domain and hosting

What is domain and hosting A-Z Bangla?

Table of Contents সূচিপত্র

ডোমেইন কি ?

About domain and hosting a-z bangla

একটি ডোমেইন (domain )নেম হল পাঠ্যের একটি স্ট্রিং যা একটি সংখ্যাসূচক আইপি ঠিকানায় ম্যাপ করে, যা ক্লায়েন্ট সফটওয়্যার থেকে ওয়েবসাইট অ্যাক্সেস করতে ব্যবহৃত হয়। সরল ইংরেজিতে, একটি ডোমেইন নাম হল একটি পাঠ্য যা ব্যবহারকারী একটি নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে পৌঁছানোর জন্য একটি ব্রাউজার উইন্ডোতে টাইপ করে। উদাহরণস্বরূপ, গুগলের জন্য ডোমেইন নাম হল ‘google.com’।যেমন আমারটা হচ্ছে এইটা  https://developerremo.xyz

একটি ওয়েবসাইটের প্রকৃত ঠিকানা হল একটি জটিল সংখ্যাসূচক আইপি ঠিকানা (উদা 10 103.21.244.0), কিন্তু DNS “Domain Name System” এর জন্য , ব্যবহারকারীরা মানব-বান্ধব ডোমেইন নাম প্রবেশ করতে সক্ষম হয় এবং যে ওয়েবসাইটগুলি তারা খুঁজছে তাদের কাছে যেতে পারে। এই প্রক্রিয়াটি DNS সন্ধান হিসাবে পরিচিত।

আপনার সাইটের জন্য ডোমেইন নাম হল একটি অদ্বিতীয় নাম। এই নামটাই আপনার সাইটের মুল ঠিকানা হবে। সাইটের মুল পাতাটি (হোম পেজ) সাধারনত ডোমেইন নামে অবস্থিত। যেমন আমার এ সাইটটির ডোমেইন নাম https://developerremo.xyz/

এই নামটি নিবন্ধন করে নিতে হবে, নিবন্ধন করার সাথে সাথেই ঐ সাইটের সকল তথ্য এবং আইপি এড্রেস DNS(Domain name System) Server এ সংরক্ষিত হয়ে যায়।শেষে যে শব্দটি থাকে যেমন .xyz .com, .net, .org.me.io.edu ইত্যাদি এগুলো নিজের ইচ্ছামত ঠিক করতে পারেন-সাধারনত কোম্পানি হলে .com, অর্গানাইজেশন হলে .org এভাবে নিয়ে থাকে।আর নিজের পার্সোনালি হলে .me .com .xyz ভালো।

 

** ডোমেইন নাম নিবন্ধনের অনেক কোম্পানি আছে যেমন visit , প্রতিটি ডোমেইন নামের জন্য সাধারনত ১০ – ১৫ ডলার (৮০০ – ১৫০০ টাকা) দিতে হবে বছরে। যদি .com.bd এরুপ ডোমেইন নেন তাহলে ২৫০০ টাকার মত খরচ হবে বছরে কারন .bd এর জন্য BTCL( Bangladesh Telecommunications Company Limited) কে ১০০০ টাকার মত দিতে হয়।

** ডোমেইন নাম ঠিক করার সময় অবশ্যই এরুপ নাম নিবেন যেটা উচ্চারন সহজ, অর্থপূর্ন, অল্প শব্দে হয়। এছাড়া .com ডোমেইন নিলে আরেকটা সুবিধা হচ্ছে নাম লিখে Ctrl+Enter দিলে সাইট open হয়। যেমন ব্রাউজারের এড্রেসবারে “webcoachbd” লিখে Ctrl+Enter দিন তাহলে www., .com এসব আর টাইপ করতে হবেনা।

** .com, .org, .net, .biz, .edu ইত্যাদি টপ লেভেল ডোমেইন। এছাড়া অনেক ফ্রি ডোমেইন আছে যেমন, .tk, .nf, .name ইত্যাদি।

ডোমেইন কয় প্রকার কি কি ?

যদি একটু লক্ষ্য করেন তাহলে দেখতে পাবেন ইন্টারনেটে কোনো বিষয়কে সার্চ করলে আমাদের সামনে হাজারো রকমের ওয়েবসাইট এসে উপস্থিত হয়, আসলে যে শব্দটি আমরা সার্চ করেছি তার সঙ্গে এই ওয়েবসাইটগুলির কোন না কোন ভাবে একটি সম্পর্ক থাকে এই কারণে এই ওয়েবসাইট গুলি আমাদের সার্চ পেজে এসে দেখা দেয়। আমাদের ওয়েব পেজে যে সার্চ রেজাল্ট আসে একটু লক্ষ্য করলে সেখানে দেখতে পাবেন অনেক প্রকার URL অ্যাড্রেস থাকে অর্থাৎ ডোমেন নেম /Domain Name থাকে।

এই বিষয়টি ভালো করে বোঝানোর জন্য যদি বলি কখনো লক্ষ্য করবেন কোন ওয়েবসাইটের এড্রেস টি থাকে Blogspot.com আবার কখনো থাকে Google.com কখনো থাকে Google.bd কোন থাকে Google.us ইত্যাদি। আসলে Domain এই এক্সটেনশন বা পরিচয় গুলি হল ডোমেইন এর বিভিন্ন প্রকারভেদ তাহলে চলুন আমরা বিভিন্ন ধরনের  ডোমেন / Domain সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিই।

Domain মূলত চার ধরনের হয়ে থাকে তা হলো:

     TLD = Top Level Domain

     gTLD = Generic Top Level Domain

     0SLD = Sub Level Domain

     ccTLD = Country Code Top Level Domain

TLD = Top Level Domain:

যেমনঃ .com, .org, .edu, .gov, .info, .net, ইত্যাদি। সাধারন কাজ বা ব্যবসা, অরগানাইজেশন,

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান, ইনফরমেশন ও নেটওয়ার্কিং সাইটের জন্য এগুলো সর্বোচ্চ লেভেল এর

Domain ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

gTLD = Generic Top Level Domain:

TLD গুলোর মধ্যে যেগুলো ডোমেইন কোন দেশের সাথে সংশ্লিষ্ট না তাদেরকে gTLD বলে। .com,

.org, .edu, .gov, .info, .net,  ইত্যাদি কিছু সংখ্যক Generic Top Level Domain.

আরো জানুন: 

0SLD = Sub Level Domain:

Domain Name এর আগে কিছু থাকলে তাকে Sub Level Domain বলে।

যেমন blog.nailpatel.com এখানে blog. হচ্ছে Sub Level Domain ।

একটা Domain এ একাধিক Sub Level Domain থাকতে পারে।

ccTLD = Country Code Top Level Domain:

বিভিন্ন দেশের নিজস্ব যেই ডোমেইন গুলো থাকে সেগুলকে Country Code Top Level Domain ।

যেমনঃ- .us (America) .uk (United Kingdom) .au (Australia) .bd(Bangladesh),

ইত্যাদি ।

সাব ডোমেইন কি সুবিধা ও অসুবিধাগুলা কি কি?

আর সাব ডোমেইন হচ্ছে এই সকল মূল ডোমেইন এর শাখা ডোমেইন অর্থাৎ সিম্পল কথায় বলতে গেলে সাব ডোমেইন হলো কোন ডোমেইনের আন্ডারে আরেকটি ডোমেইন। সাধারনত মূল ডোমেইন এর নাম ঠিক রেখে এর সামনে বা পিছনে নতুন শব্দ যোগ করে সাব ডোমেইন তৈরি করা হয়।

উদাহরন :-

1==> https://developerremo.xyz/Creative2==> https://developerremo.xyz/blood-honey

সাব ডোমেইনের সুবিধা কী?

১। সাব ডোমেইনের ইউ আর এল (Url) সাধারণত বেশ ছোট আকারের হয়ে থাকে।

২। সাব ডোমেইনের ক্ষেত্রে DNS আলাদা করে ম্যানেজ করতে পারবেন।

৩। সাব ডোমেইনের জন্য আপনার ইচ্ছা মতো একটি আলাদা টেম্পলেট ব্যবহার করতে পারেন।

৪। সাব ডোমেইন সহজে ম্যানেজ করার পাশাপাশি সহজে পোস্ট করতে পারবেন।

৫। মূল ডোমেইনের মতো, সাব ডোমেইনের ভিতর ইন্টারনাল লিংক তৈরি করার সুযোগ কাজে লাগাতে পারেন।

সাব ডোমেইনের অসুবিধা কী ?

১। সাধারনত, সাব ডোমেইন টেকনিক্যালি একটি স্বাধীন সাইট। তাই আপনার সাব ডোমেইনের র‍্যাঙ্ক দ্বারা আপনার প্রধান ডোমেইন প্রভাবিত হবে না।

২। মূল ডোমেইনের মতো একটি সাব-ডোমেইন সাইটের সমস্ত ইউ আর এল (Url) পৃথকভাবে ইনডেক্স করতে হবে ।

৩। একটা ডোমেইনের মতই সাব ডোমেইনের জন্য আলাদা ভাবে SEO করতে হবে কারন সাব Url এর মত সাব ডোমেইনে SEO Juicies pass হয়না। এই ব্যাপারটা seo expert রা ভালো বুঝতে পারবেন।

৪। পাশাপাশি একটি পৃথক সাইট হিসাবে ওয়েবমাস্টার-টুলস, অ্যানালাইটিক ইত্যাদি পরিচালনা করতে হবে।

ডোমেইন এর কাজ কি ?

প্রত্যেকটি ওয়েবসাইট একটি web server এ হোস্ট (host) বা স্টোর (store) করা থাকে। এবং, একটি Domain সেই ওয়েবসাইটের সার্ভারের IP address বা স্যংখ্যিক ঠিকানাকে পয়েন্ট (point) করতে থাকে। … শেষে, একটি ডোমেইন নেম হলো, Ip address বা সাংখ্যিক ঠিকানার তুলনায়, যেকোনো ওয়েবসাইটকে ইন্টারনেটে খুঁজে পাওয়ার অনেক সহজ এবং সরল নাম।.

কিভাবে ডোমেইন কাজ করে থাকে ?

সাধারনত আপনি যখন কোন ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে যে কোন ওয়েবসাইট অ্যাড্রেস লিখে থাকেন, তখন নিম্নলিখিত ধাপগুলোর মাধ্যমে ডোমেইন কাজ করে থাকেঃ-

উদাহরণস্বরূপঃ- আপনি যখন  https://developerremo.xyz  ওয়েবসাইটটি তে প্রবেশ করবেন, তখন নিচের কাজ গুলো সম্পাদিত হবে।

প্রথমত, ব্রাউজার আইপি অ্যাড্রেস (IP Address) অনুসন্ধান করে ।

তারপর SG নেমসার্ভারে রিকোয়েস্ট পাঠানো হয়,

পরবর্তীতে, SG রিকোয়েস্টটি গ্রহণ করে লোকাল সার্ভার হতে প্রাইমারি সার্ভার এর সাথে যোগাযোগ করে,

প্রাইমারি নেমসার্ভার  https://developerremo.xyz  এর আইপি অ্যাড্রেস লোকাল নেম সার্ভারে পাঠানো হয়

ফাইনালি, সেই   https://developerremo.xyz   সাইটটি ব্রাউজারে প্রদর্শিত হয়

why use domain for website?

ডোমেইন নেম কেন ব্যবহার করা হয়?

সাধারণত একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে ডোমেইন নেম ব্যবহার করা হয়। যা হবে উক্ত ওয়েবসাইটের ঠিকানা।

ওয়েবসাইটের ঠিকানা ছাড়া অর্থাৎ ডোমেইন ব্যতীত কোনো একটি ওয়েবসাইট পাবলিশ করা অসম্ভব।

ডোমেইন নেমের আরেকটি বহুল ব্যবহৃত বিষয় হচ্ছে নিজের নাম বা ব্রন্ডের নামে বিজনেস ইমেইল তৈরি করা। এটিকে আবার প্রফেশনাল ইমেলও বলা হয়ে থাকে।

পৃথিবীতে সবচেয়ে ব্যবহৃত ইমেইল মাধ্যম হচ্ছে গুগলের জিমেইল (Gmail)। কিন্তু এটি সবাই ব্যবহার করে। তাছাড়া নিজের নাম বা বিজনেসের সাথে মিল রেখে প্রফেশনাল টাইপের ইমেল এখানে তৈরি করা যায় না।

কিন্ত আপনার একটি ডোমেইন থাকলে যে কোনো নাম দিয়ে ইমেইল তৈরি করতে পারবেন। যা প্রফেশনাল কাজে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।এখন আসি ওয়েবসাইট হোস্টিং কি 🙂

ওয়েবসাইট হোস্টিং কি ?

ওয়েব হোস্টিং হচ্ছে এমন একটি সেবা যার মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইট টি সব সময় অন থাকবে । সেই সাথে ওয়েবসাইটটি ওয়ার্ল্ড ওয়াইড প্রদর্শন করতে পারবেন। মূলত, আপনার ওয়েবসাইটের Content, Images, Videos, এবং বিভিন্ন File সার্বক্ষণিক তথা দিনে ২৪ ঘন্টা এবং বছরে ৩৬৫ দিন চালু রাখার জন্য একটি স্পেস বা জায়গা প্রয়োজন। আর সেই নির্ধারিত স্পেস বা জায়গা কেই বলা হয় ওয়েবসাইটের হোস্টিং বা ওয়েব হোস্টিং (Web Hosting) । আবার হোস্টিং কে সাধারনত সার্ভার (Server) বলা হয় এবং কখনও এটিকে ওয়েব সার্ভার (Web Server) ও বলা হয়ে থাকে। আপনি যদি একটি ডোমেইন কিনেন অবশ্যই তার জন্য একটি হোস্টিং কিনতে হবে। আপনি একটি ডোমেইন কিনলেন মানে ইন্টারনেটে  একটি নাম কিনলেন, এখন আপনার ডোমেইনটিকে দিনে ২৪ ঘন্টা সপ্তাহে ৭ দিন অনলাইনে রাখতে হবে। এর জন্য আপনার একটি হোস্টিং দরকার। আর এই ডোমেইন এবং হোস্টিং মিলেই হলো ওয়েব সাইট। সহজ ভাষায় বলা যায়, ওয়েবসাইট হল আপনার তথ্যকে অন্যের সামনে উপস্থাপন করার রাস্তা- সেটা টেক্সট বা মাল্টিমিডিয়া (যেমনঃ ছবি, অডিও বা ভিডিও) যে কোন ধরনের হতে পারে। ওয়েবসাইটে সেগুলো সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা ওয়েব ডেভেলপারের কাজ। 

আরো বিস্তারিত  ওয়েব হোস্টিং নিয়ে:)

ওয়েব হোস্টিং এমন একটি পরিষেবা যা সংস্থা এবং ব্যক্তিদের একটি ওয়েবসাইট বা ওয়েব পৃষ্ঠা ইন্টারনেটে পোস্ট করতে দেয়। একটি ওয়েব হোস্ট, বা ওয়েব হোস্টিং পরিষেবা প্রদানকারী এমন একটি ব্যবসা যা ইন্টারনেটে দেখার জন্য ওয়েবসাইট বা ওয়েবপৃষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি এবং পরিষেবা সরবরাহ করে। সার্ভার নামক বিশেষ কম্পিউটারে ওয়েবসাইটগুলি হোস্ট করা বা সংরক্ষণ করা হয়। ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা যখন আপনার ওয়েবসাইটটি দেখতে চান, তাদের ব্রাউজারে আপনার ওয়েবসাইট ঠিকানা বা ডোমেন টাইপ করতে হবে। তাদের কম্পিউটারগুলি তখন আপনার সার্ভারের সাথে সংযুক্ত হবে এবং ব্রাউজারের মাধ্যমে আপনার ওয়েবপৃষ্ঠাগুলি তাদের কাছে সরবরাহ করা হবে। বেশিরভাগ হোস্টিং সংস্থাগুলির প্রয়োজন হয় যে সেগুলি দিয়ে হোস্ট করার জন্য আপনার নিজের ডোমেনের মালিকানা রয়েছে। আপনার যদি ডোমেন না থাকে তবে হোস্টিং সংস্থাগুলি আপনাকে একটি কিনে সহায়তা করবে।

হোস্টিং প্রদানকারীর কাছ থেকে কিছু বৈশিষ্ট্য আশা করা উচিত:

1….Email Accounts               

2….FTP Access

3….WordPress Support

4…..Subdomain

5…..sub directory.

কীভাবে হোস্টিং কাজ করে থাকে ?

যখন কেউ আপনার ওয়েবসাইটের ডোমেইনটি ব্রাউজারে লিখে ইন্টারনেটে সার্চ করবে তখন ডোমেইন নামটি IP Address এ রূপান্তরিত হয়ে ওয়েব হোস্টিং কোম্পানির কম্পিউটারে নিয়ে যাবে মূলত যেখানে আপনার ওয়েবসাইটের Content, Images, Videos, এবং বিভিন্ন ফাইলগুলো জমা করে রাখা হয়েছে। সেখান থেকে জমা করা ফাইলগুলো তৎক্ষণিক ভাবে ভিজিটর বা ইউজারের ব্রাউজারে পাঠানো হয়। তারপর ইউজার সেই ওয়েবসাইট টি দেখতে পান। এভাবেই মুলত ওয়েব হোস্টিং কাজ করে থাকে।

হোস্টিং কেন ব্যবহার করা হয় ?

খুব সহজ ভাষায় বললে হোস্টিং (Hosting) বলতে একটি ওয়েবসাইটের বিভিন্ন ফাইল যে জায়গা বা স্পেসে রাখা হয় তাকে বোঝায়।

যেমন আমারা ফোনের মেমরিতে বিভিন্ন অডিও (Audio), ভিডিও (Video) ফাইল রাখি। অডিও ভিডিও ফাইলের মত একটি ওয়েবসাইটেরও বিভিন্ন ফাইল থাকে।

যেমন পরিচিত ফাইলের মধ্যে রয়েছে এইচটিএমএল (HTML), সিএসএস (CSS), জাভাস্ক্রিপ্ট (Javascript), পিএইচপি (PHP) ইত্যাদি ফাইল।

মোবাইলে আমার যাখন কোনো ভিডিও এর উপর ক্লিক করি তাখন তা আমাদের ফোনের স্টোরেজ বা মেমরি থেকে চলতে থাকে।

ঠিক তেমনিভাবে যখন কেউ কোনো ওয়েবসাইটের অ্যাড্রেস (Address) দিয়ে ব্রাউজারে প্রবেশ করে তখন তা হোস্টিং থেকে লোড হয় বা চলতে থাকে।

মেমরির মত হোস্টিং এর স্টোরেজেরও লিমিট থাকে। যেমন ১ জিবি, ৫ জিবি, ১০ জিবি স্টোরেজের হোস্টিং। এসবের কারনে হোস্টিং ব্যবহার করা হয়।

হোস্টিং কত প্রকার ও কি কি ?

হোস্টিং বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। এছাড়াও অপারেটিং সিস্টেম ভেদে ওয়েব হোষ্টিং কে দুই ভাগে ভাগ করা যায় ,যেমনঃ

১==লিনাক্স হোষ্টিং– পৃথিবীতে ব্যবহৃত সার্ভার এর প্রায় ৯৫% ভাগের বেশি হলো এই লিনাক্স সার্ভার । তুলনামূলক খরচ কম এবং খুব কম পরিমাণ সার্ভার রিসোর্স ব্যবহার করে ।

২==উইন্ডোজ হোষ্টিং – ASP. ASP. NET এ যদি আপনি একটি ওয়েব সাইট বানানোর পরিকল্পনা করেন তবে আপনার জন্য উইন্ডোজ হোষ্টি উত্তম হবে । 

 

তাছাড়া, হোস্টিং অনেক প্রকার রয়েছে। এর যেগুলো সব চেয়ে বেশি ব্যবহার করা হয় সেগুলোর নাম আমি নিচে বলে দিয়েছি। ব্লগ বা ওয়েবসাইটে যেগুলোকে বেশি ব্যবহার হয় সেগুলো হলো- 

  • শেয়ার হোস্টিং (share hosting)
  • ভার্চুয়াল প্রাইভেট হোস্টিং(V.P.S – virtual private server)
  • ডেডিকেটেড হোস্টিং (dedicated hosting)
  • ক্লাউড হোস্টিং (cloud hosting)

শেয়ার্ড হোস্টিং কী ?

শেয়ারড হোস্টিং মানেই হচ্ছে এক পিসিতে একটা হার্ড ডিস্ক থাকবে সেই হার্ড ডিস্ক এর সব স্পেস শেয়ার করা হয় অনেকে হোস্টিং ইউজারদের মধ্যে।

ধরুন,আপনাুলত ২জিবি হোস্টিং স্পেস লাগবে আপনার ওয়েব সাইট চালাতে। সেক্ষেত্রে আপনি একটা কোম্পানির কাছ থেকে ১ বছরের মেয়াদে সেই ২ জিবি হোস্টিং স্পেস কিনলেন, ওই হোস্টিং স্পেস এ আপনার সাইটের সব ডাটা বা ইনফো ( Web content, Images, Videos) রাখতে পারবেন । যে কোম্পানির থেকে কিনেছিলেন মূলত সেই কোম্পানি তার পিসির একটা হার্ড ডিস্ক থেকে আপনাকে ২ জিবি ভাড়া দিছে বাকি স্পেস কিন্তু আপনার মতো আরো অনেকের কাছে পাকেজ আকারে বিক্রি করবে। আর এটাই হলো শেয়ারড হোস্টিং (Shared Hosting)

শেয়ারড হোস্টিং এর/ (Shared Hosting) বিভিন্ন সুবিধা:

এই ধরনের হোস্টিং স্পেস নিতে খরচ কম লাগে এবং যে কেউ সহজেই চালাতে পারে যদি তাকে একবার দেখিয়ে দেওয়া হয় ভালোভাবে। এছাড়া নিম্নলিখিত সুবিধাবলির কারনে আমাদের দেশের বেশির ভাগ মানুষই শেয়ার্ড হোস্টিং (Shared Hosting) ব্যবহার করে থাকে। যেমনঃ

  • আনলিমিটেড সাব ডোমেইন
  • আনলিমিটেড ইমেইল
  • আনলিমিটেড ডেটাবেস
  • ৯৯.৯% আপটাইম
  • ফ্রি cPanel
  • ফ্রি ডোমেইন কন্ট্রোলার
  • ফ্রি লাইফ টাইম এসএসএল

শেয়ারড হোস্টিং এর/ (Shared Hosting) অসুবিধাঃ

  • শেয়ারড হোস্টিং এ নিরাপত্তা কম থাকে যেহেতু এক হার্ড ডিস্কের মধ্যে ৫০/১০০/১৫০ এর বেশি গ্রাহকের ওয়েবসাইট এর ইনফো, ডাটা থাকে।
  • অনেক সময় লোড বেশি পড়লে সাইট ডাউন হয়ে যাওয়ার সম্ভবনা থাকে।
  • ভিপিএস হোস্টিং ব্যাবহারকারি ওয়েবসাইটের তুলনায় শেয়ারড হোস্টিং ব্যাবহারকারি ওয়েবসাইটের লোডিং স্পিড অনেক কম থাকে।

ভার্চুয়াল প্রাইভেট হোস্টিং কি ?

ভার্চুয়াল প্রাইভেট সার্ভারের জন্য VPS সংক্ষিপ্ত। ভিপিএস হোস্টিং হল অন্যতম জনপ্রিয় হোস্টিং সেবা যা আপনি আপনার ওয়েবসাইটের জন্য বেছে নিতে পারেন। এটি একাধিক ব্যবহারকারীর সাথে একটি সার্ভারে ডেডিকেটেড (ব্যক্তিগত) সম্পদ প্রদানের জন্য ভার্চুয়ালাইজেশন প্রযুক্তি ব্যবহার করে।

এটি ভাগ করা হোস্টিংয়ের চেয়ে আরও নিরাপদ এবং স্থিতিশীল সমাধান যেখানে আপনি একটি ডেডিকেটেড সার্ভার স্পেস পান না। যাইহোক, এটি একটি সম্পূর্ণ সার্ভার ভাড়া নেওয়ার চেয়ে ছোট-স্কেল এবং সস্তা।

ভিপিএস হোস্টিং সাধারণত ওয়েবসাইট মালিকদের দ্বারা বেছে নেওয়া হয় যাদের মাঝারি স্তরের ট্রাফিক রয়েছে যা ভাগ করা হোস্টিং পরিকল্পনার সীমা অতিক্রম করে কিন্তু এখনও ডেডিকেটেড সার্ভারের রিসোর্সের প্রয়োজন হয় না।

ভার্চুয়াল প্রাইভেট হোস্টিং কিভাবে কাজ করে?

সার্ভার হচ্ছে এমন একটি কম্পিউটার যেখানে আপনার ওয়েব হোস্ট আপনার ওয়েবসাইটের জন্য প্রয়োজনীয় ফাইল এবং ডাটাবেস সংরক্ষণ করে। যখনই একজন অনলাইন ভিজিটর আপনার ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে চায়, তাদের ব্রাউজার আপনার সার্ভারে একটি অনুরোধ পাঠায় এবং এটি ইন্টারনেটের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ফাইল স্থানান্তর করে। ভিপিএস হোস্টিং আপনাকে একটি ভার্চুয়াল সার্ভার প্রদান করে যা একটি ফিজিক্যাল সার্ভারকে সিমুলেট করে, তবে বাস্তবে, মেশিনটি একাধিক ব্যবহারকারীর মধ্যে ভাগ করা হয়।

ভার্চুয়ালাইজেশন প্রযুক্তি ব্যবহার করে, আপনার হোস্টিং প্রদানকারী সার্ভারের অপারেটিং সিস্টেম (ওএস) এর উপরে একটি ভার্চুয়াল স্তর ইনস্টল করে। এই স্তরটি সার্ভারকে পার্টিশনে বিভক্ত করে এবং প্রতিটি ব্যবহারকারীকে তাদের নিজস্ব OS এবং সফটওয়্যার ইনস্টল করার অনুমতি দেয়।

অতএব, ভার্চুয়াল প্রাইভেট সার্ভার (ভিপিএস) ভার্চুয়াল এবং প্রাইভেট উভয়ই কারণ আপনার সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। এটি ওএস স্তরের অন্যান্য সার্ভার ব্যবহারকারীদের থেকে আলাদা। আসলে, ভিপিএস প্রযুক্তি আপনার নিজের কম্পিউটারে পার্টিশন তৈরির অনুরূপ যখন আপনি রিবুট ছাড়াই একাধিক ওএস (উদা Windows উইন্ডোজ এবং লিনাক্স) চালাতে চান।

একটি ভিপিএস চালানো আপনাকে নিশ্চিত ওয়েবসাইটের সাথে একটি নিরাপদ পাত্রে সেটআপ করতে দেয় (মেমরি, ডিস্ক স্পেস, সিপিইউ কোর, ইত্যাদি) আপনাকে অন্য ব্যবহারকারীদের সাথে শেয়ার করতে হবে না। ভিপিএস হোস্টিংয়ের সাথে, আপনার একই রুট-লেভেল অ্যাক্সেস আছে যেমন আপনার একটি ডেডিকেটেড সার্ভার আছে, কিন্তু অনেক কম খরচে।

VPS হোস্টিংয়ের সুবিধা অসুবিধা কী ?

VPS হোস্টিং আপনার জন্য একটি আদর্শ সমাধান হতে পারে যদি সেটাই আপনার সত্যিই প্রয়োজন। নীচে, আপনি একটি ভার্চুয়াল প্রাইভেট সার্ভার চালানোর সুবিধা এবং অসুবিধাগুলি পড়তে পারেন।

সুবিধা==>
১==এটি একটি ভাগ করা হোস্টিং সার্ভারের চেয়ে দ্রুত এবং আরো নির্ভরযোগ্য।
যেহেতু মেমরি বা প্রসেসিং পাওয়ারের মতো সার্ভার রিসোর্স গ্যারান্টিযুক্ত, উপলব্ধ রিসোর্সে শূন্য থেকে ন্যূনতম ওঠানামা রয়েছে।
২==অন্যান্য সার্ভার ব্যবহারকারীদের সমস্যা এবং ট্রাফিক বৃদ্ধি আপনার সাইটকে প্রভাবিত করে না।
৩==আপনি আপনার সার্ভারে সুপার ইউজার (রুট) অ্যাক্সেস পাবেন।
৪==আপনার ফাইল এবং ডেটাবেস অন্যান্য সার্ভার ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে লক করা থাকায় আপনার আরও ভাল গোপনীয়তা রয়েছে।
৫==এটি একটি সহজ-স্কেল পরিষেবা। আপনার ওয়েবসাইট বাড়ার সাথে সাথে আপনি সহজেই আপনার সার্ভার রিসোর্স (RAM, CPU, ডিস্ক স্পেস, ব্যান্ডউইথ ইত্যাদি) আপগ্রেড করতে পারেন।

অসুবিধা==>
১==এটি শেয়ার্ড হোস্টিং এর চেয়ে বেশি ব্যয়বহুল।
২==আপনার সার্ভার পরিচালনা করতে এর জন্য আরো প্রযুক্তিগত জ্ঞান প্রয়োজন।
৩==ভুলভাবে কনফিগার করা সার্ভারগুলি নিরাপত্তা দুর্বলতার দিকে নিয়ে যেতে পারে।

ডেডিকেটেড হোস্টিং কি ?

ডেডিকেটেড হোস্টিং এর মাধ্যমে, আপনি আপনার ব্যবসার জন্য একটি সম্পূর্ণ ভৌত সার্ভার ভাড়া নেন। আপনার যদি উচ্চ-ট্রাফিক ওয়েবসাইট থাকে, ডেডিকেটেড হোস্টিং আপনার জন্য সেরা সমাধান হতে পারে, কারণ ডেডিকেটেড সার্ভারগুলি দ্রুত, নমনীয় এবং সম্পূর্ণরূপে কাস্টমাইজযোগ্য। যাইহোক, পরিষেবাটি অবশ্যই একটি মূল্য ট্যাগের সাথে আসে, তাই সেগুলি প্রত্যেকের জন্য মূল্যবান নয়, বিশেষ করে যদি আপনার একটি ছোট বা মাঝারি ওয়েবসাইট থাকে।

যদিও ভিপিএস হোস্টিং আপনাকে আপনার অপারেটিং সিস্টেম এবং সার্ভার অ্যাপ্লিকেশনগুলি নির্বাচন এবং কনফিগার করার অনুমতি দেয়, ডেডিকেটেড হোস্টিং আরও এক ধাপ এগিয়ে যায়। এটি আপনাকে কেবল সফ্টওয়্যারই নয়, হার্ডওয়্যারও কনফিগার করতে দেয় না, কারণ পুরো সার্ভারটি আপনার এবং সেটআপে কারও কোনও বক্তব্য নেই। আপনি সাইটে একটি ডেডিকেটেড সার্ভারও চালাতে পারেন (উদাহরণস্বরূপ, আপনার অফিসে), তবে আপনি সেই ক্ষেত্রে পেশাদার হোস্টিং দলের সমর্থন হারাবেন।এইটা তো মোটামুটি ভিপিএস হোস্টিং এর মত সুবিধা অসুবিধা হয়েছে প্রায় সমান সমান তাই আর আলোচনা করা হলো না।এই ধরনের হোস্টিং ব্যবহার করতে আপনার অনেক দক্ষতার প্রয়োজন

ক্লাউড হোস্টিং কী ?

ক্লাউড হোস্টিংয়ের সাথে, আপনি একটি একক সার্ভার ব্যবহার করবেন না বরং ক্লাউড যা ক্লাউডে চলে। ক্লাস্টারের প্রতিটি সার্ভার আপনার ওয়েবসাইটের একটি আপ টু ডেট কপি সংরক্ষণ করে। যখন একটি সার্ভার খুব ব্যস্ত থাকে, ক্লাস্টার স্বয়ংক্রিয়ভাবে কম ব্যস্ত সার্ভারে ট্রাফিক পুন redনির্দেশিত করে। ফলস্বরূপ, ক্লাউড হোস্টিং কোনও ডাউনটাইম ছাড়াই আসে, কারণ ক্লাস্টারে সর্বদা একটি সার্ভার থাকে যা আপনার ওয়েবসাইটের দর্শকদের অনুরোধগুলি পূরণ করতে পারে।

ক্লাউড হোস্টিং এবং ভিপিএস হোস্টিং একে অপরের জন্য একচেটিয়া নয়। পরিবর্তে, অনেক হোস্টিং কোম্পানি ক্লাউড অবকাঠামোতে VPS হোস্টিং অফার করে। আমরা হোস্টিংগারে যে সমাধানটি বেছে নিয়েছি তাও, কারণ আমরা দেখেছি যে ভিপিএস এবং ক্লাউড প্রযুক্তির সংমিশ্রণ ভার্চুয়াল সার্ভার পরিবেশে সর্বোচ্চ সম্ভাব্য কর্মক্ষমতা এবং নির্ভরযোগ্যতার দিকে পরিচালিত করে।এইটা তো মোটামুটি ভিপিএস হোস্টিং এর মত সুবিধা অসুবিধা হয়েছে প্রায় সমান সমান তাই আর আলোচনা করা হলো না।এই ধরনের হোস্টিং ব্যবহার করতে আপনার অনেক দক্ষতার প্রয়োজন

কোন হোস্টিংটা ভালো ?

মোটামুটি সব হোস্টিং hosting ভালো ডেডিকেট হোস্টিং ভিপিএস হোস্টিং ক্লাউড হোস্টিং সবকিছু ভালো কিন্তু ওইগুলা ব্যবহার করা অনেকটা কঠিন আমি যদি প্রথমে শুরু করতে চান হোস্টিং কিনতে চান তাহলে শেয়ার হোস্টিং কিনতে পারেন যেটা ইউজ করা অনেক সহজ সিপ্যানেলের মাধ্যমে।আপনি প্রাথমিক অবস্থায় শেয়ার্ড হোষ্টিং দিয়ে শুরু করতে পারেন। তবে এই ধরনে্র সাইটে ভিজিটর বাড়লে সার্ভারে অনেক লোড হয়। এ ক্ষেত্রে পরবর্তীতে ভিপিএস বা ডেডিকেটেড সার্ভারে মুভ করে নিতে পারবেন।

কোন হোস্টিং সস্তা ?

আসলে আপনি কোন ধরনের বা কত জিবি হোস্টিং নিবেন এর উপর নির্ভর করে দামটা আর অনেকের যারা হোস্টিং প্রবাইড করে তাদের উপরও নির্ভর করে কারা কত পার্সেন্ট ডিসকাউন্ট দে।হোস্টিং বিক্রি করে আর বিভিন্ন ধরনের হোস্টিং আছে যেগুলা চালাতে যেমন কঠিন যেমন দক্ষতার প্রয়োজন হয় যেমন সার্ভিসের ওখানে মেমোরি জায়গা আছে অনেক অনেক জিবির প্রয়োজন হয়ে থাকে সেগুলো ব্যবহার যেমন অনেক কঠিন এবং দামি যেমন ডেডিকেটেড ,ভি.পি.এস. ক্লাউড হোস্টিং বিশেষ হোস্টিংগুলো শেয়ার হোস্টিং থেকে অনেক দামি কারণ এগুলা অনেক বড় বড় ওয়েবসাইট চালাতে ব্যবহৃত হয় দাম বেশি করে কারণ এগুলোর মধ্যে একটা কম্পিউটারের মত দিয়ে দিবে আপনাকে তাই দাম অনেক বেশি যদি আপনার  প্রথমে কোন কিছু যেমন ব্লক বা ছোট করে  ই কমার্স ব্যবসা  করতে  চান তাইলে আমি সস্তার মধ্যে শেয়ার হোস্টিং নিয়ে কাজ শুরু করতে বলব ।যদি আপনার পরবর্তীতে অনেক বড় হয়ে যায়  ব্যবসা বা কোন ব্লগ সাইট অনেক বড়  হয়ে যায় তাহলে অন্য হোস্টিং এ পরে  মুভ করতে পারবেন খুব সহজে ।

আশা করি বুঝতে পারছেন ।আজকে আমার আর্টিকেলটি আপনাদের কেমন লাগছে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন কোন মূল্যবান মতামত থাকলে আমাকে নির্ধিদায় জানাবেন আর আমি  পরবর্তীতে আরেকটা আর্টিকেল নিয়ে আসব যেখানে লেখা থাকবে বিভিন্ন ধরনের  বিশ্বাসযোগ্য ডোমেন হোস্টিং কোম্পানি এবং এবং ফ্রি ডোমেইন হোস্টিং কোম্পানি নিয়ে এবং ফ্রী ডোমেইন হোস্টিং এর সুবিধা অসুবিধা নিয়ে ।এবং ফ্রি ডোমেইন হোস্টিং নেওয়া ভালো না খারাপ ওয়েবসাইটের জন্য কেমন এবং গুগোল এডসেন্স এর জন্য কেমন হবে তা নিয়ে আমি আলোচনা করব ইনশাআল্লাহ, আশা করি সাথে থাকবেন ধন্যবাদ আসসালামুআলাইকুম ।

One Response

Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *