতম এবং মসৃণ ওয়ার্ডপ্রেস থিম যা বিশেষ করে একটি পোর্টফোলিও ওয়েবসাইটের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। এই থিমটি ব্যক্তিগত এবং কর্পোরেট পোর্টফোলিও ওয়েবসাইটের জন্য পুরোপুরি উপযুক্ত। একটি সুসংগঠিত এবং পেশাদার পদ্ধতিতে আপনার কাজ অনলাইনে প্রদর্শনের জন্য থিমের ট্রেন্ডি এবং মনোরম চেহারা একটি নিখুঁত হবে। থিমটি তার লাইভ কাস্টমাইজার দিয়ে অনায়াসে আপডেট করা যায়। এর উপলব্ধ উইজেটগুলি ব্যবহার করে আপনি আপনার সাইটের হোমপেজ এবং অন্যান্য পৃষ্ঠাগুলি আপনার ইচ্ছা মতো ডিজাইন করতে পারেন। এটি বাজারের সমস্ত আধুনিক ইলেকট্রনিক ডিভাইসের সাথে ভাল অভিযোজনযোগ্য তাই আপনি যদি মোবাইল ফোন এবং ট্যাবলেটগুলিতে আপনার সাইটটি পরীক্ষা করেন তবে এটি অবশ্যই ভাল এবং সমন্বিত দেখাবে। গুগল ক্রোম, ফায়ারফক্স, অপেরা এবং সাফারি ইত্যাদির মতো জনপ্রিয় সব ওয়েব ব্রাউজারেও থিমটি ভালো দেখায়। থিমের অন্যান্য উত্তেজনাপূর্ণ বৈশিষ্ট্যগুলির মধ্যে রয়েছে অনুবাদ প্রস্তুত, ব্রেডক্রাম্ব অপশন, ব্যাকগ্রাউন্ড ইমেজ, কালার অপশন, সোশ্যাল মিডিয়া ইন্টিগ্রেশন, কপিরাইট টেক্সট এবং আরও অনেক কিছু। আশা করি বুজতে পারছেন 🙂

PLEASE FOCUS

আশা করি আপনারা এই ফ্রী জনপ্রিয় থিমগুলা আপনাদের অনেক উপকারে আসবে  ।তবে আমি আর ওখানে আপনাদের একটা ধারণা ক্লিয়ার করে দিলাম জনপ্রিয় যতগুলা ফ্রি থিম আছে সবগুলা মোটামুটি প্রিমিয়াম ভার্সন ও আছে আমি আপনাদের সেগুলা লিংক দেওয়ার চেষ্টা করেছি । আশা করি সবাই দেখবেন এবং তুলনা করে দেখবেন কার কতটুকু ফিচার আছে প্রিমিয়ামের এবং  ফ্রির মধ্যে  অনেক কিছু শিখতে পারবেন । তো আমরা ফ্রিতে ইউজ করার কাজ করে দেখবেন । 

আমার একটা রিকুয়েস্ট আজকের এই পোস্টটি আপনাদের কেমন লেগেছে  তা অবশ্যই  আমাকে জানাতে  ভুলবেন  না । আর কোন ধরনের প্রশ্ন থাকলেও আমাকে নির্ধিদায় যে কোনো সময় আমাকে মেসেজ করতে পারেন আমাকে এখানে কমেন্ট করতে পারেন আর আমাকে চাইলে এখানে ডাইরেক্ট লাইভ চ্যাট করতে পারেন আমাকে ইমেইল করতে পারেন । আশাকরি আমি তাড়াতাড়ি উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ ।

আজ এ পর্যন্তই বলার ছিল । আসা করি আপ্নারা  শেষ পর্যন্ত দেখেছেন , পড়েছেন আমাদের অসংখ্য ধন্যবাদ । আর আমি  পরবর্তীতে সবচাইতে জনপ্রিয় কতগুলা প্লাগিন নিয়ে কথা বলার চেষ্টা করব ইনশাল্লাহ ।আর ওয়ার্ডপ্রেসের  ওয়েবসাইটের জন্য  প্রয়োজনীয় কোন কোন প্লাগিন লাগে আমি সেগুলো নিয়ে কথা বলার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ আশা করি সাথে থাকবেন । আসসালামু আলাইকুম,আল্লাহ হাফেয ।

ফ্রি-পার্সোনাল-ওয়েবসাইট

ফ্রিতে কিভাবে নিজের পার্সোনাল পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট বানাবো ?

Greeting......😍

আসসালামু আলাইকুম ফ্রেন্ডস আশা করি সবাই ভাল আছেন । আমিও আলহামদুলিল্লাহ ভালো ।আলহামদুলিল্লাহ আমরা অনেক কিছু শিখেছি আমরা এর আগের পোস্টগুলিতে। ওখানে বিস্তারিত step-by-step বলে আসতেছি এর আগে কিভাবে ফ্রিতে ডোমেইন-হোষ্টিং আমরা রেজিস্ট্রেশন করতে পারে এবং ডটকম ডোমেইন আমরা কিভাবে নিতে পারি । না দেখে থাকলে এক জলকে দেখে আসতে পারেন লিংক আপনাদের কথা দিয়েছিলাম এর পরবর্তী পোস্টে আমি আপনাদের একটা পারসোনাল  ওয়েবসাইট কিভাবে তৈরি করতে হয় ন ওয়ার্ডপ্রেস এর মাধ্যমে আমি সেটাই দেখাবো । খুব একটা ভালো  সেরা ফ্রি থিম দিয়ে  ।কিভাবে একটা পার্সোনাল ওয়েবসাইট তৈরি করা যায় সেটা আমরা দেখি চলুন step-by-step কাজটা শুরু করি । আশা করি শেষ পর্যন্ত থাকবেন ।  ধন্যবাদ 

ফ্রিতে পার্সোনাল পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট

STEP ==>1আমরা ফ্রিতে পোর্টফোলিও সাইট তৈরি করার জন্য প্রথমত আমাদের ওয়ার্ডপ্রেসের এডমিন প্যানেলে যেতে হবে তার জন্য আমাদের এর আগে যে ইউজারনেম পাসওয়ার্ড দিয়ে আমরা ওয়ার্ডপ্রেস ইন্সটল করেছিলাম আমরা সেখানে ইউজারনেম আর পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করবো । ওয়ার্ডপ্রেস নিয়ে আপনারা ইতিমধ্য জানেন আমি এ সম্পর্কে সবকিছু এর আগে আলোচনা করে এসেছি ।

লগইন করার জন্য আপনারা  এরকম ইউআরএলটি দিয়ে  আপনারা লগইন করবেন ডোমেন এর শেষে   wp-admin লেখে  ওকে অথবা এন্টার বাটনে ক্লিক করবেন ।

STEP ==>01
ফ্রি-পার্সোনাল-ওয়েবসাইট
STEP ==>02

ওয়ার্ডপ্রেস সাইট তৈরি

STEP ==>2 আমরা ওয়ার্ডপ্রেসের এডমিন প্যানেলে চলে আসলাম ।আমরা জানি ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য প্রথমত আমাদের একটা থিম প্রয়োজন এবং আমরা একটা প্রথমত থিম ইন্সটল করব তারপর অ্যাক্টিভ করব ।আমরা আমাদের পোর্টফলিও  জন্য একটা থিম ইন্সটল করব । ওয়ার্ডপ্রেস  এর সবচেয়ে জনপ্রিয় একটা  ফ্রি থিম  সেটা হচ্ছে  ইন্সটল করব । তার জন্য আমাদের যেতে হবে  Appearance থেকে theme এবং  theme এ  ক্লিক করলে আমরা অনেক অপশন দেখতে পাবো আপলোড অপশন দেখতে পারবো সার্চ অপশন দেখতে পারব এবং আমরা পপুলার এ  ক্লিক করব সেখানে থিমটা দেখা যাবে অথবা দেখা না গেলে না গেলে আমরা লিখে সার্চ করব এবং সেখানে আমরা ইনস্টল এ ক্লিক করব Astra theme টা ।

STEP ==>03

সেরা ওয়ার্ডপ্রেস থিম

STEP ==>3 তো আমরা ইনস্টল বাটনে ক্লিক করবো যদি ইনস্টল বাটন টা দেখা না যায় তাহলে ওই   থিমের উপরে ক্লিক করব থিমের উপরে ক্লিক করলে আমাদের ইনস্টল বাটন  দেখতে পারব তখন আমরা যেভাবে হোক ইনস্টল বাটনে ক্লিক করব । আপনার যদি নেট ভালো  থাকে তাহলে হুট করেই হয়ে যাবে আর যদি না থাকে তাহলে একটু ইন্সটল হতে লেট করবে ।

ফ্রি-পার্সোনাল-ওয়েবসাইট
STEP ==>04

ফ্রি ওয়ার্ডপ্রেস থিম

STEP ==>4 ইন্সটল হয়ে যাওয়ার পরে সেখানে অ্যাক্টিভ একটা বাটন দেখতে পারব আমরা একটি বাটনে ক্লিক করবো মানে আমরা যেভাবে প্লে স্টোর থেকে সফটওয়্যার ইন্সটল করি ডাউনলোড করে সেরকম । আমরা এখানে ইন্সটল করে তারপর অ্যাক্টিভ  করলে থিমটি  চলমান হবে আর আমরা তাহলে পরবর্তীতে যখন তখন এটি  ডিএকটিভ করে অন্য আরেকটা থিম একটিভ করতে পারব।

আমি এখানে আরেকটু ও এ  সম্পর্কে ক্লিয়ার করে দি ।  থিম আমরা মোবাইলে যেরকম আমরা দেখেছি থিমের মাধ্যমে আমরা যেমন আমরা খুব সুন্দর করে পাল্টায় মোবাইল ফিচারগুলো  হোম পেজ গুলো আমরা বিভিন্ন সিস্টেমে আমরা বিভিন্ন ভাবে আমরা সুন্দর করে ফেলতে পারি  ফাংশনালিটি গুলা  ঠিক সেভাবে সেভাবে কাজ করবে এই ওয়েবসাইটে থিমটা ।

সাইট তৈরি
STEP ==>05

ফ্রিতে বেস্ট প্লাগিন

STEP ==>5 আমরা থিমটা ইন্সটল করার করার পর একটিভ করার পর আমাদের এডমিন প্যানেলে আরেকটা অপশন যুক্ত হয়েছে   astra option  নামে  এবং থিমটা সাকসেসফুলি একটিভ হয়েছে সেটা দেখা যাচ্ছে এবং আমাদের একটা রিকমেন্ডেড প্লাগিন দেখাচ্ছে একটা started template  নামে আমরা সে একটা  প্লাগিন  যদি আমরা ইন্সটল করি তাইলে আমাদের ওয়েবসাইটটি আরও সুন্দরভাবে কাজ করাতে পারবো এবং আমরা অনেক টেমপ্লেট ফ্রিতে পেয়ে যাব এখন আসি প্লাগিনের কথায় ।

ফ্রি ওয়েবসাইট খোলার নিয়ম
STEP ==>06

STEP ==>6 ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে ওয়েবসাইট বানানোর জন্য দ্বিতীয় আমাদের লাগবে সেটা হচ্ছে একটা প্লাগিন । প্লাগিন এর  মাধ্যমে আমরা খুব সুন্দর ভাবে আমাদের সাইটটিকে আমরা কাজ করাতে পারবো এবং আরো কিছু আছে সব কিছু ফাংশনালিটি আরো বেশি পাব এবং তার জন্য আমাদের প্লাগিন  সেকশনে যেতে হবে প্লাগিন থেকে add new  ক্লিক করতে হবে  সেখানে ক্লিক করলে আমরা দেখতে পারবো এবং এবং আমরা ঐ   টেমপ্লেট টা  দেখতে পারবো অথবা  লিখলে সেখানে আমাদের অটোমেটিক চলে আসবে আমরা সেখানে started template plugin টা যেটা দেখেছি সেটা আমরা ইনস্টল বাটনে ক্লিক করব । এবং আপনারা দেখতে পাচ্ছেন প্লাগিনটা কত ব্যবহার হয়েছে।

ফ্রি ওয়েবসাইট
STEP ==>07

Free Elementor page builder

STEP ==>7 এখন আমরা ওই প্লাগিন ইন্সটল করে এক্টিভ করার পর আমাদের এরকম একটা পপ আপ আসবে এবং আমাদের দেখাবে আমরা কোন বিল্ডার দিয়ে কাজ করব ওয়াডপ্রেস সাইট তৈরি করার সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং সবচেয়ে বেস্ট  প্লাগিন হচ্ছে elementor  আর আমরা যার মাধ্যমে আমরা drag-and-drop করে আমাদের সবকিছু পরিবর্তন করতে পারব । তো আমরা এখন এলিমেন্টর এ  ক্লিক করে দিব । এবং আপনারা দেখতে পাচ্ছেন আমরা এর আগে যেটা অ্যাক্টিভ করেছি তার আরেকটা অপশন এখানে যুক্ত হয়েছে আমরা যতটা প্লাগিন ইন্সটল করে  একটিভ করব অপশন আমাদের এডমিন প্যানেলে যুক্ত হতে থাকবে এটা ডিপেন্ড করে থিম এবং প্লাগিনের  উপরে ।

আর একটা কথা আপনাদের জানিয়ে দিস ওয়ার্ডপ্রেসের ডিফল্ট ফিল্ডার হচ্ছে গুটেনবার্গ যেটা আমরা এখানে দেখতে পাচ্ছেন 

elementor
STEP ==>08

Free theme best template

STEP ==>8 এখন আসি template এর  বেলায় আমাদের এখন আমাদের সাইটটি কেমন হবে আমাদের হোমপেজে আমাদের সব পেজটি কেমন হবে তার জন্য আমাদের একটা শর্টকাট এ  টেমপ্লেট আমাদের ইমপোর্ট করতে হবে তার জন্য এখান থেকে ফ্রি starter   টেমপ্লেট এ ক্লিক করতে হবে তখন আমরা দেখতে পারব এখানে বিভিন্ন অপশন dropdoen এ   ক্লিক করব সেখান থেকে ফ্রি তে ক্লিক করে দিব এবং আমরা দেখতে পাচ্ছি এখানে দেখা যাচ্ছে সেগুলো আমরা use করে  এডিট করতে পারব ডান দিকে উপরে দেখা যাচ্ছে  সেটা দিয়ে মানে elementor দিয়ে ।তো চলুন আমরা ফ্রিতে ক্লিক করে দিই  import complete site এ।

ওয়েব পেজ তৈরি করার নিয়ম
STEP ==>09

Personal or portfolio template get free

STEP ==>9 তো আপনারা এখানে সব টেম্পলেটগুলো দেখতে পারবেন আপনারা যেগুলো ফ্রি  লেখা থাকবে ফ্রিতে ক্লিক করার পর সবগুলো আপ্নাদের  যেটা ইচ্ছা সেটা তে ক্লিক করে দিবেন । অথবা আপনারা উপরের সার্চবারে  সার্চ দিবেন আমি একটা টেমপ্লেট  এর নাম নাম দিয়ে সার্চ দিলাম । আমি এখানে ক্লিক করে দেবো যেটা  আমার ওয়েবসাইটের সাথে হুবহু মিল হবে বলে আমি মনে করি  তাই আমি এখানে সার্চ করলাম এবং সার্চ করার পর ওই টেমপ্লেট টিতে ক্লিক করলাম তারপর ক্লিক করার পর নিচে আমরা দুইটা বাটন দেখতে পারবো সেখানে আমরা আমরা চাইলে যেকোনো একটা পেজ ইমপোর্ট করতে পারবো আবার চাইলে ফুল পৃষ্ঠা ইমপোর্ট করে দিতে পারব তো আমি দেখিয়ে দিয়েছি যে এইখানে সে বাটনে আমরা ক্লিক করব পুরোটা ইমপোর্ট করার জন্য । Lets click ….

ফ্রি ওয়ার্ডপ্রেস থিম
STEP ==>10

STEP ==>10 তারপর একটা ফর্ম আসবে সেটা পূরণ করে দিবেন তো আমি আমার মতো পূরণ করে দিলাম আপনারা আপনাদের মত পূরণ করে আপনারা নেক্সট এ ক্লিক করতে পারেন । 

ফ্রি থিম
STEP ==>11

STEP ==>11 তারপর আর একটা লাস্ট স্টেপ  আসবে সেখানে আপনারা আপনাদের নাম এবং  একটা ইমেইল দিয়ে দিবেন এবং ইমেইল টা  ওয়ার্ডপ্রেস সেটআপ করার সময় যেটা দিয়েছেন সেটা দিলে ভালো হয় , তো আমি দিয়ে দিলাম তারপর সাবমিট  এ ক্লিক করলাম ।

best free plugin
STEP ==>12

Free template demo import

STEP ==>12 ইম্পোর্ট  এ ক্লিক করার পর আপনারা ওকে ওকে করে সবকিছু যেভাবে আছে সেভাবে করে আপনারা  একটু বাহির থেকে ঘুরে আসবেন অথবা  পানি খেয়ে আসবেন একটু  হাহা 😂😃 সরি মজা করলাম । তো আপনারা দেখবেন আপনাদের ডেমোটা ইমপোর্ট হয়ে গেছে সাকসেসফুলি আমারও দেখতেছেন সাকসেসফুলি ইমপোর্ট হয়ে গেছে তো চলুন আমরা ভিজিট করে আমাদের সাইট টা দেখে আসি কেমন হয়েছে বা সাকসেসফুল হয়েছে কিনা ।

ফ্রি পার্সোনাল ওয়েবসাইট

ফ্রি পার্সোনাল ওয়েবপেইজ

STEP ==>13

STEP ==>13 ভিউ সাইট করার পর আপনারা দেখতে পাচ্ছেন আমাদের সব পেজ পাঁচটা সবগুলা আমাদের ইমপোর্ট হয়ে গেছে । যেটা দেখা যায় সেটা হচ্ছে আমাদের ওয়েবসাইটের হোমপেজ এবং আপনারা চাইলে যেকোন ফেস আপনারা পরবর্তী দেখিয়ে দিতে পারেন তার জন্য আপনারা ওয়েব সাইটের এডমিন প্যানেল থেকে সেটিং থেকে রিডিং থেকে আপনারা পেইজে ক্লিক করে দেখিয়ে দিতে পারেন । তো এখন আসি এডিটের  বেলায় আমরা কিভাবে এই লেখাগুলো  পরিবর্তন করবো আমরা একটা ফেস বিল্ডার জনপ্রিয় যেটা আমরা অ্যাক্টিভ করেছিলাম সেটা একটা অপশন উপরে দেখা যাচ্ছে তো আমরা মূলত এটা দিয়ে কাজ করব । তো তার জন্য আমাদের edit- elementor এ ক্লিক করতে হবে তো চলুন ক্লিক করি ।

পোর্টফোলিও
STEP ==>14

Portfolio page edit

STEP ==>14 এডিট এ ক্লিক করার পর আমাদের   চলে আসবে ইলিমেন্টর এডিট পেজ  আমরা চাইলে এখানে বিভিন্ন ভাবে ক্লিক করে  আমরা যেকোন কিছু পরিবর্তন করতে পারি । শুধু আমরা হেডার আর ফোটার ছাড়া ।  এখানে আমি উপরে দেখিয়ে  দিলাম হেডার সেটা  চেঞ্জ করার জন্য অন্য একটা অপশনে যেতে হবে সেটা আমি পরবর্তী দেখিয়ে দিচ্ছি । আপনারা এখন এই লেখাগুলো ছবিগুলা পরিবর্তন করার জন্য কি করবেন আপনারা যেটা পরিবর্তন করতে চাই সেটার উপরে ক্লিক করবেন মনে করেন আমি প্রথমে আমার ইমেজটা  পরিবর্তন করতে চাই , তার জন্য ইমেজ এর উপরে ক্লিক করব তো আমরা দেখতে পারবো ক্লিক করার পর বামদিকে আমাদের তিনটা অপশন চলে আসবে এডিট করার এবং ডিজাইন করার জন্য । আপনার এইগুলা দিয়ে  সবকিছু করতে পারবেন  তো চলুন আমরা ইমেজ এর উপরে ক্লিক করে এবং দেখি কি করা যায় ওই যে আমি যেভাবে দেখিয়ে দিলাম আমরা সেভাবে ক্লিক  করবেন আশা করি সব কিছু ভাল ভাবে বুঝতেছেন ।

ফ্রিতে পার্সোনাল পোর্টফোলিও
STEP ==>15

STEP ==>15 আপনারা  দেখতে পেলেন ইমেজে ক্লিক করার পর আমাদের ইমেজ  আমরা গ্যালারি থেকে অথবা আমাদের ফোল্ডার থেকে ইমেজটা  আমরা দেখিয়ে দিলে আমরা অটোমেটিক দেখতে পারবো পরিবর্তন হয়েছে কিনা  তো আমি এখানে  আমার নামটা ও পরিবর্তন করে দিলাম । আপনারা এভাবে  পেইজ এর যত কিছু আছে সব কিছুতে ক্লিক করে করে আপনারা  এডিট অপশনে গিয়ে আপনারা  সবকিছু পরিবর্তন করে দিতে পারেন খুব সহজেই । আসলে এখানে এলিমেন্টর  এ খুব সহজে সবকিছু সুন্দরভাবে পরিবর্তন করা যায় । এবং পরিবর্তন করার পর আমাদের আপডেট বাটনে ক্লিক করতে হবে সিউর ।

ফ্রিতে পার্সোনাল পোর্টফোলিও

ডেমো ইন্সটল এবং সেটআপ

STEP ==>16

STEP ==>16 আচ্ছা এখন তো বুঝলাম এডিট করা , আমি ও ধরে নিলাম  আপনারা সবকিছু এভাবে পরিবর্তন করে ফেলেছেন একেক টা পেইজ ।   তো এখন আমাদের  সাইট টা  কিভাবে দেখতে পারবো আপনাদের সাইট টা দেখার জন্য এখানে একটা চোখের মত একটা আইকন আছে  ওইখানে আমরা ক্লিক করে দিব  অবশ্যই আপডেট করার পর ক্লিক করবেন । তো মনে করেন আমি আপডেট করার পর ক্লিক ক্লিক করলাম তারপর আমাদের হোম পেজটা দেখতে পারবো ওয়েবসাইটের ।

STEP ==>17

Website header change

STEP ==>17 তো ভিউ করার পর আমাদের হোমপেজে এ চলে আসলাম এখন আসি ওয়েবসাইট হেডারের বেলায় । আমি আপনাদের বলেছিলাম হেডার পরিবর্তন করে দেখাবো । হেডারে যদি লোগো থাকে কোন মেনু থাকে সেগুলো কিভাবে পরিবর্তন করব তো তার জন্য আমাদের উপরে দেখতে পাচ্ছেন কাস্টমাইজ, কাস্টমাইজ এ ক্লিক করতে হবে মানে  একটা গুতা দিতে হবে জাস্ট ফান 😁

পার্সোনাল
STEP ==>18

Header logo or menu change

STEP ==>18 ত ক্লিক করার পর আমরা অনেক অপশন দেখতে পারবো সেখানে হেডার বিল্ডার এ ক্লিক করে দেবো । যেহেতু আমরা হেডার পরিবর্তন করবো তো ক্লিক করার পর আমরা এই অপশন গুলো দেখতে পারবো সেখানে আমরা  ডান পাশের মেনুগুলো দেখতে পারব এবং বাম পাশের লোগোটা  দেখতে পারবো । আমরা যদি লোগো চেঞ্জ করতে চাই তাহলে লোগোর উপরে ক্লিক করে দিব যদি মেনু চেঞ্জ করতে চাই তাহলে মেনুর  এর উপরে ক্লিক করে দিব । আবার আপনারা আরও দেখতে পারেন এখানে  mobile,desktop,and teblet Device এর  আইকন হ্যাঁ এখানে আপনারা এই তিনটা ডিভাইসের জন্য তিনটা ইউজ করতে পারেন তাহলে একটা একটা  পরিবর্তন করে একটা একটা  ইউজ করতে পারেন  তার জন্য আপনাদের  প্রতিটাতে  ক্লিক করে দিতে হবে । একইভাবে  মেনুটা যদি চান পরিবর্তন করে দিতে পারেন তার জন্য আপনাদের নতুন নতুন মেনু ক্রিয়েট করতে হবে admin panel এর appreance থেকে menu তে গিয়ে । আশা করি বুঝতে পারছেন তো চলুন আমরা  লোগো টা পরিবর্তন করে দিই ।

ফ্রি ওয়েবসাইট
STEP ==>19

Header design

STEP ==>19 আপনারা দেখতে পাচ্ছেন আমি লোগো তে ক্লিক করার পর লোগো পরিবর্তন এর অপশন চলে আসছে তো আমি মনে করেন আমি চেঞ্জ করে দিচ্ছি তারপর চেঞ্জ করে দেওয়ার পর আপনাদের উপরে পাবলিশ বাটনে ক্লিক করতে হবে তখন ওই লোগোটা সেট হয়ে যাবে । আপনাদের লোগো  যদি অনেক অনেক বড় হয়ে যায় তাইলে আপনাদের হেডার  ভেংগে  যেতে পারে , তাহলে বুঝতে হবে আপনাদের লোগোটা ছোট করে দিতে হবে অথবা লোগোর হাইট উইথ ছোট করে দিতে হবে  ।আপনারা লোগোর এর এর নিচে গেলে  অনেক অপশন দেখতে পারবেন এবং অথবা আপনাদের ডিজাইন এ ক্লিক করলে আপনারা সব ডিজাইনের অপশন দেখতে পারবেন আপনারা সেখানে পরিবর্তন করে পাবলিশ করে দিতে পারেন আশা করি বুঝতে পারছেন ।

STEP ==>20

Footer design or change

STEP ==>  তো এখন আসি সর্বশেষ ফোটারের বেলায় ফোটার  হচ্ছে ওয়েবসাইটের সব থেকে নিচে একটা সেকশন তাকে  ঐ সেকশন ।তো আমাদের এইটা  পরিবর্তন করার জন্য  কিভাবে  করব? আমরা যেরকম হেডার আমরা পরিবর্তন করেছি সেভাবে আমরা পরিবর্তন করার জন্য আমাদের কাস্টমার থেকে ক্লিক করে যেতে হবে এবং সেখানে আমরা দেখতে পারবো ফোটার বিল্ডার অথবা ফোটার আমরা ফোটার বিল্ডারে এ ক্লিক করে দিব এখন আমরা বিভিন্ন কলাম দেখতে পারব  । আমরা চাইলে ক্লিক করে সবকিছু পরিবর্তন করে দিতে পারব আশা করি  কিভাবে পরিবর্তন করতে হয় সেটা বুঝে ফেলেছেন বা জেনে ফেলেছেন ইতিমধ্যে । তো আমি এখানে বিস্তারিত বললাম না ।  মনে করেন আমি পরিবর্তন করে দিলাম তো আমার সাইট  দেখে আসতে পারেন ক্লিক  আমি কি কি পরিবর্তন করে আপনাদেরকে দেখালাম তো এখানে ভিজিট করতে পারেন ।  আপনারাও অনেক কষ্ট করে  আপনাদের একটা আশা করি পোর্টফলিও বা  পার্সোনাল ওয়েবসাইট আপনারা তৈরি করে ফেলেছেন এর আগের  ডোমেইন-হোষ্টিং  এ । আমি আশা করি আপনাদের খুব সুন্দর ভাবে বুঝাতে পেরেছি ।

STEP ==>20
ফ্রি পার্সোনাল ওয়েবসাইট
STEP ==>20

আপনাদের কংগ্রেচুলেশন  🎉🎉  আপনারা আশা করি সুন্দর ভাবে সাকসেসফুলি আপনারা একটা আপনার জন্য অথবা কারোর জন্য একটা পার্সোনাল  সাইট  তৈরি করে নিয়েছেন  । তো আপনার যদি  তৈরি করে থাকেন আমাকে আপনাদের ওয়েবসাইট এর লিঙ্ক টা দিবেন আমি দেখব কার  কোনটা বেশি সুন্দর হয়েছে 😍😍 তো আমিও আরো মতামত দেওয়ার চেষ্টা করব এবং সর্বশেষ আপনাদের আরেকটা রিকোয়েস্ট আপনারা দয়া করে আমাকে কমেন্ট করে জানাবেন এই পোস্টটি আপনাদের কতটুকু হেলফুল  হয়েছে বা এর  পূর্ববর্তী পোস্ট গুলো আপনাদের কেমন হয়েছে বা উপকারে এসেছে কিনা ।যদি উপকারে এসে থাকে বা ভালো  লেগে  থাকে তাহলে আমাকে কমেন্ট করে জানাবেন , আমাকে ইমেইল করতে পারেন অথবা আমার সাথে এখানে ডাইরেক্ট লাইভ চ্যাট করতে পারেন । আপনাদের একটা কমেন্ট আশা করি আমার প্রাপ্য । আজ এই পর্যন্ত আপনারা পরবর্তী পোস্টের জন্য অপেক্ষায় থাকবেন আমি পরবর্তী পোস্টে আমি ওয়ার্ডপ্রেসের ফ্রি  থিম প্লাগিন বেস্ট যেগুলা সেগুলা সম্পর্কে কিছু কথা বলার চেষ্টা করব আশাকরি আপনারা থাকবেন । আজ এই পর্যন্তই সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন আসসালামুআলাইকুম , আল্লাহাফেজ  ।

Free domain hosting registration

Free domain hosting registration and WordPress setup Bangla

Greeting......😍

আসসালামু আলাইকুম ফ্রেন্ডস আশা করি সবাই ভাল আছেন । আমিও আলহামদুলিল্লাহ ভালো । আমরা ইতিমধ্যে অনেক কিছু জেনে ফেলেছি এর আগের প্রতিটা পোস্টে এমন কি আমি দ্বিতীয় পোস্ট এ এটাও বলেছি যে ফ্রি ডোমেইন হোস্টিং নিয়ে এবং এর সুবিধা অসুবিধা নিয়ে এবং .COM ডোমেইন নিয়ে যারা আমার পূর্ববর্তী পোস্টগুলো দেখেছেন তাদের অসংখ্য ধন্যবাদ এবং যারা দেখেননি তারা দেখে আসতে পারেন অনেক কিছু বুঝতে পারবেন এমনকি শিখতে পারবেন অনেক ধারণা আপনাদের হয়ে যাবে আশা করি আমি লিংকটা দিয়ে দিলাম ভিজিট এখানে আমরা অনেকেই ফ্রিতে ডটকম ডোমেইন নিতে চাই তাই আজ আমি আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি কিভাবে ফ্রিতে ডোমেইন-হোষ্টিং একসাথে একটি ওয়েবসাইট থেকে নিতে পারেন এমনকি আমি আপনাদের বলেছিলাম  সাধারণত আমরা যারা ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে ডিজাইন করি ওয়েবসাইট বানাই তারা জানি আমরা সি প্যানেলের মাধ্যমে কন্ট্রোল প্যানেলের মাধ্যমে ওয়ার্ডপ্রেস সেটআপ করে আমরা ওয়েবসাইট বানিয়ে নিতে পারি খুব সহজেই। প্রথম থেকেই মানে আমরা ডোমেইন হোস্টিং কিভাবে নিব এবং তা থেকে কিভাবে আমরা ওয়ার্ডপ্রেস সেটআপ করবো এই পর্যন্ত আমরা জানবো আশা করি আপনারা প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত থাকবেন অনেক কিছু জানতে পারবেন । আপনারা ডটকম ডোমেইন নিতে পারবেন পার্সোনালি আপনার কোন ওয়েবসাইট বানানোর প্রয়োজন হলে । আপনারা আমার মতো অনুসরন করে নিতে পারেন । আমি একটা ওয়েবসাইট থেকে নিয়ে দেখাচ্ছি আমি ওয়েবসাইট এর লিঙ্ক টা দিয়ে দিলাম ভিজিট   তাহলে চলুন আমরা স্টেপ বাই স্টেপ কাজ গুলা দেখেনি 🙂

 

ডোমেইন হোস্টিং রেজিস্ট্রেশন

STEP ==>01

STEP ==>1 ফ্রি ডোমেইন হোস্টিং রেজিস্ট্রেশন করার জন্য প্রথমত আমাদের এই লিংকে VISIT যেতে হবে তারপর সাইন আপ বাটনে ক্লিক করতে হবে যেহেতু আমাদের কোন আগের একাউন্ট করা নাই এই সাইটে ।

ডোমেইন হোস্টিং রেজিস্ট্রেশন
STEP ==>02

STEP ==>2 তারপর আমাদের এই ছবির মত পাসওয়ার্ড ইমেইল এবং টিক মার্ক দিয়ে যদি ক্যাপছা আসে তাইলে তা পূরণ করে আমাদের ক্রিয়েট অন একাউন্ট এ ক্লিক করতে হবে ।

ডোমেইন হোস্টিং রেজিস্ট্রেশন
STEP ==>03

STEP ==>3 তখন আমাদের বলবে আমাদের ইমেইল ভেরিফাই করতে তো আমাদের ইমেইল বক্স এ যেতে হবে আমরা যে জিমেইল দিয়ে আমরা একাউন্ট করেছি।যদি ইমেইল না আসে তাহলে আমাদের রিসেন্ট ইমেইল এ ক্লিক করতে হবে ।

STEP ==>04

STEP ==>4  তারপর আমাদের ভেরিফাই ইমেইল এ ক্লিক করে আমাদের একাউন্টে লগইন করতে হবে হয়ে গেল ভেরিফাই।

STEP ==>05

STEP ==>5 তখন আমাদের সাকসেস মেসেজ দেখাবে তারপর সেখানে একটা ফ্রম দেখাবে আমাদের ক্রিয়েট অন একাউন্ট এ ক্লিক করতে হবে ।

STEP ==>06

STEP ==>6  তারপর  আপনার সাইটের নাম দিয়ে ডানদিকের ড্রপডাউন থেকে যেকোন একটা ডোমেইন সিলেক্ট করতে হবে সেটা হবে আপ্নার নামের শেষের ডোমেইনটি যেমন আমি একটা সিলেক্ট করলাম। আপনি   যেকোন একটা সিলেক্ট করতে পারেন তারপর সার্চ বাটনে ক্লিক করতে হবে কারণ আপনাকে দেখতে হবে  নামটা ঐখানে দিয়েছেন ওই নামটা অ্যাভেলেবল আছে কিনা নাকি অন্য কেউ নিয়ে নিয়েছে যদিও নিয়ে নেয় তাহলে আপনাকে আরেকটা্নাটম দিতে হবে তারপর সার্চ দিতে হবে আবারও ।

STEP ==>07

STEP ==>7 এই স্টেপে  আপনারা একটা পাসওয়ার্ড দিবেন এবং আপনাদের সাইটের ইউ আর এল টা  দেখতে পারবেন ,এইখানে  ইউজারনেম অটোমেটিক জেনারেটেড হয়ে যাবে ।তারপর আপনার ক্যাপছাটা  পূরণ করে আপনারা তিন নাম্বার স্টেপে  চলে যাবেন ।

free domain hosting registration
STEP ==>08

STEP ==>8  যদি ওই নামটা অ্যাভেলেবল থাকে তাইলে আপনাকে সাকসেস ম্যাসেজ দেখাবে তারপর  কন্ট্রোল প্যানেলে যেতে পারবেন ।

free domain hosting registration
STEP ==>09

STEP ==>9 তারপর এরকম একটা মেসেজ আসবে সেটা আপনাদের  এপ্রুভ করতে হবে ।

STEP ==>10

STEP ==>10  তখন সেই প্যানেলে ঢোকার জন্য কিছুক্ষণ লোডিং নিতে পারে যদি নেটওয়ার্ক ভাল থাকে তাইলে হয়তো বা তাড়াতাড়ি হয়ে যাবে আর যদিও হয়তোবা লোডিং বেশি নে তাহলে বুঝতে হবে অপেক্ষা করতে হবে । আমারও প্রায় চার থেকে পাঁচ মিনিট লাগছে কন্ট্রোল প্যানেল আসতে আপনাদেরও হতে পারে কারণ এটা হচ্ছে ফ্রি ডোমেইন হোস্টিং এর কন্ট্রোল প্যানেল তেমন বেশি না স্প্রিড না ।

STEP ==>11

STEP ==>11 অল্প কিছুক্ষণ পর কন্ট্রোল প্যানেলের সন্ধান পেয়েছি এটাই হচ্ছে ওয়ার্ডপ্রেসের ওয়েবসাইটের মূল গোদাম 🙂 যেখানে সব কিছু মোটামোটি  করা যায় ।  এখানে মোটামুটি আপনারা যা সুবিধা পাবেন তা ডান দিকের আমি তাকে দেখিয়ে দিয়েছি আপনারা একজলকে দেখে নিতে পারেন এগুলো নিয়ে আমি এর আগে আলোচনা করেছি পোস্টে আলোচনা করেছি চাইলে দেখে আসতে পারেন দুইনাম্বার পোস্টটা আমি লিংক দিয়ে দিলাম CLICK HERE

c panel wordpress

সফটাকুলাস দিয়ে ওয়ার্ডপ্রেস সেটআপ

STEP ==>12

STEP ==>12 সফটাকুলাস দিয়ে  ওয়ার্ডপ্রেস ইন্সটল করার জন্য আপনাকে সহজেই উপরে সার্চ বারে softa লিখলেও চলে আসবে আপনার নামটা লিখবেন তখন  দেখতে পারবেন নিচে আইকন একটা সফটাকুলাস এর অপশন চলে আসছে আপনাদের এখানে ক্লিক করতে হবে 2

ডোমেইন হোস্টিং রেজিস্ট্রেশন

ওয়ার্ডপ্রেস ইনস্টল

STEP ==>13

STEP ==>13 তারপর আপনারা এখানে বিভিন্ন বিল্ডার দেখতে পারবেন  যেইগুলা দিয়ে  ওয়েবসাইট তৈরি করা হয় । সবচেয়ে জনপ্রিয় হচ্ছে ওয়ার্ডপ্রেস । আমরা যেহেতু  ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে ওয়েবসাইট বানাবো তাই আমাদের ওয়ার্ডপ্রেস এ ক্লিক করতে হবে ।

STEP ==>14

STEP ==>14  তারপর আপনারা দুইটা ইনস্টল বাটন দেখতে পাবেন আপনারা যে কোন একটা ইনস্টল বাটনে ক্লিক করতে পারেন ।

STEP ==>15

STEP ==>15 এটাই হচ্ছে আপনাদের মূল পেজ মানে সিকিউরিটি পেজ সেখানে আপনাদের ইমেইল ডেস্ক্রিপশন এবং সাইট নেম দিতে হবে এবং সবচেয়ে উপরে আপনাদের যে রকম আছে সে রকম দিবেন এখানে ড্রপডাউন থেকে কোন কিছু দেওয়ার দরকার নাই কারণ এইচটিটিপি আমি যেটা দিলাম সেটা হচ্ছে যে আমাদের কোন SSL সার্টিফিকেট ইন্সটল করা নাই যেহেতু এটা একটা ফ্রী ডোমেইন হোস্টিং তাই আমাদের যেরকম  আছে সেরকম দিতে হবে । তারপর অন্য গুলো আমাদের ফীলাফ করতে হবে ।

ডোমেইন হোস্টিং রেজিস্ট্রেশন

সহজেই ওয়ার্ডপ্রেস ইন্সটল এবং সেটআপ

STEP ==>16

STEP ==>16 তারপর আপনারা দয়া করে একটু নিচে যাবেন এবং সেখানে নিচে লেখা থাকবে ইন্সটল এবং কিছু ডিফল্ট থিম দেওয়া থাকবে আপনারা  চাইলে এখানে যেকোন একটা টিম সিলেক্ট করে ইন্সটল দিতে পারেন আমরা যেহেতু এখানে ইন্সটল করব ডাইরেক্ট  এখান থেকে ইন্সটল করব না থিম , কারণ অনেক ভালো ভালো থিম আমরা ইন্সটল করতে পারব যে কোন সময় । তাহলে আমাদের এখন ইনস্টল এ ক্লিক করতে হবে ।

STEP ==>17

STEP ==>17 এখন  আমাদের ওয়ার্ডপ্রেস ইন্সটল হয়ে যাবে একটু লোডিং নিবে যদি নেট ভালো থাকে তাহলে নিমিষেই হয়ে যাবে ইনস্টল । এইখানে যদিওবা কিছু করতে হবে না ।

STEP ==>18

STEP ==>18 তখন আপনাদের এরকম একটা পেজ  আসবে সেখানে আপনাদের দুইটা ইউআরএল থাকবে একটা হচ্ছে যে এডমিন প্যানেলের ওয়ার্ডপ্রেস  ড্যাশবোর্ড আর একটা ওয়েবসাইটের ঠিকানা যেটাকে আমরা ডোমেইন নাম বলি , ইউআরএল বলি । তো আমি এখানে দেখায় দিয়েছি আমাদের এডমিন প্যানেলে যাওয়ার জন্য আমরা যেখানে wp-admin লেখা আছে সেখানে ক্লিক করব । আপনারা চাইলে আমার সাইটটি  দেখতে পারেন এখানে কোন এখনো ওয়ার্ডপ্রেস সেটাপ করছি , কিন্তু কোন ওয়েবসাইট করা নাই যেটা আপনাদের দেখাচ্ছি click here 

STEP ==>19

STEP ==>19 আপনাদের অভিনন্দন আমরা মূল জায়গায় চলে এসেছি এখানে আমরা মূলত ওয়েবসাইট বানাই এই  ওয়ার্ডপ্রেসের  মাধ্যমে এটা হচ্ছে মূল এডমিন প্যানেল ।

ডোমেইন হোস্টিং রেজিস্ট্রেশন
STEP ==>20

STEP ==>20 এখন কথা হচ্ছে যে আমাদের মূল সাইট  লাইভ হয়েছে কিনা সার্ভার এ সেটা দেখব কিভাবে বা আমাদের সাইটের অবস্থায়  বা কিরকম সেটা দেখব কিভাবে সেটা দেখার জন্য আমাদের উপরে হোম আইকনে হবার করতে হবে অথবা ক্লিক করতে হবে সেখানে  লেখা থাকবে visit site এ  আমাদের ক্লিক করে আমাদের সাইটটা দেখতে হবে  । তো আমি ক্লিক করলাম ।চলুন দেখে আসি।

free .com domain
STEP ==>21

STEP ==>21 এটাই হচ্ছে আমাদের সাইটের হোম পেজ আমার  সাইট যেহেতু লাইভ হয়ে গেছে তাই এইরকম দেখাচ্ছে ।আপনার টা লাইভ না হলে এখানে একটা মেসেজ দেখা যাবে আপনারা সহজেই বুঝতে পারবেন লাইভ হয়েছে কিনা ।

STEP ==>22

STEP ==>22 এখন আর একটা কথা আপনারা বলতে পারেন  আচ্ছা  সবকিছু তো এখন বুঝলাম যদি আমাদের কোন কন্ট্রোল প্যানেলে  যেতে হয় তাহলে আমরা কিভাবে যাব । আপনারা  সহজেই যেতে পারেন তার জন্য আপনাকে যে সাইট থেকে আপ্নারা  ডোমেইন-হোস্টিং একাউন্ট করছেন সেই একাউন্টে যেতে হবে লগইন করে আপনাদের প্রোহাইল  আইকনে ক্লিক করতে হবে প্রোফাইল আইকনে সেখান থেকে  একাউন্ট এ ক্লিক করবেন ,  ক্লিক করার পর  এরকম অপশন দেখতে পারবেন , তারপর ম্যানেজ বাটনে ক্লিক করতে হবে ।যেহেতু এখানে আমার দুইটা ডোমেইন আছে যেটা আপনার সেটাতে  ক্লিক করবেন ম্যানেজে ।

ডোমেইন হোস্টিং রেজিস্ট্রেশন
STEP ==>23

STEP ==>23  তারপর আপনারা এরকম দুইটা অপশন দেখতে পারবেন আপনারা  কন্ট্রোল প্যানেলের ক্লিক করবেন তখন আপনারা সিপ্যানেল দেখতে পারবেন যেটার নাম হচ্ছে এখানে Vista প্যানেল ।

free hosting website
STEP ==>24

STEP ==>24 এটা হচ্ছে সিপ্যানেল অলরেডি আপনারা ইতিমধ্যে এটার সাথে পরিচিত হয়ে গিয়েছেন  যেটার মাধ্যমে আমরা  সফটাকুলাস  ব্যবহার করে  সহজে ওয়ার্ডপ্রেস ইনস্টল করে নিয়েছি । আমরা এখন আগের জায়গায় ফিরে এসেছি বাহ 🙂 প্রক্রিয়া টা খুব দারুন হয়েছে তাইনা ?

c panel wordpress

CONGRATULATION

অনেক জার্নির পর আমরা সর্বশেষে আমাদের প্রক্রিয়া টা শেষ করতে পেরেছি আশা করি আমিও আপনাদের সুন্দর ভাবে বুঝাতে পেরেছি । আর আমার এই পোস্টটি কেমন লেগেছে বা  আপনাদের কতটুকু উপকারে এসেছে আপনারা অবশ্যই কমেন্ট করে  আমাকে মতামত দিবেন । আর আপনাদের কোন প্রশ্ন থাকলে আমাকে কমেন্ট করে জানাতে পারেন আমি অবশ্যই উত্তর দেবো ইনশাআল্লাহ ।অথবা আপনারা চাইলে আমার সাথে এখানে ডাইরেক্ট লাইভ চ্যাট করতে পারেন ।আর আপনারা আমার সাথে সাথেই থাকবেন আর আমার পোস্টগুলো ফলো  করবেন আমি ইনশাল্লাহ  আপনাদের একটার পর একটা  নিয়ে আসার চেষ্টা করব যেইগুলা আপনাদের অনেক উপকার হবে আশা করি । সবাই ভাল থাকবেন সুস্থ থাকবেন আসসালামু আলাইকুম ।

আমরা দেখব পরবর্তী পোস্টে   কিভাবে নিজের একটা পার্সোনাল বা পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট তৈরি করা যায় । ওয়ার্ডপ্রেসের  মাধ্যমে ভালো  একটা থিম  দিয়ে খুব সুন্দর ভাবে আশা করি আপ্নারা সাথে থাকবেন । ইনশাআল্লাহ আমি পরবর্তীতে এটা দেওয়ার চেষ্টা করব ।

domain and hosting

What is domain and hosting A-Z Bangla?

ডোমেইন কি ?

About domain and hosting a-z bangla

একটি ডোমেইন (domain )নেম হল পাঠ্যের একটি স্ট্রিং যা একটি সংখ্যাসূচক আইপি ঠিকানায় ম্যাপ করে, যা ক্লায়েন্ট সফটওয়্যার থেকে ওয়েবসাইট অ্যাক্সেস করতে ব্যবহৃত হয়। সরল ইংরেজিতে, একটি ডোমেইন নাম হল একটি পাঠ্য যা ব্যবহারকারী একটি নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে পৌঁছানোর জন্য একটি ব্রাউজার উইন্ডোতে টাইপ করে। উদাহরণস্বরূপ, গুগলের জন্য ডোমেইন নাম হল ‘google.com’।যেমন আমারটা হচ্ছে এইটা  https://developerremo.xyz

একটি ওয়েবসাইটের প্রকৃত ঠিকানা হল একটি জটিল সংখ্যাসূচক আইপি ঠিকানা (উদা 10 103.21.244.0), কিন্তু DNS “Domain Name System” এর জন্য , ব্যবহারকারীরা মানব-বান্ধব ডোমেইন নাম প্রবেশ করতে সক্ষম হয় এবং যে ওয়েবসাইটগুলি তারা খুঁজছে তাদের কাছে যেতে পারে। এই প্রক্রিয়াটি DNS সন্ধান হিসাবে পরিচিত।

আপনার সাইটের জন্য ডোমেইন নাম হল একটি অদ্বিতীয় নাম। এই নামটাই আপনার সাইটের মুল ঠিকানা হবে। সাইটের মুল পাতাটি (হোম পেজ) সাধারনত ডোমেইন নামে অবস্থিত। যেমন আমার এ সাইটটির ডোমেইন নাম https://developerremo.xyz/

এই নামটি নিবন্ধন করে নিতে হবে, নিবন্ধন করার সাথে সাথেই ঐ সাইটের সকল তথ্য এবং আইপি এড্রেস DNS(Domain name System) Server এ সংরক্ষিত হয়ে যায়।শেষে যে শব্দটি থাকে যেমন .xyz .com, .net, .org.me.io.edu ইত্যাদি এগুলো নিজের ইচ্ছামত ঠিক করতে পারেন-সাধারনত কোম্পানি হলে .com, অর্গানাইজেশন হলে .org এভাবে নিয়ে থাকে।আর নিজের পার্সোনালি হলে .me .com .xyz ভালো।

 

** ডোমেইন নাম নিবন্ধনের অনেক কোম্পানি আছে যেমন visit , প্রতিটি ডোমেইন নামের জন্য সাধারনত ১০ – ১৫ ডলার (৮০০ – ১৫০০ টাকা) দিতে হবে বছরে। যদি .com.bd এরুপ ডোমেইন নেন তাহলে ২৫০০ টাকার মত খরচ হবে বছরে কারন .bd এর জন্য BTCL( Bangladesh Telecommunications Company Limited) কে ১০০০ টাকার মত দিতে হয়।

** ডোমেইন নাম ঠিক করার সময় অবশ্যই এরুপ নাম নিবেন যেটা উচ্চারন সহজ, অর্থপূর্ন, অল্প শব্দে হয়। এছাড়া .com ডোমেইন নিলে আরেকটা সুবিধা হচ্ছে নাম লিখে Ctrl+Enter দিলে সাইট open হয়। যেমন ব্রাউজারের এড্রেসবারে “webcoachbd” লিখে Ctrl+Enter দিন তাহলে www., .com এসব আর টাইপ করতে হবেনা।

** .com, .org, .net, .biz, .edu ইত্যাদি টপ লেভেল ডোমেইন। এছাড়া অনেক ফ্রি ডোমেইন আছে যেমন, .tk, .nf, .name ইত্যাদি।

ডোমেইন কয় প্রকার কি কি ?

যদি একটু লক্ষ্য করেন তাহলে দেখতে পাবেন ইন্টারনেটে কোনো বিষয়কে সার্চ করলে আমাদের সামনে হাজারো রকমের ওয়েবসাইট এসে উপস্থিত হয়, আসলে যে শব্দটি আমরা সার্চ করেছি তার সঙ্গে এই ওয়েবসাইটগুলির কোন না কোন ভাবে একটি সম্পর্ক থাকে এই কারণে এই ওয়েবসাইট গুলি আমাদের সার্চ পেজে এসে দেখা দেয়। আমাদের ওয়েব পেজে যে সার্চ রেজাল্ট আসে একটু লক্ষ্য করলে সেখানে দেখতে পাবেন অনেক প্রকার URL অ্যাড্রেস থাকে অর্থাৎ ডোমেন নেম /Domain Name থাকে।

এই বিষয়টি ভালো করে বোঝানোর জন্য যদি বলি কখনো লক্ষ্য করবেন কোন ওয়েবসাইটের এড্রেস টি থাকে Blogspot.com আবার কখনো থাকে Google.com কখনো থাকে Google.bd কোন থাকে Google.us ইত্যাদি। আসলে Domain এই এক্সটেনশন বা পরিচয় গুলি হল ডোমেইন এর বিভিন্ন প্রকারভেদ তাহলে চলুন আমরা বিভিন্ন ধরনের  ডোমেন / Domain সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিই।

Domain মূলত চার ধরনের হয়ে থাকে তা হলো:

     TLD = Top Level Domain

     gTLD = Generic Top Level Domain

     0SLD = Sub Level Domain

     ccTLD = Country Code Top Level Domain

TLD = Top Level Domain:

যেমনঃ .com, .org, .edu, .gov, .info, .net, ইত্যাদি। সাধারন কাজ বা ব্যবসা, অরগানাইজেশন,

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান, ইনফরমেশন ও নেটওয়ার্কিং সাইটের জন্য এগুলো সর্বোচ্চ লেভেল এর

Domain ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

gTLD = Generic Top Level Domain:

TLD গুলোর মধ্যে যেগুলো ডোমেইন কোন দেশের সাথে সংশ্লিষ্ট না তাদেরকে gTLD বলে। .com,

.org, .edu, .gov, .info, .net,  ইত্যাদি কিছু সংখ্যক Generic Top Level Domain.

আরো জানুন: 

0SLD = Sub Level Domain:

Domain Name এর আগে কিছু থাকলে তাকে Sub Level Domain বলে।

যেমন blog.nailpatel.com এখানে blog. হচ্ছে Sub Level Domain ।

একটা Domain এ একাধিক Sub Level Domain থাকতে পারে।

ccTLD = Country Code Top Level Domain:

বিভিন্ন দেশের নিজস্ব যেই ডোমেইন গুলো থাকে সেগুলকে Country Code Top Level Domain ।

যেমনঃ- .us (America) .uk (United Kingdom) .au (Australia) .bd(Bangladesh),

ইত্যাদি ।

সাব ডোমেইন কি সুবিধা ও অসুবিধাগুলা কি কি?

আর সাব ডোমেইন হচ্ছে এই সকল মূল ডোমেইন এর শাখা ডোমেইন অর্থাৎ সিম্পল কথায় বলতে গেলে সাব ডোমেইন হলো কোন ডোমেইনের আন্ডারে আরেকটি ডোমেইন। সাধারনত মূল ডোমেইন এর নাম ঠিক রেখে এর সামনে বা পিছনে নতুন শব্দ যোগ করে সাব ডোমেইন তৈরি করা হয়।

উদাহরন :-

1==> https://developerremo.xyz/Creative2==> https://developerremo.xyz/blood-honey

সাব ডোমেইনের সুবিধা কী?

১। সাব ডোমেইনের ইউ আর এল (Url) সাধারণত বেশ ছোট আকারের হয়ে থাকে।

২। সাব ডোমেইনের ক্ষেত্রে DNS আলাদা করে ম্যানেজ করতে পারবেন।

৩। সাব ডোমেইনের জন্য আপনার ইচ্ছা মতো একটি আলাদা টেম্পলেট ব্যবহার করতে পারেন।

৪। সাব ডোমেইন সহজে ম্যানেজ করার পাশাপাশি সহজে পোস্ট করতে পারবেন।

৫। মূল ডোমেইনের মতো, সাব ডোমেইনের ভিতর ইন্টারনাল লিংক তৈরি করার সুযোগ কাজে লাগাতে পারেন।

সাব ডোমেইনের অসুবিধা কী ?

১। সাধারনত, সাব ডোমেইন টেকনিক্যালি একটি স্বাধীন সাইট। তাই আপনার সাব ডোমেইনের র‍্যাঙ্ক দ্বারা আপনার প্রধান ডোমেইন প্রভাবিত হবে না।

২। মূল ডোমেইনের মতো একটি সাব-ডোমেইন সাইটের সমস্ত ইউ আর এল (Url) পৃথকভাবে ইনডেক্স করতে হবে ।

৩। একটা ডোমেইনের মতই সাব ডোমেইনের জন্য আলাদা ভাবে SEO করতে হবে কারন সাব Url এর মত সাব ডোমেইনে SEO Juicies pass হয়না। এই ব্যাপারটা seo expert রা ভালো বুঝতে পারবেন।

৪। পাশাপাশি একটি পৃথক সাইট হিসাবে ওয়েবমাস্টার-টুলস, অ্যানালাইটিক ইত্যাদি পরিচালনা করতে হবে।

ডোমেইন এর কাজ কি ?

প্রত্যেকটি ওয়েবসাইট একটি web server এ হোস্ট (host) বা স্টোর (store) করা থাকে। এবং, একটি Domain সেই ওয়েবসাইটের সার্ভারের IP address বা স্যংখ্যিক ঠিকানাকে পয়েন্ট (point) করতে থাকে। … শেষে, একটি ডোমেইন নেম হলো, Ip address বা সাংখ্যিক ঠিকানার তুলনায়, যেকোনো ওয়েবসাইটকে ইন্টারনেটে খুঁজে পাওয়ার অনেক সহজ এবং সরল নাম।.

কিভাবে ডোমেইন কাজ করে থাকে ?

সাধারনত আপনি যখন কোন ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে যে কোন ওয়েবসাইট অ্যাড্রেস লিখে থাকেন, তখন নিম্নলিখিত ধাপগুলোর মাধ্যমে ডোমেইন কাজ করে থাকেঃ-

উদাহরণস্বরূপঃ- আপনি যখন  https://developerremo.xyz  ওয়েবসাইটটি তে প্রবেশ করবেন, তখন নিচের কাজ গুলো সম্পাদিত হবে।

প্রথমত, ব্রাউজার আইপি অ্যাড্রেস (IP Address) অনুসন্ধান করে ।

তারপর SG নেমসার্ভারে রিকোয়েস্ট পাঠানো হয়,

পরবর্তীতে, SG রিকোয়েস্টটি গ্রহণ করে লোকাল সার্ভার হতে প্রাইমারি সার্ভার এর সাথে যোগাযোগ করে,

প্রাইমারি নেমসার্ভার  https://developerremo.xyz  এর আইপি অ্যাড্রেস লোকাল নেম সার্ভারে পাঠানো হয়

ফাইনালি, সেই   https://developerremo.xyz   সাইটটি ব্রাউজারে প্রদর্শিত হয়

why use domain for website?

ডোমেইন নেম কেন ব্যবহার করা হয়?

সাধারণত একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে ডোমেইন নেম ব্যবহার করা হয়। যা হবে উক্ত ওয়েবসাইটের ঠিকানা।

ওয়েবসাইটের ঠিকানা ছাড়া অর্থাৎ ডোমেইন ব্যতীত কোনো একটি ওয়েবসাইট পাবলিশ করা অসম্ভব।

ডোমেইন নেমের আরেকটি বহুল ব্যবহৃত বিষয় হচ্ছে নিজের নাম বা ব্রন্ডের নামে বিজনেস ইমেইল তৈরি করা। এটিকে আবার প্রফেশনাল ইমেলও বলা হয়ে থাকে।

পৃথিবীতে সবচেয়ে ব্যবহৃত ইমেইল মাধ্যম হচ্ছে গুগলের জিমেইল (Gmail)। কিন্তু এটি সবাই ব্যবহার করে। তাছাড়া নিজের নাম বা বিজনেসের সাথে মিল রেখে প্রফেশনাল টাইপের ইমেল এখানে তৈরি করা যায় না।

কিন্ত আপনার একটি ডোমেইন থাকলে যে কোনো নাম দিয়ে ইমেইল তৈরি করতে পারবেন। যা প্রফেশনাল কাজে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।এখন আসি ওয়েবসাইট হোস্টিং কি 🙂

ওয়েবসাইট হোস্টিং কি ?

ওয়েব হোস্টিং হচ্ছে এমন একটি সেবা যার মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইট টি সব সময় অন থাকবে । সেই সাথে ওয়েবসাইটটি ওয়ার্ল্ড ওয়াইড প্রদর্শন করতে পারবেন। মূলত, আপনার ওয়েবসাইটের Content, Images, Videos, এবং বিভিন্ন File সার্বক্ষণিক তথা দিনে ২৪ ঘন্টা এবং বছরে ৩৬৫ দিন চালু রাখার জন্য একটি স্পেস বা জায়গা প্রয়োজন। আর সেই নির্ধারিত স্পেস বা জায়গা কেই বলা হয় ওয়েবসাইটের হোস্টিং বা ওয়েব হোস্টিং (Web Hosting) । আবার হোস্টিং কে সাধারনত সার্ভার (Server) বলা হয় এবং কখনও এটিকে ওয়েব সার্ভার (Web Server) ও বলা হয়ে থাকে। আপনি যদি একটি ডোমেইন কিনেন অবশ্যই তার জন্য একটি হোস্টিং কিনতে হবে। আপনি একটি ডোমেইন কিনলেন মানে ইন্টারনেটে  একটি নাম কিনলেন, এখন আপনার ডোমেইনটিকে দিনে ২৪ ঘন্টা সপ্তাহে ৭ দিন অনলাইনে রাখতে হবে। এর জন্য আপনার একটি হোস্টিং দরকার। আর এই ডোমেইন এবং হোস্টিং মিলেই হলো ওয়েব সাইট। সহজ ভাষায় বলা যায়, ওয়েবসাইট হল আপনার তথ্যকে অন্যের সামনে উপস্থাপন করার রাস্তা- সেটা টেক্সট বা মাল্টিমিডিয়া (যেমনঃ ছবি, অডিও বা ভিডিও) যে কোন ধরনের হতে পারে। ওয়েবসাইটে সেগুলো সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা ওয়েব ডেভেলপারের কাজ। 

আরো বিস্তারিত  ওয়েব হোস্টিং নিয়ে:)

ওয়েব হোস্টিং এমন একটি পরিষেবা যা সংস্থা এবং ব্যক্তিদের একটি ওয়েবসাইট বা ওয়েব পৃষ্ঠা ইন্টারনেটে পোস্ট করতে দেয়। একটি ওয়েব হোস্ট, বা ওয়েব হোস্টিং পরিষেবা প্রদানকারী এমন একটি ব্যবসা যা ইন্টারনেটে দেখার জন্য ওয়েবসাইট বা ওয়েবপৃষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি এবং পরিষেবা সরবরাহ করে। সার্ভার নামক বিশেষ কম্পিউটারে ওয়েবসাইটগুলি হোস্ট করা বা সংরক্ষণ করা হয়। ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা যখন আপনার ওয়েবসাইটটি দেখতে চান, তাদের ব্রাউজারে আপনার ওয়েবসাইট ঠিকানা বা ডোমেন টাইপ করতে হবে। তাদের কম্পিউটারগুলি তখন আপনার সার্ভারের সাথে সংযুক্ত হবে এবং ব্রাউজারের মাধ্যমে আপনার ওয়েবপৃষ্ঠাগুলি তাদের কাছে সরবরাহ করা হবে। বেশিরভাগ হোস্টিং সংস্থাগুলির প্রয়োজন হয় যে সেগুলি দিয়ে হোস্ট করার জন্য আপনার নিজের ডোমেনের মালিকানা রয়েছে। আপনার যদি ডোমেন না থাকে তবে হোস্টিং সংস্থাগুলি আপনাকে একটি কিনে সহায়তা করবে।

হোস্টিং প্রদানকারীর কাছ থেকে কিছু বৈশিষ্ট্য আশা করা উচিত:

1….Email Accounts               

2….FTP Access

3….WordPress Support

4…..Subdomain

5…..sub directory.

কীভাবে হোস্টিং কাজ করে থাকে ?

যখন কেউ আপনার ওয়েবসাইটের ডোমেইনটি ব্রাউজারে লিখে ইন্টারনেটে সার্চ করবে তখন ডোমেইন নামটি IP Address এ রূপান্তরিত হয়ে ওয়েব হোস্টিং কোম্পানির কম্পিউটারে নিয়ে যাবে মূলত যেখানে আপনার ওয়েবসাইটের Content, Images, Videos, এবং বিভিন্ন ফাইলগুলো জমা করে রাখা হয়েছে। সেখান থেকে জমা করা ফাইলগুলো তৎক্ষণিক ভাবে ভিজিটর বা ইউজারের ব্রাউজারে পাঠানো হয়। তারপর ইউজার সেই ওয়েবসাইট টি দেখতে পান। এভাবেই মুলত ওয়েব হোস্টিং কাজ করে থাকে।

হোস্টিং কেন ব্যবহার করা হয় ?

খুব সহজ ভাষায় বললে হোস্টিং (Hosting) বলতে একটি ওয়েবসাইটের বিভিন্ন ফাইল যে জায়গা বা স্পেসে রাখা হয় তাকে বোঝায়।

যেমন আমারা ফোনের মেমরিতে বিভিন্ন অডিও (Audio), ভিডিও (Video) ফাইল রাখি। অডিও ভিডিও ফাইলের মত একটি ওয়েবসাইটেরও বিভিন্ন ফাইল থাকে।

যেমন পরিচিত ফাইলের মধ্যে রয়েছে এইচটিএমএল (HTML), সিএসএস (CSS), জাভাস্ক্রিপ্ট (Javascript), পিএইচপি (PHP) ইত্যাদি ফাইল।

মোবাইলে আমার যাখন কোনো ভিডিও এর উপর ক্লিক করি তাখন তা আমাদের ফোনের স্টোরেজ বা মেমরি থেকে চলতে থাকে।

ঠিক তেমনিভাবে যখন কেউ কোনো ওয়েবসাইটের অ্যাড্রেস (Address) দিয়ে ব্রাউজারে প্রবেশ করে তখন তা হোস্টিং থেকে লোড হয় বা চলতে থাকে।

মেমরির মত হোস্টিং এর স্টোরেজেরও লিমিট থাকে। যেমন ১ জিবি, ৫ জিবি, ১০ জিবি স্টোরেজের হোস্টিং। এসবের কারনে হোস্টিং ব্যবহার করা হয়।

হোস্টিং কত প্রকার ও কি কি ?

হোস্টিং বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। এছাড়াও অপারেটিং সিস্টেম ভেদে ওয়েব হোষ্টিং কে দুই ভাগে ভাগ করা যায় ,যেমনঃ

১==লিনাক্স হোষ্টিং– পৃথিবীতে ব্যবহৃত সার্ভার এর প্রায় ৯৫% ভাগের বেশি হলো এই লিনাক্স সার্ভার । তুলনামূলক খরচ কম এবং খুব কম পরিমাণ সার্ভার রিসোর্স ব্যবহার করে ।

২==উইন্ডোজ হোষ্টিং – ASP. ASP. NET এ যদি আপনি একটি ওয়েব সাইট বানানোর পরিকল্পনা করেন তবে আপনার জন্য উইন্ডোজ হোষ্টি উত্তম হবে । 

 

তাছাড়া, হোস্টিং অনেক প্রকার রয়েছে। এর যেগুলো সব চেয়ে বেশি ব্যবহার করা হয় সেগুলোর নাম আমি নিচে বলে দিয়েছি। ব্লগ বা ওয়েবসাইটে যেগুলোকে বেশি ব্যবহার হয় সেগুলো হলো- 

  • শেয়ার হোস্টিং (share hosting)
  • ভার্চুয়াল প্রাইভেট হোস্টিং(V.P.S – virtual private server)
  • ডেডিকেটেড হোস্টিং (dedicated hosting)
  • ক্লাউড হোস্টিং (cloud hosting)

শেয়ার্ড হোস্টিং কী ?

শেয়ারড হোস্টিং মানেই হচ্ছে এক পিসিতে একটা হার্ড ডিস্ক থাকবে সেই হার্ড ডিস্ক এর সব স্পেস শেয়ার করা হয় অনেকে হোস্টিং ইউজারদের মধ্যে।

ধরুন,আপনাুলত ২জিবি হোস্টিং স্পেস লাগবে আপনার ওয়েব সাইট চালাতে। সেক্ষেত্রে আপনি একটা কোম্পানির কাছ থেকে ১ বছরের মেয়াদে সেই ২ জিবি হোস্টিং স্পেস কিনলেন, ওই হোস্টিং স্পেস এ আপনার সাইটের সব ডাটা বা ইনফো ( Web content, Images, Videos) রাখতে পারবেন । যে কোম্পানির থেকে কিনেছিলেন মূলত সেই কোম্পানি তার পিসির একটা হার্ড ডিস্ক থেকে আপনাকে ২ জিবি ভাড়া দিছে বাকি স্পেস কিন্তু আপনার মতো আরো অনেকের কাছে পাকেজ আকারে বিক্রি করবে। আর এটাই হলো শেয়ারড হোস্টিং (Shared Hosting)

শেয়ারড হোস্টিং এর/ (Shared Hosting) বিভিন্ন সুবিধা:

এই ধরনের হোস্টিং স্পেস নিতে খরচ কম লাগে এবং যে কেউ সহজেই চালাতে পারে যদি তাকে একবার দেখিয়ে দেওয়া হয় ভালোভাবে। এছাড়া নিম্নলিখিত সুবিধাবলির কারনে আমাদের দেশের বেশির ভাগ মানুষই শেয়ার্ড হোস্টিং (Shared Hosting) ব্যবহার করে থাকে। যেমনঃ

  • আনলিমিটেড সাব ডোমেইন
  • আনলিমিটেড ইমেইল
  • আনলিমিটেড ডেটাবেস
  • ৯৯.৯% আপটাইম
  • ফ্রি cPanel
  • ফ্রি ডোমেইন কন্ট্রোলার
  • ফ্রি লাইফ টাইম এসএসএল

শেয়ারড হোস্টিং এর/ (Shared Hosting) অসুবিধাঃ

  • শেয়ারড হোস্টিং এ নিরাপত্তা কম থাকে যেহেতু এক হার্ড ডিস্কের মধ্যে ৫০/১০০/১৫০ এর বেশি গ্রাহকের ওয়েবসাইট এর ইনফো, ডাটা থাকে।
  • অনেক সময় লোড বেশি পড়লে সাইট ডাউন হয়ে যাওয়ার সম্ভবনা থাকে।
  • ভিপিএস হোস্টিং ব্যাবহারকারি ওয়েবসাইটের তুলনায় শেয়ারড হোস্টিং ব্যাবহারকারি ওয়েবসাইটের লোডিং স্পিড অনেক কম থাকে।

ভার্চুয়াল প্রাইভেট হোস্টিং কি ?

ভার্চুয়াল প্রাইভেট সার্ভারের জন্য VPS সংক্ষিপ্ত। ভিপিএস হোস্টিং হল অন্যতম জনপ্রিয় হোস্টিং সেবা যা আপনি আপনার ওয়েবসাইটের জন্য বেছে নিতে পারেন। এটি একাধিক ব্যবহারকারীর সাথে একটি সার্ভারে ডেডিকেটেড (ব্যক্তিগত) সম্পদ প্রদানের জন্য ভার্চুয়ালাইজেশন প্রযুক্তি ব্যবহার করে।

এটি ভাগ করা হোস্টিংয়ের চেয়ে আরও নিরাপদ এবং স্থিতিশীল সমাধান যেখানে আপনি একটি ডেডিকেটেড সার্ভার স্পেস পান না। যাইহোক, এটি একটি সম্পূর্ণ সার্ভার ভাড়া নেওয়ার চেয়ে ছোট-স্কেল এবং সস্তা।

ভিপিএস হোস্টিং সাধারণত ওয়েবসাইট মালিকদের দ্বারা বেছে নেওয়া হয় যাদের মাঝারি স্তরের ট্রাফিক রয়েছে যা ভাগ করা হোস্টিং পরিকল্পনার সীমা অতিক্রম করে কিন্তু এখনও ডেডিকেটেড সার্ভারের রিসোর্সের প্রয়োজন হয় না।

ভার্চুয়াল প্রাইভেট হোস্টিং কিভাবে কাজ করে?

সার্ভার হচ্ছে এমন একটি কম্পিউটার যেখানে আপনার ওয়েব হোস্ট আপনার ওয়েবসাইটের জন্য প্রয়োজনীয় ফাইল এবং ডাটাবেস সংরক্ষণ করে। যখনই একজন অনলাইন ভিজিটর আপনার ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে চায়, তাদের ব্রাউজার আপনার সার্ভারে একটি অনুরোধ পাঠায় এবং এটি ইন্টারনেটের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ফাইল স্থানান্তর করে। ভিপিএস হোস্টিং আপনাকে একটি ভার্চুয়াল সার্ভার প্রদান করে যা একটি ফিজিক্যাল সার্ভারকে সিমুলেট করে, তবে বাস্তবে, মেশিনটি একাধিক ব্যবহারকারীর মধ্যে ভাগ করা হয়।

ভার্চুয়ালাইজেশন প্রযুক্তি ব্যবহার করে, আপনার হোস্টিং প্রদানকারী সার্ভারের অপারেটিং সিস্টেম (ওএস) এর উপরে একটি ভার্চুয়াল স্তর ইনস্টল করে। এই স্তরটি সার্ভারকে পার্টিশনে বিভক্ত করে এবং প্রতিটি ব্যবহারকারীকে তাদের নিজস্ব OS এবং সফটওয়্যার ইনস্টল করার অনুমতি দেয়।

অতএব, ভার্চুয়াল প্রাইভেট সার্ভার (ভিপিএস) ভার্চুয়াল এবং প্রাইভেট উভয়ই কারণ আপনার সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। এটি ওএস স্তরের অন্যান্য সার্ভার ব্যবহারকারীদের থেকে আলাদা। আসলে, ভিপিএস প্রযুক্তি আপনার নিজের কম্পিউটারে পার্টিশন তৈরির অনুরূপ যখন আপনি রিবুট ছাড়াই একাধিক ওএস (উদা Windows উইন্ডোজ এবং লিনাক্স) চালাতে চান।

একটি ভিপিএস চালানো আপনাকে নিশ্চিত ওয়েবসাইটের সাথে একটি নিরাপদ পাত্রে সেটআপ করতে দেয় (মেমরি, ডিস্ক স্পেস, সিপিইউ কোর, ইত্যাদি) আপনাকে অন্য ব্যবহারকারীদের সাথে শেয়ার করতে হবে না। ভিপিএস হোস্টিংয়ের সাথে, আপনার একই রুট-লেভেল অ্যাক্সেস আছে যেমন আপনার একটি ডেডিকেটেড সার্ভার আছে, কিন্তু অনেক কম খরচে।

VPS হোস্টিংয়ের সুবিধা অসুবিধা কী ?

VPS হোস্টিং আপনার জন্য একটি আদর্শ সমাধান হতে পারে যদি সেটাই আপনার সত্যিই প্রয়োজন। নীচে, আপনি একটি ভার্চুয়াল প্রাইভেট সার্ভার চালানোর সুবিধা এবং অসুবিধাগুলি পড়তে পারেন।

সুবিধা==>
১==এটি একটি ভাগ করা হোস্টিং সার্ভারের চেয়ে দ্রুত এবং আরো নির্ভরযোগ্য।
যেহেতু মেমরি বা প্রসেসিং পাওয়ারের মতো সার্ভার রিসোর্স গ্যারান্টিযুক্ত, উপলব্ধ রিসোর্সে শূন্য থেকে ন্যূনতম ওঠানামা রয়েছে।
২==অন্যান্য সার্ভার ব্যবহারকারীদের সমস্যা এবং ট্রাফিক বৃদ্ধি আপনার সাইটকে প্রভাবিত করে না।
৩==আপনি আপনার সার্ভারে সুপার ইউজার (রুট) অ্যাক্সেস পাবেন।
৪==আপনার ফাইল এবং ডেটাবেস অন্যান্য সার্ভার ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে লক করা থাকায় আপনার আরও ভাল গোপনীয়তা রয়েছে।
৫==এটি একটি সহজ-স্কেল পরিষেবা। আপনার ওয়েবসাইট বাড়ার সাথে সাথে আপনি সহজেই আপনার সার্ভার রিসোর্স (RAM, CPU, ডিস্ক স্পেস, ব্যান্ডউইথ ইত্যাদি) আপগ্রেড করতে পারেন।

অসুবিধা==>
১==এটি শেয়ার্ড হোস্টিং এর চেয়ে বেশি ব্যয়বহুল।
২==আপনার সার্ভার পরিচালনা করতে এর জন্য আরো প্রযুক্তিগত জ্ঞান প্রয়োজন।
৩==ভুলভাবে কনফিগার করা সার্ভারগুলি নিরাপত্তা দুর্বলতার দিকে নিয়ে যেতে পারে।

ডেডিকেটেড হোস্টিং কি ?

ডেডিকেটেড হোস্টিং এর মাধ্যমে, আপনি আপনার ব্যবসার জন্য একটি সম্পূর্ণ ভৌত সার্ভার ভাড়া নেন। আপনার যদি উচ্চ-ট্রাফিক ওয়েবসাইট থাকে, ডেডিকেটেড হোস্টিং আপনার জন্য সেরা সমাধান হতে পারে, কারণ ডেডিকেটেড সার্ভারগুলি দ্রুত, নমনীয় এবং সম্পূর্ণরূপে কাস্টমাইজযোগ্য। যাইহোক, পরিষেবাটি অবশ্যই একটি মূল্য ট্যাগের সাথে আসে, তাই সেগুলি প্রত্যেকের জন্য মূল্যবান নয়, বিশেষ করে যদি আপনার একটি ছোট বা মাঝারি ওয়েবসাইট থাকে।

যদিও ভিপিএস হোস্টিং আপনাকে আপনার অপারেটিং সিস্টেম এবং সার্ভার অ্যাপ্লিকেশনগুলি নির্বাচন এবং কনফিগার করার অনুমতি দেয়, ডেডিকেটেড হোস্টিং আরও এক ধাপ এগিয়ে যায়। এটি আপনাকে কেবল সফ্টওয়্যারই নয়, হার্ডওয়্যারও কনফিগার করতে দেয় না, কারণ পুরো সার্ভারটি আপনার এবং সেটআপে কারও কোনও বক্তব্য নেই। আপনি সাইটে একটি ডেডিকেটেড সার্ভারও চালাতে পারেন (উদাহরণস্বরূপ, আপনার অফিসে), তবে আপনি সেই ক্ষেত্রে পেশাদার হোস্টিং দলের সমর্থন হারাবেন।এইটা তো মোটামুটি ভিপিএস হোস্টিং এর মত সুবিধা অসুবিধা হয়েছে প্রায় সমান সমান তাই আর আলোচনা করা হলো না।এই ধরনের হোস্টিং ব্যবহার করতে আপনার অনেক দক্ষতার প্রয়োজন

ক্লাউড হোস্টিং কী ?

ক্লাউড হোস্টিংয়ের সাথে, আপনি একটি একক সার্ভার ব্যবহার করবেন না বরং ক্লাউড যা ক্লাউডে চলে। ক্লাস্টারের প্রতিটি সার্ভার আপনার ওয়েবসাইটের একটি আপ টু ডেট কপি সংরক্ষণ করে। যখন একটি সার্ভার খুব ব্যস্ত থাকে, ক্লাস্টার স্বয়ংক্রিয়ভাবে কম ব্যস্ত সার্ভারে ট্রাফিক পুন redনির্দেশিত করে। ফলস্বরূপ, ক্লাউড হোস্টিং কোনও ডাউনটাইম ছাড়াই আসে, কারণ ক্লাস্টারে সর্বদা একটি সার্ভার থাকে যা আপনার ওয়েবসাইটের দর্শকদের অনুরোধগুলি পূরণ করতে পারে।

ক্লাউড হোস্টিং এবং ভিপিএস হোস্টিং একে অপরের জন্য একচেটিয়া নয়। পরিবর্তে, অনেক হোস্টিং কোম্পানি ক্লাউড অবকাঠামোতে VPS হোস্টিং অফার করে। আমরা হোস্টিংগারে যে সমাধানটি বেছে নিয়েছি তাও, কারণ আমরা দেখেছি যে ভিপিএস এবং ক্লাউড প্রযুক্তির সংমিশ্রণ ভার্চুয়াল সার্ভার পরিবেশে সর্বোচ্চ সম্ভাব্য কর্মক্ষমতা এবং নির্ভরযোগ্যতার দিকে পরিচালিত করে।এইটা তো মোটামুটি ভিপিএস হোস্টিং এর মত সুবিধা অসুবিধা হয়েছে প্রায় সমান সমান তাই আর আলোচনা করা হলো না।এই ধরনের হোস্টিং ব্যবহার করতে আপনার অনেক দক্ষতার প্রয়োজন

কোন হোস্টিংটা ভালো ?

মোটামুটি সব হোস্টিং hosting ভালো ডেডিকেট হোস্টিং ভিপিএস হোস্টিং ক্লাউড হোস্টিং সবকিছু ভালো কিন্তু ওইগুলা ব্যবহার করা অনেকটা কঠিন আমি যদি প্রথমে শুরু করতে চান হোস্টিং কিনতে চান তাহলে শেয়ার হোস্টিং কিনতে পারেন যেটা ইউজ করা অনেক সহজ সিপ্যানেলের মাধ্যমে।আপনি প্রাথমিক অবস্থায় শেয়ার্ড হোষ্টিং দিয়ে শুরু করতে পারেন। তবে এই ধরনে্র সাইটে ভিজিটর বাড়লে সার্ভারে অনেক লোড হয়। এ ক্ষেত্রে পরবর্তীতে ভিপিএস বা ডেডিকেটেড সার্ভারে মুভ করে নিতে পারবেন।

কোন হোস্টিং সস্তা ?

আসলে আপনি কোন ধরনের বা কত জিবি হোস্টিং নিবেন এর উপর নির্ভর করে দামটা আর অনেকের যারা হোস্টিং প্রবাইড করে তাদের উপরও নির্ভর করে কারা কত পার্সেন্ট ডিসকাউন্ট দে।হোস্টিং বিক্রি করে আর বিভিন্ন ধরনের হোস্টিং আছে যেগুলা চালাতে যেমন কঠিন যেমন দক্ষতার প্রয়োজন হয় যেমন সার্ভিসের ওখানে মেমোরি জায়গা আছে অনেক অনেক জিবির প্রয়োজন হয়ে থাকে সেগুলো ব্যবহার যেমন অনেক কঠিন এবং দামি যেমন ডেডিকেটেড ,ভি.পি.এস. ক্লাউড হোস্টিং বিশেষ হোস্টিংগুলো শেয়ার হোস্টিং থেকে অনেক দামি কারণ এগুলা অনেক বড় বড় ওয়েবসাইট চালাতে ব্যবহৃত হয় দাম বেশি করে কারণ এগুলোর মধ্যে একটা কম্পিউটারের মত দিয়ে দিবে আপনাকে তাই দাম অনেক বেশি যদি আপনার  প্রথমে কোন কিছু যেমন ব্লক বা ছোট করে  ই কমার্স ব্যবসা  করতে  চান তাইলে আমি সস্তার মধ্যে শেয়ার হোস্টিং নিয়ে কাজ শুরু করতে বলব ।যদি আপনার পরবর্তীতে অনেক বড় হয়ে যায়  ব্যবসা বা কোন ব্লগ সাইট অনেক বড়  হয়ে যায় তাহলে অন্য হোস্টিং এ পরে  মুভ করতে পারবেন খুব সহজে ।

আশা করি বুঝতে পারছেন ।আজকে আমার আর্টিকেলটি আপনাদের কেমন লাগছে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন কোন মূল্যবান মতামত থাকলে আমাকে নির্ধিদায় জানাবেন আর আমি  পরবর্তীতে আরেকটা আর্টিকেল নিয়ে আসব যেখানে লেখা থাকবে বিভিন্ন ধরনের  বিশ্বাসযোগ্য ডোমেন হোস্টিং কোম্পানি এবং এবং ফ্রি ডোমেইন হোস্টিং কোম্পানি নিয়ে এবং ফ্রী ডোমেইন হোস্টিং এর সুবিধা অসুবিধা নিয়ে ।এবং ফ্রি ডোমেইন হোস্টিং নেওয়া ভালো না খারাপ ওয়েবসাইটের জন্য কেমন এবং গুগোল এডসেন্স এর জন্য কেমন হবে তা নিয়ে আমি আলোচনা করব ইনশাআল্লাহ, আশা করি সাথে থাকবেন ধন্যবাদ আসসালামুআলাইকুম ।